Category: প্রচ্ছদ

  • এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাসান মাসুদ

    এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাসান মাসুদ

    বিনোদন ডেস্ক:     বিনোদন জগতের টেলিভিশন নাটক ও সিনেমার একসময়কার পরিচিত মুখ হাসান মাসুদ একের পর এক অভিনয় করে দর্শকহৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তবে অনেক দিন ক্যামেরা থেকে দূরে থাকার পর সম্প্রতি তিনি ধারাবাহিক নাটক ‘তেল ছাড়া পরোটা’ দিয়ে অভিনয়ে ফিরেছিলেন।  এর মধ্যেই হঠাৎ করে অসুস্থতার কারণে সেই নাটকের শুটিং তিনি করতে পারেননি। আপাতত স্থগিত রয়েছে।

    হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে গত ২৭ অক্টোবর রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি ইস্কেমিক স্ট্রোক ও মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক করেছেন বলে জানা গেছে। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি। অভিনেতার অসুস্থতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত ও সহকর্মীরা। তারা দ্রুত হাসান মাসুদের আরোগ্য কামনা করছেন।

    বর্তমানে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন হাসান মাসুদ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তবে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে খানিকটা গোপনীয়তা বজায় রেখেছে পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  এদিকে অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, হাসান মাসুদ এখনো হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। পুরোপুরি সুস্থ হতে তার আরও বেশ কিছু দিন সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, অভিনেতা হাসান মাসুদ বাংলাদেশ সামরিক একাডেমি (বিএমএ) থেকে কমিশন লাভ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন এবং এরপর ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন। পরে সামরিক চাকরি থেকে অবসরগ্রহণের পর সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি অভিনয়জীবন শুরু হয়। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘ব্যাচেলর’-এর মাধ্যমে হাসান মাসুদ সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন এবং প্রথম অভিনয়েই দর্শকদের পছন্দের তালিকায় চলে আসেন। এরপর তিনি অসংখ্য নাটক ও সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান।

  • অ্যাশেজের আগে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল অস্ট্রেলিয়া

    অ্যাশেজের আগে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল অস্ট্রেলিয়া

    খেলাধুলা ডেস্ক:      অ্যাশেজ সিরিজ শুরু হতে আর বাকি মোটে ৮ দিন। এর ঠিক আগে অস্ট্রেলিয়া বড় এক শঙ্কাতেই পড়ে গিয়েছিল। পেসার জশ হেইজেলউড ঘরোয়া ক্রিকেটে চোট পেয়ে বসেছিলেন। তবে তারা অবশেষে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে। তার চোট খুব বেশি গুরুতর নয়।

    পেসার জশ হেইজেলউড ইনজুরির শঙ্কায় বুধবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) অনুষ্ঠিত ঘরোয়া ম্যাচ চলাকালীন হাসপাতালে যান। তবে স্ক্যান শেষে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তার হ্যামস্ট্রিংয়ে কোনো টান পড়েনি। ফলে তিনি আগামী সপ্তাহে পার্থে শুরু হতে যাওয়া প্রথম অ্যাশেজ টেস্টের জন্য দলে যোগ দেবেন।

    হেইজেলউড ও শন অ্যাবট দুজনই নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে শেফিল্ড শিল্ড ম্যাচে বোলিংয়ের পর স্ক্যানে যান।

    ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ‘হেইজেলউড আজ ভিক্টোরিয়ার ইনিংসের শেষ দিকে মাঠ ছাড়েন। তিনি ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে টান অনুভব করেন। সতর্কতামূলকভাবে স্ক্যান করা হয়, যা কোনো মাংসপেশির চোট দেখায়নি।’

    ‘তিনি পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্থে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন এবং প্রথম টেস্টের আগে অনুশীলন করবেন।’অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স পিঠের ইনজুরির কারণে সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলছেন না। ফলে হেইজেলউড, মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ডকে নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ সাজানোর সম্ভাবনা বেশি।

    তবে আনক্যাপড পেসার শন অ্যাবটের চোট গুরুতর বলে জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ‘অ্যাবট মাঝারি মাত্রার হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে ভুগছেন। তিনি প্রথম টেস্টে খেলতে পারবেন না। তার পুনর্বাসন পরিকল্পনা পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নির্ধারণ করা হবে।’

    হেইজেলউড ম্যাচে নয় ওভারে ২২ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। তবে ইনজুরির কারণে ব্যাটিং করতে নামেননি। ম্যাচ শেষে তাকে খোঁড়াতে দেখা যায়।অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্বের দায়িত্বে থাকা স্টিভ স্মিথ বলেন, ‘সৌভাগ্যক্রমে হেইজেলউডের শুধু কিছুটা টান পড়েছিল, গুরুতর কিছু নয়।’অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্ট শুরু হবে ২১ নভেম্বর পার্থ স্টেডিয়ামে। এরপর ব্রিসবেন, অ্যাডিলেড, মেলবোর্ন ও সিডনিতে বাকি টেস্টগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

  • ইরানের ওপর ফের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের ওপর ফের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:      ইরানের ওপর ফের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা মেহের।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মানববিহীন বিমান (ইউএভি) উৎপাদনকে সহায়তা দেওয়া একাধিক ক্রয় নেটওয়ার্কে জড়িত ৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

    এই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, চীন, হংকং, ভারত, জার্মানি ও ইউক্রেনে অবস্থিত বলে মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।

    ওয়াশিংটনের এই অভিযোগের জবাবে ইরান বহুবার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ প্রকৃতির।

  • জিয়াউর রহমান হত্যায় হাসিনা-এরশাদ জড়িত: কর্নেল অলি

    জিয়াউর রহমান হত্যায় হাসিনা-এরশাদ জড়িত: কর্নেল অলি

    অনলাইন ডেস্ক:      লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ড. অলি আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা ও এরশাদ জড়িত। সম্প্রতি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ড. অলি আহমদ বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসার ১৭ দিনের মাথায় জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তারা জড়িত। হাসিনা তো পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ধরা পড়েন আখাউড়া সীমান্তে।

    শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের হত্যার বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের হত্যার পর পুরা বাংলাদেশে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। আনন্দ উল্লাস করে সাধারণ জনগণ যে, নমরুদের হাত থেকে দেশ মুক্ত হয়েছে। শেখ মুজিবুরের পরিবার ছিলেন বাংলাদেশের জন্য ধ্বংসের পরিবার। পরবর্তী পর্যায় হাসিনাকে দেখে বোঝা যায়।শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতীর পিতা ঘোষণার বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি তো ছিলেন সর্বসর্বা। সামরিক বাহিনীর শক্তি ছিল দুর্বল। আমাদের কিছু করার ছিল না।

    তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার হত্যার সময় হাসিনা জার্মানে ছিলেন। ওখান থেকে হুমায়ূন রশীদের সহয়াতায় ভারতে যান। ভারতের দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়ে তিনি বাংলাদেশে আসেন। দেশে আসার ১৭ দিনের মধ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এর সঙ্গে এরশাদও জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের হত্যার পর শেখ হাসিনা ও সাজেদা চৌধুরি আখাউড়া সীমান্তে ধরা পড়েন। আমরা তাদের সম্মানের জন্য এটা প্রকাশ করি নাই।

    ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পর জিয়াউর রহমান মুক্তি পান। এ বিষয়ে অলি আহমদ বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের পর তিনি কোনোটার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। সবাই মিলে একটি সরকার গঠন করল মোস্তাকের নেতৃত্বে। মোস্তাক সামরিক শাসন জারি করল। দেশকে অস্থিতিশীল করার দায়ে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হলো। এ বিষয়ে জিয়ার কোনো হাত ছিল না।

    তিনি বলেন, আমরা ভারতের অঙ্গ রাজ্য হওয়ার জন্য যুদ্ধ করি নাই। আমরা চেয়েছি বাংলাদেশের জনগণ দেশকে শাসন করবে ও দেশকে সামাল দেবে। অন্যের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না। কিন্তু খালেদ মোশারাফ আওয়ামী লীগের হয়ে ভারতের দালাল হিসেবে কাজ করছিল। যার ফলে শেখ মুজিবুরের মত পরিণতি হয়েছিল তার।

  • জাতি গঠনে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : প্রধান উপদেষ্টা

    জাতি গঠনে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : প্রধান উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    জাতি গঠনে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি-২০২৫’ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে আনন্দঘন পরিবেশে শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

    তিনি বলেন, ‘শিশুরা শুধু নাচ-গানে সীমাবদ্ধ থাকবে কেন?’—এই প্রশ্ন রেখে ড. ইউনূস শিশুদের রচনা, প্রযুক্তি, খেলাধুলা ও উদ্যোক্তা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে এসব উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। 

    দীর্ঘদিন পর আবারও ‘নতুন কুঁড়ি’ আয়োজন করায় মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন কুঁড়ির মতো অন্যান্য ক্ষেত্রেও মন্ত্রণালয়কে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।অনুষ্ঠানের আগে প্রতিযোগিতার দুটি বিভাগের দুই বিজয়ীর হাতে ৩ লাখ টাকার চেক ও ট্রফি তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা এবং সব অংশগ্রহণকারীকে অভিনন্দন জানান।

  • আবু সাঈদ হত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চলছে ১৩তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ

    আবু সাঈদ হত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চলছে ১৩তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ

    অনলাইন ডেস্ক:     জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চলছে ১৩তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ। এ মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ আসামি রয়েছেন ৩০ জন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এদিন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন পুলিশের নায়েক আবু বকর সিদ্দিক। তিনি ঘটনার সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিচ্ছেন।প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, মঈনুল করিম, সাইমুম রেজা তালুকদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।

    বুধবার (১২ নভেম্বর) এ মামলায় সাক্ষ্য দেন এসআই (সশস্ত্র) মো. আশরাফুল ইসলাম। রংপুর কোতোয়ালি জোনের তৎকালীন এসি মো. আরিফুজ্জামান ও তাজহাট থানার ওসি রবিউল ইসলামের নির্দেশে চালানো গুলিতে আবু সাঈদ শহীদ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পরে তাকে জেরা করেন পলাতক ২৪ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত চার আইনজীবী ও উপস্থিত ছয় আসামির আইনজীবীরা।

    এর আগে, ১১ নভেম্বর ১৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন রংপুর কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান আহমেদ। তিনি এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারীদেরও একজন ছিলেন। ১০ নভেম্বর সাক্ষ্য দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আকিব রেজা খান। ১২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে হত্যাকাণ্ডের পুরো বর্ণনা দেন তিনি। এ মামলায় যথাক্রমে ৪ নভেম্বর, ২১ ও ১৩ অক্টোবর সাক্ষী না আনতে পারায় পরপর তিনবার সময় পেছানো হয়।

    গত ৬ অক্টোবর নবম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়। ওই দিন জবানবন্দি দেন পুলিশের দুই উপপরিদর্শক। তারা হলেন—এসআই রফিক ও এসআই রায়হানুল রাজ দুলাল। ২৯ সেপ্টেম্বর অষ্টম দিনের মতো সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়। ওই দিন জবানবন্দি দেন তিনজন। ২২ সেপ্টেম্বর সপ্তম দিনে প্রথমে ছয় নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সিয়াম আহসান আয়ানকে জেরা করেন স্টেট ডিফেন্স ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। ২১ সেপ্টেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্য দেন আয়ান। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনিই আবু সাঈদকে হাসপাতালে নিতে সর্বপ্রথম এগিয়ে আসেন।গত ২৮ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। একই দিন সাংবাদিক মঈনুল হকও সাক্ষ্য দেন।

    এ মামলার গ্রেফতার ছয় আসামি হলেন— এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তাদের উপস্থিতিতেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন সাক্ষীরা।

    গত ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে এ মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসিসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে গত ২২ জুলাই সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

    গত ৩০ জুলাই পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত চার আইনজীবী। এর মধ্যে পাঁচজনের হয়ে লড়েন আইনজীবী সুজাত মিয়া। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মামুনুর রশীদ। এছাড়া শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। ২৯ জুলাই তিন আসামির পক্ষে শুনানি হয়। এর মধ্যে শরিফুলের হয়ে লড়েন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। কনস্টেবল সুজনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু ও ইমরানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সালাহউদ্দিন রিগ্যান।

    ২৮ জুলাই এ মামলার ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। আর ২৪ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা। এ মামলায় মোট সাক্ষী ৬২ জন।

    সূত্র যুগান্তর