Category: আন্তর্জাতিক

  • রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মন্তব্য, মুকুট হারালেন মিস মিয়ানমার

    রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মন্তব্য, মুকুট হারালেন মিস মিয়ানমার

    ঢাকা: রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলে মুকুট হারিয়েছেন মিস মিয়ানমার সোয়ে ইয়েন সি। সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইনে চলমান সংকট নিয়ে মন্তব্য করায় তার নাম বাতিল করা হয়।

    ২০১৭ সালে একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতায় মিস গ্র্যান্ড মিয়ানমার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। রোহিঙ্গা নিয়ে মন্তব্যের পর তাকে দেয়া মুকুট পুরস্কারের অর্থ ও ট্রফি ফেরত দিতে বলেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

    সম্প্রতি ইয়েন সির প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে তিনি রাখাইনে চলমান সহিংসতার জন্য আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসাকে দায়ী করেন।
    তিন মিনিট ৪১ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

  • বাংলাদেশির লাশ চলে গেলো পাকিস্তানে!

    বাংলাদেশির লাশ চলে গেলো পাকিস্তানে!

    ঢাকা: নাম মিলে যাওয়ায় এক বাংলাদেশির লাশ সৌদিআরবে থেকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে লাশটি আবারও সৌদিআরবে ফেরত আনা হয়েছে। গত সপ্তাহে দাম্মামে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ওই ব্যক্তি নিহত হন।

    এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মর্গে থাকা ওই মরদেহটি পাকিস্তানি নাগরিক নিজামুল্লাহ বলে শনাক্ত করে।

    শনাক্তের পর পাকিস্তানে পাঠানো হয় নিজামুল্লাহর লাশ। পেশওয়ারের বাছা খান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাশ নিতে নিজামুল্লাহের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কফিন খুলেই স্বজনরা জানান, এটা তাদের নিজামুল্লাহর লাশ নয়।

    নিজামুল্লাহর পরিবার ওই লাশ নিতে অস্বীকৃতি জানালে মরদেহটি আবারও সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ফেরত পাঠানো হয় সৌদিআরবে।
    পাকিস্তানের পেশওয়ার বাসিন্দা নিজামুল্লাহ সৌদিআরবের দাম্মামে গাড়িচালকের কাজ করতেন। এরপর লাশটি বাংলাদেশি নিজামুল্লার বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

    এ ব্যাপারে দাম্মামে অবস্থানরত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কাউন্সেলর ফয়সল আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিজামুল্লাহ বাংলাদেশি এবং তার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়ায়। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

  • দোকলামে উত্তেজনার রেশ, বৈঠক বাতিল চীন-ভারতের

    ঢাকা: ভুটান সীমান্তের কাছে ডোকলাম নিয়ে দু’দেশ সমঝোতার পথে হাঁটছে বলে মনে হলেও ভারতীয় সেনাবাহিনী ও পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)’র মধ্যে উত্তেজনা কমেনি। ওই অঞ্চল থেকে সেনা সরিয়ে নেয়ার পর প্রায় মাস পার হয়েছে।

    এমনই পরিস্থিতিতে প্রথা ভেঙে সীমান্তে বার্ষিক ‘বর্ডার পার্সোনাল মিটিং’ বা বিপিএম বৈঠক থেকে বিরত থাকল দু’দেশের সেনাবাহিনী। ফলে বার্ষিক বৈঠকটি না হওয়ায় দুটি দেশের মধ্যে যে কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ যে গলেনি তার প্রমাণ পাওয়া গেল।

    অন্যদিকে, চলতি মাসের শেষের দিকে চীন ও ভারতের মধ্যে সপ্তম ‘হ্যান্ড ইন হ্যান্ড’ মহড়া হওয়ার কথা থাকলেও তাতেও কোন অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।

    প্রতিবছর চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে ভারতীয় ও চীনা সেনাবাহিনীর মধ্যে বিপিএম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৪ হাজার কি.মি. দীর্ঘ ভারত-চীন সীমান্তের পাঁচটি জায়গায় মিলিত হন দুই সেনা প্রতিনিধিরা। এ বছর ১ অক্টোবর ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রথা ভেঙে এবার বাতিল করা হয় ওই বৈঠক।

    ভারতীয় সেনা সূত্র টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানায়, এবছর দৌলতবেগ, চুশুল, বুমলা, কিবিথু ও নাথুলায় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে এবার ভারতীয় পক্ষকে পিএলএ আমন্ত্রণ জানায়নি। ফলে বাতিল হয়ে যায় বৈঠক।

    উল্লেখ্য, দোকলামে সড়ক নির্মাণের কাজ বন্ধ করেছে চীন। তবে সেখানে এখনও মোতায়েন রয়েছে চীনা সেনা। একই ভাবে সীমান্তের এপারে টহল দিচ্ছে ভারতীয় বাহিনী। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, বিপিএম বৈঠক হলে দু’পক্ষের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারত।

    দোকলামের ৭৩ দিন মুখোমুখি অবস্থানের পর এখনও সিকিম-ভুটান-তিব্বত ত্রি-জংশনের কাছাকাছি অঞ্চলে দুই বাহিনীই ধাপে ধাপে শক্তি বজায় রাখছে।

    একটি সূত্র জানায় “পিএলএ ঘটনাস্থল থেকে জামফেরী ঢালের দিকে গাড়ি চলাচল উপযোগী রাস্তার নির্মাণ বন্ধ করলেও ওই অঞ্চলে তাদের শক্তি বজায় রেখেছে”

    মুখোমুখি অবস্থানের সময় দু’পক্ষ অতিরিক্ত পদাতিক ব্যাটালিয়নের পাশাপাশি সাঁজোয়া যান(ট্যাংক), আর্টিলারি, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। আগে এখানে সৈন্য সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় অনেক কম ছিল।

    বলা হচ্ছে, আগামী ১৮ অক্টোবর চীনের কমিউনিস্ট পার্টির গুরুত্বপূর্ণ কংগ্রেস হওয়া পর্যন্ত ডোকলাম পরিস্থিতি একই থাকবে। এই কংগ্রেসে   চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিতীয়বারের মত আরও পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সূত্র জানায়, কংগ্রেস শেষ হওয়ার পর পিএলএ’র আচরণ কী হয় তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    প্রতিবছর চীন-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন ‘বর্ডার পার্সোনাল মিটিং পয়েন্ট’ এ সাত থেকে আটটি অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। যার মধ্যে আছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,  উপহার বিনিময়, বক্তৃতা ইত্যাদি থাকে। গত জুনের মাঝামাঝি ডোকলাম সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতীয় সৈন্যরা চীন সীমান্ত অতিক্রম করেনি।

    এমনকি গত আগস্টে পিএলএ’র ৯০ তম বার্ষিকী উদযাপনকালেও নয়।

    এছাড়াও, ভারত ও চীনের মধ্যে ‘হ্যান্ড ইন হ্যান্ড’ সামরিক মহড়াও বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত বিষয়টি নিয়ে চীনের বারবার সাথে যোগাযোগ করলেও এখন পর্যন্ত চীন কোন জবাব দেয়নি।

  • ‘রোহিঙ্গা গণহত্যার পেছনে রয়েছে ইসরাইলের হাত’

    ‘রোহিঙ্গা গণহত্যার পেছনে রয়েছে ইসরাইলের হাত’

    মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলমান হত্যা, নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞে ইসরাইলের ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি দৈনিক হারেতজ।

    দৈনিকটির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো যেখানে মিয়ানমার সরকারের কাছে অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে সেখানে ইসরাইল রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর হত্যা নির্যাতন চালানোর জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করছে।

    জাতিগত শুদ্ধি অভিযানে লিপ্ত সরকারগুলোর কাছে অস্ত্র সরবরাহ করার ক্ষেত্রে তেলআবিবের ভূমিকা সম্পর্কে সাবেক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ইসরাইলের এ দৈনিকটি আরো জানিয়েছে, এর আগে ১৯৯০এর দশকে রুয়ান্ডা ও সার্বিয়ার কাছেও অস্ত্র পাঠানো হয়েছিল।

    ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিয়ানমারের সেনা প্রধান মিন আওং হাইং ইসরাইল সফর করে সেখানকার অস্ত্র নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেন। পার্সটুডে

  • গাজায় ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী

    গাজায় ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী

    ঢাকা: মতাদর্শিক সংঘাত ও গৃহযুদ্ধে এক দশক ধরে পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকার পর ফিলিস্তিনের গাজার শাসকদল হামাসের সঙ্গে ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু করতে উপত্যকাটিতে গিয়েছেন পশ্চিম তীরভিত্তিক ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের (পিএ) প্রধানমন্ত্রী রামি আল-হামদাল্লাহ।

    স্থানীয় সময় সোমবার ঐতিহাসিক সফরে গাজায় যান পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর সমর্থনপুষ্ট দল ফাতাহর নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী।

    গাজায় এক অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে রামি হামদাল্লাহ বলেন, জাতীয় ঐক্যের সরকার গাজার প্রশাসনিক বিষয়গুলো দেখভাল করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সীমান্ত পারাপারের বিষয়গুলোরও দায়িত্ব নেবে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পশ্চিমা বহু দেশ ও ইসরায়েলের বিবেচনায় সন্ত্রাসী সংগঠন হামাস গত মাসে গাজায় ছায়াসরকার বিলুপ্ত করে জাতীয় ঐক্যের নাটকীয় উদ্যোগ নেয়। গাজা উপত্যকায় নির্মাণকাজসহ বিভিন্ন কাজে মূল দাতা দেশ কাতারের সঙ্গে আরব মিত্র দেশ সৌদি আরব, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও বাহরাইন কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর হামাস এ সিদ্ধান্ত নেয়।

    সম্প্রতি হওয়া হামাস ও ফাতাহর সমঝোতা অনুযায়ী, গাজার পুলিশ বাহিনীতে ধীরে ধীরে যুক্ত হবে ফাতাহর অনুগত তিন হাজারের মতো সদস্য। পুরো বিষয়টির তদারক করবেন হামদাল্লাহ।

    নিরাপত্তা বাহিনীতে নতুন নিয়োগের পরও হামাসের সশস্ত্র শাখা ইজ্জ আদ-দিন আল-কাসাম ব্রিগেড আগের মতোই কার্যক্রম চালাবে। এই ব্রিগেডে কমপক্ষে ২৫ হাজার প্রশিক্ষিত যোদ্ধা আছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

  • ৪০০ ভক্তের লিঙ্গ কেটেদেন রাম রহিম

    ৪০০ ভক্তের লিঙ্গ কেটেদেন রাম রহিম

    ঢাকা: ধর্ষণের মামলায় দোষি সাব্যস্ত হওয়ার পর থেকে ভারতের বিতর্কীত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের একের পর এক অপকর্ম মানুষের সামনে প্রকাশ পাচ্ছে। এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ৪০০ পুরুষ ভক্তের লিঙ্গ কর্তন বা নপুংসক করিয়েছিলেন।

    নপুংসক হলে ঈশ্বরের কাছাকাছি যাওয়া যাবে- এই প্রলোভন দেখিয়ে তাদের অণ্ডকোষ নির্মূল করিয়েছিলেন বলে ২০০২ সালে ভারতসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়।

    ২০১৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ গণমাধ্যম মেট্রোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গুরমিত রাম রহিম সিং-এর সম্পত্তির পরিমাণ ৪০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। বিশ্বজুড়ে তার পাঁচ কোটির বেশি ভক্ত রয়েছে। আধ্যাত্মিক সংগঠন ডেরা সাচ্চা সৌদার প্রধান তিনি।

    তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ৪০০ পুরুষকে নিজেদের লিঙ্গ কর্তনে উৎসাহিত করেন। কারণ হিসেবে তিনি তখন বলেছিলেন, এতে সৃষ্টিকর্তার সরাসরি সান্নিধ্য পাওয়া যাবে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবা রাম রহিমের আশ্রমের ভেতর প্রতিষ্ঠিত একটি হাসপাতালে এই লিঙ্গ কর্তন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২০০০ সালে গণহারে নপুংসক করার কাজ শুরু হলেও এসব ঘটনা প্রকাশ্যে আসে ২০০২ সালে।

    দেশটির সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) জোড়া ধর্ষণ মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ভয়াবহ এই ঘটনার খবর জানতে পারেন। তারা ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেন।

    হানস রাজ চৌহান নামে এক ভুক্তভোগী সিবিআই কর্মকর্তাদের এই তথ্য দেন।

    গুরমিত সিং-এর আশ্রমে নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটনার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিয়ে আসেন রাম চরণ ছত্রপতি নামে হরিয়ানার এক সাংবাদিক। পরে তাকে রাম রহিমের নির্দেশে তার ভক্তরা হত্যা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে।