Category: আন্তর্জাতিক

  • জীবনে সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত বিয়ের দিন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

    জীবনে সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত বিয়ের দিন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

    জীবন নিউজ, ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহিদ খাকান আব্বাসী বলেন, জীবনে সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত ছিল বিয়ের দিন। নওয়াজ শরীফের পদত্যাগের পর দলের পক্ষ থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের ব্যক্তি জীবন নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
    খাকান আব্বাসী বলেন, এখন সময় হয়েছে ঘরে ফেরার। আমরা ২০১৮ সালের মধ্যে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ পাকিস্তান দিয়ে যাবো। নওয়াজ শরীফের পদত্যাগে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়ে। অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রভাবও চোখে পড়া শুরু হয়েছে। সরকারের সাফল্যের জবাব জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে দিবে। গণতন্ত্রে প্রতিটি ব্যক্তির রায় দেওয়ার অধিকার রয়েছে।
    তিনি বলেন, পাকিস্তানে গত চার বছরে যে উন্নতি হয়েছে গত ১৫ বছরেও তা হয়নি।

  • কাতার সংকটের শিগগিরই সমাধান হবে: এরদোয়ান

    কাতারের সঙ্গে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের চলমান সংকটের শিগগিরই অবসান ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বৃহস্পতিবার রাজধানী ইস্তাম্বুলে টিআরপি ওয়ার্ল্ড ফোরামে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সন্ত্রাসবাদে মদদদানের অভিযোগে রিয়াদের নেতৃত্বে সৌদি আরবসহ আরও কয়েকটি দেশ গত ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। দেশগুলো দোহার কাছে ১৩টি দাবির একটি তালিকা পাঠিয়ে বলেছে, এগুলো না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা যাবে না। এর মধ্যে কাতারে তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবিও ছিল।

    প্রতিক্রিয়ায় এরদোয়ান বলেছেন, কাতার থেকে তুর্কি সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ‘তুরস্কের প্রতি অসম্মান’ করা হয়েছে। এ সময় কাতারের সঙ্গে এর আগে করা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অটল থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।

  • দৈনিক ১৫ হাজার শিশু মারা যায়: ইউনিসেফ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় সবচেয়ে কম। কিন্তু নবজাতকের (জন্মের পর প্রথম ২৮ দিন) মৃত্যু সে হারে কমেনি।

    জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। ২০০০ সালে বিশ্বে বছরে প্রায় এক কোটি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মারা যেত। ২০১৬ সালে এটি ৫৬ লাখে নেমে এসেছে। তবে এ নিয়ে উচ্ছ্বাসিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ আফ্রিকার সাব-সাহারা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় পরিস্থিতির এখনো আশানুরূপ উন্নতি হয়নি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে দৈনিক গড়ে ১৫ হাজার শিশু মারা যায় এমন সব রোগে, যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    ইউনিসেফ বলছে, শিশুমৃত্যুর বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে ২০১৭ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরে বিশ্বে ৩ কোটি নবজাতক মারা যাবে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, এক থেকে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যুর হার যে হারে কমেছে, নবজাতকের (জন্মের পর প্রথম ২৮ দিন) মৃত্যু সে হারে কমেনি। এখনো বিশ্বে দৈনিক গড়ে সাত হাজার নবজাতক মারা যায়।

    ১৯৯০ সালে বিশ্বে ১ কোটি ২৬ লাখ শিশু মারা গিয়েছিল। ২০০০ সালে বছরে প্রায় এক কোটি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মারা গেছে। ২০১৫ সালে বিশ্বে ৫৯ লাখ শিশু মারা গেছে। ২০১৬ সালে তা আরও কমে ৫৬ লাখে নেমে এসেছে। এদের বেশির ভাগ অপুষ্টি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

    সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, এখনো অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে। কারণ শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশের নিচে নামিয়ে আনার জাতিসংঘের লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি।

    ইউনিসেফের জ্যেষ্ঠ জনসংখ্যাবিদ ড্যানজেন ইউ বলেন, সুখবর হচ্ছে, শিশুমৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে ১৯৯০ সালের পর বিশ্বের অর্জন অসাধারণ। গত দশকগুলোতে বিনিয়োগের ফলে এই ফলাফল পাওয়া গেছে। তবে আরও অনেক কিছু অর্জন বাকি আছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রার আওতায় অনেক দেশ প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিশুমৃত্যুর হার কমাতে পারেনি।

    শিশুমৃত্যুর হারের দিক থেকে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় আছে সোমালিয়া। সেখানে জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ১৩৩টি শিশু মারা যায়। যুক্তরাজ্যের অবস্থা বেশ ভালো। সেখানে জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে চারটি শিশু মারা যায়।

    শিশুমৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ এশিয়ায় (৩৯ শতাংশ)। এরপর আছে যথাক্রমে আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চল (৩৮ শতাংশ)।

  • সাতজন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করল শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী

    সাতজন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করল শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাতজন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে গ্রেফতার করল শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী৷ একটি ট্রলারসহ তাদেরকে আটক করা হয়৷

    দেশের সীমানালঙ্ঘন করে শ্রীলঙ্কার সমুদ্রের সীমানায় ঢুকে পড়ার পর গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের৷ শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে৷

    জানা গেছে, এরা প্রত্যেকেই তামিলনাড়–র বাসিন্দা৷ পাম্বান এলাকা থেকে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    প্রথমে এই সাত মৎস্যজীবীকে মৎস্য তদারকি দফতরে পাঠানো হয়৷ পরে তালাইমান্নার পুলিশ স্টেশনে তাদেরকে পাঠানো হয়েছে৷ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ তবে, এই ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে৷

  • রোহিঙ্গা নির্যাতনে মিয়ানমার দেশটির সেনাবাহিনী দায়ী: যুক্তরাষ্ট্র

    রোহিঙ্গা নির্যাতনে মিয়ানমার দেশটির সেনাবাহিনী দায়ী: যুক্তরাষ্ট্র

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের জন্য দেশটির সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    স্থানীয় সময় বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের কাছে নিজ দেশের অবস্থানের কথা জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। এমন বাস্তবতায় দেশটির সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি টিলারসন।

    ‘ওই এলাকায় (রাখাইন) সংঘটিত নৃশংসতা নীরব দর্শকের মতো দেখতে পারে না বিশ্ব’, বলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এদিকে রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তা ও নৃশংসতায় জড়িতদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ওপর আবার নিষেধাজ্ঞা জারির আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের ৪৩ জন আইনপ্রণেতা।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিলারসনের কাছে লেখা এক চিঠিতে কংগ্রেসেরন নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ওই সদস্যরা বলেন, রাখাইনে যা ঘটেছে তা দৃশ্যত অস্বীকারের চেষ্টা করছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। তাঁরা রাজ্যটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ‘কার্যকর পদক্ষেপ’ নেয়ার আহ্বান জানান।

    আগস্টের শেষের দিকে রোহিঙ্গাদের ওপর লোমহর্ষক নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও তাদের দোসর বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরা। তারা নির্বিচারে হত্যা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও বিভিন্ন বয়সী নারীদের ধর্ষণ করছে। এমন বাস্তবতায় নজিরবিহীন সংকটে পড়ে রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে প্রতিদিনই ছুটে আসছে বাংলাদেশে।

    টিলারসন বলেন, ওয়াশিংটন বুঝতে পেরেছে, মিয়ানমারে জঙ্গি সমস্যা রয়েছে। তবে সেনাবাহিনীকে নিয়মতান্ত্রিক ও সংযত উপায়ে সেই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হতে হবে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় প্রবেশ উন্মুক্ত করতে হবে যাতে সংঘাতের প্রকৃত চিত্র বোঝা যায়।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই খবরগুলো (নৃশংসতা) সত্যি হলে এর জন্য দায়ী হবে একটি পক্ষ (সেনাবাহিনী)। মিয়ানমার আগামী দিনগুলোতে নিজেদের কোন দিকে চালিত করবে, তা দেশটির সামরিক নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করছে।’

    টিলারসন বলেন, মিয়ানমারকে গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দেখে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রোহিঙ্গা সংকট সেনাদের সঙ্গে ক্ষমতা বিনিময় করা মিয়ানমার সরকারের জন্য একটি পরীক্ষা বলে মনে করছেন তিনি।

  • রাখাইনে রোহিঙ্গাদের পোড়া গ্রাম স্বচক্ষে দেখেছেন জাতিসংঘ প্রতিনিধি

    রাখাইনে রোহিঙ্গাদের পোড়া গ্রাম স্বচক্ষে দেখেছেন জাতিসংঘ প্রতিনিধি

    ডেস্ক: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেদেশের সেনাবাহিনীর পুড়িয়ে দেয়া বেশকিছু গ্রাম স্বচক্ষে দেখেছেন জাতিসংঘের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেফ্রে ফেল্টম্যান। একইসঙ্গে তিনি রাখাইনের রাজধানী সিত্তুয়ে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুতদের ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।

    জাতিসংঘের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর মিয়ানমারে পাঁচ দিনের সফর শেষ করেন জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা।

    সফর শেষে তিনি রাখাইনের গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেকার অনাস্থা ও ভীতি দূর করতে জবাবদিহিতা, বৈষম্যহীন আইনের শাসন ও জননিরাপত্তার সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মত দিয়েছেন।

    আকাশপথে রাখাইনের পরিস্থিতি দেখা জাতিসংঘের এ শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অব্যাহত বৈষম্যমূলক ব্যবস্থায় সৃষ্ট আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলো সকল গোষ্ঠীর জনগণকে ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

    তিনি রাখাইন রাজ্যের জন্য গঠিত আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এক্ষেত্রে মিয়ানমার চাইলে জাতিসংঘ সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে।

    মিয়ানমার সফরকালে তিনি স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি, সেনাপ্রধান মিন অং হেইংসহ মিয়ানমারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি এসব বৈঠকে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা ও সংকটকে তুলে ধরেছেন। তিনি রাখাইনে ত্রাণ সরবরাহকারীদের প্রবেশের পাশাপাশি পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সূত্র: ইউএন নিউজ।