Category: বিনোদন

  • ‘বাহুবলী’র মতো ছবিতে আর দেখা যাবে না প্রভাসকে!

    ‘বাহুবলী’র মতো ছবিতে আর দেখা যাবে না প্রভাসকে!

    বাহুবলী’র জন্য বেঁচে ছিলেন, ‘বাহুবলী’তেই নিঃশ্বাস নিয়েছেন। এই চরিত্রটিই ভারতের সবচেয়ে আলোচিত তারকায় পরিণত করেছে প্রভাসকে। কিন্তু ভবিষ্যতে আর এ ধরনের ছবি করবেন না বলে জানিয়েছেন দক্ষিণী চলচ্চিত্রের এই সুপারস্টার।

    বর্তমানে ‘সাহো’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত প্রভাস। এর মাধ্যমেই বলিউডে তার অভিষেক হচ্ছে। ৩৮ বছর বয়সী প্রভাসের বিশ্বাস, জীবনটা ছোট। তাই বাহুবলীর মতো লম্বা সময় ধরে কোনো ছবিতে কাজ করার ঝুঁকি আর নেয়া ঠিক হবে না। কারণ এটি ক্যারিয়ারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    গত পাঁচ বছর ‘বাহুবলী’ ছবির জন্য কোনো কাজ হাতে নেননি প্রভাস। কিন্তু ছবিটির অন্য অভিনেতারা বিভিন্ন ছবিতে কাজ করেছেন এবং ‘বাহুবলী’র কাজ চলাকালে সেগুলো মুক্তিও পেয়েছে। সেই কাজ না করার সিদ্ধান্তেই হয়তো এবার অনুতাপ হচ্ছে প্রভাসের।

    পিটিআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রভাস বলেন, ‘অভিনেতার সময় কম। মনে হয় আমি একটি প্রজেক্টের জন্য আবার পাঁচ বছর দিতে পারবো না। যদি আমি এতটা সময় দিই তাহলে পাশাপাশি অন্য প্রজেক্টের কাজও করে যাব। কারণ বয়স সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। শুধু একটি প্রজেক্টে পাঁচ বছর লেগে থাকা আমার ক্যারিয়ারের জন্যও ঠিক হবে না।

  • তাক লাগানো পারিশ্রমিক চেয়ে বসলেন ঐশ্বরিয়া!

    তাক লাগানো পারিশ্রমিক চেয়ে বসলেন ঐশ্বরিয়া!

    ঐশ্বরিয়া রাই। সাবেক বিশ্ব সুন্দরী তিনি। বসয় ৪০ পেরিয়ে গেলেও এখনও বলিউডের প্রভাবশালী নায়িকাদের একজন। মেয়ে আরাধ্যার জন্মের বেশ কয়েক বছর পর বলিউডে কামব্যাক করেছেন ঐশ্বরিয়া। বর্তমানে ‘ফেনী খান’, ‘রাত অউর দিন’-এর রিমেক নিয়ে ব্যস্ত ঐশ্বরিয়া। পাশাপাশি আরও একটি সিনেমা রয়েছে তার হাতে। তবে এসব সিনেমার জন্য নয়, তিনি এবার খবরের শিরোনাম হলেন পারিশ্রমিকের কারণে।

    দ্য হিন্দুস্তান টাইসমের খবর, দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু চলচ্চিত্রে নারী ও পুরুষ তারকাদের পারিশ্রমিক নিয়ে একটা বৈষম্য রয়েছে। এ নিয়ে অতীতে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন ও আনুশকা শর্মার মতো নায়িকা। অবশেষ, বলিউডে নারীদের জন্য ভালো খবর শোনা গেল।

    বিষয়টি ঠিক কী? ১৯৬৭-তে মুক্তি পেয়েছিল নার্গিস দত্তের ‘রাত অউর দিন’। মিড ডে’র খবর অনুযায়ী, সেই ছবির রিমেকের অফার এসেছে ঐশ্বরিয়ার কাছে। আর এই ছবির জন্যই নাকি ১০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেছেন সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী।

    শোনা যাচ্ছে, ওই ছবিতে নাকি দ্বৈত ভূমিকায় দেখা যেতে পারে নায়িকাকে। তার জন্য সঠিক প্রস্তুতি দরকার। এটা বেশ সময়সাপেক্ষ একটা কাজ। এর জন্য বেশ কিছুটা সময় অন্য কোনো ছবির কাজও নিতে পারবেন না তিনি। সে কারণেই তাঁর চাহিদা অযৌক্তিক নয় বলেই মনে হয়েছে প্রযোজকের। তাই কোনো রকম সমঝোতায় না গিয়ে ঐশ্বরিয়াকে ওই পারিশ্রমিক দিতে রাজি হয়েছে প্রযোজক সংস্থা।

    কয়েক মাস আগে সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘পদ্মাবতী’ সিনেমার জন্য ১৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন, যা ওই সিনোমায় তাঁর দুই সহ অভিনেতা রণবীর সিং ও শহীদ কাপুরের চেয়েও বেশি।

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে তৈমুরের তুলনা সাইফের

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে তৈমুরের তুলনা সাইফের

    ফের খবরের শিরোনামে তৈমুর আলি খান। বয়স মাত্র ১ বছর বয়সেই খবরে থাকা অভ্যাস হয়ে গেছে সইফ আলি খান এবং কারিনা কাপুরের এই একরত্তি ছেলের। এবার বাবা সাইফ আলি খান ছেলে তৈমুর আলি খান সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন।

    ছোট্ট তৈমুরের হাসিতে মুগ্ধ ভক্তের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু শুধু মিষ্টতাই নয়, তৈমুরের মধ্যে এখনই রয়েছে বহু গুণ। আর এই দাবি খোদ সাইফ আলি খানের। সাইফের কথায়, তৈমুরের রক্তেই রয়েছে জিনগত কিছু গুণ। সম্প্রতি এক টক শোয়ে তৈমুরের ব্যাপারে এমনই মন্তব্য করেছেন সাইফ আলি খান।

    নীল চোখের তৈমুরের ব্যাপারে সাইফ বলেন, ‘‘ও সত্যিই জিনগত ভাবে সমৃদ্ধ। সে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছুটা পেয়েছে। কিছুটা আবার রাজ কাপুরের, কিছুটা মনসুর আলি খান পতৌদি এবং কিছুটা ভুপালের অংশ পেয়েছে। সে আমার থেকেও অনেক উর্ধ্বে।’’

    প্রসঙ্গত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরিবারের মেয়ে হলেন শর্মিলা ঠাকুর। তাই তৈমুরের শরীরেও রযেছে ঠাকুর পরিবারের রক্ত। অন্যদিকে মনসুর আলি খান সম্পর্কে তৈমুরের দাদা আর মা কারিনা কাপুরের দাদা রাজ কাপুর। তাই এই বিদ্বজনদের রক্ত বইছে তৈমুরের শরীরে।

  • কারিনা কাপুরের ‘স্ট্রেচ মার্কস’ নেই, তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া!

    কারিনা কাপুরের ‘স্ট্রেচ মার্কস’ নেই, তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া!

    কয়েকদিন আগে ফ্যাশন সাময়িকী ভোগ-এর জন্য ফটোশ্যুট করেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। ছবিকে কমলা রঙের একটি পোশাক পরে পোজ দেন কারিনা। শরীরে মেদের চিহ্নমাত্র নেই। সদ্য মা হওয়া কারিনার পেটে কোনও ‘স্ট্রেচ মার্কস’ (গর্ভকালীন সময়ে হওয়া দাগ) নেই। আর তাই নিয়েই তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া।

    অনেকেরই দাবি ফটোশপে কারিনার পেটের স্ট্রেচ মার্কস মুছে দেওয়া হয়েছে। কারণ মাত্র ১ বছর বয়স হয়েছে কারিনার ছেলে তৈমুরের। এরই মধ্যে কোনও ভাবেই মায়ের শরীর থেকে স্ট্রেচ মার্কস মুছে যেতে পারে না। তাই কারিনার সেই ছবিতে কৃত্রিমভাবে সেটি মুছে ফেলা হয়েছে। এটা একেবারেই কাম্য নয় বলে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন।

    অনেকের আবার দাবি বেবি বাম্প দেখাতে যখন সেলিব্রিটিরা দ্বিধা করেন না। তখন স্ট্রেচ মার্কস নিয়ে এত লুকোচুরি কেন! আর কারিনার মতো একজন স্বাধীনচেতা অভিনেত্রীর এমন মানসিকতা একেবারেই কাম্য নয়। এরকম একাধিক মন্তব্য পাল্টা মন্তব্য নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে কারিনা তাতে আমল দিতে নারাজ। এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।

  • ঐশ্বরিয়াকে ‘মা’ দাবির তোলপাড়ের মধ্যে অভিষেককে ‘স্বামী’ দাবি তরুণীর!

    ঐশ্বরিয়াকে ‘মা’ দাবির তোলপাড়ের মধ্যে অভিষেককে ‘স্বামী’ দাবি তরুণীর!

    ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন তাঁর ‘মা’, ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের ২৯ বছর বয়সী যুবক সঙ্গীত কুমারের এই বিস্ফোরক দাবিতে গতকাল বুধবার ভারতের তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর রেশ কাটত না কাটতে এবার অভিষেক বচ্চনকে ‘স্বামী’ দাবি করলেন জাহুবী কাপুর নামের এক নারী। আসলে এই দাবিটা তিনি করেছিলেন ১০ বছর আগে। তবে ঐশ্বরিয়াকে ‘মা’ দাবির খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার পর সেই জাহুবী কাপুর নতুন করে ভাইরাল হয়েছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, ১০ বছর আগে জাহুবী কাপুর দাবি করেছিলেন, তিনি বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ এবং অভিষেক বচ্চন তার স্বামী। শুধু তাই নয়, ২০০৭ সালে অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিয়ের দিন বচ্চনদের বাড়ির সামনে হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন জাহুবী।

    জাহ্নবী কাপুরের দাবি ছিল, ‘দস’ ছবির সেটে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল তাঁর। পরবর্তীতে ঘনিষ্ঠ কিছু বন্ধুদের সাক্ষী রেখে ঘরোয়াভাবে অভিষেক তাকে বিয়ে করে। যদিও, সঙ্গীত কুমারের মতো জাহুবী কাপুরও কোনো প্রমাণই সাংবাদমাধ্যমকে দিতে পারেননি।

  • রুমাল’ দিয়ে মনের মানুষ খুঁজছেন ঊর্মিলা!

    রুমাল’ দিয়ে মনের মানুষ খুঁজছেন ঊর্মিলা!

     

    মিজানুর রহমান বেলালের রচনা ‘রুমাল’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঊর্মিলা। নাটকটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা।

    আবু হায়াত মাহমুদের পরিচালিত নাটকটিতে দেখা যাবে- বড় লোক বাবার মেয়ে ঊর্মিলা। বাবার ব্যবসা নিয়েই সময় কেটে যায় তার। তবু কারো ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ইচ্ছে করে তার। কিন্তু কোনো মনের মানুষ নেই। রুমালে মনের কিছু কথা লিখে একদিন সেটি পার্কে রেখে আসেন। রুমালটির সূত্র ধরে যে তাকে খুঁজে নেবে সেই হবে তার প্রকৃত প্রেম এবং ভালোবাসা।সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনতে থাকেন ঊর্মিলা।

    এ প্রসঙ্গে ঊর্মিলা জানান। তিনি বলেন, নাটকের গল্পে ভিন্নতা থাকলে সেটিতে অভিনয় করতে ভালো লাগে। স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করা যায়। এই নাটকের চরিত্রটি আমার দারুণ পছন্দের। আশা করছি এটি দর্শক উপভোগ্য একটি নাটক হবে।

    খুব শিগগিরই নাটকটি একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে।