Category: বিনোদন

  • ‘লন্ডন’–এ শাকিব

    ‘লন্ডন’–এ শাকিব

    গত সেপ্টেম্বর মাসে হঠাৎ দুবাই সফরে যান শাকিব খান। সঙ্গে ছিলেন চিত্রনাট্যকার আবদুল্লাহ জহির বাবু ও পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী। একসঙ্গে এই তিনজনকে দেখে সে সময় চলচ্চিত্রপাড়ায় কানাঘুষা চলছিল এই সফর নিয়ে। দুবাই থেকে ফেরার পর গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে শাকিব খান শুধুই বলেছিলেন, তাঁর নতুন ছবির লোকেশন দেখতে গিয়েছিলেন। এবার জানালেন ছবিটির কথা।

    সে সময় পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী নিশ্চিত না করলেও প্রবাসী এক বড় প্রযোজকের সঙ্গে তাঁদের মিটিংয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। সে আভাসই এবার সত্য হলো। শাকিব খানকে নিয়ে লন্ডন নামের একটি ছবি তৈরি হচ্ছে। ছবির প্রযোজক সোলায়মান আলী যুক্তরাজ্য ও দুবাইয়ের ব্যবসায়ী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছবির পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমি, শাকিব ও বাবু মাস দেড়েক আগে দুবাইয়ে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে মিটিং করেছি। ছবির পুরো বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। কাজটি হচ্ছে। ছবির নাম লন্ডন। এখানে মুক্তির সময় ছবিটির পরিবেশনার দায়িত্বে থাকবেন ছবির নায়ক শাকিব খান নিজেই।

  • অপমানে কাঁদলেন মৌসুমী

    অপমানে কাঁদলেন মৌসুমী

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে অপমানিত হয়েছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা ও আগামী শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মৌসুমী। মিশা-জায়েদ প্যানেলের সমর্থক বলে পরিচিত ড্যানি রাজ তাঁকে অপমান করেন। মৌসুমীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আজ সোমবার সন্ধ্যার দিকে এফডিসিতে এ ঘটনা ঘটে। নির্বাচনী প্রচার চালাতে সেখানে গিয়েছিলেন মৌসুমী।

    বিষয়টি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন তাৎক্ষণিকভাবে প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগরকে নিয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানে ড্যানি রাজ তাঁর কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান।

    মৌসুমীর অভিযোগ করেন, ‘আমি প্রচারণার জন্য এফডিসিতে ছিলাম। আমাকে শুভ কামনা জানাতে আমার এক বড় আপা এবং কয়েকজন ভক্ত ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এফডিসিতে আসেন। তাঁরা শিল্পী সমিতির সামনে আমার সাথে সেলফি তুলে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক ওই সময়ে ড্যানি রাজ ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ শুরু করেন। আমিসহ সবার সঙ্গে তিনি বাজে ব্যবহার করেন। একটা হট্টগোল তৈরি করেন। ড্যানি আমাকে চিৎকার করে প্রশ্ন করেন আমি কে? আসলে তারা চাইছে একটা ঝামেলা বাধাতে। যেন নির্বাচন বানচাল হয়ে যায়। আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াই।’ মৌসুমী বলেন, ‘এ সময় সভাপতি মিশা সওদাগরও উপস্থিত ছিলেন। তিনি কিছুই বলেননি।’

    প্রত্যক্ষদর্শী সিরাজ নামের একজন বলেন, সন্ধ্যায় মৌসুমীকে শুভেচ্ছা জানাতে শিল্পী সমিতিতে আসেন মহিলা লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। সঙ্গে বেশ কয়েকজন ভক্ত ছিলেন। তারা মৌসুমীর সাথে সেলফি তুলছিলেন। এ সময় ড্যানি রাজ নামে এক শিল্পী মৌসুমীসহ ওই ভক্তদের সাথে চরম খারাপ ব্যবহার করেছেন। চিৎকার করে মৌসুমীকে বলছিলেন, আপনি কে? বেশ কয়েকবার এই কথাটি উচ্চারণ করেন ড্যানি রাজ। ওই সময় মৌসুমী কেঁদে ফেলেন।

    এদিকে মৌসুমীর অভিযোগের কিছু অংশ স্বীকার করে সমিতির বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, ধাক্কার কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে কিছু লোক অনেকক্ষণ ধরে সমিতিতে এসে বসেছিলেন। এটা নিয়েই কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। তবে মৌসুমীকে ‘আপনি কে?’ —এমন প্রশ্ন ড্যানি করেছে এবং ড্যানির ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ কাম্য নয়। মৌসুমীকে এ ধরনের কথা বলা ড্যানির ঠিক হয়নি।

    সে সময় পাশেই উপস্থিত ছিলেন মিশা-জায়েদ প্যানেলের কার্যকরী কমিটির সদস্য পদপ্রার্থী জয় চৌধুরী। তিনি বলেন, মৌসুমীকে ওভাবে ধাক্কা দেননি, কিন্তু তাঁর অতিথিদের সামনে মৌসুমীকে অপমানজনক কথা বলেছেন ড্যানি রাজ ভাই। একজন জনপ্রিয় নায়িকাকে এভাবে বলা ঠিক হয়নি তাঁর।

    সমর্থকদের সঙ্গে সভাপতি পদপ্রার্থী চিত্রনায়িকা মৌসুমী। ছবি: শফিক আল মামুনপুরো বিষয়টি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশন ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘ড্যানি রাজ মৌসুমীকে বলার কে? তিনি একজন ভোটার। তাঁর কাজ ২৫ অক্টোবর এসে একটা ভোট দেওয়া। মৌসুমীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রার্থীরা তা করতে পারে। যাই হোক, আমি ড্যানি রাজকে ডেকেছিলাম, সবার সামনে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন।’
    এ ব্যাপারে ড্যানি রাজ তাঁর ভুল স্বীকার করে বলেন, ‘আমার ভুল হয়েছে ক্ষমা চাইছি, আমি আর এ ধরনের আচরণ করব না।’

    আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এ নির্বাচনে মিশা সওদাগর-জায়েদ খান একটি প্যানেল দিয়েছে। অন্যদিকে মৌসুমী স্বতন্ত্রভাবে সভাপতি পদে লড়ছেন।

  • সিনেমার খবর নেই, সমিতি নিয়ে মাতামাতি

    সিনেমার খবর নেই, সমিতি নিয়ে মাতামাতি

    রাজ্জাক, আলমগীর, ইলিয়াস কাঞ্চন, মাহমুদ কলি, রুবেল, মান্নাসহ অনেকেই শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে ছিলেন। কিন্তু কে এই সংগঠনের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক অথবা সদস্য, এসব নিয়ে ভক্তদের মোটেও কোনো আগ্রহ কোনোকালে ছিল না। শিল্পীদের কাছে দেশের মানুষ বা ভক্তদের চাওয়া থাকত নিত্যনতুন ছবির খবর। এখন আর আগের মতো ছবির কাজ হয় না, শিল্পীদের অনেকে তাই সমিতি নিয়ে মেতে থাকেন। এমনটা মনে করছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

    দেশের চলচ্চিত্রের খোঁজখবর রাখেন এমন কেউ কেউ বলছেন, শিল্পীদের মূল কাজ অভিনয়টা কেন হচ্ছে না, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত। অভিনয়ের পরিসর কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে শিল্পীদের মধ্যে আলোচনা হওয়া উচিত।

    বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতার মতে, চলচ্চিত্র উন্নয়নের জন্য যে এফডিসি, সেখানে নেই চলচ্চিত্রের ব্যস্ততা। এফডিসিতে এত সমিতি, তাতে লাভ কী? চলচ্চিত্রই যদি না থাকে, এত সমিতি দিয়ে কী হবে?

    চিত্রনায়ক ও প্রযোজক আলমগীর চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় সমিতি ছিল, সেটা সিনেমার চেয়ে বড় বিষয় ছিল না। এখন কাজ নেই ইন্ডাস্ট্রিতে, শিল্পীদের কাছে নির্বাচন মুখ্য হয়ে যাচ্ছে, একটু কেমন যেন লাগে।’ তিনি বলেন, ‘শিল্পীদের কার ছবির সংখ্যা কত বেশি হবে, কে কত বেশি কাজ পাব, সেদিকে নজর না দিয়ে আমরা অন্যদিকে নজর দিচ্ছি। কে সভাপতি হব, কে সাধারণ সম্পাদক হব কিংবা কে সদস্য হব, এটাই যেন মুখ্য।’কয়েক বছর আগেও যে উচ্ছ্বাস ও উদ্যম নিয়ে চলচ্চিত্রশিল্পীরা সিনেমার কাজ করতেন, সেই তৎপরতা ইদানীং চলে গেছে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে। ছবি: প্রথম আলোএবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, ‘ছবির কাজ নাই। তাই বেশির ভাগ শিল্পী সমিতি নিয়ে মেতে আছে। দেশে এখন যে পরিমাণ সিনেমা তৈরি হচ্ছে, তাতে সব শিল্পী তো কাজ করতে পারছেন না। আমরাও সমিতিতে ছিলাম। ছবির কাজে এতটাই ব্যস্ত থাকতাম যে সমিতি ছিল গৌণ। এখন নির্বাচনে যতটা মনোযোগ দেখি, সিনেমা নিয়ে ততটা চোখে পড়ে না।’ ইলিয়াস কাঞ্চন এ–ও বলেন, ‘এমনও শুনেছি, নেতা হওয়ার জন্য লাখ লাখ টাকাও খরচ হয়। এই টাকা যদি সবাই মিলে একটি সিনেমার পেছনে বিনিয়োগ করত, তা–ও তো লাভ হতো।’

    সমিতির আদৌ গুরুত্ব আছে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান বরেণ্য অভিনয়শিল্পী কবরী। তিনি বলেন, ‘এসব নির্বাচনের গুরুত্ব কী? চলচ্চিত্রের কী উপকার হচ্ছে, এটাই আমার প্রশ্ন। চলচ্চিত্রের উন্নয়নে গঠনমূলক কোনো আলোচনার কথা তো শুনি না। এখন তো দেখি, কেউ কাউকে মানে না। শিল্পীরা দুই ভাগ। আমি এ–ও ভাবি, নেতা হওয়ার এত শখ কিসের। সবাই দেখছি নেতা হতে চায়।’

    দুবারের চলচ্চিত্র সমিতির সভাপতি শাকিব খান বলেন, ‘সমিতি দিয়ে চলচ্চিত্র শিল্প টিকে থাকবে না। শিল্পীকে বাঁচতে হলে কিংবা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে টিকিয়ে রাখতে হলে ছবির কাজ নিয়ে ভাবতে হবে। মানসম্মত কাজ দিয়ে দর্শকের মন জয় করতে হবে।’

    চিত্রনায়িকা চম্পা বলেন, ‘সবাইকে সিনেমার কাজে মনোযোগী হতে অনুরোধ করব। শিল্পী বাঁচে তাঁর শিল্পকর্ম দিয়ে। ছবিই যদি না হয়, এসব সমিতি দিয়ে কী হবে?’

    শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির সদস্য ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। তিনি এবার আর নির্বাচন করছেন না। তিনিও মনে করছেন, সিনেমার কাজের চেয়ে সমিতি নিয়ে অনেক শিল্পী বেশি মেতে আছেন। তিনি বলেন, ‘শিল্পীদের প্রধান কাজ হচ্ছে, সিনেমার কাজ করা। সমিতির ব্যাপারটা সেকেন্ডারি। সিনেমা কমে গেছে, অনেক শিল্পীর কাজও কমে গেছে, তাই শিল্পীদের অনেকে সমিতি নিয়ে অনেক বেশি সময় দিতে পারছে। এটাকে ভালো বলব না খারাপ বলব, এটা নিয়ে আমিও সন্দিহান।’

  • এক দীপিকা, দুই রণবীর

    এক দীপিকা, দুই রণবীর

    এক রণবীর সাবেক প্রেমিক, অন্যজন স্বামী। দুই রণবীরের কথা উঠে এল মামি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। রণবীর কাপুর ও রণবীর সিং—দুজনের সঙ্গেই কাজ করেছেন বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। এ দুই নায়কের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন তিনি।

    রণবীর কাপুর সম্পর্কে দীপিকা বলেন, ‘রণবীর একজন স্বতঃস্ফূর্ত অভিনেতা। আমি তাঁকে কখনোই নিজের চরিত্রের জন্য প্রস্তুতি নিতে দেখিনি। এ ব্যাপারে সে আমার মতোই। আমরা দুজনই ৫০ শতাংশ মহড়া এবং বাকিটা স্বতঃস্ফূর্ততায় বিশ্বাসী।’ অন্যদিকে স্বামী রণবীর সিং নাকি একদম উল্টো। দ্বিতীয় রণবীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রণবীর নিজেকে একটা পদ্ধতির মধ্যে ফেলে দেয়। চরিত্রের জন্য সম্পূর্ণভাবে নিজেকে বদলে নেয়। এমনকি পোশাক, পারফিউম, গাড়ি চালানোর ধরন, সবকিছু। প্রতি ছয় মাস অন্তর সে এক অন্য এক মানুষ হয়ে ওঠে যেন। আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিন টিকে থাকার এটাও অন্যতম কারণ। আসলে একঘেয়েমি আমার পছন্দ নয় (সশব্দে হেসে)।’

    দীপিকা পাড়ুকোনকে এবারে দেখা যাবে মেঘনা গুলজারের ছপাক ছবিতে। বাস্তব ঘটনা নিয়ে এই ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন অ্যাসিড–সন্ত্রাসের শিকার লক্ষ্মী আগারওয়ালের চরিত্রে। এ ছাড়া রণবীর সিংয়ের স্ত্রীর ভূমিকায় দীপিকা অভিনয় করছেন ক্রিকেটের কাহিনি নিয়ে ৮৩ ছবিতে।

  • নাসির উদ্দীন ইউসুফের মেয়ে কলকাতার গায়ককে বিয়ে করলেন

    নাসির উদ্দীন ইউসুফের মেয়ে কলকাতার গায়ককে বিয়ে করলেন

    সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও শিমুল ইউসুফের একমাত্র মেয়ে এশা ইউসুফ বিয়ে করেছেন। বর তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সাকী ব্যানার্জি। গত শুক্রবার কলকাতার ম্যারিয়ট হোটেলে তাদের বিবাহ-উত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে এশার মা-বাবা ছাড়াও দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন নৃত্যশিল্পী মিনু হক, রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী ফারহিন খান জয়িতা ও অভিনেতা মোস্তাফিজ শাহীন।

    এশা ইউসুফ বলেন, ‘পুরোপুরি পারিবারিকভাবে আমাদের বিয়ের আয়োজন হয়। মা-বাবা খুব খুশি। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ সাকী ব্যানার্জি কলকাতার ব্যান্ড ক্যাকটাসের ভোকাল ও গীতিকার। তিনি বাংলাদেশেও কাজ করেছেন।

    এ ছাড়া গত বছরে ঢাকা থিয়েটারের ‘পুত্র’ নাটকের সঙ্গীত পরিচালনা করেন সাকী। অন্যদিকে এশা ইউসুফ মঞ্চনাটকের অভিনয় ও নির্দেশনার পাশাপাশি ‘আয়নাবাজি’, ‘আলফা’ ও ‘গেরিলা’ ছাড়াও বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন।

  • তৌসিফ মাহবুবের মাধ্যমে নেহালের সাথে পরিচয় হয় সাবিলার

    তৌসিফ মাহবুবের মাধ্যমে নেহালের সাথে পরিচয় হয় সাবিলার

    সাবিলা নূরের ভালো বন্ধু অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব। তৌসিফের মাধ্যমেই নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে সাবিলা নূরের পরিচয় ঘটে। ২০১৮ সালের শেষদিকে নেহাল সাবিলা নূরের মা নুসরাত জাহানের সাথে সরাসরি কথা বলেন। এদিন সাবিলা নূরকে বিয়ে করতে চান বলে জানান নেহাল। সাবিলার মা নুসরাত জাহান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তৌসিফ সাবিলার ভালো বন্ধু তার মাধ্যমেই নেহালের সঙ্গে পরিচয় হয়, পরে নেহাল আমার সাথে কথা বলে।’

    বিয়ের প্রস্তাব আসার পঅর সাবিলার মা নুসরাত জাহান বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করেন। এরপর সাবিলা নূরের সাথে কথা বলেন। সাবিলা নূর নিজের ইতিবাচক মত প্রকাশ করেন। কেননা সাবিলাও আগ্রহী ছিলেন কিন্তু বিয়ের সিদ্ধান্ত নিজে না নিয়ে নেহালকে পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

    নুসরাত জাহান নেহাল ও সাবিলা দুজনকেই আরো সময় নিতে বলেন। বলেন, ‘এতো দ্রুত এতো বড় একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না তোমরা আরো সময় নাও।’ এরপর সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলছিল। দুজনেই স্থির হওয়ার পর চলতি মাসের ২৫ তারিখ বিয়ের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এর আগে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত হবে ২৪ তারিখ। আর নেহালের পারিবারিক আয়োজনে বৌভাত অনুষ্ঠিত হবে ২৭ তারিখে।

    সাবিলা বিষয় নিয়ে মুখ না খুললেও কালের কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন মা নুসরাত জাহান। তিনিই জানালেন বিয়ের আদ্যোপান্ত। নুসরাত জাহান বলেন, ‘সাবিলার আর ৩ টি সেমেস্টার বাকি আছে। সেটা শেষ হয়ে গেলেই ওর গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন হবে। আর এখন কাজে কিছুটা বিরতি দিয়েছে পড়াশোনার জন্যই। বিয়ের পর নভেম্বরের শুরু থেকেই কাজে ফিরবেন সাবিলা নূর।’

    পাত্র নেহাল সুনন্দ তাহের চাঁদপুরের ছেলে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন এস এ টিভিতে ব্রডকাস্ট প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পড়াশোনা করেছেন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। সাবিলা নূর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি সাহিত্যে পড়ছেন। তিনি ব্যাচেলর শুরু করেছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বিজনেস স্ট্যাডিজে।