Category: আন্তর্জাতিক

  • মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উ. কোরিয়ার কর্মকর্তার বৈঠক

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উ. কোরিয়ার কর্মকর্তার বৈঠক

    উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন বৈঠক উপলক্ষে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করেছেন উত্তর কোরিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিম ইয়ং সুল। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে ১২ জুন সিঙ্গাপুরে ট্রাম্প-কিমের সম্ভাব্য বৈঠকের যাবতীয় প্রস্তুতি, আলোচ্যসূচি এবং এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর বিবিসির।

    এর আগে ট্রাম্প-কিমের বৈঠক বিষয়ে আলোচনা করতে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান উত্তর কোরিয়া প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিম ইয়ং সুল।

    সিঙ্গাপুরে আগামী ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জন উনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    সম্প্রতি হঠাৎ করে এ বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দেয়ার একদিন পর আবারও বৈঠকের আশা প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তারপরই বৈঠকের প্রস্তুতি উপলক্ষে দুই দেশের আনুষ্ঠানিকতা পুরোদমে শুরু হয়েছে।

  • সৌদির নিরাপত্তা ভবনের কাছে গোলাগুলি

    সৌদির নিরাপত্তা ভবনের কাছে গোলাগুলি

    আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে সৌদি আরবে। দেশটির তায়েফে অবস্থিত জাতীয় নিরাপত্তা ভবনের কাছে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকধারীদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে এক্সপ্রেস ডট কো ডট ইউকে।

    এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    তবে কারা, কি কারণে এ হামলা চালিয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

    গত ২১শে এপ্রিল রিয়াদের রাজপ্রাসাদের বাইরে ব্যাপক গোলগুলির একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর থেকে সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন্ সালমানকে না দেখা গেলে তার নিহতের খবর দেয় রুশ ও ইরানি গণমাধ্যম। তবে এক মাস পর সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসেন সালমান।

  • শিশুদের হোমওয়ার্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

    শিশুদের হোমওয়ার্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

    ভারতের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজ (হোমওয়ার্কের) দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। গতকাল মঙ্গলবার এক নির্দেশে বিচারপতি কিরুবাকরণ জানিয়েছেন, ‘কোনও স্কুলেই প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়াদের গণিত ও ভাষা ছাড়া অন্য কোনো বিষয় পড়তে বাধ্য করা যাবে না। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যোগ হবে শুধুমাত্র পরিবেশ বিজ্ঞান।’

    বিচারপতি আরও জানান, সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্কুলগুলোতে জাতীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কাউন্সিলের (এনসিইআরটি) নির্দেশ মেনে চলতে হবে।  সরকারি অনুমোদন না পাওয়া স্কুলগুলোকেও এ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে বলে রায়ে আরও বলা হয়। মঙ্গলবার দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের সংশ্লিষ্ট সরকারকে স্কুলের পাঠদানের মান সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের জন্য ফ্লাইং স্কোয়াড গঠনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে বিচারপতি জানিয়েছেন, ‘শিশুরা ভারোত্তলক (ওয়েটলিফটার) নন। স্কুলের ব্যাগও বস্তা নয়।’

  • ‘যৌন হয়রানি’ বন্ধে আইন করছে সৌদি আরব

    ‘যৌন হয়রানি’ বন্ধে আইন করছে সৌদি আরব

    যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। যেকোনো যৌন নিপীড়নের ঘটনায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে নতুন এই আইন প্রণীত হতে যাচ্ছে।

    সৌদি আরব ভিত্তিক গণমাধ্যম আরব নিউজের খবরে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার দেশটির মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়া খসড়া আইনটিতে যৌন নিপীড়নের সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৮০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এখন সৌদি বাদশা এ নিয়ে ডিক্রি জারি করলে খসড়া আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে।

    সৌদিতে যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের চলমান কথিত সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এর আগে সাত নারী অধিকারকর্মীকে আটকের ঘটনা চলমান থাকায় যুবরাজের সেই সংস্কার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    মন্ত্রী সভার সদস্য লতিফা আল সালানকে উদ্ধৃত করে দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, খসড়া বিলটি সৌদি আরবের আইনের ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। তিনি আরও বলেন, এর ফলে একটি বড় আইনি শূন্যতা পূরণ হলো। যৌন হয়রানি রোধে এটি বড় উদ্যোগ।

    ২০৩০ সাল নাগাদ তেল নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতি বহুমুখী করতে সৌদি আরবে পরিচালিত হচ্ছে সংস্কার উদ্যোগ। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া শুরু করেন। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত বছর নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সৌদি আরব যা আগামী ২৪ জুন থেকে কার্যকর হবে। তবে সম্প্রতি সাতজন নারী অধিকারকর্মীকে  গ্রেপ্তারের ঘটনায় সৌদি যুবরাজের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    সৌদির সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশি অপশক্তির সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে ওই নারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামতে প্রস্তুত ফিলিপাইন

    চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামতে প্রস্তুত ফিলিপাইন

    দক্ষিণ চীন সাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে ফিলিপাইনের রেড লাইন অতিক্রম করলে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত ম্যানিলা।

    ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালান পিটার কাইটানো এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দক্ষিণ চীন সাগরে নিজের অধিকার রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে তার দেশ।

    ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের বক্তব্য উদ্ধৃত করে কাইটানো বলেন, ‘কেউ পশ্চিম ফিলিপাইন সাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ হরণের চেষ্টা করলে তিনি যুদ্ধের নির্দেশ দেবেন।

    ২০১৬ সালের একটি আন্তর্জাতিক সালিশ কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর বেইজিংয়ের কোনো ঐতিহাসিক মালিকানা নেই।

    ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার দেশের রেড লাইনের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, বিতর্কিত স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জে চীন কোনো নির্মাণ কাজ চালাতে বা সেখানে মোতায়েন ম্যানিলার একটি যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা চালাতে পারবে না।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের আরেকটি রেড লাইন হচ্ছে সেখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ কেউ নিজের মনে করে নিতে পারবে না। সেইসঙ্গে স্পার্টলির থিটু দ্বীপে আমাদের সৈন্যরা যখন কোনো চালান নিয়ে যাবে বা সেখানকার রানওয়ে মেরামত করবে তখন তাদের উত্ত্যক্ত করা যাবে না। স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জে ফিলিপাইনের প্রশাসনিক ভূভাগের সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম থিটু।

    ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট দুতার্তের বরাত দিয়ে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যে হুমকি দিলেন তা দুতার্তের এর আগে ঘোষিত নীতির পরিপন্থি। দুই বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মার্কিন বিরোধী নেতা হিসেবে পরিচিত প্রেসিডেন্ট দুতের্তে চীনের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়িয়ে চলার মনোভাব ব্যক্ত করে এসেছেন।

  • ‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

    ‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

    ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

     তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

    মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

    এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

    তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

    এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

    ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

    এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

    মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

    (৩০মে/এসআই)

    ‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

    ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

    মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

    এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

    তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

    এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

    ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

    এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

    মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।