Category: আন্তর্জাতিক

  • ব্যাঙের ছাতায় বিষণ্নতা কাটানোর উপাদান

    ব্যাঙের ছাতায় বিষণ্নতা কাটানোর উপাদান

    লন্ডন: যাদের মানসিক বিষণ্নতার নিরাময় কঠিন, বিজ্ঞানীরা বলছেন ম্যাজিক মাশরুম নামে পরিচিত একধরনের ব্যাঙের ছাতায় ঘোর সৃষ্টিকারী এক রাসায়নিক ব্যবহার করে তাদের চিকিৎসা করা সম্ভব হতে পারে বলে তারা আশাবাদী। খবর বিবিসির।

    সিলোসিবিন নামে এই রাসায়নিক উপাদান মানুষের মস্তিষ্কে একটা মাদকের ঘোর সৃষ্টি করতে পারে যা মস্তিষ্ককে আবার চাঙ্গা করে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

    ১৯জন রোগীর ওপর এই উপাদান পরীক্ষা করে দেখেছেন বিজ্ঞানীরা। এটি ব্যবহারের পর অর্ধেক রোগীর মানসিক বিষণ্নতা কেটে গেছে এবং তারা মস্তিষ্কে একটা পরিবর্তন অনুভব করতে পেরেছেন যা প্রায় পাঁচ সপ্তাহ ধরে স্থায়ী হয়েছে। তবে লন্ডনে ইম্পেরিয়াল কলেজের বিজ্ঞানীরা রোগীদের ম্যাজিক মাশরুম দিয়ে নিজেদের ওপর চিকিৎসা চালানোর বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছেন।

    বিজ্ঞানীরা বলছেন তারা গবেষণায় দেখেছেন সিলোসিবিন রাসায়নিক পদার্থটি মস্তিষ্ককে হালকা করে দেয় এবং মানুষকে মানসিক বিষণ্নতার উপসর্গ থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে।

    তবে মস্তিষ্কের ভেতর এটি ঠিক কীভাবে কাজ করে তা এখনও পরিস্কারভাবে জানা যায় নি। বিজ্ঞানীরা বলছেন তারা গবেষণায় দেখেছেন এই সিলোসিবিন মস্তিষ্কের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাজ করে।

    এই অংশ দুটি মস্তিষ্কের মধ্যে ভয় বা উদ্বেগের মত অনুভূতি কীভাবে কাজ করবে তার জন্য দায়ী ।

    তবে গবেষণা দলের প্রধান ড: রবিন কারহার্ট-হ্যারিস বলেছেন এখনো আরো বিস্তৃত পরিসরে এই গবেষণা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার।

    কিন্তু প্রাথমিক গবেষণার ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক এবং মানসিক বিষণ্নতার সফল চিকিৎসায় এই সিলোসিবিন কীভাবে ব্যবহার করা হবে সেটাই গবেষণার পরবর্তী ধাপে তারা পরীক্ষা করে দেখবেন।

  • রোহিঙ্গাদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বিএসএফ

    যশোর: যশোরের পুটখালী সীমান্তের ওপারে ভারতের আংরাইল সীমান্ত দিয়ে অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গাকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বিএসএফ।

    শনিবার সন্ধ্যার পর তাদের ভারতের আংরাইল সীমান্তের ইছামতি নদীর তীরে রোহিঙ্গাদের একত্রিত করা হয়েছে। যেকোনো সময় তাদের বাংলাদেশে পাঠাবে।

    এদিকে রোহিঙ্গাদের যাতে বাংলাদেশে পাঠাতে না পারে সেজন্য পুটখালী ক্যাম্পের বিজিবি সদস্য ইছামতি নদীর বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

    ২১ বিজিবির কমান্ডার তারিকুল হাকিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভারতের আংরাইল সীমান্তে ইছামতি নদীর তীরে অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গাকে একত্রিত করা হয়েছে। তাদের মারধর করে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বিএসএফ। রোহিঙ্গাদের যাতে বাংলাদেশে পাঠাতে না পারে সেজন্য পুটখালী ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ইছামতি নদীর তীরে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

  • ব্রিটিশ সাবমেরিনে যৌন সম্পর্ক

    ব্রিটিশ সাবমেরিনে যৌন সম্পর্ক

    সমুদ্রে গভীর পানির নিচে ডুবন্ত সাবমেরিন। পারমাণবিক অস্ত্রসমৃদ্ধ সাবমেরিনের ভিতর তখন শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে গেছেন দু’জন নারী সদস্য ও দু’জন পুরুষ সদস্য। এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর তোলপাড় চলছে বৃটেনে। ওই সাবমেরিনে ছিলেন এমন পাঁচজন কর্মকর্তা পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন। বলা হয়েছে, এমন শারীরিক সম্পর্কে জড়িত থাকা একজন নারী অফিসারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি সাব-লেফটেন্যান্ড রেবেকা এডওয়ার্ড বলে জানাচ্ছে বৃটিশ মিডিয়া। এতে আরো বলা হয়, এইচএমএস ভিজিল্যান্ট সাবমেরিন যখন উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবন্ত অবস্থায় তখন এর ভিতরের দু’জন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ওই দুই নারীর দেহ ভোগ করেছেন। কিন্তু একই সাবমেরিনের ভিতরকার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক গড়া নিষিদ্ধ। রিপোর্টে আরো বলা হচ্ছে স্টুয়ার্ট আর্মস্ট্রং (৪১) নামের কমান্ডিং অফিসার একজন নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়েছিলেন। গ্লাসগোর কাছে ফসালেনে এই সাবমেরিনের ঘাঁটিতে সিনিয়র কর্মকর্তাদের এ বিষয়টি জানান ওই সাবমেরিনের একজন সদস্য। তারপরই ঘটনা প্রকাশ পায়। ওই সময় থেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে আর্মস্ট্রংকে। একই অভিযোগে সামরিক বরখাস্ত করা হয়েছে আর্মস্ট্রংয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাইকেল সিল’কে। উল্লেখ্য, বৃটেনের হাতে এখন মাত্র চারটি পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ ভ্যাবগার্ড ব্রান্ডের সাবমেরিন আছে। তার অন্যতম এইচএমএস ভিজিল্যান্ট। এটি টহলে সক্রিয় রয়েছে। বৃটেনকে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে সুরক্ষা দেয় এই সাবমেরিন। বৃটেনের নৌবাহিনীর একটি সূত্র বলেছেন, এইচএমএস ভিজিল্যান্ট সাবমেরিক যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছার পর পরই এর কর্মকর্তারা পদত্যাগের হুমকি দেন। তারপরই এর সিও এবং একও’কে তাদের কমান্ড থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের এমন কর্মকা- কমান্ডিংয়ে যারা আছেন তাদের ক্ষতি করেছে। তাদেরকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তার অধীনে ছিল এ জাতীয় শারীরিক সম্পর্ক বন্ধ রাখা। রাজকীয় নৌবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, ওই ঘটনায় সাবমেরিনটির কর্মতৎপরতায় কোনো প্রভাব ফেলে নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, এখন থেকে ছয় বছর আগে একজন নারী অফিসারের বিরুদ্ধে সাবমেরিনে দায়িত্ব পালনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

  • রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে মিয়ানমারকে: কফি আনান

    রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে মিয়ানমারকে: কফি আনান

    ডেস্ক: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে এ্যাডভাইজরি কমিটি অন রাখাইন স্টেট এর চেয়ারম্যান নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান বলেছেন, মিয়ানমারকে তাদের নাগরিক রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে।
    তিনি ৩টি শর্ত উল্লেখ করে বলেন, সেখানে সামরিক বাহিনীর অপারেশন বন্ধ করতে হবে, রোহিঙ্গাদের বাধাহীনভাবে মানবিক সাহায্যের সুযোগ দিতে হবে ও রোহিঙ্গা শরাণার্থীদের তাদের মূল ভূখন্ডে নিরাপদে অবশ্যই মর্যাদার সাথে প্রর্ত্যাবর্তনের টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে মিয়ানমারকে।
    কফি আনান তার বক্তব্যে জানান, ২৫ আগস্টের পর থেকে আজ সকাল পর্যন্ত ৫ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ মিয়ানমার সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। নতুন পুরানো সব মিলিয়ে বাংলাদেশে উদ্বাস্তুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখে। কফি আনান কমিশনের সুপারিশমালার পূর্ণ বাস্তবায়নে নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই বক্তব্যের পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। কফি আনান তাঁর বক্তব্যে সম্প্রতি মিয়ানমার সরকারের কাছে পেশকৃত ‘এ্যাডভাইজরি কমিটি অন রাখাইন স্টেট’ এর রিপোর্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন। রাখাইন প্রদেশের জনগণের স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও চলমান সংকটের সমাধানের লক্ষ্যে মিয়ানমার সরকার তাঁর কমিশন প্রণীত রিপোর্টের সুপারিশমালার আশু বাস্তবায়ন করবে মর্মে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
    কফি আনান রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের ১৯৮২ সালে প্রণীত নাগরিকত্ব আইন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সংশোধনের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তন, মানবিক সহায়তা ও মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে কফি আনান তাঁর রিপোর্টে উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা রক্ষা করার বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন এই সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশই লাভবান হবে। কফি আনান রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের আন্ত:সম্প্রদায়ের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার উপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন “এই ভয়াবহ রোহিঙ্গা সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত রাখাইন প্রদেশের জনগণের কল্যাণে মিয়ানমার সরকার রাখাইন জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ঐক্যমত্য হয়ে কাজ না করে”। নিরাপত্তা পরিষদের সকল সদস্যই এ সংকট সমাধানের পক্ষে বক্তব্য রাখেন।
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি এটিকে মানবিক বিপর্যয় আখ্যা দিয়ে বলেন, “এনাফ ইজ এনাফ। আমরা এটি আর গ্রহণ করতে পারছি না। আমরা মিয়ানমার সিকিউরিটি ফোর্সের এই হীন কাজের নিন্দা জানাই”। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি অনতিবিলম্বে মানবিক সহযোগিতা প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি, সহিংসতা বন্ধ, জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের পূর্ণ প্রবেশাধিকার, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদ ও নিশ্চয়তার সাথে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনসহ কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের পূর্ণ বাস্তবায়নের উপর জোর দেন। প্রায় একই ভাষায় কথা বলে নিরাপত্তা পরিষদের অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিগণ। তারা বাস্তুচ্যুত ও অসহায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মানবিক সাহায্য প্রদান করায় বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের ভূয়সী প্রসংশা করেন। সকলেই সহিংসতা বন্ধ, কফি আনান কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়ন এবং উদ্বাস্তু প্রত্যাবাসনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
    নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যগণের বাইরে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড এর প্রতিনিধিগণ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অফিস অব দ্যা হাই কমিশন অব হিউম্যান রাইটস্্, অফিস ফর দ্যা কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়াস্্, ইউএনএইচসিআর এর প্রতিনিধি, ওআইসি এবং ইউরোপিও ইউনিয়নের প্রতিনিধিগণ বক্তব্য রাখেন।

  • ‘রাম রহিমের সঙ্গে এক রুমে নগ্ন অবস্থায় হানিপ্রীত’ (ভিডিও)

    ‘রাম রহিমের সঙ্গে এক রুমে নগ্ন অবস্থায় হানিপ্রীত’ (ভিডিও)

    ঢাকা: ভারতের হরিয়ানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু গুরমিত সিং রাম রহিম ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ‘বাবা’র সাজা হওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত ইনসান।

    এবার ‘বাবা’র সেই পালিত কন্যা হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত মুখ খুললেন। বিশ্বাস এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, তিনি নিজ চোখে রাম রহিম আর হানিপ্রীতকে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত অবস্থায় দেখেছেন।

    শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদসম্মেলনে বিশ্বাস জানালেন, তাকে আজকে সংবাদ সম্মেলনে সবাই দেখতে পাচ্ছেন, এমন হতে পারে এরপর তাকে আর দেখা যাবে কিনা সে নিজেও জানেন না। তিনি জানান, রাম রহিম অনেক ক্ষমতাবান একজন লোক। তা সে যতই জেলে থাকুক।

    সংবাদ সম্মেলনে হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত জানালেন, ‘বাবা’ রাম রহিম আর তার পালিত কন্যার সম্পর্ক আসলে অবৈধ। তাদের মধ্যে কোনো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। তারা এক বিছানায় শুত। বাবা আর হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল।

    বিশ্বাস এসময় আরও জানান, বাবাকে এবং হানিপ্রীতকে সে নগ্ন অবস্থায় এক রুমে দেখেছে।

    বিশ্বাস সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি ডেরায় থাকলেও, হানিপ্রীত থাকতেন বাবা রাম রহিমের ঘরে। হানিপ্রীত যখন বাবার কামরায় যেতেন সঙ্গে সঙ্গে তাকে সেই কামরা থেকে বের করে দেয়া হতো। এ সময় তাকে বাবা হুমকি দেয় যদি সে হানিপ্রীত আর বাবার সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলে তাহলে তাকে প্রাণ হারাতে হবে।

    ২০১১ সালে বাবা আর হানিপ্রীতের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করে বিশ্বাস। ডেরা থেকে নিজ বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই বাবার লোকেরা সবসময় তাকে নজরে রাখতেন।

    সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বাস আরও জানান, বাবার ডেরার দুই ভক্তকে পাঠানো হয় তাকে মারার জন্য। কিন্তু ওই দুই ভক্ত বিশ্বাসকে খুবই পছন্দ করত আর তাই তাকে না মেরে সাবধান করে দিয়ে চলে যান তারা। এবং এও বলে যান আজকে তাদের পাঠানো হয়েছে অন্য সময় অন্য কাউকে পাঠানো হতে পারে।

  • বাবা কি মেয়েকে স্পর্শ করতে পারেন না, প্রশ্ন হানিপ্রীতের

    ঢাকা: ভারতের বিতর্কীত ধর্মগুরু বাবা রাম রহিমের সঙ্গে তার পালিত মেয়ে হনিপ্রীতের সম্পর্ক ঠিক কেমন ছিল? এ নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। তাদের সম্পর্ক নিয়ে দেশটির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাখি সাবন্ত বলেন, তাদের দু’জনের সম্পর্ক ছিল সমাজের আড়ালে মাখামাখি।

    হরিয়ানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু গুরমিত সিং রাম রহিম তার দুই সাধীকে ধর্ষণের দায়ে জেলে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ‘বাবা’র সাজা হওয়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত ইনসান। হানিপ্রীত ও রাম রহিমের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠে তাদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক ছিল।

    এ বিষয়ে হানিপ্রীত প্রশ্ন রেখেছেন, ভালোবেসে একজন বাবা কী তার কন্যাকে স্পর্শ করতে পারেন না? সম্প্রতি ভারতীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় রাম রহিমের এই পালিত কন্যা এমন প্রশ্নই করেছেন।

    এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত সংবাদমাধ্যমগুলোর সামনে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, হানিপ্রীত ও ‘বাবা’র মধ্যে কোনো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না।

    তিনি আরও জানান, তিনি নিজ চোখে রাম রহিম আর হানিপ্রীতকে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত অবস্থায় দেখেছেন। তিনি বলেন, ‘বাবা এবং হানিপ্রীত নগ্ন অবস্থায় এক রুমে ছিলেন’।

    এ বিষয়ে হানিপ্রীতের প্রশ্ন কেন একজন বাবা ও মেয়ের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এ ধরনের কথা উঠছে। কন্যাকে বাবা ভালোবাসতেই পারে। ভালোবেসে বাবা তার মেয়েকে স্পর্শ করতেই পারে।

    এ সময় হানিপ্রীত অভিযোগ করেন বাবা-মেয়ের পবিত্র সম্পর্কের বিরুদ্ধে অশ্লীল কথা প্রচার করছে একটি দল।

    উল্লেখ্য, দুইজন ভক্তকে ধর্ষণের দায়ে ২০০২ সালে হওয়া মামলায় ১০ বছর করে মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে রাম রহিমকে। একইসঙ্গে ৩০ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

    এর আগে ২৫ আগস্ট শুক্রবার দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেওয়া হলে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় রাম রহিম সিংয়ের ভক্তরা। এতে প্রায় ৩৬ জন নিহত হয়। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া