Category: বিনোদন

  • এবার কমেডি চরিত্রে দেখা যাবে টম ক্রুজকে

    এবার কমেডি চরিত্রে দেখা যাবে টম ক্রুজকে

    বিনোদন ডেস্ক:    হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজ ‘মিশন: ইম্পসিবল’ সিরিজে ইথান হান্ট হিসেবে দীর্ঘ যাত্রা শেষ করেছেন চলতি বছরের মে মাসে। এরপর তিনি শুরু করেছেন নতুন অধ্যায়-মেক্সিকান নির্মাতা আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতুর সিনেমা ‘ডিগার’-এ। এখানে টম ক্রুজকে দেখা যেতে পারে কমেডি চরিত্রে।

    সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির শিরোনাম, পোস্টার ও টিজার। ওয়ার্নার ব্রস ও লিজেন্ডারি প্রযোজিত ডিগার মুক্তি পাবে ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর। গল্পের বিস্তারিত এখনও গোপন। তবে ওয়ার্নার ব্রর্সের দেওয়া সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, ডিগার রকওয়েল হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষ, যিনি নিজের ছড়িয়ে দেওয়া এক ভয়াবহ বিপর্যয় সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়ার আগেই নিজেকে মানবজাতির ‘ত্রাতা’ প্রমাণ করতে মরিয়া অভিযানে নামেন।

    এদিকে ছয় মাস ধরে যুক্তরাজ্যে শুটিং হওয়া ‘ডিগার’ দিয়ে আবারও ইংরেজি ভাষার ছবিতে ফিরছেন অস্কারজয়ী পরিচালক আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু। ‘দ্য রেভেন্যান্ট’-এর পর এটিই তাঁর প্রথম ইংরেজি ভাষার পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। ছবিটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করছেন ইনারিতু নিজেই, সহ-প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন টম ক্রুজ। যুক্তরাজ্যে ছয় মাস ধরে শুটিং হয়েছে। টম ক্রুজের সঙ্গে এ সিনেমায় আরও থাকছেন সান্ড্রা  হুলার, জন গুডম্যান, মাইকেল স্টুলবার্গ, জেসি প্লেমন্স, সোফি ওয়াইল্ড, রিজ আহমেদ ও এমা ডার্সি প্রমুখ।

  • শেষ হলো ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-এর শুটিং

    শেষ হলো ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-এর শুটিং

    বিনোদন ডেস্ক: হলিউডের জনপ্রিয় সুপার হিরো ফ্র্যাঞ্চাইজি স্পাইডার ম্যানের পরবর্তী কিস্তি ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-এর শুটিং সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত শুক্রবার সিনেমাটির পরিচালক ডেসটিন ড্যানিয়েল ক্রেটন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সুখবর জানান।

    বড় বাজেটের এ সিনেমাটি আগামী বছর বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে পরিচালক ক্রেটন ছবির অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষভাবে তিনি প্রধান অভিনেতা টম হল্যান্ডের কাজের প্রতি একাগ্রতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। নির্মাতার ভাষায়, পর্দার ভেতরে ও বাইরে টম হল্যান্ডের উদার নেতৃত্ব এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা সিনেমাটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। দর্শকদের বড় পর্দায় এ দলটির কাজ দেখার অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান তিনি।

    ক্রেটন জানান, ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ও ফলপ্রসূ কাজগুলোর একটি হতে যাচ্ছে। তাই এ সিনেমা নিয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবেও ভীষণ আশাবাদী। নতুন এই কিস্তিতে দর্শকদের জন্য থাকছে একাধিক বড় চমক। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের জনপ্রিয় চরিত্র হাল্কের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে মার্ক রাফালোকে। এ ছাড়া ‘দ্য পানিশার’ চরিত্রে ফিরছেন জন বার্নথাল, আর ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’-এর স্করপিয়ন চরিত্রে আবারও দেখা যাবে মাইকেল মান্ডোকে। জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর তারকা স্যাডি সিঙ্কও যুক্ত হয়েছেন এ সিনেমার অভিনয়শিল্পীদের তালিকায়।

    আগের মতোই এমজে ও নেড চরিত্রে ফিরছেন জেনডায়া ও জেকব বাটালন। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ক্রিস ম্যাককেনা ও এরিক সোমারস। এর আগে গত আগস্টে সনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওস যৌথভাবে সিনেমাটির জন্য টম হল্যান্ডের নতুন ‘স্পাইডি স্যুট’-এর ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে ভক্তদের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। সবকিছু ঠিক থাকলে সনি ও মার্ভেল প্রযোজিত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ আগামী বছরের ৩১ জুলাই বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। সুপারহিরো প্রেমীদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে আগামী বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা।

  • বক্স অফিসে ঝড় তুলতে আসছে অ্যাভাটার ৩

    বক্স অফিসে ঝড় তুলতে আসছে অ্যাভাটার ৩

    বিনোদন ডেস্ক: জেমস ক্যামেরনের জাদুকরী সৃষ্টি ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ নিয়ে এখন হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। প্রজেকশন অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই (ওপেনিং উইকেন্ড) সিনেমাটি মার্কিন বক্স অফিসে ৯০ থেকে ১০৫ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে। আর বিশ্বজুড়ে এর আয় ৩৪০ থেকে ৩৬৫ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন কিস্তিতে ‘অ্যাশ পিপল’ বা ছাইয়ের মানুষদের সাথে পরিচয় করানো হবে।

    এরা আগ্নেয়গিরি অঞ্চলে বাস করে এবং আগের জাতিগুলোর তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ও ক্রোধপরায়ণ। প্রথম দুটি পর্বে প্রকৃতিকে রক্ষার বিষয়টিতে জোর দেওয়া হয়েছিল। এই পর্বে আগুন একটি প্রধান থিম। এটি শুধু ধ্বংস নয়, বরং ক্রোধ এবং প্রতিহিংসার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। জেমস ক্যামেরন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সব না’ভিই ভালো হয় না; এই মুভিতে না’ভিদের মধ্যকার অন্ধকার দিকগুলো দেখানো হবে। আগের কিস্তিগুলোতে লড়াই ছিল মূলত মানুষ বনাম না’ভিদের মধ্যে। কিন্তু ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এ জেইক সালি এবং নেইতিরির পরিবারকে তাদের নিজেদের জাতির (না’ভি) মধ্য থেকেই আসা নতুন শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। অর্থাৎ, এবারের লড়াইটা হবে না’ভি বনাম না’ভি।

    দর্শকরা প্যান্ডোরার নতুন নতুন ভৌগোলিক অঞ্চল দেখতে পাবেন। আগ্নেয়গিরির লাভা-ঘেরা পরিবেশ এবং সেই প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকা না’ভিদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রা হবে এই সিনেমার অন্যতম বড় আকর্ষণ। এদিকে রেকর্ডের হাতছানি জেমস ক্যামেরনের আগের দুটি সিনেমা, ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’ এবং ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’, দুটিই বিশ্বজুড়ে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। যদি ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ একই সাফল্য পায়, তবে এটিই হবে ইতিহাসের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি যার তিনটি কিস্তিই ২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করবে। বর্তমানে ক্যামেরনই একমাত্র পরিচালক যার তিনটি সিনেমা (টাইটানিকসহ) ২ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে রয়েছে। গল্প ও দৈর্ঘ্য পান্ডোরার নীল না’ভি জাতি এবং খলনায়ক আরডিএ-র মধ্যকার যুদ্ধের রেশ ধরেই এগোবে এবারের গল্প। জেক সালি (স্যাম ওয়ার্থিংটন) এবং নেইতিরির (জো সালদানা) পরিবারকে এবার লড়াই করতে হবে আগুনের শক্তির অধিকারী এক নতুন গোত্রের বিরুদ্ধে।

    ৩ ঘণ্টা ১৭ মিনিটের দীর্ঘ এই সিনেমাটি দর্শকদের কতটুকু ধরে রাখতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে সমালোচকদের মতে, সিনেমাটি গত পর্বের তুলনায় অনেক বেশি টানটান এবং রোমাঞ্চকর। প্রতিযোগিতা ও প্রত্যাশা ‘অ্যাভাটার’-এর রাজত্বের মাঝেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে আরও কিছু সিনেমা। এর মধ্যে সিডনি সুইনি অভিনীত সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘দ্য হাউসমেইড’, অ্যানিমেটেড ছবি ‘দ্য স্পঞ্জবব মুভি: সার্চ ফর স্কয়ারপ্যান্টস’ এবং ধর্মীয় পটভূমির ‘ডেভিড’ উল্লেখযোগ্য। যদিও বড় পর্দা দখলের দৌড়ে ক্যামেরনের সিনেমা অনেক এগিয়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিস গত বছরের তুলনায় মাত্র ০.৫% এগিয়ে আছে। বছরের মোট আয় ৯ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে ‘অ্যাভাটার’-এর বড় মাপের সাফল্যের কোনো বিকল্প নেই। এখন দেখার বিষয়, বড় দিনের ছুটিতে জেমস ক্যামেরন আবারও তার চিরচেনা জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করতে পারেন কি না।

  • মারা গেছেন ‘দ্যা মাস্ক’খ্যাত পিটার গ্রিন

    মারা গেছেন ‘দ্যা মাস্ক’খ্যাত পিটার গ্রিন

    বিনোদন ডেস্ক:    হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘দ্য মাস্ক’-এ অভিনয়ের জন্য পরিচিত অভিনেতা পিটার গ্রিন মারা গেছেন। নিউ ইয়র্ক সিটির নিজ ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। পিটার গ্রিনের ম্যানেজার ও দীর্ঘদিনের বন্ধু গ্রেগ এডওয়ার্ডস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    জানা গেছে, নিউ ইয়র্কের লোয়ার ইস্ট সাইডে অবস্থিত অভিনেতার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে টানা ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উচ্চশব্দে গান বাজার আওয়াজ আসছিল। এরপর পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে অভিনেতার মরদেহ উদ্ধার করে।

    তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। দ্যা মাস্ক সিনেমায় মূলত ডোরিয়ান টাইরেলের খলচরিত্রে ছিলেন পিটার। পর্দায় তার তীক্ষ্ন চাহনি, গম্ভীর কণ্ঠস্বর এবং ভয়ংকর খল চরিত্রের অভিনয় দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এছাড়াও ‘পাল্প ফিকশন’-এর জেড চরিত্রের জন্য তিনি কাল্ট ক্লাসিক ভক্তদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে পর্দায় ভয়ংকর সব চরিত্রে দেখা গেলেও ব্যক্তিজীবনে পিটার ছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বভাবের মানুষ।

    তার ম্যানেজার গ্রেগ এডওয়ার্ডস বলেন, “পিটারের চেয়ে ভালো ‘ভিলেন’ আর কেউ হতে পারত না। কিন্তু পর্দার বাইরে তার একটি কোমল দিক ছিল, যা খুব কম মানুষই দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি অত্যন্ত বড় মনের এবং দয়ালু একজন মানুষ ছিলেন।” প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুতে হলিউড সতীর্থ ও তার ভক্তরা সামাজিকমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন।

  • অনুমতির জট, ঢাকায় আতিফ আসলামের কনসার্ট স্থগিত

    অনুমতির জট, ঢাকায় আতিফ আসলামের কনসার্ট স্থগিত

    অনলাইন ডেস্ক:    ঢাকায় একের পর এক কনসার্ট বাতিলের ধারাবাহিকতায় এবার স্থগিত হলো পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের বহুল প্রতীক্ষিত কনসার্ট। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীতে তাঁর পারফর্ম করার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কনসার্ট স্থগিতের খবরটি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন আতিফ আসলাম। বাংলাদেশি ভক্তদের উদ্দেশে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “প্রিয় বাংলাদেশি ভক্তরা, দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ১৩ ডিসেম্বর ঢাকায় আমাদের কনসার্টটি আর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। আয়োজক দল প্রয়োজনীয় স্থানীয় অনুমতি, নিরাপত্তাজনিত ছাড়পত্র এবং লজিস্টিকসহ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেনি।” তাঁর এই বার্তায় ভক্তদের হতাশা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    এই কনসার্ট আয়োজনের দায়িত্বে ছিল দুটি প্রতিষ্ঠান, ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ এবং ‘মেইন স্টেজ’। তবে অনুষ্ঠান বাতিলের নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি আয়োজকরা। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আয়োজকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সরকারি ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রক্রিয়াধীন থাকায় শেষ মুহূর্তে এসে কনসার্ট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

    ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত ছিল পূর্বাচল নতুন শহরের চাইনিজ ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার। এর আগে ২৫ নভেম্বর কনসার্টের ঘোষণা দিয়ে আয়োজক পক্ষ জানিয়েছিল, অনুষ্ঠানটি নিয়মতান্ত্রিক ও নিরাপদভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে তারা কাজ করছে। এমনকি আয়োজকেরা এটিকে চ্যারিটি কনসার্ট হিসেবেও তুলে ধরেছিলেন, যেখানে আয়ের একটি অংশ দান করার কথা বলা হয়েছিল। তবু শেষ পর্যন্ত অনুমতি না পাওয়ায় পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

    এদিকে ‘চলঘুরি’ নামের একটি টিকিটিং প্ল্যাটফর্মে আড়াই হাজার থেকে ৯ হাজার টাকা দামের টিকিট বিক্রি হচ্ছিল। কনসার্ট স্থগিতের খবরে টিকিটধারীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, অনুমতি চূড়ান্ত হওয়ার আগেই কেন টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছিল। এখন বেশির ভাগ দর্শকই টিকিটের অর্থ ফেরতের অপেক্ষায় রয়েছেন।

    আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আগেও বলা হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে কনসার্ট বাতিল হলে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আয়োজকের সুনাম নষ্ট হয়। একই সঙ্গে বিদেশি শিল্পীদের এভাবে ফিরে যেতে হলে দেশের বিনোদন আয়োজনের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কনসার্টের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না বলেও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা অনুবিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আপাতত পরিস্থিতির কারণে বেশ কয়েকটি কনসার্টের আবেদন ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলেই একের পর এক বড় আয়োজন স্থগিত হচ্ছে।

    শীত মৌসুমকে সাধারণত কনসার্টের ভরা সময় ধরা হলেও চলতি পরিস্থিতিতে আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। আতিফ আসলামের কনসার্ট স্থগিত হওয়ার ঘটনায় সেই অনিশ্চয়তা আরও স্পষ্ট হলো, আর দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে জমে উঠল ক্ষোভ ও প্রশ্ন।

  • ট্রেলার মুক্তির আগেই শোরগোল সৃষ্টি করলো ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’

    ট্রেলার মুক্তির আগেই শোরগোল সৃষ্টি করলো ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’

    অনলাইন ডেস্ক:     মার্ভেল স্টুডিওর পরবর্তী মহাকাব্যিক সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ এর ট্রেলার মুক্তির আগেই শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। যদিও সিনেমাটি মুক্তির জন্য আরো এক বছর সময় বাকি, তবুও জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমা রিলিজের আগেই ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ এর প্রথম ট্রেলার মুক্তি পেতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

    এই খবরটি কয়েক সপ্তাহ ধরে মার্ভেল ফ্যানদের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে এবং ভক্তরা মুখিয়ে আছেন তাদের প্রিয় সুপারহিরোদের পরবর্তী অভিযান দেখার জন্য। মার্ভেল স্টুডিওর ইউটিউব চ্যানেলে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ এর একটি অপেক্ষারত ভিডিও আপলোড হয়েছে যা এখনও ‘প্রাইভেট ভিডিও’ শিরোনামে আছে।

    তবে, ভিডিওটি মার্ভেল স্টুডিওর ‘অফিশিয়াল ট্রেইলারস’ প্লেলিস্টে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা অনেকেই ধারণা করছেন যে এটি হতে পারে ‘ডুমসডে’ এর প্রথম ট্রেলার। এখন পর্যন্ত ট্রেলারটির মুক্তি নিয়ে নানা রকমের অনুমান করা হচ্ছে।

    কিছু সূত্র জানাচ্ছে যে এটি ১৯ ডিসেম্বরের আগে, ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমার রিলিজের আগেই আসবে। তবে আন্তর্জাতিক ক্লাসিফিকেশন বোর্ডগুলোতে ট্রেলারটি রেটিং পাওয়ার পর এটি এক-দুই দিনের মধ্যে মুক্তি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ সিনেমার গল্পে স্যাম উইলসন (অ্যান্থনি ম্যাকি) নেতৃত্বে পৃথিবীর সেরা সুপারহিরোরা নতুন এক মহাবিপদে জড়িয়ে পড়বেন, যেখানে মুখোমুখি হতে হবে ডক্টর ডুম (রবার্ট ডাউনি জুনিয়র) এর। একাধিক মাল্টিভার্সের হিরোদের সংমিশ্রণে এই সিনেমায় উপস্থিত থাকবে মার্ভেল ইউনিভার্সের নানা শক্তিশালী দল, যার মধ্যে থাকছে ফ্যানটাস্টিক ফোর এবং ফক্সের এক্স-ম্যান চরিত্রগুলো। এই সিনেমা পরিচালনা করছেন জো এবং অ্যান্থনি রুসো, যারা এর আগে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ড গেম’-এর মতো কাল্পনিক মার্ভেল সাফল্য উপহার দিয়েছেন।