Category: আন্তর্জাতিক

  • মুসলিম দেশগুলো কি ন্যাটোর আদলে যৌথ বাহিনী গঠন করছে!

    মুসলিম দেশগুলো কি ন্যাটোর আদলে যৌথ বাহিনী গঠন করছে!

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ইসরাইল কাতারে হামলা করার এক সপ্তাহের মধ্যেই কাতারের রাজধানী দোহায় আরব লীগের সদস্য দেশগুলোর পাশাপাশি কয়েকটি মুসলিম দেশ সম্মেলন করেছে।

    ৯ সেপ্টেম্বর কাতারে ইসরাইলের হামলা চালানোকে কেন্দ্র করে মুসলিম দেশের নেতাদের দুই দিনের এই জরুরি সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধ ও চলমান মানবিক বিপর্যয় থামাতে ইসরাইলকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করা।

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা, ইসরাইলের আগ্রাসনের মত বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে এই সম্মেলনে।

    আর এই সম্মেলন থেকে ন্যাটোর আদলে ‘জয়েন্ট আরব ফোর্সেস’ বা যৌথ আরব বাহিনী গঠনের তাগিদ উঠে এসেছে বলে খবর প্রকাশ করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদ সংস্থাগুলো।

    যৌথ আরব বাহিনী

    সোমবার শুরু হওয়া আরব-ইসলামিক সম্মেলনে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি এই যৌথ আরব বাহিনী গঠনের প্রস্তাব তোলেন বলে জানা যাচ্ছে।

    এই বাহিনী গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে ন্যাটো জোটের আদলে। অর্থাৎ ন্যাটো জোটভুক্ত প্রত্যেকটি দেশ যেমন জোটের কোনো একটি দেশের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে ওই দেশের নিরাপত্তায় সেনা সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই যৌথ আরব বাহিনীও সেভাবেই কাজ করবে বলে প্রস্তাব তোলা হয়েছে।

    আরব দেশগুলোর ওপর হামলা হওয়া বা তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ার মত ঘটনার পাশাপাশি আরব বিশ্বের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ও সন্ত্রাসবাদী হামলা ঠেকানোর মত বিষয়গুলো নিয়ে এই বাহিনী কাজ করবে বলে প্রাথমিক প্রস্তাবনায় উঠে এসেছে।

    সেনা সদস্যের দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি মিশর চায় কায়রোতে এই বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপন করতে।

    ন্যাটোর মত এই বাহিনীতেও বিমান, নৌ ও স্থল বাহিনী থাকবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সহযোগী দেশগুলোর সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও আকৃতির ওপর নির্ভর করবে কোন দেশ এই বাহিনীতে কতটুকু অবদান রাখবে।

    বিশ্লেষকরা এই প্রয়াসকে ‘আরব ন্যাটো’ বলে উল্লেখ করছেন।

    এর আগে ২০১৫ সালেও মিশর একই ধাঁচের যৌথ আরব বাহিনী গঠনের আহ্বান জানিয়েছিল। সেসময় ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়ার মত দেশগুলোতে বিভিন্ন ইসলামপন্থী সশস্ত্র গ্রুপের বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রম রোধে ওই বাহিনী গঠনের প্রস্তাব জানিয়েছিলেন. সিসি, যিনি সেসময়ও মিশরের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

    তবে আরব লিগের বেশ কয়েকটি দেশ সেসময় ওই বাহিনী গঠনে আগ্রহী না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেই যৌথ বাহিনী গঠন সম্পন্ন হয়নি।

    যে কোনো দেশে হামলা, সবার ওপর হামলার শামিল

    সম্মেলনে উপস্থিত দেশগুলো ইসরাইলের ওপর আইনি, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

    জাতিসংঘ থেকে ইসরাইলের সদস্যপদ স্থগিত করারও আহ্বান জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।

    পাশাপাশি গাজায় জরুরি ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করা, গাজার স্থাপনা পুনর্নির্মাণ ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।

    এই বিবৃতি ছাড়াও একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশ নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত জোট গঠিত গাল্ফ সিকিউরিটি কাউন্সিল, জিসিসি।

    জিসিসি তাদের বিবৃতিতে কাতারে হামলার জন্য ইসরাইলের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি উল্লেখ করেছে যে জিসিসির সহযোগী ‘যে কোনো দেশে হামলা, সবার ওপর হামলার শামিল।’

    ‘গাজার যুদ্ধ থেকে নজর সরিয়ে নিতেই কাতারে হামলা’

    সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে কাতারের আমির মন্তব্য করেছেন যে ইসরাইল গাজা থেকে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার উদ্দ্যেশ্যেই কাতারে হামাস নেতাদের বৈঠকে হামলা চালিয়েছে।

    কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি তার উদ্বোধনী বক্তব্যে মন্তব্য করেন যে, ইসরাইল যদি হামাস নেতাদের হত্যাই করতে চায়, তাহলে তাদের সাথে আলোচনা করার কথা বলছে কেন?

    তিনি প্রশ্ন তোলেন, আপনি (ইসরাইল) যদি জিম্মিদের মুক্তিদের জন্য দর কষাকষিই করতে চান, তাহলে সেই বিষয়ে কাজ না করে আলোচনাকারীদের (হামাস নেতা) হত্যা করছেন কেন?

    এমন পরিস্থিতিতে ইসরাইলের সাথে আলোচনা সম্ভব নয় বলেও তার বক্তব্যে মন্তব্য করেন কাতারের আমির।

    সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেন যে ইসরাইলের কার্যক্রম পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে।

    কাতারে হামলার ঘটনা নিয়ে সিসি মন্তব্য করেন, এই আগ্রাসনে পরিষ্কারভাবে দেখা যায় যে ইসরাইল সব ধরণের রাজনৈতিক বা সামরিক যুক্তি বহির্ভূত কাজ করছে, এবং তারা সব সীমা অতিক্রম করেছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় দোহা সম্মেলনের তীব্র সমালোচনা

    দোহায় আরব লীগ ও ওআইসির দেশগুলোর এই জরুরি সম্মেলন নিয়ে অনেকে আশাবাদী হলেও বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন এই সম্মেলন থেকে ইতিবাচক কিছু অর্জন হবে না। কাতারে ইসরাইলের হামলার পর কাতারের প্রধানমন্ত্রীর ওয়াশিংটন সফর নিয়েও চলছে সমালোচনা।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে এই সম্মেলন থেকে ‘নিন্দা জ্ঞাপন’ ছাড়া আর কিছু অর্জন হবে না।

    ইয়েমেনের রাজনীতিবিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শেখ হুসেন হাজেব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্ট করে মন্তব্য করেছেন যে এই জোটের ‘উত্থানের আগেই মৃত্যু’ হবে।

  • গাজা শহর দখলের লক্ষ্যে ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরু, নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চলছে

    গাজা শহর দখলের লক্ষ্যে ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরু, নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চলছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজা শহরের দখল নিতে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী একটি বড় ধরনের স্থল অভিযান শুরু করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে শহরটির উপর ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর পর এবার গাজার বিভিন্ন স্থানে মাটি থেকে শুরু হয়েছে এই অভিযান। শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের নিরাপদ স্থানে সরানোর পরিকল্পনা ছিল, তবে চলমান পরিস্থিতির কারণে এই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। এখন পর্যন্ত শহরের মাত্র ৩ লাখ ২০ হাজার মানুষ পালিয়ে গেছে, তবে জাতিসংঘ জানিয়েছে, প্রায় ১ লাখ মানুষ আরও বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা শহরের দখলকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তার দাবি, গাজা শহরে হামাসের শক্তিশালী ঘাঁটি রয়েছে, এবং এই ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করতে হলে শহরটি দখল করা জরুরি। গত মাসে গাজা শহর দখলের জন্য ইসরায়েলি মন্ত্রিসভায় একটি পরিকল্পনা অনুমোদন পায়, এবং তার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ব্যাপক বিমান হামলা চালাতে থাকে।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ এক বার্তায় জানিয়েছেন, “গাজা আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সন্ত্রাসী অবকাঠামোর ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং বন্দিদের মুক্তি ও হামাসের পরাজয় নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

    গত সপ্তাহে, গাজা শহরের সুউচ্চ ভবনগুলোই ইসরায়েলি বাহিনীর প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে। তবে ইসরায়েলি বাহিনীর এই অভিযান ব্যাপক মানবিক সংকট তৈরি করেছে।  সোমবার দিবাগত রাতে ইসরায়েলের বিমান হামলায় গাজায় অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন।

    এদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, হামাসের হাতে ইসরায়েলের প্রায় ২৫১ জন নাগরিক বন্দী রয়েছে, যাদের মধ্যে ২০ জন এখনও জীবিত। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় ৬৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    ইসরায়েলি বাহিনী গাজা শহরের উপকণ্ঠে অবস্থান নিয়েছে, এবং সেখানে প্রচণ্ড আক্রমণ চালাচ্ছে। যদিও কিছু এলাকায় ফিলিস্তিনিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, পুরো শহর থেকে তাদের নিরাপদে সরানো কঠিন হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ইসরায়েলের এই অভিযান আরও মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে, যা পৃথিবীর কাছে এক গভীর উদ্বেগের বিষয়।

  • ইসরাইলের হামলা তীব্রতর হওয়ায় গাজা শহর থেকে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ পালিয়েছে

    ইসরাইলের হামলা তীব্রতর হওয়ায় গাজা শহর থেকে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ পালিয়েছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের হামলা তীব্রতর হওয়ায় প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ গাজা শহর থেকে পালিয়ে গেছে। রোববার নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ইসরাইলের আর্মি রেডিও একথা জানিয়েছে।

    রোববার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূলত উত্তর গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় গত ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩৪৬ জন আহত হয়েছে।

    জেরুজালেম থেকে সিনহুয়া এই খবর জানিয়েছে।

    এই হামলায় গাজা সিটিতে কমপক্ষে দু’টি বহুতল ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে, যার মধ্যে একটি ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনও রয়েছে। সেখানে বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যাচ্ছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় ভবনটি বোমা হামলার শিকার হচ্ছে এবং ধসে পড়ছে।

    ইসরাইলি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে, তারা দু’টি বহুতল ভবনে হামলা চালিয়েছে। ইসরাইল দাবি করেছে, হামাস গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নজরদারির জন্য এগুলো ব্যবহার করেছে।

    ইসরাইল জানিয়েছে, তারা গাজা শহর দখল করার পরিকল্পনা করছে। হামাসকে ভেঙে ফেলা এবং এই গোষ্ঠীর হাতে আটক প্রায় ৫০ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে সেখানে আক্রমণ শুরু হওয়ার আগে প্রায় দশ লক্ষ মানুষ বাস করত এবং আশ্রয় নিয়েছিল।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রোববার জেরুজালেমে পৌঁছেছেন এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে পশ্চিম প্রাচীর পরিদর্শন করেছেন। দু’জনের মধ্যে আলোচনার রয়েছে।

    নেতানিয়াহু রুবিওকে ‘ইসরাইল রাষ্ট্রের একজন অসাধারণ বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, তার সফর ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের মধ্যে জোটের স্থিতিস্থাপকতা’ প্রদর্শন করেছে।

    নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর অধীনে এই জোট আগের চেয়েও শক্তিশালী’।

    ইসরাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে রুবিও বলেছেন, মঙ্গলবার কাতারে ইসরাইলি হামলায় ট্রাম্প ‘খুশি নন’ তবে এটি ‘ইসরাইলিদের সাথে আমাদের সম্পর্কের প্রকৃতি পরিবর্তন করবে না।’ তিনি আরো বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনার উপর কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে দুই দেশকে ‘আলোচনা করতে হবে’।

    সোমবার রুবিওর পূর্ব জেরুজালেমের সিলওয়ানের ফিলিস্তিনি পাড়ায় বসতি স্থাপনকারী-পন্থী এলাদ সংগঠন দ্বারা পরিচালিত একটি বসতি খনন স্থান পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।

    গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানে ৬৪ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যার ফলে ছিটমহলের বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়েছে।

    ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, রোববারও ইসরাইল পশ্চিম গাজা শহরের আশপাশের এলাকায় তীব্র বিমান হামলা চালিয়েছে, যাতে কমপক্ষে সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা সিনহুয়া’কে জানিয়েছেন, বিমান হামলায় আল-কাওথার টাওয়ার, মুহান্না টাওয়ারের উপরের তলা এবং বেশ কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা আরো জানান, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য ‘ফালাস্তানা’ শিবিরকেও টার্গেট করেছে, যেখানে কয়েক ডজন তাঁবু, আশেপাশের বাড়ি এবং সুযোগ-সুবিধা, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, তেল আল-হাওয়া পাড়ার কমিউনিটি কলেজ এবং আশেপাশের আবাসিক ব্লক রয়েছে।

    গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সূত্র জানিয়েছে, তেল আল-হাওয়ার বার্সেলোনা পার্কের কাছে একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সিভিল ডিফেন্স দল ধ্বংসস্তূপ থেকে লোকজনকে উদ্ধারের জন্য কাজ করার সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর ওপর দিয়ে ধোঁয়ার ঘন কুণ্ডলী উড়ে যাচ্ছে।

    এক প্রেস বিবৃতিতে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, তাদের যুদ্ধবিমানগুলো ‘সামরিক অভিযান এবং গোয়েন্দা উদ্দেশ্যে হামাস দ্বারা ব্যবহৃত স্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে’। ইসরাইলের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু হামলার আগে বাসিন্দাদের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

    গাজায় হামাস-পরিচালিত সরকারি মিডিয়া অফিস ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার’ লক্ষ্যে আবাসিক টাওয়ার, স্কুল এবং বেসামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘পরিকল্পিত বোমাবর্ষণ’করার অভিযোগ করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

    বন্দি বিনিময় আলোচনা স্থগিত

    গত সপ্তাহে কাতারের রাজধানী দোহায় তাদের আলোচক প্রতিনিধিদলকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ এনে রোববার হামাস জানিয়েছে, তারা ইসরাইলের সাথে বন্দী বিনিময় আলোচনা স্থগিত করেছে।

    হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাহির আল-নোনো এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যদি দেশের ভেতরে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদলের ওপর হামলা করা হয়, তাহলে আলোচনা আর এগোতে পারবে না।’

    হামাস জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার দোহার আবাসিক এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলা চালানো হয়, যখন তারা মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিলেন। হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা খলিল আল-হাইয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি বেঁচে গেলেও হামাসের পাঁচ সদস্য এবং একজন কাতারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হামাস।

    আল-নোনো নেতানিয়াহুকে যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় উভয় প্রচেষ্টায় বাধা দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, গাজার আবাসিক টাওয়ারগুলোতে ইসরাইলি হামলা তীব্রতর হলে সেখানে বন্দী ইসরাইলিদের বিপদ হতে পারে।

    তিনি বলেছেন, ‘একমাত্র যৌক্তিক সমাধান হল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই যুদ্ধ বন্ধের জন্য একটি সিদ্ধান্ত জারি করা এবং তা কার্যকর করা’।

    রোববার রুবিওর ইসরাইল সফরের খবরও উড়িয়ে দিয়েছেন আল-নোনো। তিনি বলেছেন, হামাস ইসরাইলের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন আশা করেনি।

    কাতার নিউজ এজেন্সি (কিউএনএ) জানিয়েছে, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল-থানি রোববার দোহায় বলেছেন, দোহায় ইসরাইলের সাম্প্রতিক আক্রমণ কাতার, মিশর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তাদের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে বাধা দেবে না।

    কিউএনএ জানিয়েছে, কাতারের প্রধানমন্ত্রী আরব ও ইসলামী দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে একটি প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন, যা জরুরি আরব-ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলনের আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মঙ্গলবার দোহায় ইসরাইলের হামলার বিষয়ে একটি খসড়া বিবৃতি নিয়ে আলোচনা করেন।

    আল-থানি তার বক্তৃতায় জোর দিয়ে বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের বৈধ অধিকার না পেলে এই অঞ্চলটি ব্যাপক শান্তি ও নিরাপত্তা অর্জন করতে পারবে না।

    সাহায্যকারী নৌবহর

    এদিকে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের অবরোধ ভেঙে মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক কনভয় গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা (জিএসএফ) এর অংশ গ্রীক পালতোলা জাহাজ অক্সিগোনো (অক্সিজেন) রোববার সাইরোস দ্বীপ থেকে যাত্রা শুরু করেছে।

    গ্রীক সংবাদপত্র এপোচি (এরা) এর সাংবাদিক এবং গ্রীক মিশনের সদস্য ভ্যাসিলিস রোগাস বলেন, এই মিশনের লক্ষ্য ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং প্রায় দুই বছর আগে শুরু হওয়া সংঘাতের অবসান ঘটাতে সহায়তা করা।

    জিএসএফ আয়োজকদের মতে, বিভিন্ন বয়স এবং পেশার গ্রীক কর্মীরা এরমোপোলিস বন্দর থেকে ভূমধ্যসাগরীয় আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রায় ৬০টি জাহাজে চড়ে গাজা অভিমুখে ৪০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১,০০০ অন্যান্য কর্মীর সাথে যোগ দিতে রওনা হন।

  • নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল সবিতা ভাণ্ডারি

    নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল সবিতা ভাণ্ডারি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সবিতা ভাণ্ডারি বরাল। দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। এর মাধ্যমে নেপালের বিচার বিভাগ ও প্রশাসনে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো।

    প্রেসিডেন্টের প্রেস উপদেষ্টা কিরণ পোখরেল জানান, প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সুপারিশের ভিত্তিতেই সবিতা ভাণ্ডারির নাম অনুমোদন করেন প্রেসিডেন্ট। একই দিনে সকালে বিদায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল রমেশ বাদালের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়।

    সবিতা ভাণ্ডারি পূর্বে নেপালের তথ্য কমিশনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি খ্যাতনামা আইনবিদ কৃষ্ণ প্রসাদ ভাণ্ডারির কন্যা। দীর্ঘদিনের আইনজীবী হিসেবে তার অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদে নিয়োগকে নেপালের নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বিচার ব্যবস্থায় উচ্চপর্যায়ে প্রথম নারী নেতৃত্ব শুধু প্রতীকী নয়, বরং ভবিষ্যতে নেপালে নারীর আইনি ও প্রশাসনিক অংশগ্রহণ বাড়াতে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

  • গাজায় একদিনে ৬২ ফিলিস্তিনির প্রাণ ঝরলো

    গাজায় একদিনে ৬২ ফিলিস্তিনির প্রাণ ঝরলো

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসলায়েলি আগ্রাসণ প্রতিনিয়ত বাড়ছেই। এতে নিহত হচ্ছে শত শত মানুষ। পাশাপাশি ইসরায়েলি বিভিন্ন হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে জড়ো হচ্ছেন হাজার হাজার গাজাবাসি।

    সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুল-আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও গাজার বিভিন্ন অংশে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল বাহিনী। এসব হামলায় গাজাজুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৬২ ফিলিস্তিনি। এর মধ্যে শুধু গাজা সিটিতেই ঝরে পড়েছে ৪৯ প্রাণ।

    সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার দিনভর ইসরায়েলি হামলার তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, কেবল গাজা সিটিতেই অন্তত ছয় হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন এদিন।

    গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, দখলদার বাহিনীর অব্যাহত অবরোধ ও বোমাবর্ষণের মধ্যে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে বসবাস করছেন গাজা শহরের বাসিন্দারা।

    গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার হানি মাহমুদ বলেন, প্রতি ১০ থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে আবাসিক ভবন এবং জনসাধারণের স্থাপনাগুলোতে বোমা ফেলা হচ্ছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে। মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হচ্ছে না।

    শনিবার গাজা শহরের সবচেয়ে বড় হামলাগুলো চালানো হয় জাতিসংঘ পরিচালিত তিনটি স্কুলে, যেখানে শরণার্থীরা আশ্রয় নিয়েছিল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় অপুষ্টিজনিত কারণে আরও সাতজন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে একাধিক শিশুও রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে গাজাজুড়ে অনাহার ও অপুষ্টিতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২০, যাদের মধ্যে ১৪৫ জনই শিশু।

    এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় এ পর্যন্ত গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৪ হাজার ফিলিস্তিনি। সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬৩ হাজার মানুষ।

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ২৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে অমানবিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল; হামাস উৎখাত ও জিম্মি মুক্তির নাম দিয়ে প্রতিদিনই চলছে ভয়াবহ হামলা ও নিপীড়ন। দখলদার বাহিনীর নারকীয় এ হত্যাযজ্ঞ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুহীন একটি দিন পার করতে পারেনি ভূখণ্ডটির বাসিন্দারা।

    সম্প্রতি গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়ার পর তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পেয়ে যেন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। প্রতিদিনই বাড়ছে হামলার তীব্রতা।

  • ইসরাইলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, যা বললেন ইয়াহিয়া সারি

    ইসরাইলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, যা বললেন ইয়াহিয়া সারি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট দখলকৃত ইয়াফায় হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এতে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং লাখো ইসরাইলি আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যায় বলে দাবি করেছেন ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি।

    ইয়েমেনের আল-মাসিরাহ টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি ঘোষণা করেছেন যে ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট সফলভাবে ক্লাস্টার ওয়ারহেড সংযুক্ত ‘প্যালেস্টাইন–২’ নামের হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে দখলকৃত ইয়াফার সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

    সারি জানান, ক্লাস্টার-ওয়ারহেড বিশিষ্ট এ ক্ষেপণাস্ত্র অভিযানে সফলতা এসেছে, ফলে লাখো ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজাকে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সমর্থন দেওয়া থেকে ইয়েমেনিরা কখনো পিছিয়ে যাবে না।

    তিনি আরও বলেন, ‘জায়োনিস্ট শত্রু ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসন চালালে, তা আমাদের ফিলিস্তিনি ভাইদের সমর্থনে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে।’

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী গাজায় ভয়াবহ আগ্রাসন শুরু করে। তখন থেকেই ইয়েমেনিরা প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনের মুক্তির সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে আসছে।

    এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।  এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৭৫৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সূত্র: মেহের নিউজ