জীবন নিউজ, ডেস্ক: স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয় বলেছেন যে তিনি কাতালান সংসদ ভেঙে দিয়েছেন এবং সেখানে আঞ্চলিক নির্বাচন আহ্বান করা হয়েছে। শুক্রবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করার প্রেক্ষাপটে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিবিসি অনলাইনের এক খবরে জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয় বলেন, এ অঞ্চলের স্বাভাবিক অবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য কাতালোনিয়ার ওপর প্রত্যক্ষ শাসন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন ছিল। তিনি কাতালান নেতা কার্লোস পুজেমন এবং তাঁর মন্ত্রিসভার ওপরও খড়গহস্ত হয়েছেন। এর আগে কাতালান সংসদ একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণার পক্ষে ভোট দেয়।
স্প্যানিশ সিনেট কাতালোনিয়ার স্বায়ত্তশাসন স্থগিত করার জন্য রাহয় সরকারের হাতে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রদান করেছে এবং মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাহয় এ ঘোষণা দেন। এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন কিছু হোক, সেটা কখনোই চাইনি।’ সেই সঙ্গে তিনি ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও আইনি’ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান। আগামী ২১ ডিসেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী রাহয় কাতালান পুলিশপ্রধানকে বরখাস্ত করারও ঘোষণা দেন।
এদিকে, কাতালান সংসদ স্বাধীনতা ঘোষণা করার পক্ষে ভোট দেওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। তারা বলে, এই পদক্ষেপের মানে হচ্ছে, তারা আর স্পেনের অধীনে নেই। কিন্তু স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এটি অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন, যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলো স্পেনের ঐক্যে সমর্থন করে।
Category: আন্তর্জাতিক
-
কাতালান সংসদ ভেঙে দিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
-

ফের মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
জীবন নিউজ, ডেস্ক: সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো বর্বরতায় ক্ষিপ্ত হয়ে এবার মিয়ানমারের ওপর সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গ্লোবাল ম্যাগনিৎস্কি আইনের আওতায় এ অবরোধ আরোপের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্স।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা, রোহিঙ্গা এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন, নিপীড়নের ঘটনায় আমরা সত্যিই খুব উদ্বিগ্ন।
ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, কেউ নৃশংসতার জন্য দায়ী থাকলে তাদেরকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।
গত আগস্টে মিয়ানমারের বেশ কিছু পুলিশ চেকপোস্টে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। অভিযানের নামে ওই এলাকায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন, নারীদের ধর্ষণ, নির্বিচারে গুলি করে বেসামরিক লোকজনকে হত্যা করা হয়।
গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্র রেক্স টিলারসন বলেছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকটের জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নেতৃত্বকেই দায়ী মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।
জাতিসংঘের তরফ থেকে বলা হয়েছে, রাখাইনে জাতিগত নিধন চালিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তবে এ ধরনের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমার সরকার।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর অত্যাচার, নির্যাতনের কারণে প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে বাংলাদেশে পালাতে বাধ্য হয়েছ।
টিলারসন বলেন, বার্মায় রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা কিছু ঘটছে তা নিয়ে আমরা দারুণভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, আমি দেশটির সরকারের বেসামরিক অংশের নেতা অং সান সু চির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। সেখানে (রাখাইনে) যা কিছু ঘটছে তার জন্য সেনাবাহিনীর নেতৃত্বই দায়ী।আগামী মাসের শেষে আসিয়ানের এক সম্মেলনে যোগ দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেসময় তিনি মিয়ানমারসহ আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে সফর করবেন।
তার এই সফরের আগেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তরফ থেকে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে তাদের পরিকল্পনার কথা জানানো হলো। তবে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন খুব ধীর গতিতে সাড়া দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। -

জীবনে সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত বিয়ের দিন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
জীবন নিউজ, ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহিদ খাকান আব্বাসী বলেন, জীবনে সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত ছিল বিয়ের দিন। নওয়াজ শরীফের পদত্যাগের পর দলের পক্ষ থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের ব্যক্তি জীবন নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
খাকান আব্বাসী বলেন, এখন সময় হয়েছে ঘরে ফেরার। আমরা ২০১৮ সালের মধ্যে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ পাকিস্তান দিয়ে যাবো। নওয়াজ শরীফের পদত্যাগে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়ে। অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রভাবও চোখে পড়া শুরু হয়েছে। সরকারের সাফল্যের জবাব জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে দিবে। গণতন্ত্রে প্রতিটি ব্যক্তির রায় দেওয়ার অধিকার রয়েছে।
তিনি বলেন, পাকিস্তানে গত চার বছরে যে উন্নতি হয়েছে গত ১৫ বছরেও তা হয়নি। -
কাতার সংকটের শিগগিরই সমাধান হবে: এরদোয়ান
কাতারের সঙ্গে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের চলমান সংকটের শিগগিরই অবসান ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বৃহস্পতিবার রাজধানী ইস্তাম্বুলে টিআরপি ওয়ার্ল্ড ফোরামে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সন্ত্রাসবাদে মদদদানের অভিযোগে রিয়াদের নেতৃত্বে সৌদি আরবসহ আরও কয়েকটি দেশ গত ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। দেশগুলো দোহার কাছে ১৩টি দাবির একটি তালিকা পাঠিয়ে বলেছে, এগুলো না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা যাবে না। এর মধ্যে কাতারে তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবিও ছিল।
প্রতিক্রিয়ায় এরদোয়ান বলেছেন, কাতার থেকে তুর্কি সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ‘তুরস্কের প্রতি অসম্মান’ করা হয়েছে। এ সময় কাতারের সঙ্গে এর আগে করা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অটল থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
-
দৈনিক ১৫ হাজার শিশু মারা যায়: ইউনিসেফ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় সবচেয়ে কম। কিন্তু নবজাতকের (জন্মের পর প্রথম ২৮ দিন) মৃত্যু সে হারে কমেনি।
জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। ২০০০ সালে বিশ্বে বছরে প্রায় এক কোটি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মারা যেত। ২০১৬ সালে এটি ৫৬ লাখে নেমে এসেছে। তবে এ নিয়ে উচ্ছ্বাসিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ আফ্রিকার সাব-সাহারা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় পরিস্থিতির এখনো আশানুরূপ উন্নতি হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে দৈনিক গড়ে ১৫ হাজার শিশু মারা যায় এমন সব রোগে, যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
ইউনিসেফ বলছে, শিশুমৃত্যুর বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে ২০১৭ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরে বিশ্বে ৩ কোটি নবজাতক মারা যাবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এক থেকে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যুর হার যে হারে কমেছে, নবজাতকের (জন্মের পর প্রথম ২৮ দিন) মৃত্যু সে হারে কমেনি। এখনো বিশ্বে দৈনিক গড়ে সাত হাজার নবজাতক মারা যায়।
১৯৯০ সালে বিশ্বে ১ কোটি ২৬ লাখ শিশু মারা গিয়েছিল। ২০০০ সালে বছরে প্রায় এক কোটি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মারা গেছে। ২০১৫ সালে বিশ্বে ৫৯ লাখ শিশু মারা গেছে। ২০১৬ সালে তা আরও কমে ৫৬ লাখে নেমে এসেছে। এদের বেশির ভাগ অপুষ্টি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, এখনো অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে। কারণ শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশের নিচে নামিয়ে আনার জাতিসংঘের লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি।
ইউনিসেফের জ্যেষ্ঠ জনসংখ্যাবিদ ড্যানজেন ইউ বলেন, সুখবর হচ্ছে, শিশুমৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে ১৯৯০ সালের পর বিশ্বের অর্জন অসাধারণ। গত দশকগুলোতে বিনিয়োগের ফলে এই ফলাফল পাওয়া গেছে। তবে আরও অনেক কিছু অর্জন বাকি আছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রার আওতায় অনেক দেশ প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিশুমৃত্যুর হার কমাতে পারেনি।
শিশুমৃত্যুর হারের দিক থেকে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় আছে সোমালিয়া। সেখানে জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ১৩৩টি শিশু মারা যায়। যুক্তরাজ্যের অবস্থা বেশ ভালো। সেখানে জীবিত ভূমিষ্ঠ হওয়া প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে চারটি শিশু মারা যায়।
শিশুমৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ এশিয়ায় (৩৯ শতাংশ)। এরপর আছে যথাক্রমে আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চল (৩৮ শতাংশ)।
-

সাতজন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করল শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাতজন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে গ্রেফতার করল শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী৷ একটি ট্রলারসহ তাদেরকে আটক করা হয়৷
দেশের সীমানালঙ্ঘন করে শ্রীলঙ্কার সমুদ্রের সীমানায় ঢুকে পড়ার পর গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের৷ শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে৷
জানা গেছে, এরা প্রত্যেকেই তামিলনাড়–র বাসিন্দা৷ পাম্বান এলাকা থেকে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রথমে এই সাত মৎস্যজীবীকে মৎস্য তদারকি দফতরে পাঠানো হয়৷ পরে তালাইমান্নার পুলিশ স্টেশনে তাদেরকে পাঠানো হয়েছে৷ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ তবে, এই ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে৷