Category: প্রচ্ছদ

  • ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক বলেছেন, দলমত নির্বিশেষে সকলকে এক করার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হলো খেলাধুলা। আমরা একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী, স্বচ্ছল করতে চাই। ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

    আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ক্রীড়া ফেডারেশন/অ্যাসোসিয়েশন/সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে আয়োজিত ‘ক্রীড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক এক পরামর্শমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    এ সময় বিগত এক বছরে দেশের ক্রীড়াঙ্গণের সফলতা, ব্যর্থতা এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে প্রতিটি ফেডারেশনকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে একটি বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই প্রতিবেদন পেশ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা তৃণমূল পর্যায় থেকে একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করতে চাই। পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর আনুষ্ঠানিক নির্বাচন সম্পন্ন করব।

    ক্রীড়াবিদদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা কাজ করছি। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের একটি নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ক্রীড়া ফেডারেশনকে তাদের জাতীয় খেলোয়াড়দের তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। এই তালিকা যাচাই-বাছাই করে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা তাদের পাশে দাঁড়াবো। তিনি আরও জানান, প্রতিভাবান খেলোয়াড় অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিটি পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপরই শুরু করা হবে।

    সভায় নিষ্ক্রিয় ফেডারেশনগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সমজাতীয় ফেডারেশনগুলোকে একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া ক্রীড়া সামগ্রীর ওপর ট্যাক্স কমানো এবং বিদ্যমান তফসিলভুক্ত ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ডকে খেলাধুলায় বিনিয়োগ করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

  • পঞ্চগড়ে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

    পঞ্চগড়ে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

    অনলাইন ডেস্ক:    জেলায় আজ কৃষিকে আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে।

    আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়।
    ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে ‘দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় এ মেলার আয়োজন করেছে উপজেলা কৃষি অফিস।

    সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন করেন জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মতিন।

    এসময় ‘দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’র প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান, জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সুবোধ চন্দ্র রায়, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আসাদুন্নবী, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অর্জুন চন্দ্র রায় প্রমুখ।

    কৃষি প্রযুক্তি মেলায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূলসহ নানা ধরনের কৃষিপণ্য দিয়ে স্টলগুলো সাজানো হয়েছে। এসব স্টলে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, উন্নত জাতের বীজ, সুষম সার ব্যবস্থাপনা ও রোগবালাই দমন সম্পর্কে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কাছে কৃষকদের পরামর্শ পাবেন।

  • বিশ্বজুড়ে ‘শক্তির আধিপত্য’ বাড়ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

    বিশ্বজুড়ে ‘শক্তির আধিপত্য’ বাড়ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

    অনলাইন ডেস্ক:   বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ‘পূর্ণমাত্রায় আক্রমণের’ মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

    তিনি বলেন, ‘প্রভাবশালীরাই অনেক সময় এ প্রবণতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’

    জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর  জানিয়েছে।

    জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএন হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল) উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি বলেন, ‘আইনের শাসনকে পেশিশক্তির শাসন পরাস্ত করছে।’

    তিনি বলেন, ‘এই আক্রমণ ছায়া থেকে বা হঠাৎ করে আসছে না। এটি সবার চোখের সামনেই ঘটছে। আর প্রায়ই নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারাই, যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষমতার অধিকারী।’

    মহাসচিব নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করলেও ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের নিন্দা জানান।

    তিনি বলেন, চার বছরের সহিংসতায় সেখানে ১৫ হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

    জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, ‘রক্তপাত বন্ধ করার সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে।’

    এছাড়া তিনি দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ‘মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘনের’ কথাও তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, ইসরাইলি দখলদারিত্বের অধীনে থাকা ওই সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বর্তমান গতিপথ ‘স্পষ্ট, পরিষ্কার ও উদ্দেশ্যমূলক— দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে প্রকাশ্যে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

    এ সময় গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এটি ঘটতে দিতে পারে না।’
    —ভোগান্তি ‘উপেক্ষিত’ হচ্ছে—

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, শুধু যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকাই নয়, বিশ্বজুড়েই অধিকার ক্ষয় হচ্ছে।

    তিনি এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ইচ্ছাকৃতভাবে, কৌশলগতভাবে এবং কখনও কখনও গর্বের সঙ্গেই পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

    আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, আমরা এমন এক বিশ্বে বাস করছি, যেখানে ব্যাপক মানবিক ভোগান্তিকে অজুহাতে ঢেকে ফেলা হয়। মানুষকে দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং আন্তর্জাতিক আইনকে তুচ্ছ বাধা হিসেবে দেখা হয়।
    মানবাধিকার ভেঙে পড়লে, অন্য সব কিছুই ভেঙে পড়বে বলে তিনি এ সময় সতর্ক করেন।

    গুতেরেস বলেন, মানবাধিকারের প্রতি সম্মানের সংকট প্রতিটি বৈশ্বিক ভাঙনকে প্রতিফলিত ও তীব্রতর করছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘মানবিক চাহিদা বাড়ছে, অথচ তহবিল কমছে এবং একই সময়ে বৈষম্য দ্রুত বাড়ছে। দেশগুলো ঋণ ও হতাশায় ডুবে যাচ্ছে।’

    জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, জলবায়ু বিপর্যয় ত্বরান্বিত হচ্ছে। প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এমনভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা অধিকার দমন করছে, বৈষম্য বাড়াচ্ছে ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অনলাইন ও অফলাইনে নতুন ধরনের বৈষম্যের মুখে ফেলছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে যারা আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ, তারা আরও প্রান্তিক হয়ে পড়ছে।’

    এ প্রবণতা ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান জাতিসংঘ প্রধান।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতিসংঘ সনদ, সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের দলিলগুলো কোনো ‘পছন্দমতো বেছে নেওয়ার মেনু’ নয়।

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘নেতারা পছন্দের অংশটা নেবেন আর বাকিটা উপেক্ষা করবেন— এটি চলতে পারে না।’

  • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা

    অনলাইন ডেস্ক:    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের দায়িত্বভার গ্রহণ

    সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের দায়িত্বভার গ্রহণ

    অনলাইন ডেস্ক:   লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান আজ (সোমবার) থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

    আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    আজ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। ছবি: বাসস

    এতে বলা হয়, আজ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এসময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান ১৯৯১ সালের ২১ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কোর অব ইনফেনট্রিতে কমিশন লাভ করেন।

    তিনি ২৪ ডিভিশনের জিওসি, সামরিক সচিব ও মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তরসহ সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

  • সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রথমবারের মতো অফিস করেছেন।

    আজ সোমবার সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে আসেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে আসেন।  এই সময়ে তাঁকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধানগণ।’

    প্রধানমন্ত্রী তিনবাহিনীর প্রধানগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর এটাই সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিস।

    এরপর প্রধানমন্ত্রী তার চেম্বারে বসেন। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীকে ‘র‌্যাঙ্ক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন।

    ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম,  সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, প্রতিরক্ষা সচিব মোঃ আশরাফ উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মোঃ মেহেদুল ইসলাম।