Category: গণমাধ্যম

  • কোটচাঁদপুরে মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে খুলনা-উত্তরবঙ্গ রেল যোগাযোগ বন্ধ

    কোটচাঁদপুরে মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে খুলনা-উত্তরবঙ্গ রেল যোগাযোগ বন্ধ

    জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুরে মালবাহী ট্রেনের ৩টি ট্যাংকার লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে খুলনার সাথে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে । আজ  ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কোটচাঁদপুরের সাফদারপুর রেল স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    ‎‎
    সাফদারপুর স্টেশন মাস্টার মো. গোলাম রসুল নয়ন জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী তেলবাহী ট্রেনটি সাফদারপুর স্টেশনের কাছে পৌঁছালে সকাল ৬ টার দিকে পেছনের ৩টি ট্যাংকার লাইনচ্যুত হয়। এতে বন্ধ হয়ে যায় খুলনার সাথে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল।

    তিনি জানান, খুলনা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে এসেছে। উদ্ধার কাজ চলছে।

  • দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট সংকট; পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ

    দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট সংকট; পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যালট পেপার সংকটে স্থানীয় নির্বাচন ব্যাহত হওয়ায় পুনর্নির্বাচনের দাবিতে রোববার ভোররাত পর্যন্ত বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার নাগরিক।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    গত বুধবারের নির্বাচন ছিল প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম জাতীয় ভোট। তিনি ২০২৪ সালের শেষ দিকে সংক্ষিপ্ত সামরিক শাসন জারির ঘটনায় রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল।

    নির্বাচনে মেয়র, স্থানীয় সরকার ও সংসদ সদস্য পদে অধিকাংশ আসনে জয় পেয়েছে লি’র ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। তবে গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী সিউলের মেয়র পদটি দখলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

    এদিকে, ব্যালট পেপার সংকট নিয়ে জনরোষের মুখে শুক্রবার পদত্যাগ করেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (এনইসি) চেয়ারম্যান নো তাই-আক। কমিশন জানিয়েছে, রাজধানী সিউলের ৩০টিসহ পুরো দেশের ৫০টি ভোটকেন্দ্রে এই সংকট দেখা দিয়েছিল।

    ইয়োনহাপ সংবাদ সংস্থা পুলিশের বরাত দিয়ে জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় সিউলে প্রায় ১০ হাজার মানুষ এসকে অলিম্পিক হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে জড়ো হয়। সেখানেই নির্বাচনের ব্যালট গণনা করা হচ্ছিল।

    এএফপির সাংবাদিক জানান, রোববার ভোর ২টা পর্যন্ত অন্তত এক হাজার বিক্ষোভকারী সেখানে অবস্থান করছিলেন। তাদের বেশিরভাগের বয়সই ২০ থেকে ৩০-এর কোঠায়। তারা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ‘পুনর্নির্বাচন চাই, পুনর্নির্বাচন চাই’ স্লোগান দেন।

    তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা পানি, কফি ও চকলেট বিতরণ করেন। কেউ কেউ পোষা প্রাণী সঙ্গে এনেছিলেন, আবার অনেকে পিকনিক ম্যাটে বসে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে রাতভর অবস্থান করেন।

    ৩১ বছর বয়সী সিও জিন-হি এএফপিকে বলেন, ’রাজনৈতিক অবস্থান যাই হোক না কেন, ভোট দিতে না পারা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের লঙ্ঘন।’

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক নির্বাচনে আগাম ভোটদানের কারণে বিপুল সংখ্যক ব্যালট অব্যবহৃত থেকে যাওয়ায় এবার মোট যোগ্য ভোটারের মাত্র ৫০ শতাংশের জন্য ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছিল।

    ফলে কিছু ভোটার ভোট না দিয়েই ফিরে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ২৯ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী পার্ক সউন-ওক বলেন, ‘কমিশনের এই ব্যাখ্যা একজন সাধারণ নাগরিকের কাছেও মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

    তিনি এএফপিকে আরও বলেন, ‘আমার পছন্দের প্রার্থী জিতল কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব কিছুর ঊর্ধ্বে, আমি মনে করি এই নির্বাচন অবশ্যই পুনরায় হওয়া উচিত।’

  • গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না, সঠিক চেহারা দেখাতে এর বস্তুনিষ্ঠতা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না, সঠিক চেহারা দেখাতে এর বস্তুনিষ্ঠতা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্র, সমাজ এবং আধুনিক সভ্যতার এক অপরিহার্য আয়না। শুধু ব্যাংকিং খাত নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রকে স্বচ্ছ করার পেছনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

    তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের এই আয়না বা সিস্টেমের ভেতরে যদি কোনো গুণগত ত্রুটি থাকে, তবে তা সঠিক প্রতিবিম্ব দেখাতে পারে না। তাই নিজের সঠিক চেহারা ও সমাজকে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের একমাত্র মানদ- ও শক্তি হতে হবে ‘বস্তুনিষ্ঠতা’। ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্য যাচাইয়ের মেকানিজম ছাড়া গণমাধ্যমের বিশ্বস্ততা অর্জন সম্ভব নয়।’

    আজ রোববার সকালে রাজধানীর পল্টনে ইআরএফ মিলনায়তনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘ব্যাংকখাতে সুশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইআরএফ প্রেসিডেন্ট দৌলত আকতার মালা এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি আবুল কাশেম।

    সেমিনারে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার, ডেইলি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান জাহিদ এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র যদি সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারে বা সমাজ যদি ব্যর্থ হয়, তবে শুধু বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্তভাবে গণমাধ্যমের উপস্থিতির কারণে একটি সুন্দর ব্যাংকিং খাতে সুশাসন বিরাজ করবে- এটা আশা করা যায় না। এটি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, রাষ্ট্র এবং সমাজের সুশাসনের প্যারামিটারের মাপেই ব্যাংকিং খাতে গণমাধ্যমের ভূমিকা নির্ধারিত হবে।’

    রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের ওপর জোর দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বেই বলেছিলেন- ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। তাঁর সেই দূরদর্শী কণ্ঠকে প্রতিধ্বনিত করে আমাদের সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যদি প্রশাসন, গণমাধ্যম এবং দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে সংস্কার কমিশন গঠন করতে পারি, তবে অর্থনীতির মূল প্রবাহ তথা ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কেন করব না? ব্যাংকিং খাতের ত্রুটি ও ক্ষতগুলো দূর করতে আমরা অবশ্যই ‘ব্যাংকিং কমিশন’ গঠন করব।’

    অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য শুধু ব্যাংকের ওপর চাপ না বাড়িয়ে পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজারকে পুঁজির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তোলার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের যে দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন, তা আজ বহুদূর বিস্তৃত। কিন্তু বর্তমানে এক শ্রেণীর ‘নন-পারফর্মার’ আমানতকারী ও শেয়ার বাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অর্থ টার্গেট করে অনিয়ম করছে, যাদের কঠোর হস্তে দমন করা প্রয়োজন।

    সাংবাদিকদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশের ওপর সাম্প্রতিক কড়াকড়ির প্রতি ইঙ্গিত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কে ব্যাংকের ফার্স্ট ফ্লোর, থার্ড ফ্লোর নাকি লাস্ট ফ্লোরে ঢুকলেন- সেটা আমার কাছে বড় প্রশ্ন নয়। আমার কাছে মূল প্রশ্ন হলো ‘এক্সেস টু ইনফরমেশন’ বা তথ্যের অবাধ প্রাপ্তি। তথ্য যেখানেই থাকুক, সাংবাদিকদের সেখানে পৌঁছানোর অধিকার থাকতে হবে। সব তথ্য যাতে উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ থাকে, তা নিশ্চিত করাই সুশাসনের প্রথম শর্ত।’

    তিনি অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের প্রশংসা করে বলেন, অর্থনৈতিক সাংবাদিকতাই ব্যাংকিং সুশাসনের একমাত্র পাহারাদার হিসেবে কাজ করছে। মানুষের জানার অধিকার রক্ষা এবং নীতি-পরিকল্পনা প্রণয়নে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী তৎপরতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

    সেমিনারে ইআরএফ-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সনদনির্ভর নয়, দক্ষ ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

    সনদনির্ভর নয়, দক্ষ ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তি নির্ভর এবং বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

    তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই।’

    তিনি আজ রোববার সকালে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণ শুধুমাত্র দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকারই কেড়ে নেয়নি কিংবা দেশের সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকেই অকার্যকর করে দেয়নি, শিক্ষা ব্যবস্থাকেও বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।’

    একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ অর্জন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যেসব সাহসী মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের অবদানকে সম্মান জানাতে আমাদের শিক্ষা-দীক্ষায়, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কষ্টকর হবে।’

    উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারাদেশে ২ হাজারের বেশি অধিভুক্ত কলেজে বর্তমানে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার সংকট নিরসন এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে এই প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

    প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অটোমেশন এবং এআই-চালিত প্রযুক্তির কারণে অনেক পুরোনো পেশা ঝুঁকির মুখে পড়লেও নতুন অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে। এই প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানো টেকনোলজি এবং ফাইভ জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে প্রাথমিক থেকে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত শিক্ষাক্রমকে বাস্তবভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার কাজ শুরু করেছে।’

    প্রধানমন্ত্রী উচ্চশিক্ষিত পর্যায়ে বেকারত্বের হার কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘সর্বোচ্চ একাডেমিক সার্টিফিকেট অর্জন করলেও প্রায়োগিক দক্ষতার অভাবে অনেকেই বেকার থাকছেন। এই পরিস্থিতি উত্তরণে সরকার এপ্রেন্টিসশীপ, ইন্টার্নশীপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মদক্ষতা অর্জন করতে পারেন।’

    তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  বলেন, ‘ক্যাম্পাস থেকেই ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরি করতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া’ বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় ‘সিড ফান্ডিং’ বা ‘ইনোভেশন গ্র্যান্ট’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে তরুণরা চাকুরির পেছনে না ছুটে নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে।’

    প্রযুক্তির পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন মানবিক মানুষ হয়ে ওঠার জন্য নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। দক্ষতা ও মডার্নাইজেশনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আরও যত্নশীল হতে হবে।’

    এ ছাড়া বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় আরেকটি ভাষা শিখতে পারলে দেশে-বিদেশে চাকুরির অভাব হবে না বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    শিক্ষকদের সমাজ পরিবর্তনের অগ্রদূত ও রোল মডেল হিসেবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ছাত্র ও যুবশক্তিকে প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল হবে।’

    জাতীয় উন্নয়নকে একটি সম্মিলিত যাত্রা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, নাগরিক সমাজ এবং শিল্পখাতসহ সকলের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা কামনা করেন।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বক্তব্য রাখেন।

  • রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি

    রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি

    এবছর রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখা উপ সচিব শবনম মুস্তারী রিক্তা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষ্যে গত ৩ মে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

    এ উপলক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, উপজেলা প্রশাসনসহ দেশের প্রায় সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

    কার্যবিবরণী বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে স্মারক পাঠানো হয়েছে।

    একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে।

    জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও কার্যবিবরণীতে নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    মাঠ প্রশাসনের অংশ হিসেবে দেশের সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছেও কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও দিবসটি উদযাপনের জন্য সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    দিবসটি উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন, ধর্ম, সমাজকল্যাণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক, প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ, বাণিজ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

    এতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতভিত্তিক বিশেষ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    এদিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে সারাদেশে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা, আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।

  • শিশু রামিসা হত্যার দায়ে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

    শিশু রামিসা হত্যার দায়ে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

    রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    আজ (রোববার) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

    মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থদণ্ডের টাকা রামিসার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা দিতে না পারলে আসামি সোহেল ও স্বপ্নার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তা দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

    রায় ঘোষণার আগে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

    এর আগে গত ৪ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।

    সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

    ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।
    এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

    এ ঘটনায় গত ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।

    গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।

    গত ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।