Category: আন্তর্জাতিক

  • বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে লুকিয়ে আফগানিস্তান থেকে ভারতে কিশোর

    বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে লুকিয়ে আফগানিস্তান থেকে ভারতে কিশোর

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  আফগানিস্তানের কাবুল থেকে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারের ভেতরে ঢুকে ভারতে পৌঁছায় এক কিশোর।

    রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কেএএম এয়ারলাইনসের আরকিউ-৪৪০১ ফ্লাইট দিল্লিতে নামার পর ওই কিশোর সেখান থেকে বের হয়ে আসে।  খবর এনডিটিভির।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৩ বছরের ওই ‍কিশোর কৌতূহলের বশে কাবুলে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারে প্রবেশ করে। এরপর উড়োজাহাজটি দুই ঘণ্টা আকাশে উড়ে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। তখন ছেলেটিকে পাওয়া যায়। উড়োজাহাজের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করছিল সে।

    এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীদের বললে তারা ছেলেটিকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ছেলেটি বলে, সে আফগানিস্তানের কুন্দুজ শহরের বাসিন্দা। পরবর্তীতে ফিরতি ফ্লাইটে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।

    ছেলেটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে বলে, সে কাবুল বিমানবন্দরে লুকিয়ে প্রবেশ করে এবং কোনোভাবে উড়োজাহাজের ‘ল্যান্ডিং গিয়ারের’ জায়গায় ঢুকে পড়ে। নিজের ‘কৌতূহল থেকেই’ সে এই কাজ করে বসে।

    পরে ‘ল্যান্ডিং গিয়ারের’ জায়গাটি নিরাপত্তাকর্মীরা তল্লাশি করেন। সেখানে তারা একটি লাল রঙের স্পিকার পান, যেটা ছেলেটি সঙ্গে এনেছে। পরবর্তীতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি করে উড়োজাহাজটিকে নিরাপদ ঘোষণা করা হয়।

  • ফিলিস্তিনকে নিরাপত্তা পরিষদের স্বীকৃতি দেওয়া ‘ঐতিহাসিক’: এরদোগান

    ফিলিস্তিনকে নিরাপত্তা পরিষদের স্বীকৃতি দেওয়া ‘ঐতিহাসিক’: এরদোগান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।  এসব সিদ্ধান্তকে তিনি ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন।

    এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা আনাদোলু বলছে,  জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এরদোগান ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোকে অভিনন্দন জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, এসব পদক্ষেপ দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বাস্তবায়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজায় ইসরাইলের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত আছে। বিবেকবান কেউই এ ধরনের গণহত্যার মুখে নীরব থাকতে পারে না।

    তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ফিলিস্তিনি ইস্যু প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।তিনি পুনরায় বলেন, এখন জরুরি হলো গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহার।

    একইসঙ্গে তিনি পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ, পূর্ব জেরুজালেমে জবরদস্তিমূলক পরিস্থিতি তৈরি এবং অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ছড়ানোর প্রচেষ্টা বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে অসম্ভব করে তোলা এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা।

    তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহুর সরকার এমন এক সমাজ থেকে এসেছে, যারা একসময় হলোকাস্টের শিকার হয়েছিল; অথচ এখন তারা সেই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে, যাদের সঙ্গে হাজার বছর ধরে ভূমি ও পানি ভাগাভাগি করে এসেছে।

    এরদোগান জোর দিয়ে বলেন, ‘ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও সংযুক্তিকরণ নীতির লক্ষ্য হলো দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের স্বপ্নকে হত্যা করা এবং ফিলিস্তিনিদের নির্বাসনে ঠেলে দেওয়া।  আর এ ধরনের প্রচেষ্টা কখনোই মেনে নেওয়া যাবে না।’

  • চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় কিমের

    চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় কিমের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ‘জোরদার’ করবে উত্তর কোরিয়া—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন।  মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ (কেসিএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

    কেসিএনএ জানায়, উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পাঠানো অভিনন্দন বার্তার জবাবে কিম এ মন্তব্য করেন।

    কিম আরও বলেন, চলতি মাসের শুরুর দিকে বেইজিং সফরের সময় তিনি চীনের সমর্থন ‘ভালোভাবে অনুভব করেছেন’।   এ সফরে তিনি শি জিনপিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে সামরিক কুচকাওয়াজ দেখেন।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শি জিনপিং কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের মধ্যে ছয় বছর পর একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চীন উত্তর কোরিয়ার প্রধান মিত্র এবং অর্থনৈতিক সহায়তার মূল উৎস।

    এদিকে, কিম আগেই বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগের দাবি থেকে সরে আসে, তবে আলোচনায় বসতে তার কোনো আপত্তি নেই।

    তবে তিনি স্পষ্টভাবে এও জানিয়ে দেন, শুধু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে কখনোই তিনি তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ত্যাগ করবেন না।

  • গাজা ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প

    গাজা ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয় নিয়ে মুসলিম প্রধান একাধিক দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  খবর রয়টার্সের।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিশর, জর্ডান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের নেতা বা শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। আলোচনায় মূল বিষয় হবে গাজার যুদ্ধ পরিস্থিতি ও শাসনব্যবস্থা।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প বৈঠকে একটি শান্তি প্রস্তাব ও যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা শাসন কাঠামোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আলোচনায় জিম্মি মুক্তি, যুদ্ধের অবসান, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ও হামাস-বহির্ভূত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয় গুরুত্ব পাবে।

    ওয়াশিংটন চাইছে আরব ও মুসলিম দেশগুলো গাজায় শান্তিরক্ষী সেনা পাঠাক, যাতে ইসরাইল সেনা প্রত্যাহার করতে পারে। একইসঙ্গে গাজা পুনর্গঠন ও স্থানান্তরকালীন খরচের জন্য অর্থায়নেও দেশগুলোর সহযোগিতা চাওয়া হবে।

    ট্রাম্পের এই উদ্যোগ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বহু পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের মতো দেশগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, শান্তির একমাত্র পথ হলো দুই-রাষ্ট্র সমাধান।

    যদিও ইসরাইল এই স্বীকৃতিকে ‘সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা’ বলে উল্লেখ করেছে। স্বীকৃতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আপত্তি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।

  • ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে পর্তুগাল

    ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে পর্তুগাল

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘে উচ্চ-পর্যায়ের সম্মেলনের আগেই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে পর্তুগাল।

    পর্তুগিজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে তারা এ স্বীকৃতি দেবেএ

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দিনকয়েক আগে যুক্তরাজ্য সফরকালে পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো রাঞ্জেলও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি তার দেশ বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছিলেন। তাদের প্রতিবেশী দেশ স্পেন গত বছরের মে মাসেই আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ের সঙ্গে একসাথে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিলেও পর্তুগাল এ বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বলছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    স্পেনের বামপন্থি সরকার গত বছর ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) অন্য দেশগুলোকেও একই পথে হাঁটার আহ্বান জানায়। পর্তুগালের তখন বলেছিল, তারা এ বিষয়ে অন্যান্য ইইউ দেশের সঙ্গে সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

    ইইউ-র ২৭টি দেশের মধ্যে এখন পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে; তার মধ্যে বেশিরভাগই একসময় কমিউনিস্ট শাসনাধীন ছিল, এর বাইরে সুইডেন ও সাইপ্রাসের স্বীকৃতি পেয়েছে ফিলিস্তিন।

    ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের আগামী সপ্তাহেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা।

    ২০১২ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক মর্যাদা ‘সত্ত্বা’ থেকে ‘সদস্য নয় এমন রাষ্ট্র’ পর্যায়ে উন্নীত করে।

    গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলের হাতে বিপুল বেসামরিকের মৃত্যু, অনাহার ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণে তেল আবিব এমনকি তার মিত্র অনেক দেশের কাছ থেকেও তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা কুড়িয়েছে।

  • সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন

    সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন যাচ্ছেন। ২৫ বছরেরও বেশি সময় পর এটি এ ধরনের প্রথম সফর।

    দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে একথা জানিয়েছে।

    সূত্রটি নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, ‘সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি দেশটির বিরুদ্ধে অবশিষ্ট নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করতে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন।’

    ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী জোট ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই সিরিয়ার ওপর আরোপিত বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।