Category: বিনোদন

  • সীমান্তে এসে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইলেন দেব

    সীমান্তে এসে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইলেন দেব

    বাংলাদেশ সীমান্তে এসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সদস্যদের সঙ্গে জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ও তৃণমূলের এমপি দীপক অধিকারী দেব।

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হওয়ায় সীমান্ত সফরে ছিলেন দেব। দার্জিলিংয়ে বাংলা ছবি ‘সাঁঝবাতি’র শুটিং সেরে সোজা চলে যান নাথু লা’য়। তারপর সেখান থেকেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ৫ দিনের সফরে যোগ দেন তিনি।
    এই সফরে তিনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। কাজের পাশাপাশি সেনা জওয়ানদের সঙ্গে খোশ মেজাজেও দেখা যায় তাকে। বাংলাদেশ সীমান্তে এসে বিজিবির সদসদ্যের সঙ্গেও কথা বলেন, সেসময়ই গান জাতীয় সংগীত।

    বাংলাদেশের জাফলং ও মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্তে এসেছিলেন দেব। ডাউকি লেকের এ- পাড়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলার জাফলং সীমান্ত। দুই দেশের ’জিরো পয়েন্ট’ এলাকা ঘুরে দেখেছেন তিনি। ডাউকি ও জাফলং সীমান্তের জিরো পয়েন্ট ঘুরে দেখার সময় তিনি টহলরত বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    এ বিষয়ে দেব বলেছেন, সীমান্তে গিয়ে কাঁটাতারের বেড়া, দুটো দেশ, এসব কিছুই মনে থাকে না যখন সীমান্তবাসীর সঙ্গে কথা বলি। সীমান্তে গিয়ে ঠিক এই কথাটাই মনে হলো। যখন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজল, আমিও গাইলাম- ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি

  • জয়া-প্রসেনজিতের ‘রবিবার’ আসছে ডিসেম্বরে

    জয়া-প্রসেনজিতের ‘রবিবার’ আসছে ডিসেম্বরে

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান ও কলকাতার অভিনেতা প্রসেনজিৎ অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘রবিবার’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী ২৭ ডিসেম্বর। কলকাতার পরিচালক অতনু ঘোষের ত্রয়ীর পরিকল্পনা নির্মিত হয়েছে ‘রবিবার’ ছবিটি। এর আগে, ময়ূরাক্ষী ট্রিলজির বাকি দুই ছবি হচ্ছে- ‘ময়ূরাক্ষী’ ও ‘বিনি সুতোয়’। কিন্তু ‘বিনি সুতোয়’ ছবির আগেই মুক্তি পাচ্ছে ‘রবিবার’।

    এই প্রসঙ্গে অতনু ঘোষ জানান, ‘বিনি সুতোয়’ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবে পাঠানো হবে। যদি বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি দেয়া হয়, তাহলে উৎসবগুলোতে দেখানো যাবে না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
    অতনু ঘোষ আরও বলেন, ট্রিলজির প্রতিটি ছবির গল্প আলাদা। ‘রবিবার’ আগে মুক্তি পেলেও দর্শকের ছবি বুঝতে কোনো সমস্যা হবে না। তাই আগে-পরে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি প্রভাব ফেলবে না।

    পরিচালক অতনু জানান, তিনটি ছবির গল্প আলাদা হলেও একটি বিষয়ে মিল আছে। দুজন মানুষের মনস্তাত্ত্বিক গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ছবি তিনটি।

    রীতিবিরুদ্ধ একটি সম্পর্কের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘রবিবার’। আবেগ ও থ্রিলারের মিশ্রণ থাকবে ছবিতে। ‘রবিবার’-এ প্রসেনজিৎ অভিনয় করছেন অসীমাভর চরিত্রে, আর জয়াকে দেখা যাবে সায়নী

  • তুষার দত্তের ৮টি গানের অ্যালবাম ‘বাহারী রঙে’ প্রকাশিত

    তুষার দত্তের ৮টি গানের অ্যালবাম ‘বাহারী রঙে’ প্রকাশিত

    কাজী তানজিলা আজীজের প্রযোজনায় কলকাতার ইউডি সিরিজ থেকে সম্প্রতি “বাহারী রঙে” শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে উপমহাদেশের বিখ্যাত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী পণ্ডিত তুষার দত্তে’র কণ্ঠে আটটি মৌলিক বাংলা গান নিয়ে একক অ্যালবাম। এই অ্যালবামের সবগুলো গানই লিখেছেন গীতিকার শহীদুল আলম তিতু এবং সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সুরকার লিটন দাশ।

    এই অসামান্য অ্যালবামটি উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশেরই কিংবদন্তীর গীতিকবি- “চোখ যে মনের কথা বলে”, “এ আঁধার কখনো যাবে না মুছে” সহ বহু কালজয়ী গানের গীতিকার কাজী আজিজ আহমেদ সাহেবকে।
    “বাহারী রঙে” অ্যালবামটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই দু’দেশেরই সুস্থ সঙ্গীতের শ্রোতা এবং বোদ্ধা মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। খুব শিগগিরই পণ্ডিত তুষার দত্ত’র উপস্থিতিতে ঢাকায় অ্যালবামটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তবে অ্যালবামটি এখন থেকেই ইন্টেরনেটে এবং বাজারে

  • আসামের মানুষদের ‘বাংলাদেশের বাঙালি’ বলে সমালোচিত অপু (ভিডিও)

    আসামের মানুষদের ‘বাংলাদেশের বাঙালি’ বলে সমালোচিত অপু (ভিডিও)

    ভারতের আসাম রাজ্যের একটি অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের ‘বাংলাদেশের বাঙালি’ বলে অভিহিত করেছেন ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সম্প্রতি এ রকম একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অপুর বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ভারতের আসামে করা জাতীয় নাগরিকপঞ্জির কারণে নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কায় আছেন কয়েক লাখ মানুষ। আসামের অনেকে বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যাও করেছেন। অপুর এ বক্তব্য এমন পরিস্থিতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে।

    আসামে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অপু বলেন, আমি বাংলাদেশের মেয়ে। কিন্তু এখানে যারা বসে আছেন, তারা সবাই, তাদের সবার বাংলাদেশে জন্ম আছে… ঠিক তো? আমরা যখন বিদেশে যাই তখন আমরা সবাইকে বলি ‘বাঙালি’। আজকে আমি আসামেও একটি কথা বলবো, আপনারা সবাই আমার বাংলাদেশের বাঙালি। তাই তো?

    অপুর এমন কথায় সম্মতি জানাতে অনেকেই অস্বীকৃতি জানান। ‘নো’, ‘নো’ বলে উঠেন। এমন প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পর একটু হেসে অপু বলেন, ‘আপনারা সবাই আসামের, আমি জানি। কিন্তু যে ‘নো’ (অস্বীকার করছেন) বলছেন, দেখবেন আপনার দাদু, ঠাকুমা, তার ঠাকুমা, হয়তো কেউ বাংলাদেশেরই ছিল।’

    অপু বিশ্বাসের এই ভিডিওটি কোন সময়ের বা আসামের এই প্রোগামে তিনি কবে অংশ নিয়েছিলেন সেটার সঠিক দিনক্ষণ জানা যায়নি। তবে ভিডিওটি এমন সময়ে ভাইরাল হলো যখন আসামের মানুষ ‘এনআরসি’ নিয়ে উদ্বিগ্ন। এ কারণে অপু বিশ্বাসের ভাইরাল ভিডিওটি ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকমের মন্তব্য বেগবান হচ্ছে।

  • কুলি থেকে সুপারস্টার

    কুলি থেকে সুপারস্টার

    আসল নাম শিবাজি রাও গায়কোয়াড়। তবে জনপ্রিয় রজনীকান্ত নামে। জানেন কি তামিল ছবির এই সুপারস্টার এক সময় খাবার জোগাড়ের জন্য নানা ছোটখাটো কাজ করেছেন?

    কখনও কুলি হয়ে জিনিসপত্র বয়ে দিয়েছেন, কখনও বাসের টিকিট কেটেছেন কন্ডাক্টর হয়ে। উপার্জনের জন্য একসময় এ সব কিছুই করতে হয়েছে তাকে। আর আজ তিনি অন্তত ৪০০ কোটি রুপির মালিক! ২০১০ সালে ফোর্বস সূত্রে জানা যায়, তখন তার সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩৫৪ কোটি ৬৮ লাখ ১৫ হাজার রুপি। সম্পত্তির এই হিসাব বর্তমানে আরও বেড়েছে।

    ‘থালাইভা’ রজনীকান্তের জন্ম ১৯৫০ সালে বেঙ্গালুরুর এক মরাঠি পরিবারে। মা সারাদিন সংসারের কাজকর্ম নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। আর বাবা রামোজি রাও ছিলেন পুলিশের কনস্টেবল।

    চার ভাইবোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন রজনীকান্ত। ১৯৫৬ সালে রজনীকান্ত যখন সবে ছয় বছরের তার বাবা চাকরি থেকে অবসর নেন। ছয়জনের সংসারে পেনশনের টাকা দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ে বাবা রামোজির।

    সপরিবারে বেঙ্গালুরু শহর ছেড়ে কাছেই হনুমন্থনগর বস্তিতে ঘর বেঁধে থাকতে শুরু করেন তারা। খুব কম বয়সে মাকেও হারিয়েছিলেন রজনীকান্ত। মায়ের মৃত্যুর পর তাদের সংসার দেখার মতো কেউ ছিল না। পরিবারটা প্রায় ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছিল।

    বেঙ্গালুরুর একটা সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন রজনীকান্ত। তারপর তার দাদা তাকে রামকৃষ্ণ মঠে ভর্তি করিয়ে দেন। ছোট থেকে ক্রিকেট, বাস্কেটবলের প্রতি আগ্রহ ছিল, কিন্তু অভিনয়কে সে ভাবে ভালোবাসতেন না। রামকৃষ্ণ মঠেই তার অভিনয়ে হাতেখড়ি।

    সংসারের টানাপড়েনে স্কুল পাশ করেই রজনীকান্ত চাকরির জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কখনও কুলিগিরি কখনও কাঠের মিস্ত্রি হয়ে কাজ করেছেন। তারপর বেঙ্গালুরু ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্টের বাস কনডাক্টরের কাজ পান।

    এ সব কাজ করাকালীনও মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন পৌরাণিক চরিত্রে অভিনয় করতেন রজনীকান্ত। তবে অভিনয়ে জনপ্রিয় হওয়ার আগে বাস কন্ডাক্টর হিসাবেও ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

    যে রুটের বাসের কন্ডাক্টর ছিলেন রজনীকান্ত, সে বাসটা ধরার জন্যই অনেক সময় পাবলিক অপেক্ষা করতেন। কারণ, রজনীকান্ত বাসের মধ্যেও টিকিট সংগ্রহের সময় নিজের ইউনিক স্টাইল দেখিয়ে যাত্রীদের বিনোদন দিতেন।

    বাস কন্ডাক্টরের চাকরি করার সময় রজনীকান্ত কবি ও লেখক টপি মুনিয়াপ্পার পৌরাণিক কাহিনিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। সে সময়ই তিনি অভিনয়টা আরও ভালো করে শেখার জন্য মাদ্রাজ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন।

    কাজ ছেড়ে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ির লোকেদের একেবারেই সায় ছিল না। সে সময় তার আর এক কন্ডাক্টর বন্ধু তাকে ভরসা জুগিয়েছিলেন। তাকে আর্থিক সাহায্যও করেছিলেন।

    ফিল্ম ইনস্টিটিউটেই তামিল ফিল্ম পরিচালক বালাচন্দ্রের নজরে পড়ে যান তিনি। তার পরামর্শেই তামিল ভাষা শেখেন রজনীকান্ত। ১৯৭৫ সালে বালাচন্দ্রের ফিল্ম ‘অপূর্বা রাগাঙ্গাল’ -এ প্রথম অভিনয় তার।

    তারপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। একটার পর একটা ফিল্মের অফার পেতে শুরু করেন তিনি। ২০০৭ সালে ‘শিবাজি’ ছবিতে ২৬ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে এশিয়ার দ্বিতীয় পারিশ্রমিক নেয়া অভিনেতা হন তিনি। সে বছর পারিশ্রমিকে প্রথম ছিলেন জ্যাকি চ্যান।

  • এবার মিথিলার পাশে সৃজিত মুখার্জি

    এবার মিথিলার পাশে সৃজিত মুখার্জি

    অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও পরিচালক ইফতেখার আহমেদ ফাহমির ব্যক্তিগত কিছু ছবি ফাঁস হওয়া নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কঠিন সময় পার করছেন এই তারকারা। কিছু সময় চুপ করে থাকলেও পরবর্তীতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মিথিলা। এমন একটি সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেক তারকাই। তার পাশে দাঁড়ানো সেই তারকাদের তালিকায় এবার নাম লেখালেন সৃজিত মুখার্জি।

    ছবি ফাঁসের ঘটনার পর ৫ নভেম্বর অভিনেত্রী মিথিলার নিজের অবস্থান পরিষ্কার ও যারা ফেসবুক হ্যাক করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের শাস্তির দাবি করে দেওয়া ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করে বুধবার সৃজিত মুখার্জি লেখেন, ‘কুর্নিশ করি, বাঘিনী। প্রতিদিনই তোমাকে নিয়ে গর্ব হচ্ছে।’

    চলতি বছরেই মিথিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর গুঞ্জন ওঠা সৃজিত মুখার্জি শুধু মিথিলার ফেসবুক পোস্ট শেয়ারই করেন নি, সেই সঙ্গে ছবি ফাঁসকারী হ্যাকারদের কড়া সমালোচনাও করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এটা বেআইনি কাজ। এর মাধ্যমে গোপনীয়তা পুরোপুরি লঙ্ঘন হয়েছে। যারা এই কাজ করেছে তাদের জেল হওয়া উচিত।’

    এ সময় ঘটনার পর মিথিলার পদক্ষেপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তিনি (মিথিলা) পরিস্থিতি যেভাবে সামাল দিয়েছেন তা অনুকরণীয়। আমি মনে করি, ফেসবুকে তার বক্তব্য বুদ্ধিদীপ্ত ও যথাযথ হয়েছে। এজন্য তাকে নিয়ে আমি গর্ব করতে পারি।’

    গত মার্চ মাসে মিডিয়া পাড়ায় সম্পর্কে জড়ানোর গুঞ্জন উঠে মিথিলা-সৃজিতের। সে সময় পশ্চিমবঙ্গে অর্ণবের একটি গানের ভিডিও শুটে একসঙ্গে কাজ করেছেন এই দুই তারকা। শুধু সম্পর্ক নয়, আগামী বছরই মিথিলা সৃজিতকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন এমন সংবাদ ছড়িয়েছে ভারতের গণমাধ্যমে।তবে সে সময় বিয়ে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি অভিনেত্রী মিথিলা।

    মিথিলা-সৃজিতের ‘বিয়ে’ নিয়ে ভারতের জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় বাংলা দৈনিক ‘এই সময়ে’ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বছরের শুরুতেই সংসার শুরু করতে যাচ্ছেন সৃজিত-মিথিলা। তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়। অভিনেতা ও গায়ক তাহসানের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর কয়েক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে সৃজিতের সঙ্গে যোগাযোগ হয় মিথিলার। এরপর তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলতে থাকে।নিজেদের মাঝে বোঝাপড়া বাড়তে থাকে।এক পর্যায়ে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। বন্ধুত্ব থেকে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। দুজনের মধ্যে মিল রয়েছে। তারা দুজনেই বিনোদন জগতের মিল।দুজনেই কণ্ঠশিল্পী শাহানা বাজপেয়ীর ভালো বন্ধু।

    সে সময়ই শোনা যায়, একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিং করতে কলকাতায় যান মিথিলা।সেখানে বন্ধু সৃজিত তাকে সঙ্গ দেন। কলকাতার বিভিন্ন স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখান। মিথিলার কলকাতায় ঘুরে বেড়ানো নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, দুজনের এই সম্পর্ক এখন আর শুটিং ফ্লোরে আটকে নেই। মিথিলা কলকাতা শহরে পা রাখার পর থেকে সৃজিত তাঁকে নিয়ে ঘুরে বেড়ান। মিথিলাকে কলকাতা শহর দেখিয়েছেন। পরিচালকের ঘনিষ্ঠ মহলের খবর, তারা দুজন নাকি আগামী বছরের গোঁড়ার দিকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন।