Category: বিনোদন

  • বরের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করলেন ফারিয়া!

    বরের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করলেন ফারিয়া!

    বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া নতুন জীবন শুরু করেছেন। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তানজিম তৈয়ব নামের এক ব্যাংকারের সঙ্গে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে ঢাকার অদূরে মাদানী অ্যাভিনিউয়ের একটি মসজিদে, ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে।

    ফারিয়া জানান, একেবারেই হঠাৎ সিদ্ধান্তে সীমিত পরিসরে আয়োজন করা হয় তাদের বিয়ে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে উপস্থিত অতিথিদের বাদাম ও খেজুর দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

    অভিনেত্রীর নতুন জীবনসঙ্গী তানজিম তৈয়ব রাজশাহীর ছেলে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস থেকে ফিন্যান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত।

    শবনম ফারিয়া নিজের বিয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন,

    “বিয়ে নিয়ে আমার অনুভূতি বরাবরই জটিল—আতঙ্কের চেয়ে কিছু কম নয়। বিয়ে বিষয়ক বিভিন্ন জটিল ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর মনে করেছিলাম, এই অধ্যায় হয়তো আমার জীবনে আর আসবে না। তবে সময়ের প্রবাহে এবং পরিবারের আকস্মিক সিদ্ধান্তে এই পরিণয়।”

    তিনি আরও জানান, হঠাৎ আয়োজনের কারণে তার একমাত্র ননদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি, কারণ তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তবে ফারিয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ভবিষ্যতে সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করার।

    বিয়ের পর ফারিয়া ও তার স্বামীর কিছু ছবি ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অফ হোয়াইট পোশাকে ফারিয়া ছিলেন আভিজাত্যপূর্ণ সাজে, আর স্বামী পরেছিলেন একই রঙের পাঞ্জাবি-পাজামা ও কোট। দু’জনের হাতেই ছিল বাগদানের আঙটি।

    শবনম ফারিয়ার শোবিজ যাত্রা শুরু হয়েছিল মডেলিং দিয়ে। পরে একক ও ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বড় পর্দায় অভিষেক হয় অনম বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘দেবী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে।

    এর আগে ২০১৮ সালে তিনি বিয়ে করেছিলেন হারুনুর রশীদ অপুকে। তবে দেড় বছরের মধ্যে তাদের সংসার ভেঙে যায়। এবার নতুন করে জীবন শুরু করলেন এই অভিনেত্রী।

  • জেল ও জামিন নিয়ে যা জানালেন নুসরাত ফারিয়া

    জেল ও জামিন নিয়ে যা জানালেন নুসরাত ফারিয়া

    বিনোদন ডেস্ক: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার হওয়ার ৪ মাস পর প্রথম সাক্ষাৎকারে অংশ নিলেন ঢালিউড চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষাভাষীদের প্রিয় গণমাধ্যম ঠিকানার বিশেষ শো ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’ নামের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নানা প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন তিনি। দুইদিন কারাগারে থাকার পর ছাড়া পান নুসরাত ফারিয়া। এরপর কেটে গেছে প্রায় চার মাস। ওই বিষয়ে আর কোনো কথা বলেননি কোথাও।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নুসরাতের কাছে এ শোয়ের উপস্থাপক চিত্রনায়ক জায়েদ খান জানতে চান গ্রেফতারের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে জীবনের দর্শন, তার অনুভূতি কেমন। উত্তরে নায়িকা বলেন, ‘আমার জীবনে এমন ঘটবে আমি তা দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। তবে এ অভিজ্ঞতা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি বলতে পারি। এ বাজে অভিজ্ঞতা আমাকে মানসকিভাবে বড় হতে সাহায্য করেছে।’ নুসরাত ফারিয়া আরও বলেন, ‘আমার সঙ্গে যেটা হয়েছে, সেটা অন্য কারো সঙ্গে হতে পারত। অনেকের সঙ্গেই হয়তো বা হচ্ছে, হবে। আমি এ বিষয়ে জানি না। তবে আমি ভাগ্যবান। আমার কাজের মাধ্যমে গোটা দেশের মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। যাদের দোয়া ভালোবাসার কারণে আমি আজকে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন তাদের সবার দোয়া এবং সহকর্মী, ভক্ত, সাংবাদিকদের ভালোবাসার কারণে কঠিন সময় পার করতে পেরেছি।’

    সবশেষে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘পুরো ঘটনাটি আমাকে শিখিয়েছে, কোনোকিছুই স্থায়ী নয়। জীবন অস্থায়ী। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি থাকতে হবে। জীবনে সৎ থাকলে পৃথিবীর কোনো খারাপ শক্তি তোমাকে আটকে রাখতে পারবে না। তোমাকে বিপদের সম্মুখীন করবে, কিন্তু সে বিপদ থেকে সৃষ্টিকর্তা যিনি আছেন তিনি তোমাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসবেন।’ প্রসঙ্গত, গত ১৮ মে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে থাইল্যান্ড যাওয়ার সময় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া গ্রেফতার হন। দুই দিন কারাবাসের পর ২০ মে জামিন পান তিনি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতারের পর জামিন পাবার অভিজ্ঞতাই ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন দুই বাংলার জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

  • ইতালিতে হেনস্তার শিকার সোহা আলি খান

    ইতালিতে হেনস্তার শিকার সোহা আলি খান

    বিনোদন ডেস্ক: ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সোহা আলি খান। ইতালিতে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে পতৌদি কন্যার সঙ্গে। অভিনেত্রী জানান, বিষয়টি এতটাই সংবেদনশীল ছিল, যেন রীতিমতো তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

    সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সেই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন সোহা। এতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কখনো তাকে প্রকাশ্যে ‘ফ্ল্যাশ’ করা হয়েছে কি না। উত্তরে সোহা জানান, প্রকাশ্যে তাকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি দেখানো হয়েছিল।

    তিনি বলেন, এটা ইতালিতে ঘটেছিল। এটি প্রায়ই ঘটে। আর সেটি ঘটেছিল প্রকাশ্যে। এ ঘটনায় একরকম বাকরুদ্ধও হয়ে পড়েছিলাম।

    অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তখন ঠিক বুঝতে পারছিলাম না কি হলো এটা! তাদের উদ্দেশ্য কী, আমি আর বুঝতেও চাইনি।’

    সোহা বলেন, আমার পরিচয় ও পেছনের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি আমাকে অনেক অনিরাপদ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছে। যা অনেক নারী প্রতিদিনের জীবনে মুখোমুখি হন।

    অভিনেত্রী বলেন, আমি জানি আমার জীবন আমাকে নিরাপদ রেখেছে। আমার সঙ্গে এমন অভিজ্ঞতা ঘটেনি যা সাধারণভাবে গণপরিবহন ব্যবহারকারী নারীদের হয়।

  • সমাজে বৈষম্য উত্তরণের কথা শাহ আব্দুল করিমের গানে ওঠে এসেছে

    সমাজে বৈষম্য উত্তরণের কথা শাহ আব্দুল করিমের গানে ওঠে এসেছে

    বিনোদন ডেস্ক: সমাজে বৈষম্য উত্তরণের কথা বাউল শাহ আব্দুল করিমের গানে ওঠে এসেছে। বাউল শাহ আবদুল করিম তাঁর গানে হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবন, বিশেষ করে ফসলহানি ও বন্যার সমস্যা এবং এ থেকে উত্তরণের কথা তুলে ধরেছেন, যেইসব গান মানুষকে প্রভাবিত করেছে। তিনি তাঁর গানে হাওরের প্লাবিত হওয়া, জলাবদ্ধতা, ও বাঁধ ভেঙে যাওয়ার মতো কৃষিজ জীবনযাত্রার সংকটকে তুলে ধরেছেন।

    বাউল শাহ আবদুল করিম তাঁর গানে সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য, শোষণ, কুসংস্কার এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন, যা তাঁকে গণমানুষের বাউল হিসেবে পরিচিতি দিয়েছ। তিনি কেবল গানই লেখেননি, বরং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনেও গান গেয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। তাঁর গানে সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও প্রগতিশীল চেতনার প্রতিফলন দেখা যায়, যা ধর্মীয় অন্ধত্ব ও অবিচারের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হতে পারে। যার ফলে মানুষে মানুষে বিভেদ বৈষম্য দূর হবে।

    তাঁর গানগুলো হলো, বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে/আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম, গাড়ি চলে না/আমি কূলহারা কলঙ্কিনী/কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া/ কোন মেস্তরি নাও বানাইছে/কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু/বসন্ত বাতাসে সইগো/আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু/মহাজনে বানাইয়াছে ময়ুরপংখী নাও/আমি বাংলা মায়ের ছেলেসহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্ট্রা শাহ্ আব্দুল করিম না থাকলেও গানে আর সুরে তিনি বেঁচে আছেন। এভাবেই বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল মানুষের মাঝে।

    অসংখ্য জনপ্রিয় বাউল গান ও গণসংগীতের রচয়িতা বাউল শাহ আব্দুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল। কিংবদন্তি এই শিল্পী ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর সর্বস্তরের বিশেষ করে সাধারণের কাছে আরো বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন বাউল শাহ আব্দুল করিম।

    ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী বাউল শাহ আব্দুল করিম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ইব্রাহিম আলী ও মা নাইওরজান। দারিদ্র ও জীবন সংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া বাউল শাহ আবদুল করিমের সঙ্গীত সাধনার শুরু ছেলেবেলা থেকেই। শৈশব থেকেই একতারা ছিল তার নিত্যসঙ্গি। জীবন কেটেছে সাদাসিধে ভাবে। বাউল ও আধ্যাত্মিক গানের তালিম নেন কমর উদ্দিন, সাধক রসিদ উদ্দিন, শাহ ইব্রাহিম মোস্তান বকস এর কাছ থেকে। কিংবদন্তি এই বাউল স্বশরীরে আমাদের মাঝে না থাকলেও তাঁর গান ও সুরধারা কোটি কোটি তরুণসহ সকল স্তরের মানুষের মন ছুঁয়ে যায়।

    শাহ আবদুল করিম বাংলার লোকজ সঙ্গীতের ধারাকে আত্মস্থ করেছেন। ভাটি অঞ্চলের সুখদুঃখ তুলে এনেছেন গানে গানে। নারী পুরুষের মনের কথা ছোট ছোট বাক্যে প্রকাশ করেছেন আকর্ষণীয় সুরে। ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবনের সুখ প্রেম ভালোবাসার কথা ফুঁটে ওঠেছে তাঁর গানে। তাঁর গান কথা বলে সকল অন্যায়, অবিচার, কুসংস্কার আর সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে। তিনি তাঁর গানের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ এবং দুদ্দু শাহ এর দর্শন থেকে। জীবিকা নির্বাহ করেছেন কৃষিকাজ করে। কিন্তু অভাব, অভিযোগ তাঁকে গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

    অসংখ্য গণজাগরণের গানের রচয়িতা বাউল শাহ আব্দুল করিম । গানে গানে অর্ধ শতাব্দিরও বেশী লড়াই করেছেন ধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে। এজন্য নানা সময় লাঞ্ছনারও শিকার হয়েছিলেন তিনি। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, কাগমারী সম্মেলন, ভাষার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে মানুষকে প্রেরণা যোগায় শাহ আবদুল করিমের গান। শাহ আবদুল করিম লিখেছেন ও সুর দিয়েছেন ১৬শ’র বেশি গান। এগুলো সাতটি বইয়ে গ্রন্থিত আছে। বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তার ১০ টি গান ইংরেজীতে অনূদিত হয়েছে। কিশোর বয়স থেকে গান লিখলেও কয়েক বছর আগেও এসব গান শুধুমাত্র ভাটি অঞ্চলের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় ছিল। তাঁর মৃত্যুর কয়ে বছর আগে ক’জন শিল্পী বাউল শাহ আব্দুল করিমের গানগুলো নতুন করে গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করলে তিনি দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন। তিনি একুশে পদকও পেয়েছেন।

    শাকুর মজিদ তাঁকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন ভাটির পুরুষ নামে একটি প্রামাণ্য চিত্র। এখনও সুবচন নাট্য সংসদ করিমকে নিয়ে শাকুর মজিদের লেখা মহাজনের নাও নাটকের প্রদর্শনী করে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এছাড়াও ২০১৭ শাহ আবদুল করিমের জীবনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস ‘কূলহারা কলঙ্কিনী’ লিখেন সাইমন জাকারিয়া।  শিল্পী জমির উদ্দিন জানান, আমি বাউল করিমের ভক্ত।

    বাউল  সম্রাট আব্দুল করিমের গানের মধ্যে দিয়ে তাঁকে খুঁজে পাই।  তাই তো প্রতিদিন ভক্ত ও স্বজনরা গানের আসর বসান। তাঁর গান গেয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা আর গানের মধ্যে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখতেই সবার মাঝে তাঁর গান ছড়িয়ে দিতে চান ভক্তরা। একইসঙ্গে তাঁর সুরধারাকে বিকৃতভাবে না গাওয়ার দাবি জানান ভক্তরা।

  • এবার বড়ো পর্দায় ফিরছে ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’

    এবার বড়ো পর্দায় ফিরছে ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’

    বিনোদন ডেস্ক: অবশেষে নিশ্চিত হলো বহু প্রতীক্ষিত ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’ চলচ্চিত্রের মুক্তির সময়। আগামী ২০২৬ সালে মুক্তি পাচ্ছে বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া মুভি সিরিজের নতুন পর্ব। এর নাম রাখা হয়েছে ‘দ্য ইমমর্টাল ম্যান’। এতে থাকবে অনেক চমক। ফিরছেন পুরনো অনেক তারকা। আবার নতুন করে যোগও দিচ্ছেন অনেকে। এ ছবিতে আবারও টমি শেলবির চরিত্রে দেখা যাবে অস্কারজয়ী অভিনেতা সিলিয়ান মারফিকে।

    তিনি ছাড়াও পুরোনো চরিত্রে ফিরে আসছেন স্টিফেন গ্রাহাম, সোফি রান্ডল এবং নেড ডেনেহি। নতুনভাবে যুক্ত হয়েছেন রেবেকা ফার্গুসন, টিম রথ ও জে লাইকারগোর মতো তারকারা। সিরিজের সর্বশেষ কিস্তি ২০২২ সালে আসার পর মারফি ব্যস্ত সময় পার করেছেন বড় পর্দায়। তার অভিনীত ‘ওপেনহাইমার’ ছবির জন্য তিনি অস্কার জিতেছেন তিনি। তবুও ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এ ফেরার সিদ্ধান্ত একেবারে আবেগঘন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা। দ্য অবজারভার-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিলিয়ান মারফি বলেন, ‘আমরা খুব ভালো একটি চিত্রনাট্য পেয়েছি। আর আমি ভক্তদের প্রতি একধরনের দায়িত্ববোধ অনুভব করি। কারণ অনেকদিক থেকেই তারাই এই সিরিজকে সফল করেছে। এই চলচ্চিত্রটি হবে সেই ৩৬ ঘণ্টার টেলিভিশন যাত্রার এক পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তি।

    ’ ‘দ্য ইমমর্টাল ম্যান’ চলচ্চিত্রটি পিকি ব্লাইন্ডার্সের গল্পকে নিয়ে যাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার প্রেক্ষাপটে। এটি শুধু একটি ধারাবাহিকের শেষ নয় বরং চরিত্রগুলো নতুন বাস্তবতায় এক নাটকীয় চিত্র তুলে ধরবে। নির্মাতা স্টিভেন নাইট জানিয়েছেন, ‘আমি আসলে এটি শেষ করতে চেয়েছিলাম। আর অবশ্যই এর পেছনে বড় একটা কারণ হলো আমাদের ভক্তরা। তারা যেভাবে এই সিরিজকে ভালোবেসেছে, সেটা অনুপ্রেরণাদায়ক। চলচ্চিত্রটি সিনেমা হলে মুক্তি পাবে। ভক্তরা একসাথে বসে এটি উপভোগ করবেন আশা করছি।’ বর্তমানে ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’ সিরিজটি বিবিসি আইপ্লেয়ার এবং নেটফ্লিক্সে স্ট্রিমিং হচ্ছে।

  • অবশেষে ক্ষমা চাইলেন পপি

    অবশেষে ক্ষমা চাইলেন পপি

    বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার কারণে আটকে আছে চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি অভিনীত একাধিক সিনেমা। এর মধ্যে রয়েছে ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’, ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’-সহ কয়েকটি কাজ। নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, পপির অনুপস্থিতিতে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অবশেষে নীরবতা ভেঙে এসব সিনেমার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন পপি।

    পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। যদিও ২০২২ সালের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। এ বছরের শুরুতে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে প্রকাশ্যে এসে বিয়ে, সন্তান ও সংসারের খবর জানান। তখন নির্মাতারা আশা করেছিলেন, হয়তো আটকে থাকা সিনেমাগুলোর কাজ শেষ করবেন পপি। তবে এতদিন তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

    অবশেষে ১০ সেপ্টেম্বর জন্মদিনে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পপি স্বীকার করেন, তার কারণে কয়েকটি সিনেমা ঝুলে গেছে। তিনি বলেন, ‘দুটি সিনেমা নয়, আমার আরও কয়েকটি সিনেমা আটকে আছে। তার জন্য মন থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার কারণে এসব সিনেমার নির্মাতারা বিপাকে আছেন। কিন্তু মানুষের জীবনের সব সিদ্ধান্ত হয় ওপর থেকে। মানুষ চাইলেও অনেক কিছু করতে পারে না। মনের অজান্তেই হোক কিংবা পরিস্থিতির কারণেই হোক, আমার গ্যাপটা সৃষ্টি হয়েছে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইচ্ছাকৃত নয়, অনিচ্ছাকৃতভাবেই কাজগুলো আটকে গেছে। আমি কাউকে কোনো দিন বিপদে ফেলিনি, আমার দ্বারা কারও কোনো দিন ক্ষতি হয়নি। ইচ্ছা আছে, যদি কখনো সুযোগ হয়, আটকে থাকা কাজগুলো শেষ করে দেব। না হলে মাফ চেয়ে নেওয়া ছাড়া করার কিছু নেই। তাঁরা যেন ভুল না বোঝেন, আমাকে যেন মাফ করে দেন।’

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পপি জানান, ক্যামেরার সামনে ফেরার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে সিনেমা প্রযোজনা করার ইচ্ছা আছে তার। এর আগেও তিনি প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন। যদিও নতুন করে প্রযোজনা শুরু করার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।