Category: প্রচ্ছদ

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    অনলাইন ডেস্ক:     প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।

    তিনি আরো জানান, আজ রবিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময়ে উভয়ের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতিম দুদেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং আসন্ন হজ নিয়ে আলোচনা হয়।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে অফিস করতে আসেন।

    এ সময় মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

  • গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, দেশগঠনের জন্য যেকোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে আগে গণমাধ্যমকে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিতে হবে। তাই আমি গণমাধ্যম কর্মীদের অভিভাবক হতে চাই।

    তিনি আরও বলেছেন, জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ওয়েজবোর্ড আপডেট করাসহ সাংবাদিকদের কল্যানে সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। শনিবার বেলা সাড়ে  ১১ টায় বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, চলতি মাস থেকেই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রথমে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সুবিধা যুক্ত করা হবে। ক্ষমতার পালা বদলের মধ্যদিয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়বো। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আই হ্যাভ এ প্লান, আমরা সেই প্লানের মাধ্যমে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবো।

    তিনি বলেন, আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে নারীদের ক্ষমতায়ন করা। বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের প্রতিটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছনোর পর ওইসব পরিবারের নারীরাই হবে এই কার্ডের মালিক। মন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু মোকাবেলা, বেকারত্ব দুর করাসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আরো নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন  করতে হলে প্রথমেই গণমাধ্যমকে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিতে হবে। প্রধানঅতিথি হিসেবে বক্তব্যের শুরুতে তথ্যমন্ত্রী উল্লেখযোগ্য ভাষা সৈনিকদের স্মৃতিচারণ করেন। পরে সকল ভাষার জন্য অকাতরে জীবন উৎসর্গকারী ভাষা সৈনিকদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। এর আগে শনিবার সকালে তথ্যমন্ত্রীকে বরিশাল সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। একইদিন দুপুরে তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বরিশাল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

    ফুল দিয়ে বরন – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনকে ফুল দিয়ে বরন করে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী হওয়ার পর শনিবার সকালে প্রথমবার সরকারি সফরে বরিশাল আসলে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা বাসষ্ট্যান্ডে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম, মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল, হাইওয়ে থানার ওসি মো. শামীম শেখসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাকর্মীরা।

  • মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

    মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

    অনলাইন ডেস্ক: অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ। মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হয় আজ। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

    শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। একুশের ভোরে কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানাবে সর্বস্তরের জনতা।

    দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে এ দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। বাঙালি জাতির কাছে এটি একদিকে যেমন গভীর শোক ও বেদনার, অন্যদিকে মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক ঐতিহাসিক দিন।

    ১৯৫২ সালের এই দিনে ‘বাংলাকে’ রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তৎকালীন পূর্ববাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজ শাসকগোষ্ঠীর জারি করা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ নাম না জানা আরও অনেকে শহীদ হন। তাদের সেই আত্মত্যাগই আজ বিশ্বজুড়ে ভাষাপ্রেম ও অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    একুশে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি। এদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

    ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া দেশের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

    দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব স্যাটেলাইট চ্যানেল ও গণমাধ্যমে একুশের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রকাশ করা হবে।

  • ভাষা শহীদদের প্রতি কুমিল্লা জেলা পুলিশ এর শ্রদ্ধা

    ভাষা শহীদদের প্রতি কুমিল্লা জেলা পুলিশ এর শ্রদ্ধা

    মোঃ ইমরান হোসেন: মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান জনাব মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন; মাননীয় মন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএম; পুলিশ সুপার কুমিল্লা মহোদয় এবং জনাব মুঃ রেজা হাসান, জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা মহোদয়।

    আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) একুশের প্রথম প্রহরে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

    ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি উচ্চ প্রত্যাশা ড. মঞ্জুরের

    সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি উচ্চ প্রত্যাশা ড. মঞ্জুরের

    অনলাইন ডেস্ক:     পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)-এর সদস্য ও দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. মঞ্জুর হোসেন সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের মাধ্যমে অর্থনীতিকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি উচ্চ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই নতুন মন্ত্রিসভার সব সদস্যই অভিজ্ঞ এবং আশা করি তারা দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।’

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সন্তান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেন। মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন রাজধানীর জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

    আলাপচারিতা কালে ড. মঞ্জুর বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী এবং গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ও যোগ্য হাতে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, ‘তাদের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।’

    নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ড. মঞ্জুর বলেন, শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সরকারকে তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে— বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।

    তিনি আরো বলেন, ‘এই রাজনৈতিক উত্তরণের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে এবং তারা আগামী দিনগুলোতে বড় পরিসরে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবেন বলে আশা করি।’

    ড. মঞ্জুর আরো বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি ‘অনন্য’ ও ‘যুগান্তকারী’ উদ্যোগ, যা সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য।

    তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বিদ্যমান অপচয় ও ফাঁক-ফোকর দূর হবে এবং দেশ প্রকৃত অর্থে কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তরিত হবে।

    বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের ধীরগতি প্রসঙ্গে জিইডি সদস্য বলেন, কঠোর তদারকির কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাস্তবায়ন হার কিছুটা কমেছে। তবে, নতুন রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় তা দ্রুততর হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে না হলেও আগামী অর্থবছরে কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এডিপি বাস্তবায়ন হার অবশ্যই বাড়বে। উন্নয়ন ব্যয়ও বাড়বে। পাশাপাশি সরকারকে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

    তিনি আরো পরামর্শ দেন, দেশের স্বার্থে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বিদেশি ঋণ না নেওয়া এবং ঋণের স্থায়িত্ব (ডেট সাসটেইনেবিলিটি) বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

    জিইডির সর্বশেষ ‘ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুক’ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৫ শতাংশ হতে পারে, যদিও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রক্রিয়ায় টেকসই অগ্রগতির জন্য শক্তিশালী সুশাসন, নীতির ধারাবাহিকতা এবং দক্ষতা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি, যাতে তৈরি পোশাক খাতের বাইরে অর্থনীতির বহুমুখীকরণ সম্ভব হয়।

    জিইডি আরো উল্লেখ করেছে, স্থিতিশীল ও সংস্কারমুখী রাজনৈতিক পরিবেশ এবং স্মার্ট প্রযুক্তির সংযোজনের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের শ্রমনির্ভর মডেল থেকে উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • প্রথমদিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচী

    প্রথমদিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচী

    অনলাইন ডেস্ক:    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। আজ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মত অফিস করতে এসে প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয় থেকে নয়টি কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কোন প্রতিষ্ঠান কোনটা বাস্তবায়ন করবে সেই তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

    খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষা এবং ৬৪ জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণসহ মোট ৯টি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে দেশের অন্য সকল খেলোয়াড়রা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না। এজন্য তিনি জাতীয় দলে সকল খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনতে চান এবং খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের চেষ্টা করছেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ ও ২ , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিকেএসপি। চতুর্থ শ্রেনী থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টিও এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে তদারকি করবে।

    প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন ক্রীড়া স্পোর্টস’ কর্মসূচির আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো জোরদারে উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ ক্রীড়া পরিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হবে।

    অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেশের ৬৪ জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বিকেএসপি।

    সকল মহানগরসহ দেশের গ্রামীণ জনপদে খেলার মাঠ স্থাপন ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্প থাকবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আওতায়।

    দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধা বঞ্চিতদের খেলার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। বিকেএসপি ও ক্রীড়া পরিদপ্তর যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

    দেশে ক্রীড়া সরঞ্জাম ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের উপর।

    বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট সংস্থাকে খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতার জন্য সম্পৃক্তকরন করা হবে। যার দেখভাল করবে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর।