Category: প্রচ্ছদ

  • বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেজা’র অধীনে: নতুন অধ্যাদেশ জারি

    বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেজা’র অধীনে: নতুন অধ্যাদেশ জারি

    অনলাইন ডেস্ক:     দেশে বিদ্যমান সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এখন থেকে সরাসরি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ বা বেজা’র নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। এজন্য ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন, ১৯৯৬’ বাতিল করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গতকাল গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।

    নতুন এই অধ্যাদেশের ফলে ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে।

    তবে অধ্যাদেশের ২ ধারায় বলা হয়েছে, রহিতকরণ সত্ত্বেও আগের আইনের অধীনে ইতোপূর্বে সম্পাদিত সকল কার্যাবলি বা গৃহীত ব্যবস্থা এই অধ্যাদেশের আওতায় সংরক্ষিত থাকবে।

    অধ্যাদেশের ২(২-ক) ধারা অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এখন থেকে ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০’-এর অধীনে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অঞ্চলের পরিচালনা ও তদারকি কার্যাবলি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ (বেজা)’র ওপর ন্যস্ত থাকবে।

    এছাড়া, আগের আইনের অধীনে প্রাপ্ত লাইসেন্সগুলো বৈধ থাকবে, ফলে উদ্যোক্তাদের নতুন করে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে না। একইসঙ্গে বেসরকারি ইপিজেডগুলোতে বিদ্যমান বন্ডেড ও রেয়াতি সুবিধাগুলোও আগের মতো বহাল থাকবে। তবে বেজা এসব অঞ্চলের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

    অধ্যাদেশে জনবল ও প্রশাসনিক বিষয়ে বলা হয়, বেসরকারি ইপিজেড পরিচালনার জন্য গঠিত পূর্বের ‘গভর্নর বোর্ড’ ও ‘নির্বাহী সেল’ বিলুপ্ত করা হয়েছে। নির্বাহী সেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরাসরি বেজা-তে বদলি হবেন এবং তাদের চাকরির পূর্বের শর্তাবলি আপাতত অপরিবর্তিত থাকবে।

    এছাড়া, বিলুপ্ত বোর্ড বা সেলের পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান কোনো মামলা বা আইনি কার্যক্রম এখন থেকে বেজা’র আইনি কার্যক্রম হিসেবেই চলমান থাকবে।

    উল্লেখ্য, দেশের বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে বেসরকারি খাতে ইপিজেড স্থাপনের সুযোগ দিয়ে তৎকালীন সরকার ওই আইনটি প্রণয়ন করেছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনটির কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এটি রহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

  • নির্বাচন উৎসবমুখর করতে কোস্ট গার্ডের ৩৫৮৫ জন সদস্যসহ ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নির্বাচন উৎসবমুখর করতে কোস্ট গার্ডের ৩৫৮৫ জন সদস্যসহ ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬  অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫’শ ৮৫ জন সদস্যসহ প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

    তিনি আজ সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদর দফতরে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    এ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ৪০ জন কর্মকর্তা ও নাবিককে তাদের সেবার জন্য পদক প্রদান করা হয়।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড কর্তৃক ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় মোট ১০০টি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দেশের উপকূলীয় এলাকা এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ, অস্ত্র উদ্ধার ও চোরাচালান রোধ, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ, ডাকাতি ও জলদস্যুতা দমনসহ সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। নিয়মিত টহলের মাধ্যমে সমুদ্র ও নদীপথকে নিরাপদ রাখার পাশাপাশি দুর্ঘটনাকবলিত নৌযান ও নাবিকদের উদ্ধার কার্যক্রমও তারা সফলভাবে পরিচালনা করছেন।

    উপদেষ্টা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন করা এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম এবং জনসেবামূলক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে শীতবস্ত্র বিতরণ, দুস্থজেলেদের মাঝে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ ও রোহিঙ্গা সংকট নিরসন কার্যক্রমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সীমান্তবর্তী নদী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে মানব পাচার, অস্ত্র চোরাচালান এবং মাদক চোরাচালানপ্রতিরোধে কোস্ট গার্ড শুধু দেশের উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখছে না, একই সাথে অত্র সমুদ্র অঞ্চলেরনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক মহলে এই অবদানের কারণে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশসমূহ কোস্ট গার্ডের এই অবদানের প্রশংসা করেছে এবং একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহীত সময়োপযোগী সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ দেশব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কোস্ট গার্ড ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্র ও বিস্তৃত উপকূলীয় অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড একটি স্বতন্ত্র আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে আজ এই বাহিনী উপকূলীয় জনগোষ্ঠীসহ সমগ্রদেশের মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

    তিনি কোস্ট গার্ডকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আপনাদেরকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তি, দল, কিংবা রাজনৈতিক কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নে কেউ জড়িত হবেন না।

  • আজ পবিত্র শবে বরাত

    আজ পবিত্র শবে বরাত

    অনলাইন ডেস্ক:    আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সারা দেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত।

    হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী এই পবিত্র রাতটি মুসলমানরা শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবেও পরিচিত।

    পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে আগামীকাল (বুধবার) সরকারি ছুটি থাকবে। এ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এক বাণীতে দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    শবে বরাত উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত, ওয়াজ ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, ইসলামিক মিশন কেন্দ্র এবং ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    বিশেষ এ রাতটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ এবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে কাটাবেন। মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করবেন তারা।

  • ওয়ানডের পর শ্রীলংকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতল ইংল্যান্ড

    ওয়ানডের পর শ্রীলংকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতল ইংল্যান্ড

    অনলাইন ডেস্ক:    ওয়ানডের পর শ্রীলংকা সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতল সফরকারী ইংল্যান্ড।

    গতরাতে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলংকাকে। সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টি আইনে ১১ রানে জিতেছিল ইংলিশরা। ফলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে এক ম্যাচ বাকী থাকতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

    টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে শ্রীলংকার বিপক্ষে টানা দশম ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। সর্বশেষ ২০১৪ সালে লংকানদের কাছে হেরেছিল তারা।

    পাল্লেকেলেতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে শ্রীলংকা। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৩ বলে ৫৬ রান যোগ করেন লঙ্কান দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কামিল মিশারা। ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২২ বলে ৩৪ রান তুলে বিদায় নেন নিশাঙ্কা।

    এরপর কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে ৩৩ বলে ৫০ রান যোগ করে শ্রীলংকার স্কোর তিন অংকে নেন মিশারা। দলীয় ১০৬ রানে থামেন মিশারা। ২টি করে চার-ছক্কায় ৩০ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।

    উইকেটে সেট হয়ে সাজঘরে ফিরেন কুশল মেন্ডিস। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৭ বলে ৩২ রান করেন তিনি। অধিনায়ক দাসুন শানাকা ১ রানে ফেরার পর শ্রীলংকাকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন পাভান রত্নানায়েকে ও চারিথ আসালঙ্কা। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৩৬ বলে ৫৬ রানের জুটিতে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ রান পায় শ্রীলংকা। ২২ বল করে খেলে রত্নানায়েকে ৪০ এবং আসালঙ্কা অপরাজিত ২৮ রান করেন। ইংল্যান্ডের জোফরা আর্চার ৪২ রানে ২ উইকেট নেন।

    জবাবে ৭.২ ওভারে ২ উইকেটে ৫৭ রান তুলে ইংল্যান্ড। এরপর বৃষ্টির কারনে প্রায় এক ঘন্টা খেলা বন্ধ থাকলে ১৭ ওভারে জয়ের জন্য ১৬৮ রানের নতুন লক্ষ্য পায় ইংলিশরা। মিডল অর্ডারে জশ বাটলারকে নিয়ে ২৯ বলে ৪৩ এবং অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের সাথে ২০ বলে ৪৯ রান তুলে ইংল্যান্ডের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন টম ব্যান্টন।
    বাটলার ২৯ বলে ৩৯ এবং ব্রুক ১২ বলে ৩৬ রানে আউট হন। ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান ব্রুক।

    ১৩০ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর দারুণ এক জুটিতে ২ বল বাকী থাকতে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন ব্যান্টন ও স্যাম কারান। পঞ্চম উইকেটে ২৫ বলে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রান যোগ করেন তারা।

    ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩৩ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করে ম্যাচ সেরা হন ব্যান্টন। ১৪ বলে অনবদ্য ২০ রান করেন কারান।

    আগামীকাল একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

  • গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং নিয়ে যা জানা দরকার

    গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং নিয়ে যা জানা দরকার

    অনলাইন ডেস্ক:     দুই বছরের কাছাকাছি সময় ধরে প্রায় বন্ধ থাকার পর সোমবার গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যকার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে পথচারীদের চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনি অংশ দখলে নেওয়ার পর থেকে ক্রসিংটি কার্যত অচল ছিল।

    জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর দাবিতে এই পুনরায় খোলা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কায়রো থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    এই গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিং নিয়ে যা জানা দরকার—

    ফিলিস্তিনি বেসামরিক বিষয় সমন্বয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট জানিয়েছে, ক্রসিংটি শুধু উভয় দিকের বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য খোলা হবে।

    এএফপির ছবিতে দেখা গেছে, সীমান্তের মিসরীয় অংশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে অ্যাম্বুলেন্স। চিকিৎসাজনিত কারণে যাদের সরিয়ে নেওয়া হবে, তাদেরই প্রথম বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

    মিসরের সঙ্গে সংযুক্ত রাফাহ ক্রসিংকে অনেক সময় গাজার ‘প্রাণরেখা’ বলা হয়। এটি একমাত্র সীমান্তপথ, যা ইসরাইলের ভেতর দিয়ে নয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইসরাইলি বাহিনী তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর পেছনে সরে যাওয়ার পর ক্রসিংটি এখন ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় পড়েছে।

    ২০০৭ সাল থেকে ইসরাইলি অবরোধের মধ্যে থাকা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের বাইরে যাওয়ার অনুমোদিত প্রধান পথ হিসেবে দীর্ঘদিন রাফাহ ক্রসিং ব্যবহৃত হতো।

    ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত এটি ছিল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রথম সীমান্ত টার্মিনাল। পরে হামাস গাজায় ক্ষমতা নেওয়ার পর এটি তাদের নিয়ন্ত্রণের প্রতীক হয়ে ওঠে।

    ২০২৪ সালের ৭ মে ইসরাইলি সেনাবাহিনী ক্রসিংটির ফিলিস্তিনি অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তাদের দাবি ছিল, এটি ‘সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।’

    এরপর থেকে জাতিসংঘ ব্যবহৃত পথসহ অনেক প্রবেশপথ প্রায় বন্ধই রয়েছে।

    গত বছরের জানুয়ারিতে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির সময় অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য সরিয়ে নেওয়ার জন্য অল্প সময়ের জন্য রাফাহ খুলেছিল।

    ইসরাইল জানায়, তারা গাজায় যাতায়াতের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের ‘নিরাপত্তা যাচাই’ করবে। এই প্রক্রিয়া পরিচালনার কথা ১৫ সদস্যের একটি ফিলিস্তিনি কারিগরি সংস্থার।

    ইসরাইলের অনুমোদনের পর গাজার প্রশাসন পরিচালনার জাতীয় কমিটিও ভূখণ্ডে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।
    কতজন ফিলিস্তিনিকে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চুক্তি হয়নি। সূত্রগুলো জানায়, ইসরাইল যাদের যেতে অনুমতি দেবে, মিসর তাদের সবাইকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

    কায়রোতে ফিলিস্তিনি দূতাবাস জানিয়েছে, গাজায় ফিরতে ইচ্ছুক ফিলিস্তিনিরা সীমিত লাগেজ নিতে পারবেন। ধাতব বা ইলেকট্রনিক সামগ্রী নেওয়া যাবে না। ওষুধও নেওয়া যাবে সীমিত পরিমাণে।

    কোগাট জানিয়েছে, রোববার ‘প্রাথমিক পাইলট ধাপ’ শুরু হয়েছে। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সীমান্ত সহায়তা মিশন (ইউবাম), মিসর এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।

    সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ হলে উভয় দিকের বাসিন্দাদের প্রকৃত চলাচল শুরু হবে। রাফাহর ফিলিস্তিনি অংশ পরিচালনার কথা ইউবাম ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের একটি প্রতিনিধিদলের।

    ২০০৫ সালে রাফাহ ক্রসিং পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি বেসামরিক মিশন গঠন করেছিল। কিন্তু দুই বছর পর হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তা স্থগিত হয়।

    ইউরোপীয় এই মিশনের লক্ষ্য ছিল করে সীমান্তে একটি নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। এতে ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্সের পুলিশ সদস্যরা যুক্ত এতে যুক্ত করা হয়। গত বছরের জানুয়ারিতে স্বল্প সময়ের জন্য এটি পুনরায় মোতায়েন হলেও মার্চে আবার স্থগিত করা হয়।

    সূত্র জানায়, ইউবাম ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে সীমান্তে পৌঁছেছে।

    ইসরাইল ও হামাসের যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে থাকা ট্রাম্পের পরিকল্পনায় রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খোলা এবং প্রতিদিন ৬০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের কথা বলা হয়েছে।

    তবে ত্রাণ সংস্থাগুলো জানায়,  ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে গড়িমসি করছে। জীবনরক্ষাকারী সহায়তা এখনো প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

    সাধারণত আন্তর্জাতিক ত্রাণ মিসর থেকে রাফাহ দিয়ে আসে। এরপর ট্রাকগুলো পাঠানো হয় নিকটবর্তী ইসরাইলি ক্রসিং কেরেম শালোমে। বর্তমানে গাজায় প্রবেশ করা ত্রাণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এই পথ দিয়ে যায়।

    চালকেরা ট্রাক থেকে নেমে যান। যানবাহনগুলো কঠোর ইসর্ইালি তল্লাশির মধ্য দিয়ে যায়। পরে পণ্য নামিয়ে গাজায় প্রবেশের অনুমোদন পাওয়া অন্য যানবাহনে তোলা হয়।

    মিসরীয় অংশে থাকা দুইটি ত্রাণ সূত্র বৃহস্পতিবার এএফপিকে জানিয়েছে, ইসরাইল ত্রাণ প্রবেশে বাধা অব্যাহত রেখেছে। পণ্য খালাস না করেই “ডজনখানেক” ট্রাক ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    অতীতে আরও কিছু প্রবেশপথ চালু ছিল। তবে সেগুলো পুনরায় খোলা হবে কি না, সে বিষয়ে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো তথ্য দেয়নি।

  • ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ২ জন নিহত : কর্তৃপক্ষ

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ২ জন নিহত : কর্তৃপক্ষ

    অনলাইন ডেস্ক:    রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় দুইজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। সোমবার আঞ্চলিক গভর্নর এ তথ্য জানান।

    গভর্নর ভিয়াচেসলাভ গ্লাদকভ টেলিগ্রামে বলেন, রাতে চালানো ওই হামলায় ইউক্রেন সীমান্তের উত্তরে স্টারি ওস্কোল শহরের একটি আবাসিক ভবনে আঘাত লাগে। এতে ভবনটিতে আগুন ধরে যায় ও আংশিকভাবে ধসে পড়ে।

    মস্কো থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    গ্লাদকভ লিখেছেন, ‘ঘটনাস্থলে কাজ করা উদ্ধারকারীরা দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন।’

    প্রায় চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে মস্কোর প্রায় প্রতিদিনের বোমাবর্ষণের জবাবে রাশিয়ার ভূখণ্ডে ড্রোন পাঠাচ্ছে ইউক্রেন। মূলত জ্বালানি খাত এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু।

    ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে বহু এলাকা অন্ধকার ও তীব্র শীতে ডুবে গেছে। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা নেমে গেছে মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।

    রোববার ইউক্রেনের মধ্য-পূর্বাঞ্চলীয় দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে খনি শ্রমিক বাহি একটি বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হন।