Category: আন্তর্জাতিক

  • জাপান দিয়ে এশিয়া সফর শুরু করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    জাপান দিয়ে এশিয়া সফর শুরু করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    জীবন নিউজ ডেস্ক: জাপান দিয়ে ১১ দিনের এশিয়া সফর শুরু করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার সকালে জাপানের রাজধানী টোকিওতে পৌঁছান তিনি। এ সময় ট্রাম্পকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। খবর সিএনএন।
    জাপানের স্থানীয় সময় রোববার দুপুরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে গলফ খেলবেন ট্রাম্প। এরপর একসঙ্গে দুপুরের খাবার খাবেন তারা। দুপুরের পর এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন।
    জাপান যাওয়ার পথে ডোনাল্ড ট্রাম্প হাওয়াইতে যাত্রা বিরতি করেন। সেখানে তিনি পার্ল হারবারের ইউএসএস অ্যারিজোনা মেমোরিয়াল পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি ব্রিফিংয়ে অংশ নেন।
    জাপান সফর শেষে ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইনে যাবেন। গত ২৫ বছরে এশিয়ায় কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটাই সবচেয়ে দীর্ঘ সফর।

    উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূূচি নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এশিয়া সফর শুরু করলেন ট্রাম্প। তার এশিয়া সফরে দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা আরো বাড়বে এবং পিয়ংইয়ংকে থামাতে চীনের ওপর কঠিন চাপ দেয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    ৭ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় সফর করবেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি ভাষণ দেবেন এবং প্রেসিডেন্ট মুন জ্যা-ইনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন। ৮ নভেম্বর চীনে পৌঁছাবেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
    ১০ নভেম্বর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে একটি সম্মেলনে যোগ দেবেন ট্রাম্প। ১১ নভেম্বর ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় সফর করবেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রান ডাই কুয়াং এবং ভিয়েতনামের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
    ১২ নভেম্বর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় পা রাখবেন ট্রাম্প। সেখানে অ্যাসোসিয়েশন ফর সাউথইস্ট এশিয়ান ন্যাশনস (আসিয়ান)-এর ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অংশ নেবেন। ১৩ নভেম্বর আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দেবেন ট্রাম্প। তিনি প্রেসিডেন্ট রুদ্রিগো দুতের্তের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    উল্লেখ্য, ট্রাম্পের আগে ১৯৯১ সালের শেষে এবং ১৯৯২ সালের শুরুর দিকে দীর্ঘ সময়ের জন্য এশিয়া সফর করেন জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ।

  • সাংবাদিকদের সবচেয়ে বেশি জেল হয় চীনে

    সাংবাদিকদের সবচেয়ে বেশি জেল হয় চীনে

    জীবন নিউজ ডেস্ক: ১৮০টি দেশের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে রিপোর্টাস উইদাউট বর্ডার (আরএসএফ)। সেখানে দেখা গেছে কর্মজগতে সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতির শিকার হন চীনের সাংবাদিকরা।
    ১৮০টি দেশের মধ্যে তাদের স্থান ১৭৬ তম।
    রিপোর্টে বলা হয়েছে সবচেয়ে বেশি জেলের ঘানি চীনের সাংবাদিকদেরই টানতে হয়। সাংবাদিকদের জন্য চীন সবচেয়ে বিভীষিকাময় দেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
    খবর সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের পেশা। এই খবর সংগ্রহের কাজে থাকে নানা ঝুঁকি। থাকে প্রাণনাশের শঙ্কা। পাকিস্তানে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। রিপোর্টে ৬০ জন এমন সাংবাদিকদের কথা বলা হয়েছে যারা ১৯৯৪ সালের পর পাকিস্তানে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। যদিও সূচক অনুযায়ী ভারতের ঠিক তিন ধাপ নীচেই রয়েছে পাকিস্তান।
    চীনের থেকে খারাপ অবস্থা উত্তর কোরিয়া ও যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ার। এই দুই দেশেরই স্থান যথাক্রমে ১৮০ ও ১৭৭। ভিয়েতনাম রয়েছে ১৭৫ তম স্থানে।
    উল্টোদিকে নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক এবং দ্য নেদারল্যান্ড সূচকের একেবারে প্রথম পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে। এই সমীক্ষা ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সাংবাদিকদের উপর হিংসার ঘটনা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, কাজের পরিবেশ, সেন্সরশিপ, সাংবাদিকদের জন্য আইনি কবচ, স্বচ্ছতা এবং পরিকাঠামো – ইত্যাদি বিষয়গুলি প্রাধান্য পেয়েছে।

  • কেড়ে নেয়া হয়েছে সুচির গ্লাসগো ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড

    কেড়ে নেয়া হয়েছে সুচির গ্লাসগো ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড

    জীবন নিউজ ডেস্ক: কেড়ে নেয়া হয়েছে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি’র গ্লাসগো শহরের ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড।
    এ অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাহারের ব্যাপারে গ্লাসগো সিটি কাউন্সিল সর্বসম্মতভাবে ভোট দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের সংকট ও মিয়ানমারের ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনে সমালোচনার মুখে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহর সু চি’কে এ অ্যাওয়ার্ড দেয়। তখন তিনি জান্তা সরকারের অধীনে গৃহবন্দি অবস্থায় ছিলেন।
    আর এর মধ্যেই, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিয়ে মিয়ানমারকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
    বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রহীন অবস্থায় এসব মানুষ থাকতে পারে না। এই রাষ্ট্রহীনতার কারণে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন, অতীতেও হয়েছেন।
    এদিকে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিন্দা জানাতে জাতিসংঘের প্রতি প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর জোট ওআইসি। ইতোমধ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার কমিটির কাছে ওই খসড়া প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ওই প্রস্তাবে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবিসি ও আল জাজিরা।

  • দেশপ্রেম নিয়ে মুফতির কাছে বিজেপি নেতার হার

    দেশপ্রেম নিয়ে মুফতির কাছে বিজেপি নেতার হার

    জীবন নিউজ  ডেস্ক: ভারতে দেশপ্রেম নিয়ে সংখ্যালঘু এক মুসলিম ধর্মীয় নেতাকে কটাক্ষ করতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র নবীনকুমার সিংহ।
    একপর্যায়ে ওই মুফতি বিজেপি নেতাকে ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। কথামতো বিজেপি মুখপাত্র জাতীয় সংগীত গেয়ে নিজের দেশপ্রেম প্রমাণ করতে এগিয়ে আসেন।
    কিন্তু নবীনকুমারের কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ শুনে লোকজনের মধ্যে হাসির রোল ওঠে।
    সম্প্রতি বেসরকারি জি সালাম টিভির এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের (এআইএমপিএলবি) সদস্য মুফতি ইজাজ আরশাদ কাসমি ও বিজেপির মুখপাত্র নবীনকুমার সিংহ।
    সেখানেই দেশপ্রেম নিয়ে তীব্র বাদানুবাদের পর জাতীয় সংগীত গাওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ফেঁসে যান নবীনকুমার। তিনি একাধিক ভুল শব্দ ও ভুল সুরে ‘বন্দে মাতরম’ গান।

    পরে এ অনুষ্ঠানের ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

  • ব্রহ্মপুত্রে টানেল তৈরির খবর বানোয়াট: চীন

    ব্রহ্মপুত্রে টানেল তৈরির খবর বানোয়াট: চীন

    জীবন নিউজ  ডেস্ক: ব্রহ্মপুত্র নদের পানি শিং জিয়াং প্রদেশে নিতে টানেল তৈরির খবর বানোয়াট বলে জানিয়েছে চীন। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনিয়িং খবরটিকে মিথ্যা ও ভুল বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, আন্তঃদেশীয় জলধারা নিয়ে সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেয় চীন। এই ধরনের টানেল তৈরির কোনো পরিকল্পনা নেই।
    সোমবার হংকংয়ের সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়, চীন ব্রহ্মপুত্রে একহাজার কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা কাজও শুরু করেছেন।

  • আপনারা শিকড় ছড়িয়ে দিন: তিব্বত সীমান্তে বসবাসকারীদেরকে চিনা প্রেসিডেন্ট

    জীবন নিউজ ডেস্ক: ডোকলামে স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয়েছে। কিন্তু সীমান্ত নিয়ে ভারত-চিন সম্পর্কের টানাপড়েন ভিতরে ভিতরে রয়ে গিয়েছে একই ভাবে। ভারতের অরুণাচল প্রদেশ লাগোয়া তিব্বত সীমান্তে বসবাসকারী এক দল চিনা পশুপালকের উদ্দেশে চিনা প্রেসিডেন্ট শি চিন ফিং-এর লেখা চিঠিতেই সেই ইঙ্গিত মিলছে। আবার ভারতও চিন সীমান্তে সামরিক প্রস্তুতি নিতে পিছিয়ে নেই। লাদাখে লিনচে নদীর উপরে আজ একটি সেতুর উদ্বোধনের পিছনে নয়াদিল্লির সেই ভাবনাই স্পষ্ট হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
    ডোকলাম নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যেই ব্রহ্মপুত্র নদ নিয়ে ভারতকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করেছিল বেজিং। সীমান্ত বিবাদ কেটে গেলেও বেজিং-এর সেই মনোভাব বদলায়নি। আন্তর্জাতিক চুক্তি মেনেই ভারত ও বাংলাদেশকে ব্রহ্মপুত্রের জল সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার কথা বেজিং-এর। কিন্তু বাংলাদেশ সেই তথ্য পেলেও ভারতকে তা দেওয়া হচ্ছে না। নানা টালবাহানা চালিয়ে যাচ্ছে চিন। এ নিয়ে ভারতীয় কূটনীতিকদের ক্ষোভ যখন বেড়ে চলেছে, তার মধ্যেই ভারত সীমান্তে টানাপড়েনকে ইঙ্গিত করে চিন ফিং-এর নতুন মন্তব্য সামনে এসেছে।
    চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা জিন হুয়া জানিয়েছে, তিব্বতের লুনজের একটি পশুপালক পরিবারকে সম্প্রতি চিঠি লিখেছেন শি। অরুণাচল সীমান্ত লাগোয়া তিব্বতে বসবাসকারী এই পশুপালকদের উদ্দেশে শি বলেন, ‘আপনারা ওই এলাকায় শিকড় ছড়িয়ে দিন। চিনের জমিকে রক্ষা করুন। সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পশুপালকদের অবদানেরও স্বীকৃতি দিয়েছেন চিনা প্রেসিডেন্ট। পরিবারটি যাতে সীমান্ত এলাকায় বসবাস করতে অন্য পশুপালকদেরও উৎসাহ দেয়, সে জন্যও বলেছেন শি। জইগার ও ইয়াংজম নামে দু’টি মেয়ে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেস চলাকালীন শি-কে চিঠি লিখেছিল। সীমান্ত নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিল চিনা প্রেসিডেন্টকে। তারই জবাব দিয়েছেন শি।
    পাশাপাশি, চিন সীমান্তে নিরাপত্তার যাবতীয় প্রস্তুতি থাকছে ভারতের দিক থেকেও। লাদাখে চিনের সঙ্গে ‘এলএসি’ বরাবর ভারতের ‘বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন’ আজ নতুন একটি সেতুর উদ্বোধন করেছে। লেহ-লোমা-র পথে এই সেতু সাধারণ মানুষের স্বার্থ দেখবে, তেমনি সামরিক প্রয়োজনেও এটি কাজে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
    ওই সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, লাদাখে উন্নয়ন ও সামরিক স্বার্থের দিকে তাকিয়ে প্রজেক্ট হিমাঙ্ক-এর রূপায়ণ করা হচ্ছে। চিন সীমান্তে যোগাযোগের জন্য এ মাসে তৃতীয় সেতুর উদ্বোধন হলো।