Category: আন্তর্জাতিক

  • এবার দাবায় থাবা বসালো যৌনতা, বিশ্বজুড়ে বিতর্ক!

    ২০১৮ সালে বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের আসর বসছে। ৯ থেকে ২৮ নভেম্বর লন্ডনে হবে সেই যুদ্ধ। তবে প্রতিযোগিতা শুরুর এক বছর আগেই শুরু হয়ে গেছে বিতর্ক। সেই বিতর্কের নাম আসন্ন বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের লোগো। আর এই লোগো নিয়ে উত্তাল গোটা বিশ্ব।

    জানা গেছে, দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের যে বিমূর্ত লোগো প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে অত্যন্ত অশালীন ভঙ্গিতে দেখা গেছে দু’জনকে। অনেকেই যৌন আসনের আদল খুঁজে পেয়েছেন সেই লোগোয়। লোগোয় আঁকা ছেলেটি কৃষ্ণবর্ণের, মেয়েটি শ্বেত। পুরুষ ও নারীর হাতে বিপরীত রংয়ের গুটি রয়েছে।

    এতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সকলেই কার্যত এক বিষয়ে একমত। তা হল খেলাধুলোয় এমন লোগো বানানো হলে, এর খারাপ প্রভাব পড়বে তরুণ প্রজন্মের উপরে। সব মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আয়োজকদের বিরুদ্ধে সমালোচনা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। গ্র্যান্ড মাস্টারদের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

    তবে কোনও সমালোচনা শুনতে নারাজ আয়োজকরা। তাদের যুক্তি, ‘‘চেকমেট নয়, দাবা হোক সোলমেট।’’ এবারের টুর্নামেন্টে এটাই নাকি স্লোগান। এই স্লোগানকে সামনে রেখেই তৈরি করা হয়েছে লোগো। আসলে লোগোটি তৈরি করেছে মস্কোর এক স্টুডিও। তবে কোনও অবস্থাতেই লোগো পরিবর্তন করা হবে না, বলে জানিয়েছে আয়োজক সংস্থা।

     

  • সুইডিশ ধর্ষণ আইনে পরিবর্তন

    সুইডিশ ধর্ষণ আইনে পরিবর্তন

    সুইডেনে ধর্ষণ আইন পরিবর্তন করতে যাচ্ছে। সুইডিস ডিপুটি প্রাইম মিনিস্টার ইসাবেলা লোভিন বলেন, সাম্প্রতিক #metoo যৌন বিরোধী-হয়রানি অভিযানে নতুন আইন প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, যা আজ বৃহস্পতিবার সংসদে অনুমোদন করা হবে বলে আশা হচ্ছে । বর্তমান সুইডিশ আইন অনুযায়ী, কেউ যদি ধর্ষণ বা সহিংসতা প্রমাণিত করতে পারে কেবল তাকেই ধর্ষণের জন্য বিচার করা যেতে পারে। প্রস্তাবটি অনুসারে, ধর্ষণ প্রমাণিত হতে পারে যদি দাবিকারী তার স্পষ্ট মৌখিক চুক্তি না দেয় বা স্পষ্টভাবে যৌন কার্যকলাপে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ না করে।

    সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর স্টিফ্যান লোফভেন বলেন, ২০১৪ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তার জোটের প্রস্তুতির “ঐতিহাসিক সংস্কার” দাবী করে যে, ধর্ষণ বা যৌন হামলা মামলায় দোষীদের কাছ থেকে প্রমাণের বোঝাটি অভিযুক্ত আক্রমণকারীদের কাছে হস্তান্তর করা। ভুক্তভূগীকে তিনি বলেন, “সোসাইটি আপনার পাশ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।” বিল অনুমোদিত হলে, এটি ১ জুলাই কার্যকর হবে। সমালোচকরা বলছেন যে প্রস্তাবটি ততটা ফলপ্রসূ হবে না।

  • পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কাতেই চলছে ত্রিদেশীয় মহড়া

    পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কাতেই চলছে ত্রিদেশীয় মহড়া

    আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে একের পর এক পারমাণবিক ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষা যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। আর কিমকে থামাতেই এবার একজোট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া। এরই মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের অস্ত্রভাণ্ডার গুঁড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনায় সামরিক মহড়ায় নেমেছে এই তিন দেশ।

    দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৫দিন ধরে চলা এই মহড়ায় রয়েছে ৬টি এফ-২২ এবং ১৮টি এফ-৩৫ ফাইটার জেট, ২৫০টি এয়ারক্র্যাফ্ট এবং ১২,০০০ সেনা। যেখানে বিমান বাহিনীর শক্তি যাচাই করে নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, শক্তি প্রদর্শনের জন্য কিমের দেশের সবথেকে শক্তিশালী বোমারু বিমান বি-১বি’কে এক সামরিক মহড়ায় নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। আসন্ন পরিস্থিতির কথা ভেবেই যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য কয়েকটি দেশ তাই যৌথ সামরিক মহড়াকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

  • ঘন কুয়াশায় শাহজালালে শিডিউল বিপর্যয়

    ঘন কুয়াশায় শাহজালালে শিডিউল বিপর্যয়

    জানা যায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের ৩টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ১টি ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ার কথা থাকলেও ঘন কুয়াশার কারণে তা সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কোনো ফ্লাইট ডাইভার্টের খবর পাওয়া না গেলেও রাত ২টা থেকে কোনো ফ্লাইট অবতরণ করেনি দেশের প্রধান এ বিমানবন্দরে।ফলে বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ এসব ফ্লাইটের যাত্রীরা আগের দিনের মতো ভোগান্তিতে পড়েছেন।

    এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শিডিউল বিপর্যয়ের কবলে পড়া ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

    বিমানবন্দরের দায়িত্বরত সিকিউরিটি অফিসার এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ভুইঁয়া মাহবুবু হাসান শিডিউল বিপর্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে রাত ২টার পর থেকে কোনো ফ্লাইট অবতরণ ও উড্ডয়ন করতে পারছে না।

    এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মঙ্গলবার ঘন কুয়াশার কারণে রাত সোয়া ১২টা থেকে বুধবার সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ১০ ঘণ্টা কার্যক্রম স্থবির ছিল। ওই সময়ে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মিলে মোট ৩৩টি ফ্লাইট শিডিউল বিপর্যয়ে পড়ে।

  • ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় ১৩৬ জনের প্রাণহানি

    ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় ১৩৬ জনের প্রাণহানি

    ইয়েমেনে চলতি মাসে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৩৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা।

    হাই কমিশনার ফর হিউম্যান রাইটসের কার্যালয়ের মুখপাত্র রবার্ট কোলভিলে মঙ্গলবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গত ৪ ডিসেম্বর হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহ নিহত হওয়ার পর নতুন করে এ অভিযোন শুরু করে সৌদি জোট। এতে গত ১১ দিনে শতাধিক নিহতের পাশাপাশি বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

    এর আগে, হুথি বিদ্রোহীদের গ্রেনেড ও বন্দুক হামলায় সালেহ নিহত হওয়ার পর বিদ্রোহীরা প্রকাশ্যে সৌদি জোটের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছা জানায়।

    প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে নিতে ২০১৫ সালে থেকে দেশটিতে অভিযান শুরু করে সৌদি জোট। গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি বেসামরিক নিহত হয়েছে।

     

  • ইরাকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৫

    ইরাকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৫

    ইরাকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে প্রাণ হারাল পাঁচ বিক্ষোভকারী৷ আহত হয়েছেন আরো ৯০ জন৷ ঘটনাটি ঘটে উত্তর ইরাকের কুর্দিশ অঞ্চলে৷

    স্থানীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বেতন না পাওয়ায় সোমবার থেকে বিক্ষোভে বসেন সরকারি কর্মচারিরা৷ একই সঙ্গে সরকারের কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন বিক্ষোভকারীরা৷ ক্রমে সেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে৷ মঙ্গলবার একাধিক জায়গায় তারা আগুন লাগিয়ে দেন৷

    বিক্ষোভকারীদের দমনে ওইদিনই নামানো হয় বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী৷ দু’পক্ষের মধ্যে বাঁধে সংঘর্ষ৷ কড়া হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করে তারা৷ জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাহা মহম্মদ বলেন, দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৩৬ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আহত হয়েছেন৷ অপরদিকে নিরাপত্তার বাহিনীর গুলিতে মারা যায় পাঁচ বিক্ষোভকারী৷