Category: বিনোদন

  • ছোটপর্দায় দুর্গাপূজার বিশেষ আয়োজন

    ছোটপর্দায় দুর্গাপূজার বিশেষ আয়োজন

    এনটিভিতে ‘দুর্গা ও বন জ্যোত্স্নার গল্প’

    এটিভির পর্দায় আরজ রাত ৯টা ০৫ মিনিটে প্রচার হবে নাটক ‘দুর্গা ও বন জ্যোত্স্নার গল্প’। অনুরূপ আইচের রচনায় নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন সীমান্ত সজল। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ, তানজিন তিশা, শর্মিলী আহমেদ, জিয়াউল হাসান কিসলু প্রমুখ।

    লেখক স্বাগতম নতুন লেখার খোঁজে শহর থেকে খানিক দূরে নির্জন বনাঞ্চল সুন্দরপুর ডাক বাংলোয় এসে উঠে। বয়োবৃদ্ধ কেয়ারটেকার হরিপদ স্বাগতম বাবুর দেখাশোনা ও যত্নআত্তির জন্য মেয়ে দুর্গাকে দায়িত্ব দেন। দুর্গা নিয়ম করে স্বাগতম বাবুর রান্নাবান্না করে দেয়, মাঝে মধ্যে চা করে দেয়। স্বাগতম লিখতে বসে মনের ভিতর নতুন লেখা হাতড়ে বেড়ায়। কিন্তু ভাবতে গিয়ে ভালো কিছু খুঁজে পায়না। দুর্গাকে স্বাগতম জিজ্ঞেস করে, এ বনে কি কি পাওয়া যায়। এমনই এক গল্পে এগিয়ে যায় নাটকটি

    বিজয়া দশমীর সারাদিন বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাভিশন। এরমধ্যে রয়েছে দুটি নাটক, একটি টেলিফিল্ম ও অনুষ্ঠান। সৈয়দ ইকবাল-এর রচনা ও তুহিন হোসেন-এর পরিচালনায় নাটক ‘ভুল কাব্য’ প্রচারিত হবে রাত ৮টা ১৫মিনিটে। সাইফুর রহমান কাজলের রচনা ও বি ইউ শুভর পরিচালনায় নাটক ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ প্রচারিত হবে রাত ৯টা ১৫মিনিটে। টেলিফিল্ম ‘পুতুলের সংসার’ প্রচারিত হবে রাত ১১টা ২৫মিনিটে। অনুষ্ঠান ‘জাগো দুর্গা জাগো মা’ প্রচারিত হবে বিকেল ৫টা ২৫মিনিটে।

    একুশে টেলিভিশনের আয়োজন

    একুশে টেলিভিশনের সকাল ১০ ৩০মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান ‘অসুর বধ’। নৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন অনিক বোস ও তার দল। চম্পা বনিকের উপস্থাপনায় বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘আনন্দময়ী’ প্রচার হবে সকাল ১১টা ৩০মিনিটে। দুপুর ১২টা ৩০মিনিটে প্রচার হবে দুর্গোপূজার একাল সেকাল নিয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কথামালায় বিশেষ অনুষ্ঠান ‘পূজার বাদ্য’। পূজোকে ঘিরে থাকবে সামাজের ও সাহিত্যের নানা প্রসঙ্গ। বিকাল ৩টায় প্রচার হবে বাংলা চলচ্চিত্র ‘চাপা ডাঙ্গার বউ’। দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাত ১০টায় প্রচার হবে বিশেষ নাটক ‘মায়ের আশীর্বাদ’। মানস পালের রচনা এবং চন্দন চৌধুরির পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, উর্মিলা শ্রাবস্তী কর, সঞ্জয় রাজ, প্রকৃতি, আহসানুল হক মিনু, রেবেকাসহ আর অনেকে।

    দীপ্ত টিভিতে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘রণদা বাড়ীর পূজো’

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে দীপ্ত টিভির বিশেষ আয়োজন থাকছে তথ্যমূলক প্রামাণ্য চিত্র ‘রণদা বাড়ীর পূজো’। প্রচারিত হবে আজ দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিটে। দুর্গাপূজায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির আঙিনায় হাজারো মানুষের ঢল নামে।

    জাতি-ধর্ম-ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে দেশি-বিদেশি অতিথির আগমন ঘটে। এ বাড়ির পূজা মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়। পূজা উপলক্ষ্যে মানুষ পাঁচ দিন ডুবে থাকে অপার আনন্দে। রণদা প্রসাদ সাহার পূর্বপুরুষেরাও বাড়িতে দুর্গাপূজা করতেন। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন মেহেদী হাসান সোমেন।

  • রাষ্ট্রপতির অসাধারণ সাক্ষাৎকার ও টনক নাড়ানো ‘ইত্যাদি’

    রাষ্ট্রপতির অসাধারণ সাক্ষাৎকার ও টনক নাড়ানো ‘ইত্যাদি’

    ইত্যাদির শুরুটা যথারীতি ছিল দুর্দান্ত মুন্সিয়ানায় ভরা। হাওড়ের নানান মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের ছোঁয়া দিয়েই কোটি কোটি হৃদয় কেড়ে নিলেন সবার প্রিয় বরেণ্য উপস্থাপক হানিফ সংকেত। একটি অনুষ্ঠান কিভাবে উত্সব হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ পাওয়া যায় ইত্যাদির প্রতিটি পর্বে হাজার হাজার দর্শকের স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি, অংশগ্রহণ আর স্থানীয় প্রশাসনের আগ্রহ, সহযোগিতা ও আন্তরিকরা দেখে। যার প্রমাণ আবারও মিলল গত পর্বে। যেখানে সর্বসাধারণের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় হাওরের মাঝখানে জনবিচ্ছিন্ন একটি অসমতল ছনের বন মুহূর্তেই হয়ে উঠল ইত্যাদির সুবিশাল মঞ্চ। তাইতো স্থানীয় সংসদ সদস্য অনেকটা আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে বলছিলেন, ‘আজ হাওরে উত্সবের রব পড়েছে, এখানে ইত্যাদি হবে’।

    হানিফ সংকেত তার মোহনীয় উপস্থাপনার শুরুটাই করলেন কাব্যময়তা দিয়ে ‘চির অপরূপ বাংলার রূপ দেখে যাও এসে বিশ্ব, জলে-সমতলে সাজানো অরূপ বিধাতার আঁকা দৃশ্য।’ কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ধারণকৃত এ ইত্যাদি যেমন তুলে ধরেছে কিশোরগঞ্জের নানান কৃষ্টি, ঐতিহ্য, ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি তেমনি বাদ যায়নি এ জেলার জীবন্ত ইতিহাস রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাদাসিধে জীবনযাপন ও মহানুভব জীবনভাবনা। এসবের পাশাপাশি সামপ্রতিক বিভিন্ন অসংগতিও উঠে এসেছে ইত্যাদির চিরাচরিত সুনিপুণ ভঙ্গিমায়।

    জেলার পরিচিতি হিসাবে অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল সংশ্লিষ্ট জেলার একটি বিশেষ প্রতিবেদন। তবে এবারের প্রতিবেদনটি উপস্থাপনার নৈপূণ্যে হয়ে ওঠে অনন্য। কারণ, এই প্রতিবেদনেই উঠে আসে নিখাঁদ মাটি থেকেই উঠে আসা এক মাটির মানুষের কথা, যাঁর মননে ও চেতনায় সবসময় জাগ্রত থাকে মানুষের সমস্যা ও দুর্দশার কথা, থাকে তাদের জন্য ভালো কিছু করার নিরন্তর বাসনা। তিনি রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। বাংলাদেশের কোনো টিভি অনুষ্ঠানে এখনো পর্যন্ত রাষ্ট্রপতিকে দেখা যায়নি। তাঁর যেমন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তেমনি ইত্যাদিরও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে সবার কাছে। তাই বলা যায়, যথার্থ জায়গাতেই তিনি এসেছেন। তার সাক্ষাত্কারটি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত, অনুকরণীয় ও শিক্ষামূলক। তার সাথে যে জনগণের আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, সেটি ফুটে ওঠার পাশাপাশি দেশের মানুষ তাদের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে জেনেছে অজানা নানা তথ্য। তিনি সহজ-সরল একজন মানুষ, সাদা মনের মানুষ, প্রবল শিক্ষানুরাগী মানুষ। শুধু মিঠামইন উপজেলাতেই রয়েছে তার প্রতিষ্ঠিত শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হাইসড়ুল বিহীন মিঠামইনে ছাত্রাবস্থাতেই হাইস্কুল নির্মাণ, বিদ্যুিবহীন হাওড়ের প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুত্সংযোগ প্রদান, সাইকেল চালানোর মতো রাস্তা না থাকা হাওড়ে সাবমারসিবল রোড তৈরি, সুযোগ পেলেই হাওড় এলাকার মানুষের উন্নয়নে প্রচেষ্টা-এমনই অনন্য কিছু মানবিক নিদর্শন তাকে সাতবারই মহান সংসদে যাবার পথ সুগম করে দেয়। সংসদ সদস্য থেকে সাফল্যের সর্বোচ্চ অবস্থানে গেলেও ব্যক্তিত্বে ও জনগণের সাথে সম্পর্কে পরিবর্তন ঘটেনি একটুও। বলা যায়, তিনি শুধু একজন সফল রাজনীতিবিদ, সাংসদ, স্পিকার ও সফল রাষ্ট্রপতিই নন, মানুষ হিসেবেও তিনি শতভাগ সফল। তিনি মনে করেন, সততাই হবে রাজনীতিবিদদের মূল চালিকাশক্তি। তারা কখনোই মিথ্যা আশা দেবে না, মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করবে না। তাহলেই পলিটিকস শব্দটিকে কেউ আর নেতিবাচক রূপে ব্যবহার করবে না বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির এই সাক্ষাত্কারটি দেশের ভবিষ্যত্ জনপ্রতিনিধিদের বিবেকের দরজায় কিছুটা হলেও আঘাত হানলে দেশের জন্য মঙ্গল। তবে বিবেকের দরজা যে সবার সবসময় খোলা থাকে না, অর্থাত্ আমাদের চৈতন্য বা হুঁশ যে সবসময় থাকে না, সে-কারণেই নতুন জনসেবার এক তীর্যক চিত্র দেখানো হলো ‘টনক নড়ানোর টনিক’। সমপ্রতি রাজধানীতে বিশেষ অভিযানের পর সবার টনক নড়ার দিকেই সম্ভবত ইঙ্গিত করলো এ খণ্ড নাটিকাটি। ‘মানুষ আছে, টনক নাই’, ‘ঘটনা ঘটিবার পূর্বেই টনক নড়ুক’-এমন বার্তার পাশাপাশি গণমাধ্যমেরও টনক নড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করলো এবারের ইত্যাদি।

    এবারের ইত্যাদিতে শোলাকিয়া মাঠ, দিল্লির আখড়া, এগারসিন্দুর দুর্গ ও ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ির দুর্গের পাশাপাশি তুলে ধরা হয়েছে বাংলা ভাষার প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী, সত্যজিত্ রায়, জয়নুল আবেদিনসহ জেলার অন্যান্য কীর্তিমান ব্যক্তিত্বের পরিচিতি। মানুষের স্মৃতি ও শ্রুতিতে যাদের কীর্তি এখনও অম্লান। আসলে এটাই সত্য যে, কীর্তিই মানুষ মনে রাখে যুগ যুগ ধরে। আমরা বিশ্বাস করি, জননন্দিত হানিফ সংকেতের ইত্যাদিও যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে মানুষ। শুধু তাই নয়, জেনে ভালো লাগলো ইত্যাদির তিনি নিয়মিত দর্শক। কখনও কর্মব্যস্ততার কারণে দেখতে না পারলে পুনঃপ্রচার দেখেন বলেও জানালেন। আর, এমন একটি অনুষ্ঠানকে দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে হাওরের মাছধরা জেলেদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় করে তোলার অসামান্য কারিগর বরেণ্য হানিফ সংকেত যিনি বিগত চার দশকে ব্যক্তিসত্তাকে ছাড়িয়ে জনমানুষের মনিকোঠায় এক মূর্তিমান প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছেন। তার অনন্য কীর্তি ইত্যাদি, যা সমপ্রতি দীর্ঘ ৩০ বছর পেরিয়ে চার দশকে প্রবেশ করেছে। শুভ কামনা, ইত্যাদি। শুভ কামনা, হানিফ সংকেত।

  • শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘গা মালিশ’ করান শিক্ষক, ছবি ভাইরাল

    শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘গা মালিশ’ করান শিক্ষক, ছবি ভাইরাল

    স্কুলের মধ্যে ছাত্রদের দিয়ে গা মালিশ, ছাত্রীদের দিয়ে উকুন বাছানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। একদিন-দুদিন নয়। বেশ কয়েক মাস ধরে এই কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীরা। তার এমন কর্মকাণ্ডের ছবি ভাইরাল হয়ে পড়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে।

    অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম সন্দীপ চট্টোপাধ্যায়। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পানাগর বাজার হাইস্কুলের বাংলার শিক্ষক।

    এ ঘটনার পর জেলা স্কুল শিক্ষা দফতরকে সন্দীপ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। এর প্রতিবাদ করলেই স্কুল থেকে শিক্ষার্থীদের বরখাস্ত করার হুমকি দেন অভিযুক্ত শিক্ষক।

  • এবার মালাইকা-আরবাজের বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন অমৃতা

    এবার মালাইকা-আরবাজের বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন অমৃতা

    আরবাজ খানের সঙ্গে তার বোন মালাইকার বিচ্ছেদ হয়েছে। মালাইকা-আরবাজের বিচ্ছেদের পরও অমৃতা অরোরা সালমানের ভাই আরবাজের সম্পর্ক বেশ ভাল। আরবাজ এবং অমৃতা এখনো দুজন দুজনের ভাল বন্ধু। দুজনকে মাঝে মধ্যেই একসঙ্গে দেখাও যায়। যা নিয়ে কম জল্পনা হয়নি। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মালাইকার বোন অমৃতা অরোরা।

    হন ‘অরোরা সিস্টার্স’। মালাইকা এবং অমৃতা যখন একসঙ্গে হাজির হন সেই সময় স্বভাবতই উঠে আসে আরবাজ খানের প্রসঙ্গ। মালাইকা-আরবাজের বিচ্ছেদের সময় ভাল বন্ধু হয়েও অমৃতা কেন বাধা দেননি? এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অমৃতা বলেন, তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন দু’জনকেই। সংসার টিকিয়ে রাখাও চেষ্টা করেন কিন্তু দু’জনেই স্বাবলম্বী। তাই বিচ্ছেদের বিষয়ে মালাইকা এবং আরবাজের সিদ্ধান্তই সবাইকে মেনে নিতে হয়।

    আরো পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে জাপান

    অমৃতা আরো বলেন, বোনের সঙ্গে সালমান খানের ভাইয়ের বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও আরবাজ তার ভাল বন্ধু। এমনকি আরবাজকে তার পরিবারে এখনো পর্যন্ত ছেলের মতো করেই ভালবাসা হয়।

    প্রসঙ্গত, আরবাজ তার সন্তানের বাবা। তাই তার সঙ্গে অরোরা পরিবারের সদস্যদের ভাল সম্পর্ক থাকবে তা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই বলেও জানান মালাইকা অরোরা।

  • ছকে বাঁধা ঈদ নাটক!

    ছকে বাঁধা ঈদ নাটক!

    দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন মাধ্যমে কাজের সংখ্যা কমলেও টিভি নাটকের ক্ষেত্রে বিষয়টি পুরো উল্টো। প্রতিবছরই পাল্লা দিয়ে যেন বাড়ছে টিভি নাটকের সংখ্যা। টিভি চ্যানেলের পাশাপাশি এখন ইউটিউব ও স্ট্রিমিং সাইট যোগ হওয়া নাটকের সংখ্যাটা এখন অনেকটা হিসেবের বাইরে। আগে অন্তত চ্যানেলে নাটক প্রচারের আগে মান বিচারের হিসেব থাকলেও অনলাইনে সেই হিসেবটিও নেই।

    ব্যক্তিগত বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ইউটিউব চ্যানেলে এখন নাটক প্রচারের বিষয়টি শুধু বেচাকেনার মতো হয়ে গেছে। তাই নাটকটি প্রচার হবে কি-না, সেই দায় কেউ নিচ্ছে না। তাই নাটকের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তার সঙ্গে মানহীন নাটকের কবলে এখন নাটক পাড়া। কিন্তু এর সমাধান কোথায়?

    বিভিন্ন গণমাধ্যমে তারকারা এ নিয়ে বিভিন্ন সমাধানের কথা বললে এর প্রয়োগটা এখনো স্বচ্ছ জায়গায় এসে পৌঁছায়নি। সিনিয়র শিল্পীরাও বলে যাচ্ছেন নাটকের মানের প্রসঙ্গে। একই ছকে বাঁধা যেন সব নাটকের গল্প। পারিবারিক গল্প এখন নেই বললেই চলে। এত সমালোচনার মধ্যেও গ্রাম কেন্দ্রিক নাটকগুলোর জনপ্রিয়তা দর্শকদের মাঝে এখনো রয়েছে। তবে ইদানিং সেখানে যেন ভাটা পড়েছে।

    সম্প্রতি নির্মাতা সকাল আহমেদ ইত্তেফাকের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, ‘বাজেটের জন্য অনেককিছুই করা সম্ভব হয় না। যার জন্য নাটকের চরিত্র দিনদিন কমছে। তবে এরমধ্যেও ভিন্ন গল্প চিন্তা করা সম্ভব। সেটির চেষ্টা করা উচিত।’

    ইউটিউবে নাটক প্রচারের পর থেকেই ভিউ দিয়ে গোনা হচ্ছে জনপ্রিয়তা। যদিও এই ভিউ নিয়ে অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতাদের ভিন্ন মত থাকলেও ভিউ গুনেই নাটকের কাস্টিং করা হয়। সেই জায়গায় থেকেও ভালো গল্পের নাটকও রয়েছে। এবার ঈদেও সেই চেষ্টা দেখা গেছে। নির্মাতারা বলছেন, একটি ভালো নাটকের জন্য যেমন ভালো গল্প প্রয়োজন তেমটি ভালো বাজেটও প্রয়োজন। সেই জায়গাটা ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে ফিরবে।

  • ‘নিও হয়ে ফেরার ইচ্ছাটা ভেতরে অনেকদিন পুষেছি’

    ‘নিও হয়ে ফেরার ইচ্ছাটা ভেতরে অনেকদিন পুষেছি’

    আবারো পর্দায় আসছে ‘ম্যাট্রিক্স’ সিরিজের নতুন কিস্তি। এই খবরটি এরইমধ্যে জেনে গেছে বিশ্বের ‘ম্যাট্রিক্স’ ভক্তরা। ১৯৯৯ সালে ‘দ্য ম্যাট্রিক্স’ দিয়ে শুরু হওয়া সিনেমার তৃতীয় কিস্তি ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রেভলিউশন’। এরপর ১৬ বছর কেটে গেলেও তুমুল জনপ্রিয় এই সিরিজের চতুর্থ পর্বের অপেক্ষা অবশেষে শেষ হতে যাচ্ছে।

    ২০২০ সালের শুরুর দিকে চতুর্থ পর্বের কাজ শুরু হবে। এখানে বরাবারের মতো নিও চরিত্রে থাকবেন কানাডিয়ান অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী কিয়ানু রিভস।

    লানা ওয়াচোস্কির পরিচালনায় এই পর্বেও রিভসের সঙ্গে থাকবেন ক্যারি আন মোস। রিভস এই সিনেমাতে অভিনয় প্রসঙ্গে হলিউড গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেন, ‘এটি আনন্দের একটি সংবাদ আমাদের সবার জন্য। যারা একসঙ্গে আগের পর্বগুলো করেছি। এই সিনেমার অন্যন্য একটি উদাহরণ এর জনপ্রিয়তা। নিও হয়ে ফেরার ইচ্ছাটা ভেতরে অনেকদিন পুষেছি। সেটি অবশেষে সফল হতে যাচ্ছে। এছাড়া এখানে আমি যাদের সঙ্গে কাজ করবো তাদের সঙ্গে আমার ভীষণ ভালো বোঝাপড়া। এটিই আমার কাছে সবচেয়ে ভালোলাগার বিষয়।’

    পরিচালক লানা বলেন, ‘গত ২০ বছর লিলি ও আমি অনেককিছুই ভেবেছি এবং অবশেষে আমাদের বাস্তবতা প্রাসঙ্গিক হতে চলেছে। এই চরিত্রগুলোকে জীবনে ফিরে পেয়ে আমি খুব খুশি। দারুণ সব মেধাবী বন্ধুর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হচ্ছে।’

    ওয়ার্নার ব্রোস পিকচার গ্রুপের চেয়ারম্যান টবি এমরিচ এই ছবি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। টবি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, লানা ‘দ্য ম্যাটিক্স’-এর নতুন পর্বটি লিখেছেন ও পরিচালনাও করছেন তিনি।