Category: আন্তর্জাতিক

  • আগামী বছর থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা দেবে সৌদি

    আগামী বছর থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা দেবে সৌদি

    রক্ষণশীলতা ঝেড়ে ফেলে অর্থনৈতিক অগ্রগতির নতুন পথ খুঁজছে সৌদি আরব। এ লক্ষ্যে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকেই বিদেশি নাগরিকদের ট্যুরিস্ট ভিসা দেবে দেশটি। পর্যটক বিভাগের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি।

    সৌদি যুবরাজ সুলতান বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ এএফপিকে জানিয়েছেন, সব দেশের নাগরিককে সৌদি আরব সফরের জন্য আগামী বছর থেকে ইলেকট্রনিক ভিসা দেয়ার সরকারি অনুমোদন সম্পন্ন করা হয়েছে।

    ট্যুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হ্যারিটেজের সৌদি কমিশনের প্রধান জানান, যোগ্য প্রার্থীরা কীভাবে ভিসা পাবেন, সেই বিধিমালা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

    সৌদি যুবরাজ সুলতান বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ জানান, সব দেশের নাগরিককে সৌদি আরব সফরের জন্য আগামী বছর থেকে ইলেকট্রনিক ভিসা দেয়ার সরকারি অনুমোদন সম্পন্ন করা হয়েছে।

    ট্যুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হ্যারিটেজের সৌদি কমিশনের প্রধান জানান, যোগ্য প্রার্থীরা কীভাবে ভিসা পাবেন, সেই বিধিমালা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

  • মিয়ানমারে ফেরি ডুবি, নিখোঁজ ৩

    মিয়ানমারে ফেরি ডুবি, নিখোঁজ ৩

    মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন নদীতে বুধবার সকালে ফেরি ডুবির ঘটনায় এক নারীসহ তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে। খবর সিনহুয়া’র।

    ফেরির একটি প্রপেলার বিকল হয়ে পড়লে এটি পাশের একটি মালবাহী জাহাজের ওপর আছড়ে পড়ে। স্থানীয় সময় বুধবার ভোর সাড়ে ৪টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ১৪ যাত্রী নিয়ে ফেরিটি দালা থেকে ইয়াঙ্গুন যাচ্ছিল।

    এই ঘটনায় ১১ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন।

     

  • মহাকাশচারীদের শরীর থেকে কমে যায় হাড় : নাসা

    মহাকাশচারীদের শরীর থেকে কমে যায় হাড় : নাসা

    মহাজাগতিক তেজস্ক্রিয়তার ফলে মহাকাশচারীদের শরীর থেকে কমে যায় হাড়। তবে তাদের পেশীর কোন ক্ষয় হয় না। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমনই সত্য উদঘাটিত হয়েছে।

    সম্প্রতি গ্রহের কত কাছাকাছি পৌঁছলে শরীরের হাড় কমে যায়, তা নিয়ে একটি পরীক্ষা চালিয়েছিল নাসা। সেই পরীক্ষায় জানা গেছে, গ্রহের শূন্য অভিকর্ষে পৌঁছালে মহাকাশচারীদের এই ক্ষতি হচ্ছে। নাসার বিজ্ঞানী স্কট কেলি দীর্ঘসময় কাটিয়েছেন মহাকাশযানে। যখন তিনি ফিরলেন, দেখা গেল তাঁর শরীরে ওজন বেড়েছে। কিন্তু হাড় কমেছে।

    মহাজাগতিক তেজস্ক্রিয়তাই যে এর কারণ সে ব্যাপারে নিশ্চিত নাসা। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা চিন্তিত এই রিপোর্ট নিয়ে। শরীরের পেশির সঙ্গে হাড়ের সামঞ্জস্য না থাকলে নানা শারীরিক সমস্যার মধ্যে পড়তে হতে পারে মহাকাশচারীদের। নাসা এর বিকল্প পন্থা নিয়ে আলোচনা করছে।

  • রাতে দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কে ট্রাক চালকদের চা পান করাচ্ছে পুলিশ

    রাতে দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কে ট্রাক চালকদের চা পান করাচ্ছে পুলিশ

    শীতের কুয়াশা ও ঠান্ডায় ট্রাক ও লরি চালকদের চা পান করাচ্ছে পুলিশ। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে এ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

    কলকতার সংবাদ পত্রিকা বর্তমান জানায়, রাতে চালকদের স্নায়ু সতেজ রাখতে বিনামূল্যে এ চা পান করাচ্ছে পুলিশ। দুর্ঘটনা এড়াতে চব্বিশ পরগনার পাঁচটি থানায় চালকরা পুলিশের হাতে মাটির ভাঁড়ে গরম চা পানের এ সুবিধা পাচ্ছেন।

    জানা যায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার দুটি জাতীয় সড়ক আছে। একটি চলে গেছে যশোর রোড হয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত। আরেকটি রোড কলকাতা থেকে চলে গেছে উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত। এছাড়াও এই জেলায় রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ টাকি রোড এবং বনগাঁ-চাকদহ রোড। এসব সড়কে সারারাত মালবাহী ট্রাক ও লরি যাতায়াত করে।

    পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এসব রোডে সারারাত গাড়ি চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন চালকরা। যার কারণে প্রতিদিনই ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। শীতের রাতে রাস্তার আশেপাশে চায়ের দোকানগুলোও বন্ধ থাকে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের গরম চা পান করাচ্ছেন তারা।

    স্থানীয় পত্রিকা সূত্রে জানা যায়, দুই জাতীয় সড়কের আমডাঙা, হাবড়া ও বনগাঁ থানা এলাকায়, বনগাঁ-চাকদহ রোডের ধারে গোপালনগর থানা এলাকায় এবং টাকি রোডের ধারে দেগঙ্গা থানা এলাকায় গরম চা বিলি শুরু করা হয়েছে।

    পুলিশ প্রশাসনের এ উদ্যোগে চালকরাও খুশি। ভোর রাতে পুলিশ গাড়ি থামিয়ে মামলার বদলে হাতে চা তুলে দিলে শুরুতে অনেকেই আশ্চর্য হন। কনকনে ঠান্ডায় দীর্ঘ পথ ভারি যান চালিয়ে গরম চা পেয়ে তাদের মধ্যেও ফিরে আসে সতেজতা। সূত্র: বর্তমান

  • সৌদি যুবরাজকে ইসরাইল সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ

    সৌদি যুবরাজকে ইসরাইল সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে ইহুদিবাদী ইসরাইল সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে জেরুজালেম আল-কুদসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিবাদে যখন বিশ্বব্যাপী তীব্র বিক্ষোভ চলছে তখন এই আমন্ত্রণ জানানো হলো।
    ইসরাইলের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসরায়েল কাট্য সৌদি দৈনিক ‘ইলাফ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি সৌদি যুবরাজকে তেল আবিব সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে মোহাম্মাদ বিন সালমানকে ইহুদিবাদীদের সঙ্গে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের আপোষ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করারও আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইলের গোয়েন্দামন্ত্রী।
    এর আগে খবর বেরিয়েছিল, মোহাম্মাদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জেরুজালেম সংক্রান্ত ঘোষণার প্রতি সমর্থন জানিয়ে মাহমুদ আব্বাসকে ওই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছেন।

    তবে মাহমুদ আব্বাস বুধবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওআইসির জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে দেয়া ভাষণে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।  ওই সম্মেলন থেকে জেরুজালেম আল-কুদসকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছে। সম্মেলনে সৌদি রাজা সালমান বা তার পুত্র মোহাম্মাদ বিন সালমান অংশগ্রহণ করেননি। সম্মেলনে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে নীচু পর্যায়ের একজন সরকারি কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়।
    মাহমুদ আব্বাস তার ভাষণে আরো বলেন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কথিত শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করার যোগ্যতা হারিয়েছে আমেরিকা।
    সম্প্রতি আরবি দৈনিক আল-আরাবি আল-জাদিদ খবর দিয়েছিল, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান কয়েক মাস  আগে গোপনে ইসরাইল সফর করেছেন বলে ইহুদিবাদী কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন।
    পর্যবেক্ষকরা সৌদি যুবরাজের তেল আবিব সফরের খবরে অবাক হননি। তারা বলছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে জোর প্রচেষ্টা সৌদি আরব চালাচ্ছে তাতে এ ধরনের সফরে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

  • মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

    মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

    রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যে আচরণ করছে মিয়ানমার, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।

    সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গ্লোবাল ম্যাগনিৎস্কি আইনের অধীনে মিয়ানমারের দায়ীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তা করছে তারা।

    উল্লেখ্য, বিশ্বের যেকোনো স্থানে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন ও দুর্নীতি করার দায়ে গ্লোবাল ম্যাগনিৎস্কি আইনের অধীনে দায়ীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়লে সেসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারে না, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পদ তারা ভোগ করলে তা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

    এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘মিয়ানমারের রাখাইনে সম্প্রতি যেসব ঘটনা ঘটছে এবং রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের  বিরুদ্ধে সহিংস ও নির্যাতনমূলক যে আচরণ করা হচ্ছে, তা নিয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘বেসরকারি গোষ্ঠী ও নজরদারি কমিটিসহ যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই নৃশংসতার জন্য দায়ী হলে তাদের নিশ্চিতভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।’

    গত আগস্ট মাসে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনী বর্বর অভিযান শুরু করলে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এখনো রোহিঙ্গারা আসছে। জাতিসংঘের হিসাবমতে, এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমারের প্রতি বিশ্বসম্প্রদায় আহ্বান জানালেও তাতে কান দেয়নি তারা।

    রোহিঙ্গাদের শত শত গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী ও স্থানীয় উগ্র বৌদ্ধদের হামলায় বহু মানুষ মারা গেছে। গণহত্যা, ধর্ষণ চালানো হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা যেন রাখাইনে নিজেদের বাড়িতে ফিরতে না পারে, সেজন্য বিক্ষোভ-মিছিল করেছে স্থানীয় বৌদ্ধ জনতা।

    রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ এই নির্যাতনকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘ। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নিপীড়ন চালানোর জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর দাবি, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক নয়, তারা বাঙালি। কিন্তু ইতিহাস বলছে, প্রায় সাড়ে ৭০০ বছর ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমরা রাখাইনে বসবাস করছে।

    রোহিঙ্গা নির্যাতনের জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দায়ী করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে তখন তিনি কিছু বলেননি। তবে এবার তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানালো, নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে তারা।

    নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে এশিয়া সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিলিপাইনের ম্যানিলায় আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। মিয়ানমারও আসিয়ানের সদস্য। এমন সময়ে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি নিঃসন্দেহে মিয়ানমারকে চাপে ফেলবে।

    কয়েক মাস ধরে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নির্যাতন-নিপীড়ন চললেও এবারই প্রথম মিয়ানমারকে কড়া ভাষায় ‍হুঁশিয়ারি দিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বারাক ওবামার আমলে মিয়ানমারের ওপর থেকে তুলে নেওয়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আবার বহালের মতো বড় কোনো পদক্ষেপের দিকে যাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ধীরগতির পদক্ষেপের সমালোচনা করছে আন্তর্জাতিক সমালোচকরা।