Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারতীয় বিমানকে ধাওয়া পাকিস্তানের, আফগানিস্তান গিয়ে রক্ষা

    ভারতীয় বিমানকে ধাওয়া পাকিস্তানের, আফগানিস্তান গিয়ে রক্ষা

    ১২০ জন যাত্রী নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল স্পাইসজেটের এক বিমান। যাত্রাপথে মাঝ আকাশে ধাওয়া দেয় পাকিস্তানের বিমানবাহিনী।

    সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে স্পাইসজেটের ওই বিমান ধাওয়ার মুখে পড়ে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে।
    সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের বরাতে এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ১২০ জন যাত্রী নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে কাবুলের উদ্দেশে স্পাইসজেটের একটি বিমান যাত্রা করেছিল। পাকিস্তানের আকাসীমায় ঢুকে পড়ায় মাঝ আকাশেই তাদের পথ রুদ্ধ করে দেশটির বিমানবাহিনী। এরপর বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমার বাইরে যাওয়া পর্যন্ত তাদের ধাওয়া করা হয়।

    বৃহস্পতিবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসি) একথা জানিয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়।

    ডিজিসিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, অনেকটা সংশয় নিয়েই বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি পাকিস্তা‌নের আকাশসীমার মধ্যে ঢুকেছিল। এরপরই পাকিস্তানি বিমান তাদের ধাওয়া দেয়। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এফ-১৬ বিমান ভারতীয় বিমানটিকে নিচু হতে বলে।

    এসময় স্পাইসজেট বিমানের পাইলট পাক বিমান বাহিনীকে বোঝাতে সক্ষম হয় যে তাদের বিমানটি ‘বাণিজ্যিক বিমান’।

    এরপর স্পাইসজেট বিমানটিকে চলার পথ অব্যাহত রাখার অনুমতি দেয়া হয় এবং তাদের আফগান আকাশসীমায় পৌঁছানো পর্যন্ত সঙ্গও দেয় পাক বিমানটি।

    বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ার কারণে বেশি তথ্য জানাতে রাজি হয়নি ডিজিসিএ। স্পাইসজেট কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

    গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালানোর পর থেকে ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। পরিস্থিতি শান্ত হলে জুলাই মাসে আবার আংশিকভাবে তা খুলে দেয়া হয়।

    এরপর কাশ্মীর নিয়ে আবার উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ভারতের সঙ্গে বানিজ্যিক সম্পর্ক ও আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান।

  • ইয়েমেনে এই মৃত্যুর মিছিল কবে শেষ হবে?

    ইয়েমেনে এই মৃত্যুর মিছিল কবে শেষ হবে?

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেনে প্রায় চার বছরের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে। দেশটির বিভিন্ন অংশে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। বলা হয়ে থাকে, ইয়েমেনের যুদ্ধের আড়ালে আদতে লড়াই চলছে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে। ওদিকে আবার সৌদি আরব ও ইরানের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো পরাশক্তিরা। সব মিলিয়ে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে—রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে, আর উলুখাগড়ার প্রাণ যাচ্ছে!

    রাজারা যাদের উলুখাগড়া মনে করেন, তারা হলেন ইয়েমেনের সাধারণ মানুষ বা জনগণ। ইয়েমেনে গত কয়েক বছরের গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আশু ব্যবস্থা না নিলে মৃত্যুর তালিকা আরও দীর্ঘ হবে। কিন্তু কেন ইয়েমেনে দিনের পর দিন ধরে চলছে এই যুদ্ধ? আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোই বা কেন উচ্চবাচ্য করছে না? যুদ্ধ চলতে থাকলে কোন অবস্থায় পৌঁছাবে ইয়েমেন?

  • তুরস্কের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

    তুরস্কের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

    তুর্কি হামলার অন্যতম লক্ষ্যস্থল হচ্ছে কুর্দিনিয়ন্ত্রিত সীমান্ত শহর রাস আল-আইন। ছবি: এএফপিসিরিয়ায় তুরস্কের হামলাকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। এই হামলা বরদাশত করা হবে না বলেও জানিয়েছে দেশটি। সিরিয়ায় মস্কোর বিশেষ দূত আলেকজান্দ্রার লাভ্রেনতেভ বলেছেন, ‘এটা (তুরস্ক-সিরিয়া সংঘাত) একেবারেই অগ্রহণযোগ্য…অবশ্যই আমরা এটা বরদাশত করব না।’

    সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে কুর্দিদের পক্ষে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের গত সপ্তাহে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘোষণা মাত্রই সিরিয়ার সীমান্ত এলাকায় সেনা জড়ো করে কুর্দিদের ওপর হামলা শুরু করে তুরস্ক। এই হামলায় তুরস্কের সঙ্গে রয়েছে সিরিয়ার বিদ্রোহী যোদ্ধারা। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণায় হঠাৎ বিপাকে পড়ে যাওয়া কুর্দিরা শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার মধ্যস্থতায় সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর সহায়তা চেয়ে চুক্তি করেছে। যদিও কুর্দি নেতা জানিয়েছেন, তাঁরা রাশিয়া ও সিরিয়ার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না।

    সমালোচকদের ভাষায়, গত সপ্তাহে ওই অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তুরস্ককে হামলার ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছে।

    আজ বুধবার বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের প্রধান মিত্র। সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের সময় সিরিয়ায় মস্কোর বিশেষ দূত আলেকজান্দ্রার লাভ্রেনতেভ তুর্কি হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আগের চুক্তি অনুসারে, তুর্কি সেনাদের সিরিয়ার অভ্যন্তরে মাত্র ৫-১০ কিলোমিটার প্রবেশের এখতিয়ার রয়েছে। আর তুর্কিদের সেখানে স্থায়ীভাবে সেনা মোতায়েনের কোনো অধিকারও নেই। তিনি বলেন, সংঘাত এড়াতে সিরিয়া তুরস্কের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

    কুর্দিদের হটাতে সিরিয়ার উত্তরের শহর মানবিজে ঢুকে পড়েছে তুর্কি বাহিনী। ছবি: এএফপিলাভ্রেনতেভ নিশ্চিত করেছেন, কুর্দি ও সিরিয়া সরকারের মধ্যে চুক্তির ব্যাপারে রাশিয়া মধ্যস্থতা করেছে। চুক্তি অনুসারে কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনী সিরিয়ার সেনাদের কাছ থেকে সামরিক সহায়তা পাওয়ার বিনিময়ে তাদের (কুর্দি) নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল দেশটির কাছে সমর্পণ করেছে।

    ২০১৫ সাল থেকে রুশ সৈন্য মোতায়েন রয়েছে সিরিয়ায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, সিরিয়া ও তুরস্কের মধ্যের ‘সংযোগ রেখায়’ রুশ সেনারা টহল দিচ্ছে।

    গতকাল মঙ্গলবার রাতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগন বলেছে, সিরিয়ার আইন ইসা শহরের কাছে মার্কিন সেনাদের দিকে এগিয়ে আসা তুর্কি সমর্থিত বাহিনীকে শক্তি প্রদর্শনে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ও অ্যাপাচি হেলিকপ্টার গানশিপ মোতায়েন করা হয়েছে। চুক্তি ভঙ্গ করা ওই সেনারা মার্কিন বাহিনীর জন্য হুমকি নয়।

    সীমান্তে স্থল হামলায় তুর্কিদের প্রধান মিত্র সিরিয়ার সাবেক বিদ্রোহীরা। তারা সিরিয়ার অভ্যন্তরে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঢুকে পড়লেও রাস আল-আইনে কুর্দিদের শক্তিশালী প্রতিরোধের মধ্যে পড়ে। ছবি: এএফপিকুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সকে (এসডিএফ) লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে তুর্কি সেনারা। ওই অঞ্চল থেকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) নির্মূলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করে এসডিএফ। তবে তুরস্ক উল্টো এসডিএফকে জঙ্গি সংগঠন বলে মনে করে। তুরস্ক সীমান্ত থেকে ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ‘নিরাপদ এলাকা’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়ে সেখানে তুরস্কে অবস্থান নেওয়া সিরিয়ার শরণার্থীদের বড় একটি অংশকে পুনর্বাসনের কথা বলছে। তবে শরণার্থীদের অনেকেই কুর্দি না হওয়ায় তুরস্কের এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে কুর্দিরা জাতিগত নিধনের শিকার হতে পারে বলে সতর্ক করছেন সমালোচকেরা।

    জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, তুরস্ক হামলা চালানোর পর সেখানে ডজন ডজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। কমপক্ষে ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়েছ

  • উত্তপ্ত কাশ্মীর, এক দিনে নিহত ৫

    উত্তপ্ত কাশ্মীর, এক দিনে নিহত ৫

    মুঠোফোনের সংযোগ চালু হলেও ভারতের কাশ্মীর উপত্যকায় রক্তক্ষয় থামছে না। এক দিনেই সেখানে পাঁচজনের প্রাণ ঝরে গেল। গতকাল বুধবার তিন বিচ্ছিন্নতাবাদীকে হত্যার কথা জানিয়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। অন্যদিকে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয়েছেন দুই বেসামরিক নাগরিক।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আগস্টে বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর অন্যতম একটি রক্তাক্ত দিনের সাক্ষী হলো কাশ্মীর।

    কাশ্মীরে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার কিছু তুলে নেওয়া হয়েছে ধীরে ধীরে। এরই অংশ হিসেবে ৭২ দিন পর গত সোমবার প্রিপেইড মুঠোফোনের সংযোগ চালু করা হয়। গত বৃহস্পতিবার কাশ্মীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে পর্যটকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে ইন্টারনেট সংযোগ এখনো বন্ধ।

    ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ওই সময় বিক্ষোভের আশঙ্কায় কাশ্মীরে ফোন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয় সরকার। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার বিপুল পরিমাণে বাড়তি সেনা মোতায়েন করে। রাজনৈতিক নেতাদের বন্দী করা হয় এবং পর্যটকদের কাশ্মীর ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।।

    পুলিশের দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সৈন্যরা দক্ষিণ কাশ্মীরের একটি গ্রামে অভিযান চালালে বন্দুকযুদ্ধে তিন জঙ্গি নিহত হয়।

    কাশ্মীর পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই সংঘর্ষে তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ নানা সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।’

    গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি না পাওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় পুলিশ বা সেনা কেউ হতাহত হয়নি।

    সূত্র জানায়, উপত্যকায় সহিংসতা রোধে নিরাপত্তা বাহিনী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাস্থলের কাছে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। জঙ্গিরা নিহত হওয়ার পর ভারতবিরোধী কাশ্মীরি অধিবাসীদের অনেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে জড়ো হয়।

    পুলিশ জানায়, দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় একটি পৃথক ঘটনায় সন্দেহভাজন জঙ্গিরা মধ্যভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের এক শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করেছে। দুই ব্যক্তি কাকাপোরা এলাকায় একটি রেলপথ ধরে চলতে থাকা ইটভাটার ওই শ্রমিকের পথ রোধ করে। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তাঁর মাথায় গুলি করা হয়েছিল।’

    অন্য একটি ঘটনায় কাশ্মীরের দক্ষিণ শোপিয়ান জেলায় বন্দুকধারীদের গুলিতে এক ফল ব্যবসায়ী মারা গেছেন। এ ঘটনায় আরেক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন।

  • তুরস্কে জিম্মায় মার্কিন পারমাণবিক বোমা নিরাপদ আছে: ট্রাম্প

    তুরস্কে জিম্মায় মার্কিন পারমাণবিক বোমা নিরাপদ আছে: ট্রাম্প

    তুরস্কের ইনসিরলিক বিমান ঘাঁটিতে থাকা অর্ধশত মার্কিন পারমাণবিক বোমা নিরাপদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এমন এক সময়ে তিনি এই মন্তব্য করেছেন, যখন সিরিয়ায় তুর্কিশ অভিযান নিয়ে দুই ন্যাটো মিত্রের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

    হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এরদোগানের অভিযান আমাকে বিস্মিত করেনি। কারণ তিনি বহুদিন থেকে এমন একটি অভিযান চালানোর কথা বলে আসছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে সীমান্তে সেনা বাড়িয়ে আসছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

    ‘কুর্দিরাও ফেরেস্তা না’ বলে তাদের অবমাননা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সিরিয়ায় আইএসবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র ছিলেন কুর্দিশ ওয়াইপিজি যোদ্ধারা।

    যে কারণে দেশের ভেতরে নিজ দল রিপাবলিকানদেরও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প।

    তুর্কিশ অভিযানের আগে এরদোগানের সঙ্গে ফোনালাপ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, আমি তাকে কোনো সবুজ-সংকেত দিইনি। বরং সবুজ-সংকেতের বিপরীতেই ছিলাম।

    ‘ফোনালাপের পর তাকে একটি চিঠি লিখেছি, খুবই শক্তিশালী চিঠি,’ দাবি ট্রাম্পের।

  • কুর্দিরাও ফেরেশতা না, আইএসের চেয়ে বড় হুমকি’

    কুর্দিরাও ফেরেশতা না, আইএসের চেয়ে বড় হুমকি’

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কুর্দিরা জানেন- কীভাবে যুদ্ধ করতে হয় এবং আমি বলছি- তারাও ফেরেশতা না। যদি আপনারা খেয়াল করে দেখেন, তবে লক্ষ্য করবেন, তারা একেবারে নিষ্পাপ না।

    কুর্দিবিরোধী অভিযান বন্ধে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও যখন তুরস্কে যাচ্ছেন, তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব কথা জানালেন।-খবর এএফপির।

    ট্রাম্প বলেন, কুর্দিশ পিকেকে বিদ্রোহীরা দশকজুড়ে আংকারার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে। তারা সম্ভবত আইএসের চেয়েও বড় সন্ত্রাসী হুমকি।

    ‘তুরস্কের সীমান্ত থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত ছিল খুবই চমৎকার। তারা এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। তারা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।’

    তিনি আরও বলেন, তুর্কিরা সিরিয়ায় ঢুকে পড়েছে। যদি তুর্কিরা সিরিয়ায় ঢুকে পড়ে, তবে সেটি তুর্কি ও সিরিয়ার মধ্যকার বিষয়। সেটি তুর্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ইস্যু নয়। কিন্তু বোকা লোকজন এটিকে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের ইস্যু বলে বিশ্বাস করছে।

    এ সময় প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামসহ সমালোচকদের তুলাধোনা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    তিনি বলেন, আগামী কয়েক হাজার বছর ধরে হাজার হাজার সেনা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে থাকতে চাচ্ছেন লিন্ডসে গ্রাহাম। কিন্তু আমি মধ্যপ্রাচ্য থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছি।

    নিজেদের যুদ্ধটা তাদের করতে দেন জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, তারা হাজার বছর ধরে লড়াই চালিয়ে আসছে।

    জবাবে গ্রাহাম বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিরিয়ায় সবচেয়ে বড় ভুলটি করতে যাচ্ছেন ট্রাম্প।