Category: প্রচ্ছদ

  • কুমিল্লা নগরীর চর্থায় দুর্ধর্ষ চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

    কুমিল্লা নগরীর চর্থায় দুর্ধর্ষ চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

    কুমিল্লা নগরীর চর্থা এলাকায় মতিন খন্দকারের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল ঘরে ঢুকে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৯০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আলম খন্দকার জানান, তার মেয়ে ইফতার করার জন্য তাদের বাড়িতে আসায় বাসাটি কিছু সময়ের জন্য ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে চোরের দল ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে যায়।

    ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

    এভাবে নগরীর আবাসিক এলাকায় প্রকাশ্যে চুরির ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) রাজধানীর তোপখানা রোডের ট্রপিকানা টাওয়ারের লেভেল-৫ এ অবস্থিত ফেনী সমিতি কার্যালয়ে। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

    সম্মেলনে মোঃ নূরুল ইসলামকে সভাপতি এবং মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে মহাসচিব করে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব জনাব ড. ফরিদুল ইসলাম, জনাব জাকির হোসেন কামাল, জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান এবং জনাব এ কে এম এহসানুল হক। অনুষ্ঠানে পরিষদের সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম ও মহাসচিব মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও কার্যকরী সভাপতি মো: হোছাইনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাবেক সচিব ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন- যারা বিগত দিনে খেয়ে না খেয়ে আমাদের সাথে মামলা-মোকদ্দমা, ঝড়-ঝঞ্জা, নানা বিপদ কিংবা নিজের চাকরি হারানোর ভয় উপেক্ষা করে পল্টনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তাদেরকে অবশ্যই প্রথম সারিতে রাখতে হবে। লাইন ক্রস করা যাবেনা। যাদের ত্যাগ বেশি তারা সামনের সারিতে থাকবেন। যোগ্যতা দিয়ে প্রমাণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা আপনাদের সব বিষয় উপলদ্ধি করি। অধৈর্য হবার কিছু নেই। সরকার অনেক বড় সকলকে নিয়েই সরকার কাজ করবে। সরকার চালাতে হলে বিশ্বস্থ লোক প্রয়োজন। তাই সরকার হতে আপনাদের ডাক আসবে। এছাড়াও তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তির সকলকে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

    সাবেক সচিব জনাব জাকির হোসেন কামাল বলেন, আমি দেখেছি আপনারা কিভাবে খেয়ে না খেয়ে কতটা অসহায় অবস্থায় বছরের পর বছর বিভিন্ন কলোনীতে ঘুরে ঘুরে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে একত্রিত করেছেন। জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে কাজ করার কারণে আপনারা কি পরিমাণ হয়রানীর স্বীকার হয়েছেন। সরকার মাত্র ক্ষমতায় আসছে অধৈর্য হওয়া যাবেনা। এমন কোন কাজ করা যাবেনা যাতে জাতীয়তাবাদী শক্তির দুর্নাম হয়। আপনারা দেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া, জনাব তারেক রহমানকে কিভাবে অত্যাচার করা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে যে অবজ্ঞাসূচক আচরণ করা হয়েছে, সে তুলনায় আমাদের ত্যাগ কিছুইনা। কোনরূপ দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে আমরা কেহ জড়াবোনা যাতে জাতীয়তাবাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়।

    বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব এ কে এম এহসানুল হক বলেন, আপনারা বিগত সময়ে নিজেদের মন্ত্রী/এমপি বানানোর জন্য কাজ করেননি। শুধুমাত্র জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ক্ষমতায় আনার জন্য কাজ করেছেন। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসার পর আপনারা কেউ কিছু পাননি। সে ব্যর্থতা আমাদেরও আছে। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসছে খুব অল্প সময়। আমি আশা করি সামনে আপনাদের সুযোগ আসবে। আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে আপনাদের চাকরি হারানোর বিষয়টি সবচেয়ে ভাল জানতেন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন। কিন্তু তিনি অনেক ব্যস্ত । বিষয়টি আমরা তাকে স্মারণ করিয়ে দিব। আপনাদের ত্যাগের কথা তুলে ধরলে কেউ আপনাদের ফেলে দিতে পারবেনা। আমাদের আন্দোলন সংগ্রামের জন্যই জাতীয়তাবাদী দল আজ ক্ষমতায় আসছে, এ কৃতিত্ব কারো একার নয়। তাই আমাদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে। তবে দল ক্ষতিগ্রস্থ হয় এমন কোন কাজ করা যাবেনা। চাকরি যাওয়ার পর আপনারা অনেকে ঈদের দিনও ভাল খাবার সন্তানদের মূখে তুলে দিতে পারেননি, এমনকি সন্তানদের স্কুলের বেতন পযন্ত দিতে পারেননি সবকিছুই আমাদের জানা আছে।

    বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে মহাসচিব মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন।

    নবগঠিত কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন-কার্যকরী সভাপতি মোঃ হোছাইন, সিনিয়র সহসভাপতি কাজী জহিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মুহা. জাকির হোসেন, মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ সাইদুল ইসলাম তালুকদার, হান্নান সরদার ও গাজীউর রহমান।

    এছাড়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ ওবায়দুল ইসলাম রবি, যুগ্ম-মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আশিকুল হক শহীদ, মোঃ মিলন মোল্লা, আবুল হাসনাত, মোঃ মোশারফ হোসেন রতন, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ বেলাল হোসেন এবং মোঃ হুমায়ুন কবির।

    সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন, মোঃ মোফাচ্ছেল হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাজমুল হাসান। অর্থ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। দপ্তর সম্পাদক মোঃ শামীম আহম্মেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন। আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এবং প্রচার সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন।

    এছাড়াও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হিসেবে সাজিয়া কোরাইশি এবং সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হিসেবে শারমিন সুলতানাসহ ৭১ জনকে নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • শরীরে জিংকের ঘাটতি পূরণে করণীয়

    শরীরে জিংকের ঘাটতি পূরণে করণীয়

    খাদ্যের একটি খনিজ উপাদান হলো জিংক। এটি শরীরের জন্য খুব প্রয়োজনীয় এক উপাদান, যা প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা বা ইমিউনিটিকে জোরদার করে। এ কারণে দেখা গেছে, যাদের জিংকের ঘাটতি রয়েছে তারা সহজেই নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়।

    জিংকের কাজ কী?

    শৈশবকালীন শারীরিক বৃদ্ধিতে জিংকের ভূমিকা রয়েছে। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে শরীরের জন্য ক্ষতিকর মুক্ত মৌলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। শরীরের প্রায় ৩০০ ধরনের উৎসচক বা এনজাইমের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান জিংক। এসব উৎসচক শরীরের বিপাক, হজম, স্নায়বিক কার্যক্রমসহ অসংখ্য কাজ সম্পাদন করে। আমাদের স্বাদ ও ঘ্রাণের অনুভূতি দেয় জিংক। এটি হাড় গঠনে অংশ নেয়। এর অভাবে হাড়ক্ষয়ও হয়ে থাকে। জিংকের অভাবে স্নায়ুবৈকল্য হতে পারে। জিংক উপাদানটি শরীরে উৎপন্ন হয় না, শরীরে সঞ্চিতও থাকে না। প্রতিদিনের খাদ্যে এটির সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

    জিংকের ঘাটতি থাকার লক্ষণ

    জিংকের অভাবে শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। এগুলো হলো-

    * স্বাদ ও ঘ্রাণের অনুভব হ্রাস

    * ক্ষুধামন্দা বা অরুচি

    * হতাশা ভাব

    * ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া

    * ডায়রিয়া

    * চুল ঝরে পড়া ইত্যাদি।

     

    অতিরিক্ত গ্রহণের বিপদ

    তবে অতিরিক্ত জিংক গ্রহণ করলে শরীরে বিপদ নেমে আসতে পারে।

    জিংকের আধিক্য কপার শোষণে বাধা দেয়। এর ফলে অ্যানিমিয়া হতে পারে। এর পাশাপাশি দেখা দিতে পারে-

    * বমি ভাব, বমি

    * অরুচি

    * পেটে ব্যথা

    * মাথা ব্যথা

    * পাতলা পায়খানা

     

    কাদের শরীরে ঘটতি বেশি?

    খাদ্যে পর্যাপ্ত উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও জিংকের ঘাটতি দেখা দিতে পারে কিছু মানুষের। জিংকের ঘটতি দেখা দেওয়ার ঝুঁকিতে আছেন যাঁরা-

    * যাদের অন্ত্রনালির রোগ যেমন- ক্রোনস নামক রোগ রয়েছে

    * নিরামিষভোজী

    * গর্ভবতী এবং দুগ্ধদায়ী মা

    * শুধু বুকের দুধের ওপর নির্ভরশীল ছয় মাসের অধিক বয়সী শিশু

    * ক্রনিক কিডনি কিংবা লিভারের রোগী

    * সিকল সেল অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত রোগী

    * অ্যালকোহলসেবী

    * অপুষ্টি আক্রান্ত ব্যক্তি

     

    জিংকের উৎস

    জিংকের অন্যতম প্রধান উৎস হলো সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য খাবার। যেমন কাঁকড়া, ঝিনুক, চিংড়ি, মাংস, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, বাদাম, শিম, মাশরুম ইত্যাদি। শাক-সবজিতে বিদ্যমান জিংক শরীর সহজে হজম করতে পারে না, সে জন্য নিরামিষভোজীদের অতিরিক্ত জিংক গ্রহণ করা দরকার। একজন পুরুষ ও নারীর দৈনিক যথাক্রমে ১১ ও ৮ মিলিগ্রাম জিংক প্রয়োজন। গর্ভবতী এবং দুগ্ধদায়ী মায়েদের চাহিদা আরো বেশি।

    খাদ্যে প্রাপ্ত জিংকের পাশাপাশি কখনো প্রয়োজন পড়ে অতিরিক্ত সরবরাহের। সে ক্ষেত্রে দেহের চাহিদা পূরণের জন্য জিংক ট্যাবলেট, সিরাপ অথবা লজেন্স দেওয়া যেতে পারে।

  • ইরাকের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত

    ইরাকের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত

    ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিফুয়েলিং বিমান ইরাকের আকাশে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। এসব রিফুয়েলিং বিমানের মাধ্যমে যুদ্ধবিমানকে মাঝ আকাশেই জ্বালানি সরবরাহ করা হয়।বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরাকের আকাশসীমায় থাকা দুটি বিমানের মধ্যে একটি কেসি-১৩৫ মডেলের বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। অন্য বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। সেন্টকম জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে-কোনো শত্রুপক্ষের হামলা বা ভুলবশত ছোড়া গোলার আঘাতে এই দুর্ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, কিছু অসমর্থিত সূত্রের দাবি-বিমানটিতে পাইলটসহ মোট ছয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তারা সবাই নিহত হয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আরেকটি সূত্র বলছে, দুর্ঘটনায় অন্তত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

    সূত্র: আল জাজিরা।

  • জয় দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

    জয় দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

    জয় দিয়ে সিরিজ শুরুর লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সম্প্রতি অনেক বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার পর ওয়ানডে ফরম্যাটের ছন্দে ফেরাটা টাইগারদের জন্য জরুরি। পাশাপাশি ২০২৭ সালের আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করাও প্রধান লক্ষ্য বাংলাদেশের।

    আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দলের প্রস্তুতির জন্য ভাল ব্যাটিং উইকেটও প্রয়োজন বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। প্রথম ওয়ানডের আগে মিরাজ জানান, আগামী বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে ভাল উইকেটে খেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে আমাদের।

    মিরাজ বলেন, ‘বিশ্বকাপের উইকেট সবসময় ভাল হয়ে থাকে এবং আমরা এখন থেকেই ভাল উইকেটে খেলার অভ্যাস করতে চাই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আগে আমাদের অনেক ম্যাচ আছে। পরিকল্পনা হল, ভাল উইকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা। আমরা যদি ভাল উইকেটে বেশি বেশি খেলতে পারি তাহলে আমাদের জন্যই ভাল হবে। একই সাথে আমাদের এটাও মনে রাখতে হবে বিশ্বকাপে আমাদের সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তাই আমরা যে দলগুলোর সাথে খেলব সেসব দলের বিপক্ষে আমরা ঘরের কন্ডিশনের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করব।’

    বাংলাদেশের মাটিতে ২০১৫ সালে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে পাকিস্তান। ঐ সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান।

    গত বছর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ সফর করেছিল পাকিস্তান। এ সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল পাকিস্তান।

    সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৯টি ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। এরমধ্যে বাংলাদেশের জয় ৫টিতে, পাকিস্তান জিতেছে ৩৪ ম্যাচে। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫ জয়ের চারটি এসেছে ২০১৫ সালে। তবে অতীত রেকর্ড খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ ওয়ানডেতে শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে টাইগাররা।

    কিন্তু ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরমেন্স হতাশাজনক। তারপরও পাকিস্তানের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই শুরু করবে বাংলাদেশ। কারণ ঘরের মাঠের সুবিধা ও রেকর্ডে এগিয়ে টাইগাররা। পাশাপাশি এবার অনভিজ্ঞ দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছে পাকিস্তান।

    পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি বলেন, ‘অবশ্যই, ঘরের মাঠে যেকোন দলই বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে নামে। এটা খুবই স্বাভাবিক। আমার মনে হয়, বাংলাদেশের একটি ভাল দল আছে এবং তারা হোম কন্ডিশনে খুব ভাল ক্রিকেট খেলে থাকে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও অন্যান্য দলকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আমরা দল হিসেবে প্রস্তুত। দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলংকার বিপক্ষে আমরা সর্বশেষ দুই ওয়ানডে সিরিজ জিতেছি। সম্প্রতি ওয়ানডেতে আমরা ভাল খেলেছি। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।’

    বাংলাদেশ দল : মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।

    পাকিস্তান দল : শাহিন শাহ আফ্রিদী (অধিনায়ক), আব্দুল সামাদ, আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফয়সাল আকরাম, হারিস রউফ, হুসেইন তালাত, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, মুহাম্মদ গাজী ঘোরি (উইকেটরক্ষক), সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান আলি আগা ও শামিল হুসেইন।

  • ঈদের ছুটিতে সীমিত আকারে চলবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম : এনবিআর

    ঈদের ছুটিতে সীমিত আকারে চলবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম : এনবিআর

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সীমিত আকারে কাস্টমস হাউস ও স্টেশনসমূহে কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস নীতি শাখার দ্বিতীয় সচবি রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন এড়াতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ছাড়া) সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে কাস্টমস হাউস ও কাস্টমস স্টেশনগুলোতে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত কার্যক্রম চালু রাখা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস হাউস ও কাস্টমস স্টেশনগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এনবিআরের পক্ষ থেকে বিষয়টি অবহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সব বাণিজ্যিক ব্যাংক, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    এ নির্দেশনার ফলে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটির সময়েও দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং বন্দরভিত্তিক বাণিজ্য কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।