Category: আন্তর্জাতিক

  • কলম্বিয়ায় ২ আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত শতাধিক

    কলম্বিয়ায় ২ আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত শতাধিক

    কলম্বিয়ার দুই আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাত জনে দাঁড়িয়েছে বলে শুক্রবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এতে শতাধিক আহত হয়েছে।

    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাউকা প্রদেশে বৃহস্পতিবার মিসাক ও নাসা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    শুক্রবার নিহতের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহতদের মধ্যে ছয় জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এদের চার জন মিসাক সম্প্রদায়ের ও দুই জন নাসা সম্প্রদায়ের।

    নিহত অপর একজনকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

    আঞ্চলিক গভর্নরের একজন মুখপাত্র জানান, সংঘর্ষে অন্তত ১১০ জন আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় হাসপাতালে এক আদিবাসী নেতা লুইস এনরিকের লাশ গ্রহণের সময় মিসাক সম্প্রদায়ের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েন। তিনি একটি আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকার নেতা ছিলেন।

    মিসাক গোষ্ঠীর মারিয়া জাসিন্তা তুনুবুলা এএফপিকে জানান, মিসাকরা একটি বেড়া কেটে নিজেদের বলে মনে করা এলাকা দখলের চেষ্টা করলে নাসা সম্প্রদায় তাদের ওপর হামলা চালায়।

    আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের স্ট্রেচারে থাকা ৪৫ বছর বয়সী ওই নারী বলেন, ‘তারা আমাদের ওপর লাঠি, পাথর, অস্ত্র ও দা নিয়ে হামলা চালায়।’

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও পাথর নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ চলছে, মাটিতে রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে এবং কিছু মানুষ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

  • জার্মানিতে ভবন ধসের ধ্বংসস্তূপ থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

    জার্মানিতে ভবন ধসের ধ্বংসস্তূপ থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

    পূর্ব জার্মানিতে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধসের পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী দল। বৃহস্পতিবার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

    পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোরলিৎসের পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে অনুসন্ধানী কুকুর মোতায়েনের পর রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া একজনের লাশ খুঁজে পাওয়া যায়। বার্লিন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    পুলিশ জানায়, লাশটিকে নিখোঁজ থাকা রোমানিয়ার ২৫ বছর বয়সী নারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

    সোমবার বিকেলে একটি হলিডে অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধসে পড়ার পর থেকে ইট ও ভাঙা কাঠের স্তূপে জীবিতদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল উদ্ধারকারীরা।

    এ ঘটনায় আরও দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তারা হলেনÑ ২৬ বছর বয়সী আরেক রোমানীয় নারী এবং জার্মান ও বুলগেরীয় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।

    পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, উদ্ধার অভিযান ও বিশেষ করে নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি কার্যক্রম এখনো চলছে।

  • কঙ্গোতে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    কঙ্গোতে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মঙ্গলবার ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ‘ব্যাপ্তি ও গতি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    এ প্রাদুর্ভাবে ইতোমধ্যে ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে বলে জানানো হয়েছে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    বিগত অর্ধশতাব্দীতে আফ্রিকায় ইবোলায় ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে এবং জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা এই অত্যন্ত সংক্রামক রক্তক্ষরণকারী জ্বরের সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।

    ডিআর কঙ্গোর সংঘাতপ্রবণ পূর্বাঞ্চলে বাসিন্দারা যখন চিকিৎসা সরঞ্জামের অপেক্ষায় ছিলেন, তখন সহায়তা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানায়, তারা ইতুরি প্রদেশের অসুস্থ রোগীদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল।

    ইতুরি প্রদেশে রোগীদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও, জায়গা না থাকার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

    হাসপাতালগুলো জানায়, ‘আমাদের এখানে সন্দেহভাজন রোগীতে পূর্ণ। আমাদের আর কোনো জায়গা নেই।’

    এমএসএফ-এর সহায়তাকর্মী ট্রিশ নিউপোর্ট বলেন, ‘এতে বোঝা যায় পরিস্থিতি এখন কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।’

    এই প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বুন্ডিবুগিও স্ট্রেইন দ্বারা ঘটছে। এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ভ্যাকসিন বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।
    ১০ কোটির বেশি জনসংখ্যার মধ্য আফ্রিকার এই দেশটিতে এটি ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব।

    স্থানীয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফুটেজে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধক কিট ও তাঁবুসহ বিপুল পরিমাণ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞরা এসে পৌঁছেছেন।

  • চীনে ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২, নিখোঁজ ২০

    চীনে ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২, নিখোঁজ ২০

    সপ্তাহের শেষে চীনের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে পৌঁছেছে| প্রাকৃতিক দুর্যোগটিতে আরও ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে বুধবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে|

    চীনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ˆবরী আবহাওয়া প্রায়ই দেখা যায়| বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে দেশটির কোথাও প্রবল বৃষ্টিপাত, আবার কোথাও তীব্র দাবদাহ পরিস্থিতি ˆতরি হয়|

    বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়|

    রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিজিটিএন জানায়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে চীনের কয়েকটি এলাকায় ‘রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত’ হয়েছে| এই টানা বৃষ্টিপাতের কারণে স্কুল ও কর্মস্থল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে| একই সঙ্গে ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে|

    রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বুধবার জানায়, মধ্যাঞ্চলীয় দুর্গম হুনান প্রদেশে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে ও আরও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছে|

    এর আগের দিন সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রদেশটির একটি কাউন্টিতে ভারী বৃষ্টিতে ৬১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন|

    তবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি|

    মঙ্গলবার সিনহুয়া জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংশি অঞ্চলে শনিবার সন্ধ্যায় একটি ট্রাক উত্তাল নদী পার হওয়ার সময় পানিতে পড়ে যায়|

    এ ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে|

    ওই ঘটনায় প্রথম মৃত্যুর খবর রোববার প্রকাশিত হয়|

    পাশের গুইঝৌ প্রদেশেও ভারী বৃষ্টিতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে| আরও পাঁচ জন নিখোঁজ রয়েছেন|

    আরও উত্তরে মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় তিন জন মারা গেছেন ও চার জন নিখোঁজ হয়েছেন| এতে কিছু স্থাপনা ধসে পড়েছে ও কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে|

    সিনহুয়ার খবরে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি অঞ্চলের জন্য মঙ্গলবার ১২ কোটি ইউয়ান বা ১ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের দুর্যোগ ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার|

    এ ছাড়া গুইঝৌ প্রদেশের জন্য আরও ৩ কোটি ইউয়ান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে|

    জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশনের বরাতে সিনহুয়া জানায়, প্রদেশটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে|

    এএফপির হিসাব অনুযায়ী, হুনান, গুইঝৌ ও হুবেইয়ের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে অন্তত ২৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে|

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও এ অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে|

  • ৩ দিনের পারমাণবিক মহড়া শুরু করল রাশিয়া

    ৩ দিনের পারমাণবিক মহড়া শুরু করল রাশিয়া

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলা জোরদার ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের প্রাক্কালে রাশিয়া মঙ্গলবার তিন দিনের পারমাণবিক অস্ত্র মহড়া শুরু করেছে। এতে দেশজুড়ে হাজার হাজার সেনা অংশ নিচ্ছে।

    ইউক্রেনে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা অভিযানের পুরো সময়জুড়ে মস্কো নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। একই সঙ্গে বারবার এসব অস্ত্র ব্যবহারের হুমকিও দিয়েছে। মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বশেষ পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি ভেঙে পড়ার কয়েক মাস পর এই মহড়া শুরু হলো। এর পাশাপাশি সম্প্রতি পুতিনও রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে মন্তব্য করেছেন।

    রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ‘১৯ মে থেকে ২১ মে ২০২৬ পর্যন্ত রুশ ফেডারেশনের সশস্ত্র বাহিনী আগ্রাসনের হুমকির পরিস্থিতিতে পারমাণবিক শক্তির প্রস্তুতি ও ব্যবহারের বিষয়ে মহড়া পরিচালনা করছে।’

    গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিউ স্টার্ট চুক্তির সমাপ্তির মধ্য দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ নানা বিধিনিষেধ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ত হয়ে যায়।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মহড়ায় ৬৫ হাজারের বেশি সেনা এবং সাত হাজার ৮০০ ধরণের সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র ব্যবহৃত হবে। এর মধ্যে ২০০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা রয়েছে।

    মহড়ায় যুদ্ধবিমান, জাহাজ, সাবমেরিন ও পারমাণবিক সাবমেরিন অংশ নেবে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও করা হবে।

    তারা জানায়, ‘বেলারুশ প্রজাতন্ত্রের ভূখণ্ডে মোতায়েন করা পারমাণবিক অস্ত্রের যৌথ প্রশিক্ষণ ও ব্যবহারের বিষয়গুলোও এই মহড়ায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’

    রাশিয়া তাদের মিত্র বেলারুশে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সীমান্তঘেঁষা অবস্থানে রয়েছে বেলারুশ।

    পুতিনের দুই দিনের চীন সফর শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে মস্কো এই মহড়ার ঘোষণা দেয়।

  • ইন্দোনেশীয় অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি: ১৬টি লাশ উদ্ধারের পর অনুসন্ধান শেষ মালয়েশিয়ার

    ইন্দোনেশীয় অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি: ১৬টি লাশ উদ্ধারের পর অনুসন্ধান শেষ মালয়েশিয়ার

    মালয়েশিয়া সোমবার জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিম উপকূলে গত সপ্তাহে ডুবে যাওয়া ইন্দোনেশীয় অভিবাসীবাহী নৌকার আরোহীদের অনুসন্ধান অভিযান শেষ করা হয়েছে।

    এই ঘটনায় নিখোঁজ ১৬ জনের সবার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    পেরাক রাজ্যের মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (এমএমইএ) জানায়, ১১ই মে মালয়েশিয়া উপদ্বীপের পশ্চিমে পাংকর দ্বীপের কাছে জাহাজটি ডুবে যাওয়ার পর ২৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
    পেরাক এমএমইএ’র পরিচালক মোহাম্মদ শুকরি খোতব এএফপিকে বলেন, গত শনিবার অনুসন্ধান অভিযান বন্ধ করা হয়।

    সোমবার টেলিফোনে তিনি বলেন, ‘সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আমরা ছয় দিন অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালাই। এলাকায় নতুন কিছু না পাওয়ায় শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় অভিযান শেষ করা হয়েছে।’

    তিনি জানান, জীবিত উদ্ধার হওয়া ২৩ জনই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। তবে এই ঘটনায় যারা মারা গেছেন, সেই ১৬ জন সবাই তাদের স্বদেশি কি না, সে ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত নন।

    কাজের উদ্দেশ্যে ওই অভিবাসীরা মালয়েশিয়ার পেনাং, তেরেঙ্গানু, সেলাঙ্গর ও কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

    মোহাম্মদ শুকরি বলেন, জীবিতদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে নৌকায় ৩৭ জন থাকার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি ও লাশ মিলিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ জন।

    এমএমইএ’র পাশাপাশি রয়্যাল মালয়েশিয়ান নেভি, মেরিন পুলিশ ফোর্স এবং স্থানীয় জেলেরা অনুসন্ধান অভিযানে অংশ নেয়।

    তুলনামূলক সমৃদ্ধ মালয়েশিয়ায় এশিয়ার দরিদ্র বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা লাখো অভিবাসী বাস করেন। তাদের অনেকেই অবৈধভাবে নির্মাণ ও কৃষিখাতসহ বিভিন্ন শিল্পে কাজ করেন।

    তবে মানবপাচার চক্রের সহায়তায় পরিচালিত এসব সমুদ্রপথের যাত্রা প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এতে নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটে।