Category: আন্তর্জাতিক

  • বিমান দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন ১৫১ বাংলাদেশি

    সৌদি আরব থেকে ঢাকাগামী একটি বিমান বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। এর ফলে প্রাণে বেঁচে গেছেন বিমানটিতে থাকা ১৫১ বাংলাদেশি। গতকাল সোমবার বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

    জানা গেছে, ১৫১ আরোহী নিয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের SV3818 একটি বিমান মদিনা থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। আকাশে ওড়ার পর বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ায় পাইলট দ্রুত বিমানটি জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে জরুরি অবতরণ করাতে বাধ্য হন। এতে ল্যান্ডিং গিয়ার ভেঙে বিমানটি রানওয়েতে মুখ থুবড়ে পড়ে এবং বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ারে আগুন ধরে যায়।

    জেদ্দা বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশন এবং ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানায়, পাইলট কয়েকবার চেষ্টা করে বিমানটি অবতরণ করাতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২০ মিনিটে বিমানটি জরুরি অবতরণ করাতে সক্ষম হন তিনি।

    বিমানটি অবতরণ করার আগে সৌদি সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা মাথায় রেখেই সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। বিমানটি মাটি স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকারী দল দ্রুত যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

    সৌদি এয়ারলাইন্স তাদের অফিসিয়াল টুইটারে জানিয়েছে, বিমানটিতে ১৫১ জন আরোহী ছিল, যাদের সবাইকে নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। তারা সকলেই সুস্থ আছেন।

    বিমানটির যাত্রী আহাদুল হাসান জানান, ‘আলহামদুল্লিলাহ, আমরা প্রাণে বেঁচে এসেছি আল্লাহর হাজার শুকরিয়া। প্রায় দশবার বিমানটি অবতরণে চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে আমরা বেঁচে আসবো এ আশা ছিল না। বিমানের ভেতরে কান্নার রোল পড়ে যায়। যে যার মতো দোয়া দরুদ পড়ছিল।’

    বর্তমানে ফ্লাইটটির সকল যাত্রীদের জেদ্দা হজ টার্মিনালের লাউঞ্জে রাখা হয়েছে।

  • তুরস্কে ১০৪ সাবেক সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন

    তুরস্কে ১০৪ সাবেক সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন

    তুরস্কে ১০৪ সাবেক সেনা সদস্যেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। ২০১৬ সালে ব্যর্থ অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওই অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিল দেশটির আদালত।

    দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে সামরিক অভ্যত্থানের চেষ্টা করা হয়। তবে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপে তা ব্যর্থ হয়ে যায়। ওই ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে কমপক্ষে ২৬০ জন নিহত হয়। আহত হয় ২ হাজার ২শ মানুষ।

    ওই ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে তুর্কি সরকার। অভ্যুত্থানের পরপরই দেড় লাখের বেশি সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয় এবং আরো প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে আটক করা হয়।

    ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ২৮০ সাবেক সেনা সদস্য ইজমিরের একটি আদালতে বিচারের মুখোমুখি হন। এর মধ্যে ১০৪ সাবেক সেনা সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরও ৫২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।

  • ঢাকায় আসছেন থাই রাজকুমারী

    ঢাকায় আসছেন থাই রাজকুমারী

    থাইল্যান্ডের রাজকুমারী মহাচক্রী সিরিনধরন তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসছেন। আগামী ২৮ মে সোমবার তিনি ঢাকা সফর করবেন। সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে আলোচনা ও বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন ও উদ্বোধন করবেন রাজকুমারী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    জানা গেছে, সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    ঢাকা পৌঁছার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। ৩০ মে রাজকুমারী মহাচক্রী সিরিনধরন চট্টগ্রাম পরিদর্শনে যাবেন এবং সেখানে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তিনি এর আগে ২০১০ এবং ২০১১ সালেও বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন।

    প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডের প্রয়াত রাজা ভূমিবলের দ্বিতীয় কন্যা রাজকুমারী মহাচক্রী সিরিনধরন।

  • শূন্যরেখায় ‘উস্কানি’ অব্যাহত মিয়ানমার বাহিনীর

    শূন্যরেখায় ‘উস্কানি’ অব্যাহত মিয়ানমার বাহিনীর

    রাখাইনে সেনা নিপীড়ন থেকে প্রাণ বাঁচাতে আনুমানিক যে ছয় হাজার রোহিঙ্গা সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছিল তাদেরকে সেখান থেকে বাংলাদেশের দিকে চলে যেতে মাইকিং অব্যাহত রেখেছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী। এতে করে সীমান্তের শূন্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে কথিত হামলার পর রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধরা। এসময় প্রাণ বাঁচাতে দলে দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করে। এই সংখ্যা আট লাখ ছাড়িয়ে যায়। তাদের ঠাঁই হয় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে। সেসময় প্রায় ছয় হাজার রোহিঙ্গা সীমান্তের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ সীমান্ত উন্মুক্ত করে দিলেও তারা সেখানেই রয়ে যায়।

    মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এমন এক সময়ে সীমান্তে ফের উস্কানি ছড়াচ্ছে, যখন দেশটির কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, তারা রোহিঙ্গাদের ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এমনকি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বৃহস্পতিবার (১৭মে) দেশটির পররাষ্ট্র সচিব ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকও করেছেন। ঠিক তার দুইদিন পরই সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ানোতে দেশটির কূটকৌশল ধন্ধ তৈরি করেছে।

    কয়েকজন রোহিঙ্গার অভিযোগকে উদ্ধৃত করে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে লাউড স্পিকার দিয়ে রোহিঙ্গাদের সরে যেতে বলায় সীমান্ত অঞ্চলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

    এর আগে ফেব্রুয়ারিতে নো ম্যানস ল্যান্ডে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের হুমকি-ধামকি বন্ধ রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল মিয়ানমার। তবে রবিবার সেখানে থাকা রোহিঙ্গারা এএফপির কাছে অভিযোগ করেছেন মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নতুন করে মাইকিং করছে।

    রবিবার শূন্যরেখায় থাকা থাকা রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ আরিফ এএফপিকে বলেন: ‘শনিবার তারা এটি কয়েকবার বাজিয়েছে। রবিবার সকালে আবারও তারা একই কাজ করেছে। একারনণ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’

    তিনি এএফপিকে জানান, লাউড স্পিকারে মাইকিং করে মিয়ানমারের বিচার ব্যবস্থার আওতাভুক্ত এলাকা ছাড়তে রোহিঙ্গাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। তা না হলে তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

    এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গাদেরকে ‘বাঙালি’ হিসেবে সম্বোধন করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। লাউড স্পিকারে বার্তা দেওয়ার সময় তারা রোহিঙ্গাদের বাঙালি হিসেবে অভিহিত করেছে।

    বিজিবির স্থানীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুর হাসান খান এএফপিকে জানান, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি তারা (মিয়ানমারের বাহিনী) ক্যাম্প সংলগ্ন সীমান্ত বেড়ার পাশে থাকা গাছের সঙ্গে লাউড স্পিকার ঝুলিয়ে দিয়েছে।’

  • নারী আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করেছে সৌদি

    নারী আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করেছে সৌদি

    কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গাড়ি চালাতে পারবেন সৌদি নারীরা। এমন ঘটনা কার্যকরের আগেই পাঁচজন নারী ও দুইজন পুরুষ অধিকার কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি, যাদের কয়েকজন সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছিলেন। খবর বিবিসির।

    মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করছে যে সৌদি নারীদের কণ্ঠরোধ করতেই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে ‘বিদেশি শক্তি’র সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন লাউজাইন আল-হাতলুল এবং এমান আল-নাফজান। এরা দুজনেই সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছিলেন।

    বিশ্বে সৌদি আরবই একমাত্র দেশ, যেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি ছিল না। দেশটির বিদ্যমান ব্যবস্থায় পুরুষেরাই কেবল গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পান। কোনো নারী যদি জনসম্মুখে গাড়ি চালান, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার ও জরিমানা করা হয়।

    নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দিতে কয়েক বছর ধরে দেশটির মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রচার চালিয়ে আসছিল।

    মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদির ক্রাউন প্রিন্স নির্বাচিত হওয়ার পর নারীদের স্টেডিয়ামে প্রবেশসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ কার্যকরের অনুমতি দেয়। তার মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি সংক্রান্ত একটি আদেশও জারি করা হয়। আদেশটি আগামী মাসের ২৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।

    গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে যারা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তাদের ব্যাপারে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, মিজ নাফজান এবং মিজ নুর ২০১৬ সালে সরকারের কাছে এক পিটিশনে সই করেছিলেন যেখানে সৌদি নারীদের ওপর পুরুষদের অভিভাবকের কর্তৃত্ব বিলোপ করার ডাক দেয়া হয়।

    এই কর্তৃত্বের কারণে সৌদি নারীরা নিজের ইচ্ছেমত বিয়ে করতে পারেন না, একা একা বিদেশে যেতে পারেন না এবং পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন না।

    মিজ হাথলুলকেও এপর্যন্ত দু’বার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালের একটি ঘটনায় তিনি গাড়ি চালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে চেয়েছিলেন।

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, গত ১৫ মে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তাদের গ্রেপ্তারের পেছনে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দেখায়নি।

  • ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক করা হারাম: লেবানন মুফতি

    ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক করা হারাম: লেবানন মুফতি

    ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন লেবাননের প্রভাবশালী মুফতি শেখ রাশিদ কাব্বানি। তিনি বলেছেন, ‘কোনো মুসলমানেরই উচিত নয় ইসরাইলের সঙ্গে আপোস করা।’

    গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি। খবর পার্স টুডের।

    পশ্চিম জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস খোলার প্রতিবাদে গত সোমবার বিক্ষোভ করে ফিলিস্তিনিরা। তখন তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ৫৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর ছোড়া গুলি, বোমা ও টিয়ারশেলে দুই সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

    ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। গাজায় গণহত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলে মন্তব্য করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।

    মুফতি রাশিদ কাব্বানি বলেছেন, ফিলিস্তিন হচ্ছে মুসলিম ভূখণ্ড। মুসলমানদের এই ভূখণ্ডকে ইহুদিবাদীরা ১৯৪৮ সালে দখলে নিয়েছে। ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি বিশ্বের সব মুসলমানের জন্য ফরজ। এক বিঘত ভূমির বিষয়েও আপোস করা যাবে না। এজন্য ফিলিস্তিন ও পবিত্র স্থানগুলো মুক্ত করার জন্য সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    এদিকে, লেবাননের সিডন অঞ্চলের জুমার নামাজের ইমাম শেইখ আফিফ নাবলুসি বলেছেন, ফিলিস্তিন হচ্ছে মুসলমানদের প্রথম কেবলা। আমেরিকা যত চেষ্টাই চালাক না কেন ফিলিস্তিন ইস্যুকে মুসলমানদের মন থেকে মুছে ফেলতে পারবে না।