Category: আন্তর্জাতিক

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘যেকোন সময়’ আলোচনায় প্রস্তুত উত্তর কোরিয়া

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘যেকোন সময়’ আলোচনায় প্রস্তুত উত্তর কোরিয়া

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক বাতিল করে দেওয়ায় আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক নাকচ করা হলেও এখনও ‘যেকোন সময়’ আলোচনায় প্রস্তুত পিয়ংইয়ং।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার বৈঠকটি বালিত করে কিমকে একটি চিঠি পাঠান ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে বৈঠক বাতিলের কারণ হিসেবে বলা হয়, আপনার (কিম জং উন) সাম্প্রতিক বিবৃতিতে জঘন্য ক্ষোভ এবং প্রকাশ্য শত্রুতা প্রকাশ পাওয়ায় আমি (ট্রাম্প) অনুমান করছি দীর্ঘ প্রত্যাশিত এ বৈঠকটি সঠিক হবে না।

    ওই চিঠির পর এক প্রতিক্রিয়ায় উত্তরের কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিম কি-গুয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ অভিহিত করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে বিদ্যমান দূরত্ব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে ‘যেকোন সময়’ আলোচনায় প্রস্তুত পিয়ংইয়ং।

    উল্লেখ্য, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী উত্তর কোরিয়া ‘পুঙ্গেরি’ পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র ধ্বংস করার কয়েক ঘণ্টা ব্যবধানে এমন সিদ্ধান্ত জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে বৈঠকটি হওয়ার প্রস্তাবিত সময় ছিলো।

  • ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে চীন, যুদ্ধবিমান দিচ্ছে রাশিয়া

    ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে চীন, যুদ্ধবিমান দিচ্ছে রাশিয়া

    আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা ছাড়িয়ে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর তারই জের ধরে চীনের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হচ্ছে রাশিয়ার। এই বছরেই চীনকে আরও ১০টি অত্যাধুনিক এসইউ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিতে চলেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশন রোস্তেক। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।

    এ ব্যাপারে জানানো হয়েছে, প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলারে এসইউ-৩৫ এর মতো আরও অত্যাধুনিক ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন। গত দুই বছরে রোস্তেক চীনকে ১৪টি এসইউ-৩৫ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারফ্যাক্স। বাকি ছিল ১০টি। সেগুলোও চলতি বছরের মধ্যে চীনকে দিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

    মোট ২৪টি যুদ্ধবিমান যুক্ত হলে বেইজিংয়ের এয়ারফোর্সের শক্তি আরও দ্বিগুণ হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • রবিবার মার্কিন দূতাবাস বন্ধ

    রবিবার মার্কিন দূতাবাস বন্ধ

    ঢাকার আমেরিকান দূতাবাস, কনস্যুলার সেকশন এবং আর্চার কে. ব্লাড আমেরিকান সেন্টার লাইব্রেরি ও স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজিং সেন্টারসহ আমেরিকান সেন্টার আগামী রবিবার ‘মেমোরিয়াল ডে’ উপলক্ষে বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘মেমোরিয়াল ডে’ যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাতীয় ছুটির দিন। তবে দূতাবাস বন্ধ থাকলেও আমেরিকান নাগরিকদের জন্য জরুরি সেবা দেওয়া হবে।

    এ জন্য তারা ৫৫৬৬-২০০০ নম্বরে ফোন করে দূতাবাসের কর্তব্যরত কর্মকর্তাকে চাইতে পারবেন।

  • নিপা মহামারীর আশঙ্কায় ভারত

    নিপা মহামারীর আশঙ্কায় ভারত

    মানিক দুই দশক আগে প্রাণঘাতী নিপা ভাইরাস আবিষ্কৃত হওয়ার পর এটি বিজ্ঞানীদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ এ রোগের ব্যবস্থা নিতে ওষুধ বা টিকার মতো প্রয়োজনীয় উপকরণ এখনো তৈরি করতে পারেনি বিজ্ঞানীরা। ৭০ শতাংশ মৃত্যু হারের এ রোগটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাণঘাতী রোগের তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছে।

    নিপা ভাইরাস সম্পর্কে জানা প্রয়োজন আপনারও। ঢাকাটাইমস পাঠকদের জন্য প্রাণঘাতী নিপা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো—

    নিপা ভাইরাস কী?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী নিপা বা নিভ প্রধানত বাদুর জাতীয় প্রাণীর থেকেই ছড়ায়। নিপা অপেক্ষাকৃত নতুন ভাইরাস যা অতি সহজেই বাদুর জাতীয় তৃণভোজী প্রাণীর থেকে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। শুধুমাত্র বাদুর নয়, শূকরের বর্জ থেকেও ছড়ায় এ ভাইরাস।

    ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার নিপাতে প্রথম এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। সেখানে বাড়ির পোষ্য কুকুর, বেড়াল, ঘোড়া, ছাগলের দেহে এই ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ওই অঞ্চলে প্রতিটি বাড়িতেই শূকর প্রতিপালন হয়। গবেষণার পর দেখা যায়, ওই শূকরদের থেকেই নিপার প্রভাব ছড়িয়েছে পোষ্যদের দেহে। এরপর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

    ২০০৪ সালে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশেও ৩৩ জনের মৃত্যু হয়। যদিও এরপর বাংলাদেশে এই ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব দেখা যায়নি।

    বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিপার প্রভাবে ৪৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৫২ জনের।

    যেভাবে ছড়ায়

    নিপা ভাইরাস বাদুড় থেকে পশুপাখি ও মানুষের মধ্যেও সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত রোগীর কফ ও থুথু থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে রোগটি। এই ভাইরাস মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে একেবারেই শেষ করে দেয়।

    সংক্রমণের লক্ষণ

    ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ৩–১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ শুরু হয়৷ প্রথমে জ্বর মাথাব্যথার মতো সাধারণ কষ্ট থাকে। আস্তে আস্তে রোগী আচ্ছন্ন হয়ে যায়, ভুল বকা শুরু হয়, কাউকে চিনতে পারেন না। এমনটি হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। নাহলে এর ২৪–৪৮ ঘণ্ঢার মধ্যে রোগী কোমা স্টেজে চলে যেতে পারে৷ ব্রেনে প্রদাহ (এনসেফেলাইটিস) হলে অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে৷ রোগের প্রথম দিকে অনেকের শ্বাসকষ্ট হয়৷ শ্বাসকষ্টের মাধ্যমেই রোগ ছড়ায় বেশি৷ তবে রোগীকে আলাদা করে রাখলে এবং সতর্ক থাকলে সংক্রমণের মাত্রা কম থাকে।

    রোগ নির্ণয় চিকিৎসা

    সাধারণ পরীক্ষায় এ রোগ ধরা পড়ে না৷ থ্রোট সোয়াব অর্থাৎ গলা থেকে তরল নিয়ে রিয়েল টাইম পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন নামের পরীক্ষা করা হয়৷ শিরদাঁড়ার তরল, ইউরিন ও রক্ত পরীক্ষাও করতে হয়৷ সেরে ওঠার পর রোগটা নিপা ভাইরাস থেকেই হয়েছিল কিনা জানতে আইজিজি ও আইজিএম অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখা হয়৷

    চিকিৎসা বলতে মূলত সাপোর্টিভ কেয়ার অর্থাৎ রোগীর কষ্টের উপশম করার চেষ্টা করা হয়৷ জটিল অবস্থায় ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসা করতে হয়৷ কারণ নিপা ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কার্যকরী প্রতিষেধক তৈরি করতে পারেনি বিজ্ঞানীরা।

    নিপা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

    খেজুরের কাচা রস পান করা উচিত নয়। এছাড়া গাছ থেকে যে-কোন ধরনের আংশিক ফল ভক্ষণ করা ঠিক না। ফলমূল খাওয়ার আগে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধৌত করতে হবে। আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসলে সাবান ও পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধৌত করা উচিত।

  • পূর্বসূরিদের মতো আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে ট্রাম্প: খামেনী

    পূর্বসূরিদের মতো আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে ট্রাম্প: খামেনী

    ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক সমঝোতা চুক্তি থেকে বের হওয়ার বিষয়টিকে মার্কিন সরকারের গভীর শত্রুতা বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনী। তিনি বলেন, ‘ইরানের কর্মকর্তারা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আমেরিকার পরাজয় অবশ্যম্ভাবী।’

    বুধবার সন্ধ্যায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তাদের উদ্দেশে খামেনী এসব মন্তব্য করেন। খবর পার্সটুডের।

    তিনি বলেন, আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্টের পরিণতি পূর্বসূরি বুশ ও রিগ্যানের চেয়ে ভালো কিছু হবে না এবং তাদের মতোই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

    ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বলেন, পরমাণু আলোচনার শুরু থেকে ইরান যে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তা হলো- আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসা তেহরানের সাজে না। কারণ দেশটি কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না।

    খামেনী বলেন, পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকতে চাইলে ইউরোপীয় দেশগুলোকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনতে হবে।

    ইউরোপের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করে তিনি বলেন, তিন ইউরোপীয় দেশের শীর্ষ নেতাদের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের উপস্থিতি নিয়ে কখনো কোনো অবস্থায় কথা বলবে না।

    আয়াতুল্লাহ খামেনী বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সাংঘর্ষিক সম্পর্ক নেই। তবে এসব দেশের প্রতি তেহরানের অবিশ্বাস আছে। ইউরোপীয়রা অতীতে ইরানকে দেয়া প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে বলেই এ অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। এ অবিশ্বাস ভাঙতে তিন ইউরোপীয় দেশকে (ফ্রান্স, ব্রিটেন ও জার্মানি) বাস্তব গ্যারান্টি দিতে হবে।

    সর্বোচ্চ নেতা তার শর্তের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, ইরানের তেল বিক্রি ও বৈদেশিক লেনদেন যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য ইউরোপকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু তারা যদি এসব কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করে তাহলে পরমাণু কর্মসূচি আবার চালু করার অধিকার সংরক্ষণ করে তেহরান।

  • ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অর্থহীন: রাশিয়া

    ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অর্থহীন: রাশিয়া

    সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া ১২টি শর্তকে অর্থহীন বলে আখ্যায়িত করেছে রাশিয়া। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা- আইএইএ’তে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিখাইল উলিয়ানোভ বলেছেন, এসব শর্ত নতুন যেকোনো চুক্তির সম্ভাবনা নষ্ট করে ফেলেছে।

    সোমবার ইরানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে দেশটির বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের কঠিনতম নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। এরপর তিরি ইরানের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে চাইলে ইরানকে ‌‌১২টি শর্ত মেনে নিতে হবে।

    এর প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিখাইল উলিয়ানোভ মঙ্গলবার ভিয়েনায় বলেন, ‘এগুলো সব অর্থহীন ও বাজে বক্তব্য। এগুলোকে ভিত্তি করে কোনো সমঝোতা অর্জন সম্ভব নয়।’ খবর পার্সটুডের।

    ইরানকে ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়াম সমৃদ্ধ করার কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার যে শর্ত পম্পেও দিয়েছেন তার তীব্র সমালোচনা করে উলিয়ানোভ বলেন, ‘ইরানের যে বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি চালানোর সার্বভৌম অধিকার রয়েছে সেকথা উপলব্ধি করার যোগ্যতা হারিয়েছে ওয়াশিংটন।’

    ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায় ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের পরমাণু সমঝোতা উপলব্ধি করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

    এ সময় ইরানের পরমাণু সমঝোতা চুক্তিতে রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সোমবার ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে তেহরানকে ১২টি শর্ত দিয়েছে দেশটি। ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ নিষেধাজ্ঞার কারণে নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থা বাঁচাতে হিমশিম খাবে ইরান।

    নিষেধাজ্ঞাগুলোর মধ্যে রয়েছে- সামরিক কাজে পরমাণু কর্মসূচি চিরদিনের জন্য পরিত্যাগের ঘোষণা দেয়া ও নিশ্চিত করা, অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি পরিবর্তন করা, সিরিয়া থেকে সব ধরনের সেনা প্রত্যাহার করা, হামাস-হিজবুল্লাহ-হুতি-ইসলামি জিহাদের মতো সংগঠনগুলোকে সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধ করা, পরমাণু বোমা বহনে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করা, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি, ইসরায়েল ও অন্যদের ক্রমাগত হুমকি বন্ধ করা ইত্যাদি।

    মাইক পম্পেও’র এ হুমকির কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে ধোঁকাবাজি আখ্যা দিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ইরান ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার নেই। প্রত্যেকটি দেশ স্বাধীন দেশ, বিশ্ব আর কখনোই মার্কিন কর্তৃত্ব মেনে নেবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পাল্টা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন হাসান রুহানি।