Category: আন্তর্জাতিক

  • মার্কিন-ভারত বাণিজ্য আলোচনা অব্যাহত রয়েছে: ট্রাম্প

    মার্কিন-ভারত বাণিজ্য আলোচনা অব্যাহত রয়েছে: ট্রাম্প

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    নয়াদিল্লির রাশিয়ার তেল ক্রয় করায় ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর থেকে উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

    ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, আমাদের দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাধা মোকাবিলায় আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি মনে করেন, এর মাধ্যমে উভয় দেশের জন্য একটি সফল সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে কোনও অসুবিধা হবে না।

    ট্রাম্প খুব শিগগিরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।

    মোদী জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

    মোদী বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (পূর্বে টুইটার) লিখেছেন, দুই দেশ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আমাদের বাণিজ্য আলোচনা সীমাহীন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের দল দ্রুততম সময়ে একটি সিদ্ধান্তে আসার জন্য কাজ করছে।

    মে মাসে পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের পর শান্তি স্থাপনে ট্রাম্প মধ্যস্থতা করেছেন বলে জানান।

    তিনি নিজেকে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য কূটনীতির কৃতিত্ব দাবি করেন।

    এতে নয়াদিল্লির ট্রাম্পের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে।

    ট্রাম্পের এই দাবিতে মোদিও ক্ষুব্ধ হন।

    তিনি জানিয়ে দেন, ভারত পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি স্থাপনে দেশ দুটি’র সরাসরি জড়িত। প্রতিবেশী দেশ দু’টি নিজেরাই এই সংকট সমাধান করেছেন।

    কাশ্মীর ইস্যুতে কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ভারত বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে আর সেই কারণে নয়াদিল্লি ট্রাম্পকে শীতল অভ্যর্থনা জানিয়েছে।

  • আকাশ থেকে লিফলেট দিয়ে গাজা নগরী ছাড়ার নির্দেশ: ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আতঙ্ক

    আকাশ থেকে লিফলেট দিয়ে গাজা নগরী ছাড়ার নির্দেশ: ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আতঙ্ক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার আকাশ থেকে লিফলেট ফেলে সরিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আপনাদের সতর্ক করা হয়েছে – এখনই সরে যান।”

    মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম রয়াটার্স এমন তথ্য জানিয়েছেন।

    যুদ্ধ শুরুর আগে যেখানে প্রায় এক মিলিয়ন মানুষের বসবাস ছিল, সেই নগরীকে হামাসের শেষ ঘাঁটি ধ্বংসের লক্ষ্যে চূড়ান্তভাবে আক্রমণ করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ ঘোষণা এসেছে। তবে কোথাও নিরাপদ আশ্রয় না থাকায় এ নির্দেশ ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। অনেকে দক্ষিণে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও অনেকেই জানিয়েছেন তাঁরা থেকে যাবেন।

    হাসপাতাল খালি করার সিদ্ধান্ত

    গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আল শিফা ও আল আহলি-এই দুটি প্রধান কার্যকর হাসপাতাল সরিয়ে নেওয়া হবে, তবে রোগীদের ছেড়ে যাবেন না চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি হাসপাতালগুলো রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, “হাজারো রোগী ও আহতের জীবন হুমকির মুখে।”

    ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি

    হামাসের ২০২৩ সালের অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েলি পাল্টা অভিযানে ইতিমধ্যে ৬৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব। প্রায় সবাই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং মারাত্মক খাদ্য সংকট তৈরি হয়েছে।

    ইসরায়েল গাজা নগরীর মানুষকে দক্ষিণ উপকূলীয় আল-মাওয়াসি অঞ্চলের তথাকথিত “মানবিক এলাকা”য় যেতে বলেছে, যদিও সেখানেও নিয়মিত বোমাবর্ষণ চলছে। এক বাসিন্দা উম সামেদ (৫৯) বলেন, “পছন্দটা এখন এই-গাজায় থেকে মারা যাওয়া, নাকি দক্ষিণে গিয়ে মারা যাওয়া।”

    আসছে ‘প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়’

    ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, হামাস বন্দি মুক্তি না দিলে গাজা ধ্বংসে “এক প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়”চালানো হবে। ইতিমধ্যে হাজারো রিজার্ভ সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েলি বাহিনী গাজা নগরীতে প্রবেশের সংগঠন ও সমাবেশ করছে।

    আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

    যুদ্ধবিরতি আলোচনার পথে এ অভিযান বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইউরোপের কয়েকটি দেশ চলতি মাসে জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করছে। সমালোচকরা বলছেন, ইসরায়েলের পরিকল্পনা ফিলিস্তিনিদের মানবিক দুর্দশা আরও বাড়াবে।

    জাতিসংঘের ওপর নির্ভরশীল একটি বৈশ্বিক ক্ষুধা পর্যবেক্ষক সংস্থা ইতিমধ্যে গাজার কিছু এলাকায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছে।

    এদিকে গাজায় সহায়তা নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এক নৌ-অভিযানের প্রধান জাহাজ মঙ্গলবার তিউনিসিয়ার বন্দরে ড্রোন হামলার শিকার হয়। এতে সুইডিশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও যুক্ত ছিলেন বলে আয়োজকরা জানায়।

  • নেপালে বিক্ষোভের তোপে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

    নেপালে বিক্ষোভের তোপে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী খড়গ প্রসাদ শর্মা অলি পদত্যাগ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সহকারী। এর আগে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে চলমান আন্দোলনের মধ্যে মন্ত্রিসভার তিন সদস্য পদত্যাগ করেছিলেন।

    মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা।

    কারফিউ অমান্য করে বিক্ষুব্ধরা দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের কার্যালয় ও কয়েকজন শীর্ষ নেতার বাসভবনে হামলা চালায়। এর মাত্র একদিন আগে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজধানী কাঠমান্ডুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    ইন্টারনেট দমন: বৈশ্বিক প্রবণতার প্রতিফলন

    বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নেপালের এ পদক্ষেপ কেবল স্থানীয় রাজনৈতিক সংকট নয়, বরং বৈশ্বিকভাবে ইন্টারনেট স্বাধীনতার পতনেরই অংশ।

    যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আদিত্য বসিষ্ঠ বলেন, “নেপালে যা ঘটছে তা আসলে বৃহত্তর এক ধারা-গণবৃত্তান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং মাটির বাস্তবতা থেকে উঠে আসা গল্পগুলিকে দমন করার কৌশল। প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশেও বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এটি এক প্রকার প্রতিষ্ঠিত প্লেবুক।”

    ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থা ফ্রিডম হাউসের প্রযুক্তি ও গণতন্ত্রবিষয়ক সিনিয়র গবেষক কিয়ান ভেস্টেইনসন বলেন, “সরকারগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের যুক্তিসঙ্গত স্বার্থ রয়েছে। এটি আমাদের জীবনের প্রতিদিনের অংশ এবং ব্যবসায়ও জড়িত। নিয়ম-কানুন তৈরির আলোচনা হওয়াটা যৌক্তিক।”

    ফ্রিডম হাউসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ১৪ বছর ধরে বৈশ্বিক ইন্টারনেট স্বাধীনতা হ্রাস পাচ্ছে। ক্রমেই বেশি সরকার ভিন্নমত দমনে সোশ্যাল মিডিয়া কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে এবং রাজনৈতিক, সামাজিক বা ধর্মীয় মত প্রকাশের জন্য মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

  • গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ছাড়াল

    গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ছাড়াল

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলের টানা বোমাবর্ষণ, হামলা ও অবরোধে গাজা পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪ হাজার ৩৬৮ জনে। আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৭৬ জন। শুধু গত ২৪ ঘণ্টাতেই হাসপাতালে পৌঁছেছে ৮৭ জনের মরদেহ এবং চিকিৎসা নিয়েছেন আরও ৪০৯ জন।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখনও বহু হতাহত ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে আছেন। অবরোধের কারণে উদ্ধারকর্মীরা সবার কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের মর্গে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ৪৫ জনকে শেষ বিদায় জানাতে স্বজনরা ভিড় করেছেন।

    মানবিক সহায়তা সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রাণহানি আরও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় খাদ্য সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন ৩১ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১৩২ জন। চলতি বছরের ২৭ মে থেকে এই পর্যন্ত খাদ্য সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৪১৬ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন ১৭ হাজার ৭০৯ জন।

    অবরোধ ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শুধু গত একদিনেই অনাহার ও অপুষ্টিজনিত কারণে মারা গেছেন পাঁচজন, যার মধ্যে শিশুও রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অনাহারজনিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮৭ জনে, এদের মধ্যে ১৩৮ জন শিশু। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেস ক্লাসিফিকিশেন (আইপিসি) ইতোমধ্যেই গাজার উত্তরাঞ্চলে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছে। সংস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনুসেও দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    এদিকে, চলতি বছরের ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল আবারও গাজায় বড় আকারের হামলা শুরু করার পর অতিরিক্ত ১১ হাজার ৯১১ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি। এতে জানুয়ারিতে হওয়া যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে।

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। একই সঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও চলছে আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে)।

    সূত্র: আনাদোলু, মিডলইস্ট মনিটর

  • নেপালে জেন জি আন্দোলনে নিহত ১৪

    নেপালে জেন জি আন্দোলনে নিহত ১৪

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপালে জেন জি আন্দোলনে পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছেছে। আন্দোলনে শতাধিক বিক্ষোভকারী, সাংবাদিক ও নিরাপত্তাকর্মীও আহত হয়েছেন। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

    নেপালি সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমস জানিয়েছে, ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে পাঁচজন, সিভিল হাসপাতালে দুজন এবং কাটমাণ্ডু মেডিকেল কলেজ, সিনামঙ্গল-এ চিৎিসাধীন অবস্থায় একজন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি।

    সরকারি দুর্নীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভের ঘোষণা দেওয়া হলেও আন্দোলন দ্রুত সহিংস রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা ফেডারেল পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস, রাবার বুলেট ও আকাশে গুলি চালিয়ে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে, তবে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন কার্যালয় নতুন বাণেশ্বর, সিংহদরবার, নরায়ণহিটি ও সংলগ্ন সংবেদনশীল এলাকায় কারফিউ জারি করেছে। কারফিউ চলাকালে এসব এলাকায় চলাচল, সমাবেশ ও যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে আন্দোলন দেশের অন্যান্য বড় শহরেও ছড়িয়ে পড়ছে।

  • পদত্যাগ করছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

    পদত্যাগ করছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:     জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইশিবা শিগেরু পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত বছরের অক্টোবরে ইশিবা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। সম্প্রতি সংসদের উচ্চকক্ষে তার নেতৃত্বাধীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। এরপর থেকেই নিজ দলের নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

    দলীয় চাপের মুখে সাতদিন আগেও ইশিবার পদত্যাগের গুঞ্জন উঠেছিল। তবে তখন তিনি এমন খবর নাকচ করে দেন। ঠিক সপ্তাহখানিক পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন।

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার সময় মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলার পাশাপাশি নিজের দল ডেমোক্রেটিক পার্টিতে (এলডিপি) সংস্কার আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ইশিবা। কিন্তু এর কয়েক মাসের মাথায় সংসদের নিম্নকক্ষে এলডিপি ও তাদের জোট কোমেইতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। আর জুলাইয়ে এলডিপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় উচ্চকক্ষে।

    আগামীকাল সোমবার এলডিপিতে বিশেষ নেতৃত্ব বাছাইয়ের কথা আছে। এর আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন ইশিবা। আল জাজিরা জানিয়েছে, দলের ভেতর সম্ভাব্য বিভক্তি এড়াতেই ইশিবার পদত্যাগের এমন সিদ্ধান্ত।