Category: বিনোদন

  • ছেলে আব্রামের মেডেল জয়ে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ

    ছেলে আব্রামের মেডেল জয়ে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ

    যত বড়ই অভিনেতা হন, তিনি তো বাবাও! পিতৃত্বের সেই বিশেষ অনুভূতি লুকিয়ে রাখলেন না বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। স্কুলের স্পোর্টসে ছোট ছেলে আব্রাম খান মেডেল জেতার পরেই আনন্দে ফেটে পড়েন বাবা শাহরুখ। সেই ঘটনা শেয়ার করেছেন টুইটে।

    স্কুলে ‘স্পোর্টস মিট’ ছিলো। আর সেখানেই দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় আব্রাম। সোনা না জিতলেও আব্রাম ঘরে এনেছে রূপা ও ব্রোঞ্জ পদক। ছেলের স্কুলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ। মেডেল জেতার পর ছেলেকে নিয়ে ছবিও তোলেন তিনি।

    পরে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে বাবা শাহরুখ লিখেছেন- ‘স্পোর্টসে আমার সোনার ছেলে রুপো আর ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে।’ ওই পোস্টে এসেছে হাজার হাজার কমেন্ট ও লাইক। ছোট্ট আব্রামকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফ্যানরাও।

    ২০১৩ সালে সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম হয় আব্রামের। আরিয়ান ও সুহানার জন্মের অনেক বছর পর তৃতীয় সন্তানের জন্য চেষ্টা করলে শাহরুখপত্নী গৌরী খানের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। তখনই সারোগেসির সিদ্ধান্ত নেন গৌরী-শাহরুখ। জন্মের পর থেকেই ‘টক অব দ্য টাউন’ আব্রাম।

  • নানা আয়োজনে সুচিত্রা সেনের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    নানা আয়োজনে সুচিত্রা সেনের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    পাবনায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের ষষ্ট মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। শুক্রবার পাবনা জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনের শুরুতে সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বসত বাড়িতে নির্মিত সুচিত্রা সেনের ভাস্কর্যের প্রতি ফুলের শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সংস্কৃতি কর্মীরা।

    সকাল সাড়ে নয়টায় গোপালপুর মহল্লায় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা সুচিত্রা সেনের বাড়ি থেকে বের করা একটি স্মরণ পদযাত্রায় বের করে তাতে অংশ নেয় অংশ নেয় আমন্ত্রিত অতিথিরা। পদযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে সুচিত্রা সেনের কৈশোর জীবনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বের মহাখালি পাঠশালা (বর্তমানে টাউনহল স্কুল) প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

    পদযাত্রা শেষে স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় সুচিত্রা স্মরণে তাঁর জীবনীর উপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা। পাবনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদের সভাপতিত্বে স্মরণ সভার আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর কামরুজ্জামান, শিক্ষাবিদ লেখক প্রফেসর মনোয়ার হোসেন জাহেদী, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতীন খান, পাবনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামিম আরা প্রমুখ। আলোচনাসভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় সুচিত্রা সেন অভিনীত বিভিন্ন চলচ্চিত্রের গানের অনুষ্ঠান। বিকেলে মহানায়িকার বসতবাড়ি স্মৃতি সংগ্রহশালায় দেখানো হয় সুচিত্রা সেন অভিনীত বাংলা ছবি।

    এদিকে, সকাল দশটায় পাবনা প্রেসক্লাবে স্মরনসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ। স্বাধীন মজুমদারের সঞ্চালনায় পরিষদের সভাপতি সাইদুল হক চুন্নুর সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. নরেশ মধু। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারি হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটি । এসময় আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, পাবনা প্রেসক্লাব সভাপতি প্রফেসর শিবজিত নাগ, পাবনা চেম্বার অব কমার্সেরে সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী মর্তুজা বিশ্বাস সনি, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার উপস্থাপক শামীম চৌধুরী প্রমুখ। দিবসটি পালনে সুচিত্রা সেন চলচ্চিত্র সংসদ ও পাবনা ড্রামা সার্কেল সহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করে।

    উল্লেখ্য, সুচিত্রা সেনের জন্ম ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনার মধ্য শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনে । ১৯৬০ সালে পাড়ি জমান কলকাতায়। ১৯৫২ সালে তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। ১৯৫৩ সালে মহানায়ক উত্তম কুমারের সঙ্গে সাড়ে চুয়াত্তর ছবি করে সাড়া ফেলে দেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে। সুচিত্রা সেন বাংলা ও হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেন। তাঁর অভিনীত প্রথম হিন্দি ছবি ‘দেবদাস’ ও ‘প্রণয় পাশা’ শেষ ছবি। ১৯৬৩ সালে ‘সাত পাকে বাঁধা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সিলভার প্রাইজ ফর বেস্ট অ্যাকট্রেস’ জয় করেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। ২০১৩ সালে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন সুচিত্রা সেন। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুচিত্রা সেনের মৃত্যু হয়। সুচিত্রার বাড়িটি সংস্কার করে পাবনা জেলা প্রশাসক ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল জন সাধারণের জন্য অবমুক্ত করেন । যা এখন ”সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা”।

  • ‘কাঠবিড়ালী’র মুক্তি!

    ‘কাঠবিড়ালী’র মুক্তি!

    কাঠবিড়ালী নামটার মধ্যেই মায়া আছে। তেমনি এই সিনেমায়ও নাকি এক ধরনের মিষ্টি প্রেম আছে। ‘কাঠবিড়ালী’র নায়িকা অর্চিতা স্পর্শিয়া এমনটাই জানালেন।

    ২০২০ সালের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘কাঠবিড়ালী’ মুক্তি পাচ্ছে আজ। নিয়ামুল মুক্তা পরিচালিত এ ছবি দেশের ১৮টি হলে মুক্তি পাচ্ছে। গল্পনির্ভর এই সিনেমা নিয়ে আশাবাদী পুরো টিম। পরিচালক নিয়ামুল মুক্তা বলেন, ‘এই সিনেমায় যারা কাজ করেছেন সবাই নিজের ছবি মনে করে সেরাটা দিয়েছেন। এখন নিয়ে আসছি দর্শকদের সামনে। আশা করছি সবার ভালো লাগবে।’

    ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া ও আসাদুজ্জামান আবীর। তাসনিমুল তাজের চিত্রনাট্যে ২০১৭ সালের ২ মার্চ শুরু হয় ‘কাঠবিড়ালী’ চলচ্চিত্রের শুটিং। নানা ধাপে টানা ২ বছর চিত্রায়ণের পর এবার মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।

    ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স , ব্লকবাস্টার সিনেমাস, বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড, মধুমিতা, শ্যামলী সিনেমা, আনন্দ, চিত্রামহল হলে ছবিটি প্রদর্শিত হবে সিনেমাটি। ঢাকার বাইরে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ), মম ইন (বগুড়া), সিলভার স্ক্রিন (চট্টগ্রাম), ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ), বর্ষা (জয়দেবপুর), চন্দ্রিমা (শ্রীপুর), শঙ্খ (খুলনা), লিবার্টি সিনেপ্লেক্স (খুলনা), রুপকথা (পাবনা), শাপলা (রংপুর) ও অভিরুচি (বরিশাল)-এ মুক্তি পাবে ছবিটি।

  • ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে নিয়ে…

    ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে নিয়ে…

    বলিউড পাড়ার নতুন কন্যা সারা আলী খান আর ‘চকলেট বয়’ কার্তিক আরিয়ানকে নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। তারা চুটিয়ে প্রেম করছেন, খবরের এমন শিরোনামও হয়েছে সে সব গুঞ্জন কিংবা চটকদার খবর হলেও ভালোবাসা দিবসে যে দু’জনকে একসঙ্গে দেখা যাবে সেটা নিশ্চিত। সারা-কার্তিক অভিনীত ‘লাভ আজকাল’ সিনেমাটি মুক্তি পাবে চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    সারা আলী খান ও কার্তিক আরিয়ান জুটি বেঁধে কাজ করেছেন এ সিনেমায়। তাই ছবিটি নিয়ে বাড়তি আগ্রহ দর্শকের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গতকাল সকালে ‘লাভ আজকাল’ সিনেমার ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশ পায়।

    সারা আলী খানের ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ পাওয়া পোস্টারটি ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘বীর এবং জো-এর সঙ্গে পরিচিত হয়ে নিন। আমাদের ওয়ান্ডারল্যান্ডে স্বাগতম। কাল প্রকাশ পাবে ছবির ট্রেলার!’ ছবির পোস্টার প্রকাশ পাওয়ার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হওয়া শুরু হয়েছে। অনেক ভক্তই কমেন্ট করেছেন যে ছবিটি ব্লকবাস্টার হিট হবে।

    সারা ও কার্তিককে দারুণ মানিয়েছে বলেও কমেন্ট করেছেন অনেক ভক্ত। ‘লাভ আজকাল’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইমতিয়াজ আলী। পরিচালক জানান, এই সিনেমায় এমন গল্প বলা হয়েছে যা গতানুগতিক নয়। নতুন কিছু পাবেন দর্শকরা।

  • মিথিলার মুখোমুখি হচ্ছেন দুই সিঁথি

    মিথিলার মুখোমুখি হচ্ছেন দুই সিঁথি

    ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে বাংলাভিশনের ‘আমার আমি’ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। শোবিজ অঙ্গনের অনেক জনপ্রিয় তারকাকেই দেখা গেছে এই অনুষ্ঠানে। মিথিলার সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডায় মেতে উঠেছেন তারা। এবার এই আড্ডায় মিথিলার মুখোমুখি হবেন এই সময়ের জনপ্রিয় দুই কণ্ঠশিল্পী সিঁথি সাহা ও অবন্তী সিঁথি। মিথিলা নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন। শিগগিরই তাদের নিয়ে সামনের নতুন কোনো পর্বে হাজির হবেন তিনি।

    অবন্তী ও সিঁথি সাহার সঙ্গে ফেসবুকে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে মিথিলা লিখেছেন, ‘আমার আমি অনুষ্ঠানে শিগগিরই আমার সঙ্গে হাজির হবেন এই সময়ের দুই শিল্পী সিঁথি সাহা ও অবন্তী সিঁথি। বাংলাভিশনে প্রতি শনিবার রাত ৯টায় প্রচার হয় অনুষ্ঠাটি।’

    নিজের কাজের বাইরেও প্রেম-বিয়ে এসব বিষয় নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে আলোচনায় মিথিলা। গত ৬ ডিসেম্বর কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করেছেন তিনি। বিয়ের পর আবারও শোবিজে নিয়মিত হচ্ছেন মিথিলা।

  • বাংলা ছবিতে বিদ্যা বালান!

    বাংলা ছবিতে বিদ্যা বালান!

    জন্ম সূত্রে তিনি দক্ষিণী। বলিউড চলচ্চিত্রে কর্মজীবনের পাশাপাশি বাংলা, তামিল, মালয়ালম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। যখন প্রথম বলিউডের ছবি করেন সেটা ছিল একজন বাঙালি পরিচালকের। পরিচালক প্রদীপ সরকারের ছবি পরিণীতা বিদ্যা বালানকে বলিউডে এনে দেয় নতুন পরিচিতি। তার পরে আর তাকে অবশ্য পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আবারো সরাসরি কলকাতা বাংলা ছবিতেই দেখা যাবে বিদ্যা বালানকে।

    সেই ছবিটি পরিচালনা করবেন শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় ও লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। ইতি মধ্যেই দুটি ভালো অন্য ধারার ছবি করে ফেলেছেন এই পরিচালক জুটি। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে দেব ও পাওলি অভিনীত সাঁঝবাতি। এবারে এই ডুয়েট পরিচালক হাত দেবেন তাদের তৃতীয় কাজে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এবারেও শৈবাল বান্ধোপাধ্যায় এবং লীনা গঙ্গোপাধ্যায় বেছে নিয়েছেন একেবারে প্রাসঙ্গিক একটি বিষয়। বহু মহিলারা বা মেয়েরা বিয়ে করে থাকেন বিদেশে কর্মরত পাত্রকে। পেয়ে যান ‘নন রেসিডেন্টশিয়াল ইন্ডিয়ান’ স্টেটাস। কারুর আগে থেকে পরিচয় থাকে। আবার অনেকে আছেন যারা বাবা মায়ের পছন্দ করা পাত্রকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন। বিয়ে করে বিদেশে তারা পারি তো দেন কিন্তু তার পর অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় লাঞ্ছিত নিপীড়িত ও অত্যাচারিত হতে হচ্ছে সেই পাত্রীদের। অনেক আশা নিয়ে নতুন সংসারের স্বপ্ন নিয়ে সাত সমুদ্র তেরো নদী পারি দেন এই সব নববধূরা। কিন্তু কোথাও যেন তাদের হ্যাপি ফ্যামিলি আ্যলবামের পেছনে থেকে যায় না বলা এক অজানা বাস্তব। এবার এই সব মহিলাদের জীবন কাহিনী তুলে ধরবেন সেলুলোয়েডে লীনা ও শৈবাল।

    ছবির সাবজেক্ট যা রয়েছে তাতে বিদ্যার থেকে যে বেটার চয়েস নেই ডুয়েট পরিচালকের হাতে তা তো বোঝাই যাচ্ছে। এবং বিদ্যা যে অসামান্য অভিনয়ে এই চরিত্র ফুটিয়ে তুলবেন তাও আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সব ঠিক থাকলে এই বছরের মাঝামাঝি বা শেষের দিকেই শুরু হবে এই ছবির শুটিং। কলকাতা ছাড়াও বিদেশে অনেকখানি শুট করা হবে এই ছবি।