Category: বিনোদন

  • অঞ্জনার ‘স্বভাব পাকিস্তানি’ বলে ধিক্কার মনির খানের

    অঞ্জনার ‘স্বভাব পাকিস্তানি’ বলে ধিক্কার মনির খানের

    অঞ্জনা শিরোনামের গানের কারণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন মনির খান। সংগীত ক্যারিয়ারের প্রত্যেকটি অ্যালবামে রেখেছেন অঞ্জনা শিরোনামের বিশেষ গান। অধিংকাশ গানই শ্রোতামহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ভক্তদের অনুরোধে ফের অঞ্জনাকে নিয়ে নতুন গান গেয়েছেন তিনি।

    গানের শিরোনাম ‘অঞ্জনা ২০২০’। সম্প্রতি এমকে মিউজিক’র ইউটিউবে প্রকাশ পায় গান-ভিডিও ‘অঞ্জনা ২০২০২’। এটি অঞ্জনাকে নিয়ে মনির খানের ৪৩তম গান। তিনি জানান, শ্রোতাদের মধ্যে অন্যরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার একটি প্রয়াস আমাদের এ গান। প্রকাশের পর থেকেই বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।
    ওরে তোর শরীরে মীর জাফরের রক্ত/তোর পিতা-মাতা সীমারের ভক্ত/রাজাকারের মতো যে তুই করলি বেঈমানি/বাংলাদেশে জন্ম যে তোর স্বভাব পাকিস্তানি/দেশের প্রতি প্রেমের প্রতি ছিল না যে টান/তবু তোর প্রতি আছে আমার আজও অনেক সম্মান/লোকে বলে বলে রে অঞ্জনা বড় বেঈমান- এমন কথার গানটির কথা, সুর ও সংগীত করেছেন মনির খান

  • বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে অভিনেত্রী, অতঃপর…

    বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে অভিনেত্রী, অতঃপর…

    বাবা ভারতীয় বিমান বাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার। মা ছিলেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। ভাইবোনরা চিকিৎসক। তিনি নিজেও ভেবেছিলেন ডাক্তারই হবেন। কিন্তু পুনম ধিলোর সব পরিকল্পনা পাল্টে দিল ১৯৭৭ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’-র মুকুট।

    পুনমের জন্ম ১৯৬২ সালের ১৮ এপ্রিল, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কানপুরে। বাবার চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন শহরে কেটেছে শৈশব। পড়াশোনা চণ্ডীগড়ের কারমেল কনভেন্ট স্কুলে। গ্র্যাজুয়েশনের পরে এমবিএ-ও করেন। কিন্তু ১৬ বছর বয়সে যে কেরিয়ার ফিল্মজগতে শুরু হয়েছিল, তা আর পথ বদলায়নি।
    পুনমকে প্রথম ছবিতে সুযোগ দেন পরিচালক যশ চোপড়া। ১৯৭৮ সালে মুক্তি পায় পুনমের প্রথম ছবি ‘ত্রিশূল’। ৯০টি ছবিতে অভিনয় করেছেন পুনম। পর্দায় রাজেশ খান্নার সঙ্গে তার জুটি ছিল জনপ্রিয়।

    পুনমের ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য ছবি হল ‘রেড রোজ’, ‘তেরি কসম’, ‘দার্দ’, ‘নিশান’ এবং ‘জয় শিব শঙ্কর’। হিন্দির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন অন্য ভাষার ছবিতেও। তার একমাত্র বাংলা ছবি ‘ন্যায়দণ্ড’।

    আশির দশকের প্রথমসারির নায়িকা ছিলেন পুনম। তাকে বলা হত নিখুঁত সুন্দরী। অভিনেত্রী হিসেবে তার ক্যারিয়ার যথেষ্ট ওঠাপড়া দেখেছে। একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছে তার বর্ণময় নায়িকাজীবন।

    প্রথম ছবি ‘ত্রিশূল’ বক্সঅফিসে সুপারহিট হওয়ার পরে অনেক পরিচালকই আগ্রহী হন পুনমের সঙ্গে কাজ করতে। কিন্তু সুযোগ পান রমেশ তালওয়ার। তার ‘নুরি’ ছবিতে নায়িকা হন পুনম।

    ‘নুরি’ ছবির সময়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন রমেশ-পুনম। প্রথমে শুধু ‘ভাল বন্ধুত্ব’ থাকলেও পরে দু’জনের সম্পর্ক অন্যদিকে মোড় নেয়। পুনম ঠিক করেন এবার মুম্বাইয়েই থাকবেন কাজের সুবিধার জন্য। শোনা যায়, তাকে মুম্বাইয়ে ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছিলেন রমেশ।

    তবে পুনমের দিক থেকে এই সম্পর্কে সায় ছিল না। রমেশের দুর্বলতা বুঝতে পেরে তিনি ধীরে ধীরে সরে আসেন। যশ চোপড়ার সঙ্গেও তাকে নিয়ে গুঞ্জন শোনা যায়। কিন্তু পুনম এই রটনা অস্বীকার করে এসেছেন বরাবর।

    আরেক পরিচালককে নিজেই বিয়ে করতে চেয়েছিলেন পুনম। তিনি রাজ সিপ্পি। কিন্তু তখন রাজ বিবাহিত। তিনি পুনমের জন্য সংসার ভাঙতে রাজি ছিলেন না। পুনমও তার জীবনে ‘দ্বিতীয় নারী’ হয়ে থাকতে চাননি।

    ১৯৮৮ সাল পুনমের জীবনে ঘটনাবহুল। ওই বছর তার ব্রেক আপ হয় রাজ সিপ্পির সঙ্গে। আবার ওই বছরই বাবাকে হারান অভিনেত্রী। শোকবিধ্বস্ত পুনমের সঙ্গে এই সময় আলাপ হয় প্রযোজক অশোক থাকেরিয়ার। দুর্বল সময়ে সম্পর্ক গাঢ় হতে সময় লাগেনি।

    স্বল্প প্রেমপর্বের পরে ১৯৮৮ সালেই বিয়ে করেন অশোক-পুনম। তবে এই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দিহান ছিলেন পুনমের ঘনিষ্ঠমহল। তাদের ধারণা ছিল পুনম খুব তড়িঘড়ি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাদের ধারণা ঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছিল। পুনমের দাম্পত্য সুখের হয়নি।

    বিয়ের পরে কাজ থেকে বিরতি নেন পুনম। সময় দেন তার মেয়ে পালোমা এবং ছেলে আনমোলকে। কিন্তু বেশিদিন ইন্ডাস্ট্রি থেকে দূরে থাকতে তার ভাল লাগেনি।

    ছবির সংখ্যা কমলেও নব্বইয়ের দশকে কাজে ফিরে আসেন পুনম। এই পর্বে তার উল্লেখযোগ্য ছবি ১৯৯৭ সালে, ‘জুদাই’। অভিনয় করেছিলেন একটি ক্যামিয়ো রোলে।

    এরপর অবশ্য বড় পর্দায় কাজ খুবই কমিয়ে দেন পুনম। পরিবর্তে তিনি মন দেন টেলিভিশন এবং মঞ্চাভিনয়ে। টেলিভিশনে ‘এক নয়ি পহেচান’ ছোট পর্দায় তার কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

    ২০০৪ সালে পুনম যোগ দেন বিজেপি-তে। মুম্বাইয়ে তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বে আছেন। পাশাপাশি তিনি সমাজসেবায় জড়িত। এছাড়া মেক আপ ভ্যানের ব্যবসাও আছে। সংস্থার নাম ‘ভ্যানিটি’।

    ব্যক্তিগত জীবনে বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে এই জায়গায় পৌঁছতে হয়েছে পুনমকে। ১৯৯৪ সালে তার দাম্পত্য ভেঙে যায়। অশোক এবং পুনম, দু’জনেই জড়িয়ে পড়েছিলেন বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে।

    তবে দ্বিতীয়বার আর কাউকে বিয়ে করেননি পুনম। একাই বড় করেছেন দুই সন্তানকে। পাশাপাশি, বজায় রেখেছেন কাজের জায়গায় নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়।

    পুনমের মেয়ে পালোমা সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব জনপ্রিয়। ভালবাসেন ফুটবল আর ক্যারাটে। বলিউডে পা রাখবেন কি না, এখনও জানা যায়নি। তিনি স্টাইলিশ ছবি শেয়ার করলেই ভার্চুয়াল ওয়াল ভরে যায় অনুরাগীদের

  • পার্বতীর অপেক্ষায়

    পার্বতীর অপেক্ষায়

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি গত বছরের মাঝামাঝিতে আরিফ পরিচালিত ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ সিনেমার কাজ শুরু করেছিলেন। এই সিনেমায় তিনি তার স্বপ্নের চরিত্র ‘পার্বতী’ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন। কিন্তু মাঝপথে এসে সিনেমাটি নির্মাণের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অথচ এই চরিত্রটি নিয়েই পপি দারুণ আশাবাদী ছিলেন। কারণ পার্বতী তার স্বপ্নের একটি চরিত্র। যদিও শরত্চন্দ্রের ‘দেবদাস’ অবলম্বনে নির্মিত ‘দেবদাস’ সিনেমার পাবর্তীর মতো নয় এই পার্বতী। তবে ‘দেবদাস’-এর পার্বতীর ছায়া আছে এই পার্বতীতে।

    কেন পাবর্তীকে পার্বতী হতে হলো, তার জন্যই তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। আর তা কেমন রূপে দর্শক দেখতে পাবেন, সেটাই হলো ‘কাঠগড়ায় শরত্চন্দ্র’ সিনেমার মূল চমক। গত বছরেই সিনেমাটির কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে আশা করা যাচ্ছে, চলতি বছরের শুরুতেই শেষ হয়ে যাবে পপি অভিনীত সিনেমাটি।

    এ প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘আমার অনেক স্বপ্নের চরিত্র পার্বতী। নামটি শুনলেই যেন নিজের ভেতরে কেমন শিহরিত হই। পার্বতী একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। মনে আছে, এই চরিত্র নিজেকে যথাযথভাবে উপস্থাপনের জন্য অনেক কষ্ট করে গেটআপ নিয়েছিলাম। বেশ কিছুদিন শুটিংও করেছি, কিন্তু সিনেমাটি শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। আমি চাই, এই সিনেমাটি দ্রুত শেষ হোক। কারণ নিজেকে পার্বতীরূপে পর্দায় দেখার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। আমার বিশ্বাস নির্মাতা ও প্রযোজক দ্রুত এই সিনেমার কাজ শেষ করবেন। দর্শকও তাদের প্রতীক্ষার প্রহর শেষে সিনেমাটি দেখতে হলে যাবেন।’

    উল্লেখ্য, এই সিনেমায় দেবদাসের চরিত্রে অভিনয় করছেন ফেরদৌস। এদিকে প্রায় শেষ হয়ে এসেছে পপি অভিনীত সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘সাহসী যোদ্ধা’ সিনেমার কাজ। কিছুদিন আগে ‘ইয়েস ম্যাডাম’ সিনেমাতেও তার নাম ভূমিকায় অভিনয় করার কথা ছিল। গত ১০ সেপ্টেম্বর নিজের জন্মদিনে সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন পপি। কিন্তু শেষপর্যন্ত সিনেমাটিতে কাজ করা থেকে তিনি নিজেই সরে দাঁড়ান। গল্প পপির মনের মতো হয়নি এবং সবকিছু ব্যাটে বলে মিলেনি বিধায় এই সিনেমার কাজ থেকে সরে দাঁড়ান। অপরদিকে পপি এই বছরের শুরু থেকে নিজেকে নতুন করে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, ‘সিনেমা বা নাটক যেখানেই কাজ করি, নিজেকে ভালো ভালো গল্পের সিনেমা ও নাটকে উপস্থাপনের চেষ্টা করব। ২০২০ হবে আমার জন্য অন্য রকম এক চ্যালেঞ্জের বছর। আমার বিশ্বাস, আমার ভক্ত ও দর্শকেরা সব সময়ের মতো আমার পাশেই থাকবেন।’

    গত সোমবার অনুষ্ঠিত হয় ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচন। এবারই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩২৫ ভোটে পেয়ে কার্যকরী সদস্যপদে জয়ী হয়েছেন এই চিত্রনায়িকা। প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত পপি।

  • না ফেরার দেশে পৃথ্বীরাজ

    না ফেরার দেশে পৃথ্বীরাজ

    হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে হারিয়ে গেলেন গায়ক, সুরকার ও সংগীত পরিচালক পৃথ্বীরাজ। শনিবার গভীর রাতে ধানমণ্ডিতে নিজের স্টুডিওতে ৩৪ বছর বয়সী পৃথ্বীরাজকে অচেতন অবস্থায় পেয়ে সিটি হসপিটালে নেয়া হয়। সেখানে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন পৃথ্বীরাজের ছোট ভাই ঋতুরাজ।

    দেশের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ক্লোজ আপ ওয়ানের মাধ্যমে প্রথম দর্শকের কাছে পরিচিতি পান পৃথ্বীরাজ। পরবর্তীতে ২০১১ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম অ্যালবাম ‘ডট’। উচ্চাঙ্গসংগীতে দখলের জন্য সংগীত প্রেমীদের প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এবিসি রেডিও এফএম ৮৯.২ এর প্রডাকশন ইনচার্জ পৃথ্বীরাজ ‘সেন্টার ফর মিউজিকলজি’ নামে একটি গানের স্কুলও চালাতেন।

    জানা যায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে কাজ করার জন্য ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরে নিজের স্টুডিওতে যান পৃথ্বীরাজ। কিন্তু রাতে স্ত্রী ফোন করে তাকে পাচ্ছিলেন না। প্রথমে ভেবেছিলেন, কাজে ব্যস্ত পৃথ্বী। কিন্তু লম্বা সময় পরও তিনি ফোন না ধরায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। পরে স্টুডিওর দরজা ভেঙে দেখা যায় চেয়ারেই নিস্তেজ পড়ে আছেন তরুণ এই সুরকার।

    সিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গিয়েছিলেন পৃথ্বীরাজ। ভোর সাড়ে ৪টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    এদিকে ফেসবুক পোস্টে পৃথ্বীরাজের ছোট ভাই ঋতুরাজ মৃত্যুর খবর জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন রবিবার জোহরের পর আজিমপুর কবরস্থানে জানাজা হবে পৃথ্বীরাজের।

  • দ্বিতীয় সন্তানের পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন কারিনা

    দ্বিতীয় সন্তানের পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন কারিনা

    আপাতত অক্ষয় কুমারের বিপরীতে ‘গুড নিউজ’ ছবির প্রচারে ভীষণ ব্যস্ত কারিনা কাপুর। আর এই ছবির প্রমোশনে গিয়েই মা হওয়া নিয়ে ব্যক্তিগত প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হল করিনাকে। সাইফ-কারিনা পুত্র তৈমুরের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে কারিনা কি এবার দ্বিতীয় সন্তানের পরিকল্পনা করছেন? সম্প্রতি এমনই প্রশ্ন করা হয় নবাব পত্নীকে।

    এই প্রশ্নের উত্তরে করিনা বলেন, ‘আপাতত আমার জীবনে দ্বিতীয় সন্তান আসার মতো কোনও সুখবর নেই। আমি আর সাইফ দুজনেই তৈমুরকে নিয়ে ভীষণই খুশি। আমাদের দ্বিতীয় সন্তানের কোনও পরিকল্পনাও নেই। আমি আর সাইফ দুজনেই কাজ নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত, তার ফাঁকে তৈমুরকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করি।’

     

    প্রসঙ্গত, কারিনা ও সাইফ দুজনেই আপাতত তৈমুরের তৃতীয় জন্মদিন সেলিব্রেট করার পরিকল্পনা করছেন। তৈমুরের জন্মদিনে তারা কী পরিকল্পনা করছেন সে বিষয়ে কারিনা বলেন, ‘সাইফ আর আমি দুজনেই ছবির প্রমোশনে ব্যস্ত, তাই তৈমুরের জন্মদিনে আমরা দুজনেই মুম্বাইতেই থাকবো। ওর জন্মদিনে আমরা পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটাবো, ৮-১০ জন বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

  • প্রকাশ্যে এলো সৃজিত-মিথিলার হানিমুনের ছবি

    প্রকাশ্যে এলো সৃজিত-মিথিলার হানিমুনের ছবি

    ডিসেম্বরের শুরুতেই বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিয়ের পরদিনেই দু’জনে উড়ে গিয়েছিলেন বরফে ঘেরা আল্পসের দেশে… সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। সেখানেই প্রণয়ে মজেছেন তারা। প্রকাশ্যে এলো তাদের মধুচন্দ্রিমার একগুচ্ছ নতুন ছবি।জেনেভার আকাশ কিন্তু বেশ পরিষ্কার। মেঘের চিহ্ন নেই। তাই আল্পসের সারিও মুখ লুকিয়ে থাকেনি। দূর থেকে দেখা যাচ্ছে সারি সারি বরফ-পাহাড়।বড়দিনের আর বেশি দিন বাকি নেই। রাস্তাঘাট সেজে উঠেছে আলোয়। ঠান্ডাও তো সেখানে বারোমাস। কালো লং জ্যাকেটে জেনেভার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন মিথিলা, সঙ্গে বর সৃজিত।

    এদিকে আবার সৃজিত ছবি তুলেছেন এই রাজহাঁসের সঙ্গে। ইনস্টাগ্রামে সেই ছবি শেয়ার করেছেন পরিচালক। ক্যাপশনের দিকে নজর পড়লে হাসি চেপে রাখতে পারবেন না আপনি। সৃজিত লিখেছেন, ‘হাঁস ট্যাগড’। রাস্তায় সাজানো রয়েছে দাবার গুটি। পেছনে আবার ছোট ছোট তাঁবু। রাস্তাঘাট ভিজে। এক পশলা বৃষ্টি কী হয়েছে খানিক আগেই? একে অপরের দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দু’জনে মজেছিলেন ভালোবাসায়। তবে মধুচন্দ্রিমাই যে একমাত্র উদ্দেশ্য নয় সে কথা জানা গিয়েছিল আগে। মিথিলা পিএইচডি করবেন জেনেভার বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই কাজকর্ম গোছাতেই যাওয়া সেখানে। ঘোরাও হবে, কাজও হবে। একান্তে সময়ও কাটানো যাবে বেশ কয়েকদিন। বিদেশ যাত্রার দিন ফ্লাইট থেকে বরফে ঢাকা আল্পসের ছবি শেয়ার করেছিলেন সৃজিত। দেখে মনে হবে শরতের মেঘ বুঝি! সে এক নৈসর্গিক দৃশ্য। সাধে কী আর সুইজারল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এত সুনাম! বউকে নাকি এই ছবিতে হ্যারি পটারের বন্ধু হারমাইনি গ্রেঞ্জারের মতো দেখতে লাগছে, অন্তত সৃজিতের দাবি কিন্তু এমনটি। শীতে যবুথুব। তবে ঘোরার বিরাম নেই। শহুরে ব্যস্ততায় আটকা পড়ে রয়েছে দু’জনেই। একটু সময় বার করেছেন কোনওভাবে। ফিরে এসেই তো আবার নেমে পড়তে হবে রোজকারের ছকবাঁধা রুটিনে। সবাইকে চমকে দিয়েই বছরের শেষ মাসের প্রথমে বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন ওরা। ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। টলিউডের গুটিকয়েক মানুষকে দেখা গিয়েছিল সে অনুষ্ঠানে। ছিলেন দুই পরিবারের বাড়ির