Category: প্রচ্ছদ

  • বাণিজ্য চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের পরিকল্পনা জাপানের : ট্রাম্প

    বাণিজ্য চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের পরিকল্পনা জাপানের : ট্রাম্প

    অনলাইন ডেস্ক:   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করেছেন যে, জাপান যুক্তরাষ্ট্রে  জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির অধীনে প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এই  ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির ওয়াশিংটন সফরের আগে দেওয়া হলো।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘জাপান এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ও আর্থিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের জন্য তার ৫৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতির অধীনে প্রথম ধাপ বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত।’

    তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে তিনটি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্তি রয়েছে। এগুলো হলো— টেক্সাসে একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সুবিধা, ওহাইওতে একটি গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জর্জিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সুবিধা।

    তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন সম্পর্কে  বিস্তারিত কিছু জানাননি অথবা কোন কোম্পানিগুলো এতে জড়িত থাকবে তাও নির্দিষ্ট করেননি।

    জাপানের বাণিজ্যমন্ত্রী রিওসেই আকাজাওয়া সাংবাদিকদের বলেছেন, বিনিয়োগ প্যাকেজের আওতায় প্রথম প্রকল্পগুলো কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে ওয়াশিংটন ও টোকিওর মধ্যে ‘উল্লেখযোগ্য ব্যবধান’ রয়ে গেছে।

    এ মন্তব্যের কয়েকদিন পরই ট্রাম্পের এই বিবৃতি এলো।

    হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসে টোকিও ২০২৯ সালের মধ্যে ৫৫০ বিলিয়ন ডলার ‘আমেরিকার মূল শিল্পখাত পুনর্গঠন ও সম্প্রসারণ করতে বিনিয়োগের সম্মতি দিয়েছে। এই বিনিয়োগের লক্ষ্য হল, লক্ষাধিক মার্কিনীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

    হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল বিনিয়োগের বিনিময়েই যুক্তরাষ্ট্র জাপানি আমদানিকৃত পণ্যের ওপর সম্ভাব্য ২৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ করতে সম্মত হয়।

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    অনলাইন ডেস্ক:    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর দায়িত্ব গ্রহণের একদিনের মাথায় মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    আজ সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এককভাবে স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুনরায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তাঁরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।

    এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

    শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি ‘পারিজাত’ গাছের চারা রোপণ করেন।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তার জোট গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে ২১২টি আসনে জয়লাভের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

    নির্বাচনে বিজয়ের পাঁচ দিন পর গতকাল তিনি দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    মঙ্গলবার রাজধানীতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

    নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

  • শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শ্রদ্ধা

    শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শ্রদ্ধা

    অনলাইন ডেস্ক:    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

    আজ বুধবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে যান। সেখানে তাঁরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতিহা পাঠ করা হয়।

    এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রথমে এককভাবে এবং পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সরকারপ্রধান স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে সই করেন।

    জিয়া উদ্যান থেকে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সরাসরি সচিবালয়ে যাবেন। আজ বিকেলেই সেখানে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

  • প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের দপ্তর বণ্টন করে গেজেট প্রকাশ

    প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের দপ্তর বণ্টন করে গেজেট প্রকাশ

    অনলাইন ডেস্ক:    প্রধানমন্ত্রীসহ নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এই গেজেটটি প্রকাশিত হয়।

    ‘রুলস অব বিজনেস-১৯৯৬’ এর ৩(৪) বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার হাতে থাকা মন্ত্রণালয়গুলো ছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করেছেন। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    গেজেট অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব নিজের কাছে রেখেছেন।

    মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং সালাহউদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক; ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ; ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্র; আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    মিজানুর রহমান মিনুকে ভূমি; নিতাই রায় চৌধুরীকে সংস্কৃতি বিষয়ক এবং খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার; মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি; আফরোজা খানম (রিতা) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন; মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি পানি সম্পদ এবং আসাদুল হাবিব দুলু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

    এছাড়াও মো. আসাদুজ্জামানকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক; জাকারিয়া তাহেরকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত; দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক; আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ; ফকির মাহবুব আনামকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শেখ রবিউল আলমকে সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন; অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; মো. শরীফুল আলমকে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট; শামা ওবায়েদ ইসলামকে পররাষ্ট্র; সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য; ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ভূমি এবং ফরহাদ হোসেন আজাদকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    মো. আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া; মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক; হাবিবুর রশিদ সড়ক পরিবহন ও সেতু; মো. রাজিব আহসান রেলপথ ও নৌপরিবহন; মো. আব্দুল বারী জনপ্রশাসন; মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

    ইশরাক হোসেনকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক; ফারজানা শারমীনকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ; শেখ ফরিদুল ইসলামকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; মো. নুরুল হককে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান; ইয়াসের খান চৌধুরীকে তথ্য ও সম্প্রচার; এম ইকবাল হোসেইনকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ; এম এ মুহিতকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ; আহম্মদ সোহেল মঞ্জুরকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত; ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (তেজগাঁও) উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এটি মুদ্রণ করেছেন এবং বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অফিসের উপপরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম এটি প্রকাশের দায়িত্ব পালন করেন। গেজেটের বিস্তারিত তথ্য বিজি প্রেসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.bgpress.gov.bd)) পাওয়া যাবে।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

    অনলাইন ডেস্ক:     প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়  জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম জাতীয় ভাষণ।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করবে। পাশাপাশি, দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে বিটিভি থেকে ভাষণটি একযোগে সম্প্রচারের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • নতুন সরকারের অধীনে বাংলাদেশ ক্রিকেটের যাত্রা সুষ্ঠু হবে, প্রত্যাশা নান্নুর

    নতুন সরকারের অধীনে বাংলাদেশ ক্রিকেটের যাত্রা সুষ্ঠু হবে, প্রত্যাশা নান্নুর

    অনলাইন ডেস্ক:    নবনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশের ক্রিকেট সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান প্রগ্রাম সমন্বয়কারী মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

    বর্তমানে মাঠের ভেতর এবং বাইরে বিভিন্ন সমস্যার কারণে অস্থির সময় পার করছে বাংলাদেশের ক্রিকেট।

    আজ সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে নান্নু বলেন, ‘যেহেতু নবনির্বাচিত সরকার শপথ নিতে চলেছে, আমরা আশা করি সবকিছু সুষ্ঠুভাবে চলবে। ক্লাবগুলির মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল এবং সেসব সমস্যার সমাধান করতে হবে।’

    ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থ সব কিছুর উর্ধ্বে রেখে ক্রিকেটকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করেন নান্নু।

    নান্নু বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের ক্রিকেট সবার আগে থাকুক এবং আমাদের বাংলাদেশ সবকিছুর উপরে থাকবে। আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং মনে রাখতে হবে ক্রিকেট সবার আগে। খেলাধুলার সাথে কোনও আপস করা উচিত নয়। আমরা সকলের জন্য সর্বোত্তম ফলাফল চাই।’

    চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির সাবেক প্রধান নির্বাচক নান্নু। তার মতে, পাকিস্তান-ভারত ম্যাচের উত্তেজনা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। উপমহাদেশের মধ্যে বাংলাদেশের খেলা এখন সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা তৈরি করে।

    তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান-ভারত লড়াইয়ের চেয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ এখন অনেক বেশি উত্তেজনাপূর্ণ।’