Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারতে স্কুলবাস দুর্ঘটনায় নিহত ৭

    ভারতে স্কুলবাস দুর্ঘটনায় নিহত ৭

    ভারতে একটি স্কুলবাস দূঘটনায় অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরো অনেকে। দেশটির তরফ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। খবর এনডিটিভির।

    এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার দেশটির হিমাচল প্রদেশের সিরমোর জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্কুলবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ৬ জন শিক্ষার্থী নিহত হন। নিহতের মধ্যে আরেকজন বাসচালক।

    স্কুলবাসটি শিক্ষার্থীদের ডিএভি পাবলিক স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তিন জন শিক্ষার্থী নিহত হয়।

     

    পুলিশ জানায় এতে অপর ১২ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এরমধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার সকাল ৮টা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে খবরে বলা হয়েছে।

  • বাণিজ্য আলোচনায় চীন যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

    বাণিজ্য আলোচনায় চীন যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

    যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল বাণিজ্য নিয়ে আলোচনার জন্য সোমবার ও মঙ্গলবার চীন সফর করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট বাণিজ্যযুদ্ধ সাময়িক বিরতির বিষয়ে সম্মত হওয়ার পর তারা প্রথমবারের মতো এ সফরে যাচ্ছেন। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একথা জানায়। খবর এএফপি’র।

    শুক্রবার মন্ত্রণালয়টি জানায়, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন ডেপুটি ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ জেফ্রি গেরিশ। তারা গত বছর আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যকার ‘গুরুত্বপূর্ণ ঐক্যের বাস্তবায়ন’ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    ট্রাম্পের পক্ষ থেকে নতুন করে কোন হুমকি না থাকায় দু’দেশের মধ্যে এ ধরনের বৈঠকের ঘোষণা ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে। এছাড়া উভয় পক্ষ আগামী ১ মার্চ নাগাদ বাণিজ্য উত্তেজনা হ্রাসে কাজ করবে।

    ওয়াশিংটন ও বেইজিং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ৩শ’ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পণ্যের ওপর পাল্টাপাল্টি শুল্ক ধার্য করে। আর এটাকে কেন্দ্র করেই উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সংঘাত শুরু হয়। এতে স্টক মার্কেটের ব্যাপক পতন ঘটে।

     

    বুয়েন্স আয়ার্সে ১ ডিসেম্বর ৯০ দিনের জন্য পাল্টাপাল্টি শুল্ক আদায় স্থগিত করার ব্যাপারে এ দুই রাষ্ট্র প্রধান সম্মত হওয়ার পর থেকে এই বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।

  • বিয়ের আগে বন্ধুদের তামাশায় মরণাপন্ন বর

    বিয়ের আগে বন্ধুদের তামাশায় মরণাপন্ন বর

    বিয়ের আগে হবু বরকে নিয়ে বন্ধুদের হৈচৈ, মজা-তামশা। আর সেটাই কাল হয়ে দাঁড়ালো বরের। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন সেই হবু বর। এমন ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ চীনে। ২৪ বছর বয়সী ওই বরের নাম আই গুয়াংতাও।

    বিয়ের আগে বন্ধুদের কথায় বিভিন্ন রীতি পালন করতে হয়েছে। সেসব পালন করতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় বরের খুলি ব্যাপকভাবে জখম হয়।

    চীনে বিয়ের নিয়মানুযায়ী বিয়ের আগে নানা ধরণের নিয়ম নীতি পালনের প্রচলন আছে। বলা হয়েছে এসব রীতি পালন করলে নতুন দম্পতির ওপর খারাপ নজর সরে যায়।

    তারই একটি রীতি পালন করতে গিয়ে, গুয়াংতাও-এর বন্ধুরা তাকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বাঁশপেটা করে। এরই সঙ্গে তার উপর কালি, ডিম ও বিয়ার ছোড়া হয়।

    গুয়াংতাও বলেছেন, ‘বিয়ের আগে এমন রীতি পালন করতে গিয়ে আমার খুব রাগ হচ্ছিল। আমার ওপর এত কালি ঢালা হয়েছিল যে আমি কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। আমি পালানোরও চেষ্টা করি। কিন্তু ওরা আমাকে ধাওয়া করতে শুরু করে।’

  • ট্রাম্পের জন্য বরাদ্দ না রেখেই বিল পাস

    ট্রাম্পের জন্য বরাদ্দ না রেখেই বিল পাস

    ডেমোক্রেটিক গরিষ্ঠ নতুন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ বৃহস্পতিবার দু’টি বিল পাস করেছে। আর এই বিল পাসের মধ্যদিয়ে দুই সপ্তাহ ধরে সরকারের আংশিক কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ার অবসান ঘটবে। তবে এই দুই বিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সীমান্ত দেয়াল নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়নি। খবর এএফপি’র।

    মেক্সিকোর সঙ্গে মার্কিন সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য প্রতিনিধি পরিষদ কোন অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় ট্রাম্প এ বিলে ভেটো দেয়ার হুমকি দিয়েছে। বিলটির আওতায় ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কার্যক্রমে এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপর কয়েকটি সংস্থার জন্য তহবিল বরাদ্দ দেয়া হবে।

    ট্রাম্প মেক্সিকোর সঙ্গে মার্কিন সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ ছাড়ের দাবি জানান।

     

    এদিকে রিপাবলিক নিয়ন্ত্রিত সিনেট জানিয়েছে এ বিল বিষয়ে তারা ভোট নাও দিতে পারে।

    প্রতিনিধি পরিষদের নতুন স্পিকার বর্ষীয়ান ডেমোক্রেট ন্যান্সি পেলোসি এ ভোটের আগ মুহূর্তে দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, দেয়াল নির্মাণের জন্য কোন অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে না।

  • একটু সুস্থ হতেই মদ খাওয়ার আবদার আইসিইউ’র রোগীর!

    একটু সুস্থ হতেই মদ খাওয়ার আবদার আইসিইউ’র রোগীর!

    সুস্থ হয়ে প্রথমেই তিনি মদ খেতে চেয়েছেন। চেয়েছেন সিগারেটও। কিন্তু সবিনয়ে তাঁকে জানানো হয়েছে, কলকাতার হাসপাতালে ভর্তি থাকা কোনও রোগীকে এ ভাবে মদ বা সিগারেট খেতে দেওয়া সম্ভব নয়। অথচ মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ৫৯ বছর বয়সি ওই ফরাসি নাগরিক শমেট দিদিয়ারকে নিয়ে ঘাম ছুটে গিয়েছিল চিকিৎসকদের। তিনি বাঁচবেন কি না, তা নিয়েই দেখা দিয়েছিল সংশয়।

    আনন্দবাজার জানায়, থাইল্যান্ডে ফরাসি দূতাবাসের ওই কর্মকর্তা ইস্তানবুল থেকে ব্যাংকক যাচ্ছিলেন। কিন্তু তুরস্কের বিমান যখন মাঝআকাশে কলকাতার এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল এর আওতায়, তখন পাইলট জানান শমেট অজ্ঞান হয়ে গিয়েছেন। তাঁকে নিয়ে জরুরি অবতরণ করতে চান কলকাতা বিমানবন্দরে।

    শমেটকে নিয়ে বিমান কলকাতায় নামার পরে অ্যাম্বুল্যান্স যখন কাছেই চার্নক হাসপাতালে পৌঁছায়, তখন ওই কর্মকর্তাকে ভেন্টিলেশনে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন চিকিৎসকেরা। পরে আইসিইউতে নেয়া হয়। তিনি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও হাইপারটেনশনে ভুগছিলেন।

    আইসিইউ-তে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন শমেট। তখনই মদ ও সিগারেটের জন্য আবদার জুড়ে দেন। তাঁকে বোঝানো হয়েছে।

    আইসিইউ থেকেই তিনি সরাসরি বাড়ি চলে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটাও সম্ভব হয়নি। বুধবার সকালে শমেটকে আলাদা কেবিনে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর থেকে তিনি অবশ্য মত বদলে হাসপাতালে আরও ১০ দিন থেকে যাবেন বলে অনুরোধ করেছেন।

    হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, চিকিৎসকেরা যখন মনে করবেন, তখনই ছেড়ে দেওয়া হবে শমেটকে। ফোনে তিনি ফ্রান্সে এক আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ কলকাতায় এসে পৌঁছননি।

  • ডিম ছুড়ে মারার উৎসব!

    ডিম ছুড়ে মারার উৎসব!

    পৃথিবীতে কতো ধরণের উৎসবই না প্রচলিত আছে। তাই বলে ডিম ছোড়া। দেখে মনে হয় ঝগড়া করছে দু’পক্ষ। কাঁচা ডিম ও ময়দা ছুড়ে আঘাত করছে একে অপরকে।

    স্পেনের ইবি শহরের বার্ষিক উৎসব এটি। নাম এলস আইনফারিনাইটস উৎসব। প্রতিবছর ডিসেম্বরের ২৮ তারিখে এটি পালন করা হয়। এই উৎসবে একে অপরকে ডিম ও ময়দা ছুড়ে আনন্দ করেন তার। এর মধ্য দিয়ে তারা ঘোচাতে চান ধনী-গরীবের ব্যবধান।

    পামেলা নামে উৎসবে অংশগ্রহণ করা একজন বলেন, আমারা কিন্তু এখানে ঝগড়া করছি না। সবাই মিলেমিশে সুন্দর সময় কাটাচ্ছি। শতবছর ধরে এটি এখানে হয়ে থাকে।

    রামোন কাস্টেলা নামে একজন বলেন, আমরা একে অপরকে কাঁচা ডিম ও ময়দা ছুড়ে মারছি। এটি শেষ হলে আমারা আতশবাজির উৎসব করব। আনন্দের মুহূর্তগুলো আমারা সবাই ভাগাভাগি করে নিতে চাই।

    মারিয়া হো নামে উসবে অংশ নেয়া একজন ইতিহাসবিদ জানান, এটি প্রাচীন রোমান প্রথা। এটি এমন একটি প্রথা যেখানে দাস-প্রভুর কোন ভেদাভেদ থাকে না। উৎসবটি অনেকটা এপ্রিল-ফুল উৎসবের মতোই।

    উৎসবটিতে আরো মজার কিছু ঘটনা ঘটে। যেমন অনেকেই এদিন সেনাবাহিনীর পোশাক পরে একটি সাজানো সামরিক অভ্যুত্থান ঘটায়। সারাদিন তারা শহর পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি দৌড় প্রতিযোগিতাও হয়। প্রতিযোগিতায় যে প্রথম হবে সে এইদিনটার জন্য শহরের মেয়র। গণতন্ত্র চর্চা করতেই এই উৎসবটি পালন করা হয়।