Category: আন্তর্জাতিক

  • ফ্রান্সের উদ্দেশে হারিরির সৌদি ত্যাগ

    ফ্রান্সের উদ্দেশে হারিরির সৌদি ত্যাগ

    জীবন নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের উদ্দেশে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ত্যাগ করেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ আল-হারিরি।

    ফ্রান্সগামী বিমানে ওঠার আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে দেয়া এক বার্তায় বিষয়টি জানান লেবাননে ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান দল ফিউচার পার্টির এই নেতা।

    সৌদি সফরে গিয়ে গত ৪ নভেম্বর হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা দেন লেবাননে আততায়ীদের হাতে নিহত প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরির ছেলে সাদ হারিরি। তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করেননি দেশটির প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন। পদত্যাগের এই ঘটনাকে সৌদির চাপ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন পক্ষ।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সৌদি আরবে হারিরির পদত্যাগের পর লেবাননে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে শঙ্কা দিয়েছে। এমন বাস্তবতায় সপরিবারে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরোঁর সঙ্গে হারিরির দেখা করার মধ্য দিয়ে সংকটের জট খুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ‘আমি বিমানবন্দরের পথে’, টুইটে বলেন হারিরি।

    লেবাননে নেতৃত্বে থাকা ফিউচার মুভমেন্টের সদস্য ও আইনপ্রণেতা ওকাব সাকর বলেন, ফ্রান্স সফর শেষে বৈরুতে ফেরার আগে ‘আরবে সংক্ষিপ্ত সফর’ করতে পারেন হারিরি। সুইডেন সফররত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আগামী কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশে ফিরতে চান’ হারিরি।

    লেবাননে আকস্মিক সংকট মুখোমুখি করে দিয়েছে আঞ্চলিক দুই বৈরী রাষ্ট্র ইরান ও সৌদি আরবকে। লেবাননে শিয়া মিলিশিয়াদের সংগঠন ও ক্ষমতাসীন জোটের শরিক হিজবুল্লাহকে সমর্থন দিয়ে ইরান আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। অন্যদিকে হারিরিকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে বলে এবং তাঁকে আটকে রেখে সৌদি আরব লেবাননকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ইরান ও হিজবুল্লাহ। দুটি পক্ষই হারিরিকে দ্রুত দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে।

  • পাকিস্তানে অবৈধ ১৫ অভিবাসীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

    পাকিস্তানে অবৈধ ১৫ অভিবাসীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

    পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের ইরান সীমান্তের কাছাকাছি স্থান থেকে বুধবার ১৫ জন পাকিস্তানি অবৈধ অভিবাসীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
    সরকারি কর্মকর্তারা একথা জানিয়েছেন।
    সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা আকবর হারিফল এএফপিকে জানান, কেচ এলাকায় গাড়িসহ তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
    তিনি বলেন, তারা সবাই জাতিগত পাঞ্জাবি এবং অবৈধভাবে ইরান ভ্রমণ করছিলো।
    প্রাদেশিক সরকারের একজন মুখপাত্র আনোয়ার উল হক কাকার ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

  • ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড ইরাক-ইরান সীমান্ত: নিহত ২১১

    ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড ইরাক-ইরান সীমান্ত: নিহত ২১১

    জীবন নিউজ  ডেস্ক: ইরাক ও ইরান সীমান্তবর্তী এলাকায় ৭ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১১ দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  রোববার স্থানীয় সময় রাতে ইরাকের হালাবজা শহর থেকে ২১ মাইল দক্ষিণে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। খবর বিবিসি, সিএনএন ও এনডিটিভির। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে কেরমানশা প্রদেশে অন্তত ২০৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইরাকে ছয়জন মারা যান। ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পাশাপাশি ইসরায়েল ও কুয়েতেও কম্পন অনুভূত হয়। এ সময় আতঙ্কিত লোকজন বাড়িঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের কমপক্ষে আটটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরও অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের কারণে উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে। ইরানের জরুরি সহায়তা বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন শারপল-ই যাহাব শহরে। ইরানি নিউজ চ্যানেল আইআরআইএনএন জানায়, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে পাঠানো হয়েছে উদ্ধারকারী দল। এই চ্যানেলকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রধান মোরতেজা সেলিম জানান, কমপক্ষে আটটি গ্রামে ক্ষতির খবর পেয়েছেন তারা। কিছু গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। সেসব স্থানে টেলিযোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত রয়েছে।

  • রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ১০ প্রস্তাব

    রোহিঙ্গা শরণার্থীদের রক্ষার্থে ১০ প্রস্তাবনা দিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। নিউ ইয়র্কভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থা তাদের প্রস্তাবনায় বলেছে, মিয়ানমারকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে ফেরত নিতে হবে।

    অন্যদিকে, যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে তাদের শরণার্থী হিসেবে গণ্য করতে হবে। এ ছাড়া তাদের বসতবাড়ি ফিরিয়ে দেয়া ও নষ্ট হওয়া সম্পদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথাও বলা হয়েছে প্রস্তাবনায়।

    সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এসব প্রস্তাব দিয়েছে।

    এদিকে, গতকাল থেকে শুরু হওয়া এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলন এবং রোববার ম্যানিলায় ৩১তম আসিয়ান লিডার্স সামিটে (আসিয়ান নেতাদের সম্মেলন) রোহিঙ্গা সংকটকে অগ্রাধিকার দিতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ১০ প্রস্তাবনা নিচে তুলে ধরা হলো:
    ১। যেসব রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছেন, তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে গণ্য করতে হবে। দিতে হবে পূর্ণাঙ্গ শরণার্থী সহায়তা।
    ২। আশ্রয়দাতা দেশ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থাসমূহকে যতটা সম্ভব মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থারা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বৈষম্যহীনভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
    ৩। বাংলাদেশকে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত রাখতে হবে।
    ৪। বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক আচরণবিধি মেনে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য করা যাবে না।
    ৫। মিয়ানমারকে পালিয়ে আশা শরণার্থীদের সসম্মানে ফিরিয়ে নিতে হবে।
    ৬। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে না চাইলে তাদের জোর করে ফেরত পাঠানো যাবে না।
    ৭। শরণার্থী এবং বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গাদের বসতবাড়ি ফিরিয়ে দিতে হবে। নষ্ট হওয়া সমপদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
    ৮। শরণার্থীদেরকে তালিকাভুক্ত করা অব্যাহত রাখতে হবে বাংলাদেশকে।
    ৯। শরণার্থী শিবিরগুলো টেকসই না হওয়ায় তাতে শরণার্থীদের বসবাস প্রলম্বিত করা যাবে না।
    ১০। আপৎকালীন সংকট নিরসনে রোহিঙ্গাদের নিজ আবাস ভূমিতে না পাঠিয়ে নিরাপদ অঞ্চল গড়ে তুলে সেখানে প্রত্যাবাসনের যে অভিপ্রায় মিয়ানমার ব্যক্ত করেছে, তা কোন গ্রহণযোগ্য সমাধান নয়।

    উল্লেখ্য, ২৫শে আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী উত্তর রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত জাতি নিধনের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এই অভিযানজুড়ে সে দেশের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট এবং তাদের ঘরবাড়ি ও সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। এ পর্যায়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছয় লাখ তেরো হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে এখন মোট রোহিঙ্গার সংখ্যা দশ লাখেরও বেশি। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এই নারকীয় বর্বরতাকে ইতিমধ্যেই মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

  • পাকিস্তানে তাবলিগ জামাতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ২৭

    পাকিস্তানে তাবলিগ জামাতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ২৭

    জীবন নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের চাকওয়ালে তাবলিগ জামাতে যাওয়ার পথে বাস দুর্ঘটনায় ২৭ আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৬৪ জন। বুধবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, তাবলিগ জামাতে যোগ দিতে কোহাট থেকে রায়বন্দে যাচ্ছিলেন মুসল্লিরা। পথে চাকওয়াল এলাকায় দুর্ঘটনায় পড়ে বাসটি। স্থানীয় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ভোররাত পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে গুরুতর আহত ১৩ জনকে রাওয়ালপিন্ডি হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতদের হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর জানানো হয়, বাসচালক এলাকাটি ভালোভাবে চিনতেন না বলেই অন্ধকারে গিরিখাদের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পর পাকিস্তানের রায়বন্দ এলাকায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ তাবলিগ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

  • ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের অভিযোগ সৌদি যুবরাজের

    ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের অভিযোগ সৌদি যুবরাজের

    সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ‘সরাসরি সামরিক আগ্রাসনের’ জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করেছেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একথা বলা হয়েছে।  মঙ্গলবার সৌদি প্রেস এজেন্সি যুবরাজের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘হুতি বিদ্রোহীদের কাছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ তেহরান সরকারের সরাসরি সামরিক আগ্রাসনের শামিল।’ তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
    যুবরাজ সালমান বলেন, ‘এটাকে যুদ্ধ হিসেবে দেখা যেতে পারে।’ উল্লেখ্য, শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উত্তর পাশে ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করে দেয় সৌদি বাহিনী। এ হামলার সঙ্গে ইরান জড়িত বলে অভিযোগ করে সৌদি সরকার। এএফপি।