Category: বিনোদন

  • একাধিক সম্পর্ক, অতঃপর কুমার শানুর জন্য বলিউড ছাড়া এই নায়িকা!

    একাধিক সম্পর্ক, অতঃপর কুমার শানুর জন্য বলিউড ছাড়া এই নায়িকা!

    এককালে মিস ইন্ডিয়া হয়েছিলেন এই সুন্দরী। দাবিয়ে রাজত্ব করেছিলেন বলিউডেও। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন হারিয়ে গেলেন বিনোদনের দুনিয়া থেকে। তিনি মীনাক্ষি শেষাদ্রি। তার প্রথম সিনেমা পেন্টার বাবু। জ্যাকি শ্রফের বিপরীতে অভিনয় করেছেন হিরোতেও। আরও বহু সিনেমা রয়েছে তার ক্যারিয়ারে।

    আর পিছন ফিরেও তাকাতে হয়নি তাকে। তবে বক্স অফিসে তিনি যত না সাফল্য পেয়েছেন তার চেয়েও বেশি শিরোনামে এসেছেন অনিল কাপুর, জ্যাকি শ্রফ, সুভাষ ঘাই, কুমার শানুর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পর।
    কুমার শানুর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পরই বলিউডের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মীনাক্ষি। শোনা যায়, কুমার শানুর সঙগে যখন তার প্রেম তুঙ্গে তখন গায়কের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। কুমার শানু অবশ্য মীনাক্ষিকে কথা দিয়েছিলেন তার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েই বিয়ে করবেন মীনাক্ষিকে। কিন্তু মীনাক্ষি তখন সম্পর্কের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না।

    বিয়ের কথা উঠতেই তিনি পিছিয়ে যান। এদিকে টালমাটাল হয়ে পড়ে শানুর বিবাহিত জীবন। তখন সব কিছুর জন্য শানু মীনাক্ষিকেই দোষারোপ শুরু করে। ১৯৯৫ তে মীনাক্ষি ব্যাঙ্ককর্মী হরিশ মাইসোরের সঙগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপরই তিনি রুপোলি দুনিয়া থেকে সরে আসেন। ২৩ বছর সিনেমার সঙ্গে আর তার কোনও যোগাযোগ নেই।

    বিয়ের পর শানু ও তার সম্পর্ক নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়। অভিনয় ছাড়ার পর মানাক্ষি স্বামীর সঙ্গে টেক্সাস চলে যান। সেখানেই ‘চেরিস’ নামে একটি নাচের স্কুল খোলেন। এখন তিনি পাকাপাকি টেক্সাসের বাসিন্দা। স্বামী আর দুই সন্তান নিয়েই তাঁর ব্যস্ত সংসার

  • জ্বলছে আসাম, তাই দিল্লিতে অনুষ্ঠান বাতিল পাপনের

    জ্বলছে আসাম, তাই দিল্লিতে অনুষ্ঠান বাতিল পাপনের

    তার রাজ্য আসাম জ্বলছে, তাই দিল্লিতে সঙ্গীতানুষ্ঠান বাতিল করলেন গায়ক পাপন। আসামের সেই গায়ক অঙ্গরাগ মাহান্ত, যিনি বলিউডে পাপন বলেই অধিক পরিচিত। দিল্লিতে নিজের শো-ই বাতিল করে দিলেন। শুক্রবার দিল্লির ইমপারফেক্টোতে শো ছিল পাপনের। কিন্তু সেই শো’তে তিনি যাবেন না।

    আসামের কঠিন পরিস্থিতির কারণেই এই অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলিউডের এই নামজাদা গায়ক। আসামের এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি টুইট করেন পাপন। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় দিল্লি, আমি খুব দুঃখিত যে, আগামীকালের কনসার্টটি আমি বাতিল করছি। দিকে দিকে কারফিউর কারণ আমার রাজ্য আসাম কাঁদছে, জ্বলছে। এই অবস্থায় আমি মানুষকে বিনোদন করার মতো অবস্থাতে নেই।’
    উল্লেখ্য, বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে এখনও জ্বলছে উত্তরপূর্ব ভারত। আসাম-ত্রিপুরাতে সেনা নামিয়েও পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম অবস্থা প্রশাসনের। আসামে হিংসাত্মক বিক্ষোভের মধ্যেই জনতার রোষের মুখে শাসক দল বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা। আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল, গুয়াহাটির বিজেপি সাংসদ কুইন ওঝার পরে এবার নিশানায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি।

  • সালমানের সঙ্গে বয়সের পার্থক্য নিয়ে যা বললেন সাঈ

    সালমানের সঙ্গে বয়সের পার্থক্য নিয়ে যা বললেন সাঈ

    ‘দাবাং থ্রি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হচ্ছে মহেশ মাঞ্জরেকারের কন্যা সাঈর। ছবিতে সালমান খানের সঙ্গে রোমান্স করতে দেখা যাবে সাঈকে। ৫৩ বছর বয়সী সালমানের সঙ্গে ২১ বছর বয়সী সাঈর রসায়ন কেমন হবে তা নিয়ে সংশয় ছিল অনেকের। তবে পোস্টার ও ট্রেলার এবং ছবির গান সামনে আসার পর তা অনেকটাই কেটে গেছে। সালমানের বয়স নিয়ে মাথা ব্যথা নেই সাঈর। তার বক্তব্য, সালমানের সঙ্গে তিনি ছোট বেলা থেকে পরিচিত। তাই কাজ করতে অসুবিধা হয়নি। এছাড়া একসঙ্গে শুটিং করতে গিয়ে সালমানের কঠোর পরিশ্রমী মনোভাব তাকে অনুপ্রাণিত করেছে।

    ‘দাবাং থ্রি’ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন সোনাক্ষী সিনহা ও কেচ্চা সুদীপ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন

  • পাকিস্তানিরা বছরজুড়ে সারা আলী খানকেই খুঁজেছে

    পাকিস্তানিরা বছরজুড়ে সারা আলী খানকেই খুঁজেছে

    সারা আলী খান, বলিউডের উঠতি নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা নায়ক সাইফ আলী খানের মেয়ে। গত বছরের ডিসেম্বরে কেদারনাথ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর রণবীর সিংয়ের সঙ্গে সিম্বা সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান তিনি।

    অভিনয় ও সোশ্যাল ওয়ার্কিং দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছেন সারা। শুধু দেশেই নয়, পাকিস্তানেও তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন সারা আলী খান। একটা জরিপে দেখা যাচ্ছে ২০১৯ সাল জুড়ে পাকিস্তানের দর্শকরা সবচেয়ে বেশি খুঁজেছেন সারাকে।
    বোঝায় যাচ্ছে ভারতীয় দর্শকদের পাশাপাশি পাকিস্তানের দর্শকরাও সারাকে অনেক পছন্দ করেন। তাই তো গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ২০১৯ সালে সবার উপরে সাইফ কন্যার নাম ৷ এই ছাড়া আরও একটি নাম পাকিস্তানিরা খুঁজেছে. সেটি হলো বিমান সেনা উইং কমান্ডার অভিনন্দন।

    সারা ও অভিনন্দনের পাশাপাশি বিগ সালমানের ‘বিগবস ১৩’ও আছে পাকিস্তানিদের সার্চের তালিকায়। ওই তালিকায় আরও আছেন আদনান সামি।

    সিম্বা সিনেমার পর বর্তমানে ‘কুলি নম্বর ওয়ান’ সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত সারা আলি খান৷ এখানে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন বরুণ ধাওয়ান। সারা আরও অভিনয় করছেন ইমতিয়াজ আলির সিনেমা ‘লাভ আজকাল’ এর সিক্যুয়েল নিয়ে। এখানে সারার বিপরীতে আছেন কার্তিক আরিয়ান।

  • সামনে এলেন কাজী হায়াতের শাকিব খান

    সামনে এলেন কাজী হায়াতের শাকিব খান

    বীর সিনেমা নিয়ে অনেক জল ঘোলা হয়েছে। শাকিব বলেছিলেন, ‘আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন চারটি ছবির শুটিং হচ্ছে, দুটিতে বুবলী থাকবেন, এটাই চূড়ান্ত। তবে কোন দুটি ছবি, তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।’

    শাকিব ও বুবলী–ভক্তদের বেশি দিন অপেক্ষা করতে হলো না। সেই দুটির একটি যে বীর, নিশ্চিত করেছিলেন শাকিব খান। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ৫০তম চলচ্চিত্র বীর। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) শাকিব খানের ছোটবেলার অংশের দৃশ্য ধারণের মধ্য দিয়ে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে। এরপর রাজধানীর পূর্বাচলসহ বিভিন্ন এলাকায় এই ছবির শুটিং চলতে থাকে।

    বৃহস্পতিবার এই ছবিটির প্রথম লুক প্রকাশিত হয়েছে। এতে শাকিব খানকে একজন বিধ্বংসী শ্রমিক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে। অবশ্য শুটিং চলাকালীন শাকিব কয়লা ওঠা নামানোর কাজ করছেন এমন কিছু স্থির চিত্র অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছিল বটে। তবে বীরের ফার্স্ট লুক রীতিমতো সবাইকে চমকে দিলো।

    বাংলা চলচ্চিত্রের যখন অন্ধকার দিক নিয়ে আলোচনায় মত্ত একশ্রেণি তখনই, ন ডরাই, ক্যাসিনো কিংবা বীর মুক্তির আগেই চমকে দিচ্ছে দেশের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের, সেই সাথে অপেক্ষার প্রহর বাড়িয়ে দিচ্ছেন চলচ্চিত্র কর্তারা।

    দেড় বছর আগে ঘোষণা হয়েছিল, শাকিব খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এস কে ফিল্মসের বীর ছবির শাকিব খানের নায়িকা হচ্ছেন বুবলী। ছবিতে চুক্তিবদ্ধ না হলেও সে সময় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছিল। শাকিব-বুবলী জুটিকে এই ছবিতে দর্শক পুরোপুরি ভিন্নভাবে দেখবে।

    কাজী হায়াতের হাত ধরে মারুফকে বিভিন্নভাবে দেখেছেন, দেখেছেন মান্নাকে। এবার এই গুণী নির্মাতার হাত ধরে দর্শকেরা অচেনা শাকিবকেই দেখলেন বটে। বাকিটার জন্য সিনেমা মুক্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হয়।

  • শাহী ঈদগাহে সিনেমার শুটিং, ক্ষমা চাইল ‘কানন ফিল্মস’

    শাহী ঈদগাহে সিনেমার শুটিং, ক্ষমা চাইল ‘কানন ফিল্মস’

    সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহে গত ২৮ নভেম্বর ‘ইত্তেফাক’ নামক সিনেমার একটি দৃশ্যের শুটিং হওয়া নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এ প্রেক্ষিতে সিনেমাটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘কানন ফিল্মস’ দুঃখ প্রকাশ করে ধর্মপ্রাণ সিলেটবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে।

    মঙ্গলবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুটিংয়ের বিষয় নিয়ে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে কানন ফিল্মস।

    যোগাযোগ করা হলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ‘ইত্তেফাক’ সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজক রায়হান রাফি।সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজক রায়হান রাফি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাহী ঈদগাহে যে দৃশ্য ধারণ করা হয়, সেটি ছিল নামাজের। ঈদগাহ ইসলাম ধর্মের একটি পূণ্যময় স্থান। একজন তরুণ অন্ধকার থেকে আলোর পথে, ইসলাম ধর্মের পথে ফিরে আসাকে তুলে ধরতেই মূলত পূণ্যময় এই স্থানকে বেছে নেয়া হয়। এখানে দুই রাকাত নামাজের একটি দৃশ্য ধারণ করা হয়। এভাবে একজন মানুষ অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসায় পূর্ণাঙ্গতা ও ধর্মীয় মাধুর্যতা দেখানো হয়েছে। কোনভাবেই সেখানে নাচ-গান বা সিনেমার অন্য কোন দৃশ্য ধারণ করা হয়নি। এর প্রশ্নই আসে না। আমরাও মুসলিম এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমান। ঈদগাহের মত একটি পূণ্যময় ইবাদতখানার মর্যাদা রক্ষায় আমরা আন্তরিক। সেখানে এমন কিছু হোক যাতে ঈদগাহের পবিত্রতা নষ্ট হয়, তা আমরা করার স্পর্ধা দেখাবো না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এই ঘটনাকে প্রচার করা হয়েছে অন্যভাবে। কোনও কোনও পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হয়েছে, শুটিংয়ের সময় সেখানে নাচ-গানের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। যা প্রকৃত ঘটনার সম্পূর্ণ বিপরীত। এ রকম প্রচারণার কারণে সিলেটের ধর্মপ্রাণ মুসলমানের মনে আঘাত লেগেছে। তারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। আমরাও মনে করি, যেভাবে বলা হয়েছে, সেভাবে ঈদগাহকে ব্যবহার করা হলে, ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে আঘাত লাগারই কথা। তারা ক্ষুব্ধই হবেন। কিন্তু আসল ঘটনা তা নয় বলে আমরা মর্মাহত হয়েছি। নামাজের দৃশ্য মসজিদ বা ঈদগাহে হলে সেটিই প্রকৃত মর্ম উপস্থাপন করবে- এমনটি মনে করেই মূলত ঈদগাহে শুধু ৩ মিনিটের নামাজের একটি দৃশ্য ধারণ করা হয়। এমন কি আমরা ঈদগাহের পবিত্রতা রক্ষার স্বার্থে জুতা খুলেও প্রবেশ করেছি।

    কানন ফিল্মস আরও বলে, নামাজের দৃশ্য ধারণের শুটিংয়ের জন্য ঈদগাহ ব্যবহার করায় শাহজালাল-শাহপরাণ (র)-এর স্মৃতিবিজড়িত সিলেটের ধর্মপ্রাণ মুসলিম সমাজ আমাদের উপর ক্ষুব্ধ হলে বা ধর্মীয়ভাবে আঘাত পেলে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত, মর্মাহত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা মনে করি, এ রকম একটি ধর্মীয় স্থাপনার পবিত্রতা রক্ষায় সব সময় সবার সচেষ্ট থাকা উচিত। আমাদের কারণে পূণ্যভূমি সিলেটে কোন রকম বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হোক তা আমাদের কাম্য নয়। এ নিয়ে যাতে সেরকম কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় এ জন্য সবার সদয় ও সুদৃষ্টি কামনা করছি