Category: প্রচ্ছদ

  • জ্বালানি তেল বিক্রির বিধিনিষেধ তুলে নিলো সরকার

    জ্বালানি তেল বিক্রির বিধিনিষেধ তুলে নিলো সরকার

    জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিংসহ আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্তটি আজ থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।

    জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, বর্তমানে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় সৃষ্ট সমস্যার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলায় সরকার বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। ইতোমধ্যে আমদানিকৃত কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

    জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় জ্বালানি তেল বিতরণে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আজ থেকেই সকল বিতরণ কেন্দ্র থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য, গত ৬ মার্চ জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়। সে অনুযায়ী মোটরসাইকেলে ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসে দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ বা লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকে দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

    পরে রাইডশেয়ারিং চালকদের জন্য মোটরসাইকেলকে তেল বিক্রির সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একই সঙ্গে ২৫ শতাংশ রেশনিং কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠক

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠক

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

    এ বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার ,সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ আরো অনেকে।

    আগামী  পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন।

  • মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

    মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও গৌরবময় অর্জন।

    তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    আজ রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করেই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    সভায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনারও অবতারণা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে, তিনি বিনয়ের সঙ্গে তা গ্রহণ না করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

    এ প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না যে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক।

    তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে দেশে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ফুলের পেছনে ব্যয় হয়।

    এতে তিনি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাই এমন ব্যয় এড়িয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

    মন্ত্রী বলেন, তিনি এই দায়িত্বে নতুন হলেও মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চান।

    এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু

    কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু

    কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক হিসেবে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ক্লিন ইমেজ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানবিক নেতৃত্বের জন্য তিনি কুমিল্লা নগরীতে পরিচিত একজন জনপ্রিয় নেতা।

    রাজনীতির শুরু থেকেই তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়ে সংগঠনকে সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করে আসছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি নগর রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে মেয়রের পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা দেখা দেয়। বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের কাজও স্থগিত হয়ে পড়ে। এর মধ্যে কয়েকজন প্রশাসক দায়িত্ব পালন করলেও নগর উন্নয়ন কার্যক্রম প্রত্যাশিত গতি পায়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

    এদিকে দেশের কয়েকটি সিটি কর্পোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগের ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনেও নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের আশা, নতুন প্রশাসকের নেতৃত্বে কুমিল্লা নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম নতুন গতি পাবে।

  • জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত এ্যাথলেট শামিমা সাত্তার মিমুর মৃত্যুতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক

    জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত এ্যাথলেট শামিমা সাত্তার মিমুর মৃত্যুতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক

    জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত এ্যাথলেট, দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক ও বিকেএসপির সাবেক উপ-পরিচালক শামিমা সাত্তার মিমুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক।

    এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শামিমা সাত্তার মিমু ছিলেন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। অ্যাথলেট হিসেবে একসময় খ্যাতি অর্জণের পাশাপাশি পরবর্তীতে প্রশিক্ষক ও সংগঠক হিসেবে দেশের এ্যাথলেটিক্সের উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গন একজন দক্ষ অভিভাবক ও সত্যিকারের ক্রীড়াপ্রেমীকে হারালো। বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে তাঁর কৃতিত্ব ও কর্মময় জীবন নতুন প্রজন্মের এ্যাথলেটদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • রংপুর সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের বৈঠক

    রংপুর সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের বৈঠক

    রংপুর সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের (আরএসএসপি) ১২৫৫তম সাহিত্য বৈঠক শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর রংপুর টাউন হল প্রাঙ্গণে অবস্থিত আরএসএসপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

    আরএসপির উপদেষ্টা প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা সুশান্ত চন্দ্র খান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক মামুন উর রশিদ এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

    আরএসপির উপদেষ্টা অধ্যাপক আবদুস সোবহান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ড. মফিজুল ইসলাম মান্টু, কবি, প্রকাশক ও ‘ফিরেদেখা’র সাধারণ সম্পাদক শাকিল মাসুদ এবং আরএসপির সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক কবি আফজাল হোসেন তাদের স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।

    আরএসএসপি’র সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ আলম, আরএসএসপি’র সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম রাজু এবং সাহিত্য বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী মাসুদ কবিতা আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন।

    আরএসএসপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বিশিষ্ট লেখক এসএম আমজাদ হোসেন সরকার অনুষ্ঠানে ‘স্বপ্নের মেলা-আশার ভেলা’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন।

    না’ত-ই রসুল (সা.) পরিবেশন করেন প্রতিভাবান সঙ্গীতজ্ঞ রওশন আরা সোহেলী।

    হামদ পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ স্বপন কুমার পাল।

    শিল্পী ও কবি মো. নবাব আলী ‘গজল’ পরিবেশন করে উপস্থিত সবাইকে আবেগ ও ভালোবাসায় মোহিত করেন।

    আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন- আরএসএসপি’র উপদেষ্টা লেখক অ্যাডভোকেট মাসুম হাসান, কবি, গল্পকার ও ঔপন্যাসিক নার্গিস আক্তার বানু, ব্যাংকার মোশাররফ হোসেন, আরএসএসপি’র অর্থ সম্পাদক মাহমুদা চৌধুরী ও পূর্ণিমা রাজ।

    সাহিত্য বৈঠকের পর দেশ, এর জনগণ এবং সকলের মঙ্গল, শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।