Category: বিনোদন

  • কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রত্যাখান ইলিয়াস কাঞ্চনের

    কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রত্যাখান ইলিয়াস কাঞ্চনের

    নামের আগে বাড়তি শব্দ থাকায় অভিনেতা সোহেল খানের পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশও প্রত্যাখ্যান করেছেন অভিনয়শিল্পী ইলিয়াস কাঞ্চন।

    ২০১৯-২০২১ মেয়াদে শিল্পী সমিতির নির্বাচন স্থগিত করতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন এই সমিতির সাবেক সদস্য মো. সোহেল খান। তার আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক শিল্পী সমিতির নির্বাচন কেন স্থগিত করা হবে না, তিন দিনের মধ্যে তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেন।
    এই কারণ দর্শানোর নোটিশ নিয়ে ২৪ অক্টোবর বিএফডিসিতে আসেন আদালতটির পেশকার এস এম শফিউর রহমান। ইলিয়াস কাঞ্চনেতার কাছে পেশকার আদালতের নোটিশ দিলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন।

    শিল্পী সমিতিন নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে থাকা ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি ‘মোহাম্মদ ইলিয়াস কাঞ্চন’ নই। আমার নাম শুধুই ‘ইলিয়াস কাঞ্চন’। এই চিঠি আমার নয়। অন্যের দায়ভার আমি নেব না।

  • দ্রৌপদী’ দীপিকা

    দ্রৌপদী’ দীপিকা

    এবার মহাভারতের কাহিনীর নিয়ে ছবি হচ্ছে বলিউডে। দ্রৌপদীর দৃষ্টিকোন থেকে মহাভারতের কাহিনী দেখানো হবে এ ছবিতে। বড় পরিসরে নির্মিতব্য এ ছবিতে দ্রৌপদী চরিত্রে দেখা যাবে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে। মধু মন্টেনা ভার্মার সঙ্গে ছবিটি প্রযোজনাও করবেন দীপিকা।

    কয়েকটি কিস্তিতে মহাভারতের কাহিনী নিয়ে ছবি নির্মাণ করা হবে। প্রথম কিস্তির ছবিটি মুক্তি পাবে ২০২১ সালের দিওয়ালি উৎসবে।
    দ্রৌপদী চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে দীপিকা বলেছেন, আমি খুবই রোমাঞ্চিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। এমন চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ বারবার আসে না।

    সম্প্রতি মেঘনা গুলজারের ‘ছপাক’ ছবির কাজ শেষ করেছেন দীপিকা। এছাড়া স্বামী রণবীর সিংয়ের বিপরীতে দীপিকাকে দেখা যাবে ‘৮৩’ ছবিতে।

  • মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের মুকুট জিতলেন শিলা

    মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের মুকুট জিতলেন শিলা

    ঢাকায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা। এর গ্র্যান্ড ফিনালে সেরা ১০ প্রতিযোগীর মধ্যে বিজয়ীর মুকুট জিতে নিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মেয়ে শিরিন আক্তার শিলা। বুধবার রাত পৌনে ১১টায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার নবরাত্রি হলে জমকালো অনুষ্ঠানে তার মাথায় ২০ লাখ টাকা দামের মুকুট পরিয়ে দিলেন বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা সাবেক মিস ইউনিভার্স সুস্মিতা সেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন আলিশা ও দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন জেসিয়া ইসলাম। ​

    সুন্দরীদের এ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে এই মেধাবীরা। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এগিয়ে যাচ্ছে তারা। তারা তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে তৃণমূল থেকে উঠে এসেছে। মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশকে নতুন করে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরবে।

    ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ এর চেয়ারম্যান রিজওয়ান বিন ফারুক জানান, দক্ষিণ কোরিয়ায় আগামী ১৯ ডিসেম্বর বসবে ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতার ৬৮তম আসর। শিলা সেখানে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

    ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ এর মূল বিচারক হিসেবে ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান, রূপ বিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান, হেরিটেজ ক্র্যাফটসের তুতলি রহমান, রুবাবা দৌলা ও ফারজানা চৌধুরী, সাবেক ক্রিকেটার আতাহার আলী খান প্রমুখ।

  • ‘ঋত্বিক ঘটক পুরস্কার’ পাচ্ছেন চারজন

    ‘ঋত্বিক ঘটক পুরস্কার’ পাচ্ছেন চারজন

    বাংলাদেশ ও ভারতের চার নির্মাতা ও চলচ্চিত্র গবেষক পাচ্ছেন ‘ঋত্বিক ঘটক অনারারি অ্যাওয়ার্ড’। মঞ্চ এবং চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য সত্যজিত্ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের এই ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা পাচ্ছেন পুরস্কার।

    বাংলাদেশ থেকে পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন ‘খাঁচা’ খ্যাত নির্মাতা আকরাম খান, চলচ্চিত্র সমালোচক ও মেঘমল্লার খ্যাত নির্মাতা জাহিদুর রহিম অঞ্জন এবং থিয়েটার অভিনেতা কাজী সাইয়িদ হোসেন দুলাল। কলকাতা থেকে পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামল কর্মকার।

    উল্লেখ্য, প্রতিবছরই নির্মাতা ঋত্বিক কুমার ঘটকের নামে পুরস্কার দেওয়া হয় সিনেমা ও থিয়েটারে বিশেষ ভূমিকা রাখা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের।

  • আজীবন সম্মাননা পেলেন আনোয়ারা ও রঞ্জিত মল্লিক

    আজীবন সম্মাননা পেলেন আনোয়ারা ও রঞ্জিত মল্লিক

    জমকালো আয়োজনে সোমবার সন্ধ্যায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো টিএম ফিল্মস নিবেদিত ‘ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস (বিবিএফএ)’-এর প্রথম আসর।

    বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রী মিলনায়তনে যেন দুই বাংলার তারার মেলা বসেছিল। সন্ধ্যা হতেই মিলনায়তনে একে একে হাজির হতে থাকেন সব জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। পশ্চিমবঙ্গের তারকা প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা, জিৎ,আবির চ্যাটার্জি, তনুশ্রী দত্ত, পরমব্রত, পাওলি দাম এবং বাংলাদেশ থেকে মৌসুমী, ওমর সানি, জয়া আহসান, বিদ্যা সিনহা মিম, নুসরাত ফারিয়া, পরীমনি, ইমন, নিরব, তাসকিন, সিয়াম, পূজা চেরিসহ অনেক তারকা। ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া ও বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে এ আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে টিএম ফিল্মসের চেয়ারপারসন ফারজানা মুন্নী বলেন, ‘দুই বাংলার সেরা শিল্পীদের সম্মান জানাতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। দুই বাংলায় চলচ্চিত্রে এখন সংকট চলছে, ঠিক এই সময়ে চলচ্চিত্রের পথে পা বাড়িয়েছে আমাদের টিএম ফিল্মস। নতুন সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলার প্রয়াসে আমরা প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্বপ্ন দেখছি দেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেওয়ার।’

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্যে রাখেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান, ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার সভাপতি ফিরদাউসুল হাসান ও বিবিএফএ এর সমন্বয়ক তপন রায়। এর কিছুক্ষণ পর মাইক্রোফোনে ভেসে আসে আজীবন সম্মাননার ঘোষণা। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম ও ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়ে আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এ ধরণের একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ। দুই বাংলা মিলিয়ে এতো এতো তারকা থাকতে আমাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে এটা আমি কখনো ভাবিনি। সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা।’

    রঞ্জিত মল্লিক বলেন, ‘বাইশ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। তাদের এ আয়োজন প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ আয়োজন যেন ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে। যৌথভাবে সিনেমা নির্মাণের যে প্রয়াস চলছে, তা যেন আরও বেগবান হয়। আরেকটা কথা না বললেই নয়, আমি পৃথিবীর বহু দেশে ঘুরেছি, কিন্তু বাংলাদেশে আসলে যে আতিথেয়তা পাই তা পৃথিবীর আর কোথাও পাই না।’

    বর্ণাঢ্য এ সন্ধ্যা যেন দুই বাংলার চলচ্চিত্রের রথি-মহারথিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা একই ভাষায় কথা বলি। আমরা একই পাখির কলতান শুনি। কিন্তু রাজনৈতিক সীমারেখা আমাদেরকে বিভক্ত করেছে। আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং জলবায়ুও এক। আমাদের মধ্যে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান নিশ্চয় আমাদের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক দৃঢ করবে। এ কারনেই আজকের আয়োজন। চলচ্চিত্র জীবনের কথা বলে, মানুষকে কাঁদায়, হাসায়, চলচ্চিত্র চিন্তার দুয়ার খুলে দেয়। আমার বিশ্বাস, এ আয়োজনের মধ্যদিয়ে আমাদের সম্পর্ক নতুন এক মাত্রায় পৌছাবে।

    কলকাতার জনপ্রিয় নির্মাতা গৌতম ঘোষ বলেন, ‘সিনেমার যে সময় সেটা আশ্চার্য ম্যাজিক। যেটা এক হাজার বছরের গল্প মাত্র দু’বছরে বলা যায়। আবার পাঁচ মিনিটের গল্প দুই ঘণ্টায় বলা যায়। সিনেমায় আমরা সময়কে সংকুচিত করতে পারি। আবার প্রসারিত করতে পারি। এক আশ্চার্যজনক মাধ্যমে আমরা কাজ করি। সিনেমা কি সত্যি দুই বাংলার মানুষের মধ্যে প্রীতি ও মিলন বয়ে আনতে পেরেছে? এটা নিয়ে একটা লেখা আরও আগেই লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সময়ের কারণে হয়ে ওঠেনি। সিনেমা আমাদের একত্রিত করে দিবে, মানুষের মধ্যে আর কোনো বিভেদ থাকবে না। সিনেমা যে কাজটা করতে পারে সেটা হলো আমাদের স্মৃতিমালাকে একত্রিত করতে পারে। আর সেই প্রত্যাশাই রইলো।’

    পশ্চিমবঙ্গের পর্যটক মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই বাংলার দারুণ এক সম্পর্ক ফুটে উঠেছে। আমাদের দুই বাংলার ইতিহাস ও সম্প্রীতি এ আয়োজনের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হবে। এই ঢাকা শহরে ১৯৬৫ সালে প্রথম চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন হয়েছিল। যেখানে সত্যজিৎ রায় উপস্থিত ছিলেন। এই শহরেই আবার তেমন একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। এটা বেশ আনন্দের। দুই বাংলার সংস্কৃতিতে একটা সময় অস্থিরতা ছিল। কিন্তু সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দূর হয়ে গেছে। সামনের দিনগুলোতে তা আরও দৃঢ হবে। সিনেমা তো শিল্প, একে চর্চা করতে হয়। এছাড়া তো একে আর সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কেন পথ নেই। আগে কিন্তু একটা সময় ছিলো, ভালো কাজ হলে দুই বাংলাতেই টের পাওয়া যেত। কিন্তু এখন অর সেটা হয় না। এক ধরনের ভালো কাজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।’

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন দুই বাংলার জুরি বোর্ডের সদস্যরা। বাংলাদেশের আলমগীর, কবরী, ইমদাদুল হক মিলন, খোরশেদ আলম খসরু ও হাসিবুর রেজা কল্লোল ছিলেন জুরি বোর্ডে। অন্যদিকে ভারত থেকে ছিলেন গৌতম ঘোষ, ব্রাত্য বসু, গৌতম ভট্টাচার্য, অঞ্জন বোস ও তনুশ্রী চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় আছে ভারতের জি-বাংলা ও বাংলাদেশের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে এটিএন বাংলা ও গানবাংলা টেলিভিশন। ইভেন্ট পার্টনার ওয়ান মোর জিরো। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন কলকাতার মীর আফসার আলী ও বাংলাদেশের শাহরিয়ার নাজিম জয়।

  • লন্ডনের আলবার্ট হলে ‘বাহুবলীর’ বাজিমাত

    লন্ডনের আলবার্ট হলে ‘বাহুবলীর’ বাজিমাত

    চার বছর আগে অর্থাৎ ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল ভারতের দক্ষিণি সিনেমার পরিচালক এস এস রাজামৌলি পরিচালিত সিনেমা ‘বাহুবলী-দ্য বিগিনিং’। এতে অভিনয় করেন  প্রভাস, আনুশকা শেঠি, তামান্না। ভারতের পর এবার লন্ডনেও বাজিমাত করে ৬৫০ কোটি রুপি ব্যবসা করা এ ছবিটি।

    গত শনিবার লন্ডনের রয়্যাল আলবার্ট হলে নানান বয়সী দর্শকেরা উপভোগ করলেন ‘বাহুবলী-দ্য বিগিনিং’ ছবিটি। এর মধ্য দিয়ে ১৪৮ বছরের প্রথা ভেঙে রয়্যাল আলবার্ট হলে ইংরেজি কেনো ছবি ছাড়া প্রদর্শন করা হলো ‘বাহুবলী’।

    ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রথম ইংরেজি ছবি ছাড়া অন্য কোনো ভাষার সিনেমা প্রদর্শন করা হয়েছে এখানে। আর ‘বাহুবলী-দ্য বিগিনিং’ শো  করে লন্ডনেও বাজিমাত করে ছবিটি। ছবিটি দেখে মুগ্ধ হয়ে হলে উপস্থিত সবাই করতালি দিতে থাকেন।সিনেমা শেষে উঠে দাঁড়িয়ে নির্মাতা ও কলাকুশলীদের সম্মান, কুর্নিশ করলেন দর্শকেরা। হাততালি যেন থামতেই চাইছিল না রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে।

    ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’-এর বিশেষ স্ক্রিনিং উপলক্ষে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক রাজামৌলি, অভিনেতা প্রভাস-রানা দাগ্গুবতী, অভিনেত্রী আনুশকা শেঠি। বিদেশের মাটিতে ভারতের শিল্পের এমন কদর দেখে এসময় আপ্লুত হয়ে পড়েন তারা।

    এছাড়াও ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’-এর বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে লাইভ অর্কেস্ট্রা পারফর্ম করেন ছবির সংগীত পরিচালক এম এম কিরাবানি এবং তার দল।

    রয়েল আলবার্ট লন্ডনের একিট বিখ্যাত একটি দাতব্য কনসার্ট হল।এটি একটি বেসরকারি কনসার্ট হল। ১৮৭১ সালে ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়া এ কনসার্ট হলটি উদ্বোধন করেন। ইংল্যান্ডের সংস্কৃতির অনেক কিছুকে প্রতিনিধিত্ব করে এই হল। প্রতিবছর চার শতাধিক অনুষ্ঠান হয় এ হলে।হলটিতে পাঁচ হাজারে বেশি আসন রয়েছে।