Category: প্রচ্ছদ

  • বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে : বিসিআই’র কর্মশালায় বক্তারা

    বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে : বিসিআই’র কর্মশালায় বক্তারা

    অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে বলে এক কর্মশালায় মন্তব্য করেছেন বক্তারা। রাজধানীর বিসিআই বোর্ডরুমে ‘ডব্লিউটিও রুলস এন্ড ট্রেড চ্যালেঞ্জেস ফর বাংলাদেশ এবং এনসিউরিং ফেয়ার কম্পিটিশন ইন বিজনেস : বাংলাদেশ পার্সপেক্টিভ এন্ড গ্লোবাল ইনসাইটস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা আজ এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

    বিসিআই পরিচালক ড. দেলোয়ার হোসেন রাজার সভাপতিত্ব কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আলোচক ও ট্রেইনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সাবেক মহাপরিচালক ও এফবিসিসিআই’র সাবেক প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক মো. খালেদ আবু নাসের। বিসিআই’র সদস্য ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬ জন প্রতিনিধি এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. দেলোয়ার হোসেন রাজা বলেন, দেশের শিল্পায়ন, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং ব্যবসা-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আইন ও নীতিমালা বিষয়ে বিসিআই নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণ আয়োজন করছে। আজকের এই কর্মশালা সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

    আলোচনায় অংশ নিয়ে বিসিআই পরিচালক মো. জাহাঙ্গির আলম বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। বিচক্ষণতা, সুশাসন, দক্ষতা এবং ন্যায্য প্রতিযোগিতা নির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশই ভবিষ্যতের শক্তিশালী বাংলাদেশ নির্মাণে সহায়ক হবে।

    উদ্বোধনী পর্বের পর প্রথম সেশনে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক মো. খালেদ আবু নাসের ‘এনসিউরিং ফেয়ার কম্পিটিশন ইন বিজনেস’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    তিনি ন্যায্য প্রতিযোগিতা, বাজারে প্রভাবশালী অবস্থানের অপব্যবহার রোধ, অযৌক্তিক মূল্য-অনুশীলন, কার্টেল ও অ্যান্টি-কম্পিটিটিভ আচরণ প্রতিরোধ, সুশাসন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের ব্যবসা পরিবেশকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে প্রতিযোগিতা আইন, বাজার পর্যবেক্ষণ ও নৈতিক ব্যবসায়িক আচরণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি গ্রাহকের সক্রিয় ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    দ্বিতীয় সেশনে ডব্লিউটিও সেলের সাবেক মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ‘ডব্লিউটিও রুলস এন্ড ট্রেড চ্যালেঞ্জেস ফর বাংলাদেশ’ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি ডব্লিউটিওর গুডস, সার্ভিসেস এবং ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধি-বিধান এবং এলডিসি থেকে উত্তরণ পরবর্তী সময়ে এসব রুলস বাংলাদেশের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা তুলে ধরেন। কর্মশালার শেষাংশে অংশগ্রহণকারীদের মতামত গ্রহণ করা হয় এবং বিসিআই পরিচালক ড. দেলোয়ার হোসেন রাজা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে অনেকে

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে অনেকে

    অনলাইন ডেস্ক: দিন যতই যাচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ততই বাড়ছে। একই সাথে হুঁ হুঁ করেই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালে সারি সারি রোগীর ভিড়। সবশেষ পাওয়া তথ্য বলছে, গত একদিনেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ জন প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে আক্রান্ত হয়ে ৭৯২ জন হাসপাতালের সরণাপন্ন হয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এসব তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭৯২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১০৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২২৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১২১ জন, ময়মনসিহং বিভাগে ৬০ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), সিলেট বিভাগে ২ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    গত একদিনে সারা দেশে ৭৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮০ হাজার ২৪৩ জন। এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৩ হাজার ৮৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৩১ জনের।

  • নির্বাচন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নির্বাচন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ নেই। নির্বাচনে খুবই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।”

    জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচনে ৯ দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে নামবে। নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন ও নির্বাচনের দিনসহ পরবর্তী আরও তিন দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে ।”

    তিনি আরও বলেন, “ইলেকশনের আগের পাঁচ দিন বড় ধরনের কার্যক্রম চলবে। আমাদের বর্তমানে সেনাবাহিনী মাঠে আছে ৩০ হাজার। ওই সময় ১ লাখের মতো সেনাবাহিনী, ১ লাখ ৫০ হাজার পুলিশ, ৩৫ হাজারের মতো বিজিবি, ৫ হাজার নৌবাহিনী,  ৪ হাজার কোস্টগার্ড, ৮ হাজার র‍্যাব এবং প্রায় সাড়ে ৫ লাখ আনসার মাঠে থাকবে।”

    এরপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পটুয়াখালী পুলিশ লাইন্স ও কোস্টগার্ড স্টেশন পরিদর্শন করার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।

  • রাঙ্গামাটিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্কুল, কলেজ ও বিশ্বিবিদ্যালয় পড়ুয়া অসহায়-দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের ব্যয় নির্বাহের জন্য গঠিত রাঙ্গামাটি ফাউন্ডেশনের সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীদের লিখিত (বাছাই) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১০টায় জেলার রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত লিখিত (বাছাই) পরীক্ষায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২২জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

    পরীক্ষাচলাকালীন সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নিশাত শারমিন, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হানুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মৈত্রী রায়, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মান্না, রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিকসহ স্কুলের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিষয়ে নিশাত শারমিন জানান, জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকাসহ শহরে অবস্থানরত দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠিত রাঙ্গামাটি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মেধা বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    তিনি জানান, আজ পরীক্ষায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশানুরুপ পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেছে। এখানে পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষর্থীদের আজই মৌখিক পরীক্ষা নেয়ার মাধ্যমে তাদের চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রাঙ্গামাটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা পাবে।

  • প্রতিবেশী দেশের দাদাগিরির কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

    প্রতিবেশী দেশের দাদাগিরির কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘পদ্মা বাঁচাও গণসমাবেশ’ এর আগে মহানন্দা নদীর ওপর নির্মিত রাবার ড্যাম পরিদর্শন শেষে বললেন, “প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সমতাভিত্তিক সম্পর্ক বজায় থাকবে, দাদাগিরির কোনো সুযোগ নেই। ক্ষমতায় গেলে পদ্মা-তিস্তার পানি বণ্টন ও ফারাক্কা ইস্যুতে গুরুত্ব দেবে বিএনপি।”

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “প্রত্যেক দেশ তার নিজের স্বার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক। পদ্মার পানি বণ্টন নিয়ে মূলত সমস্যা, ২০২৬ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। পদ্মার পানি আটকে দিয়ে জীবন-জীবিকা বিনষ্ট করা হয়েছে। দেশের স্বার্থ আগে দেখতে হবে। তবে নির্বাচিত সরকার ছাড়া এই ধরনের স্বার্থ হাসিল করা কঠিন হবে।”

    আমাদের প্রতিবেশী দেশ ইচ্ছে করলেই আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারে। আমি মনে করি, যুদ্ধের সময় তারা আমাদের সহযোগিতা করেছে, সেই হিসেবে আরও বেশি করে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা দরকার বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

    বিএনপির এ নেতা আরও যোগ করে বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত সরকারের সময়ে উল্টো তারা (ভারত) আমাদের চাপে ফেলেছে। সব নিয়ে গেছে, বিনিময়ে আমাদের কিছু দেয়নি। এটা আওয়ামী লীগ সরকার, হাসিনা সরকারের ব্যর্থতা। আমাদের কমিটমেন্টে আমরা কমিটেট। এটা আমাদের রাজনীতি। এখানকার পানির হিস্যা, সীমান্তে হত্যা, আমাদের ব্যালেন্স অব চেইন ঠিক করা এগুলোয় আমরা বেশি গুরুত্ব দিতে চাই। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমতার ভিত্তিতে। তবে, আমাদের ওপর ভারতের দাদাগিরি বন্ধ হোক এটা আমরা চাই।”

    ‘বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি দল। এর মধ্যে দিয়ে তারা রাজনীতিতে ফায়দা নিতে চায়। এ ব্যাপারে বিএনপি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না। আরেকটা দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে এদের দ্বারা দেশের পরিবর্তন ও রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না’-যোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

  • কলা খেয়েও যেভাবে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

    কলা খেয়েও যেভাবে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

    অনলাইন ডেস্ক:      কলা শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী একটি ফল। কলায় কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করে। কারণ কলায় থাকা আয়রন রক্তাল্পতার মতো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ট্রিপটোফ্যান, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি-র মতো একাধিক স্বাস্থ্যগুণ সমৃদ্ধ এই ফল শরীরকে সমৃদ্ধ করে তোলে।

    কলার স্বাস্থ্যগুণের বৈশিষ্ট্য বলে শেষ করা যাবে না। কারণ হৃদযন্ত্র ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কলার ভূমিকা অনেক। মানসিক অবসাদে ভুগলেও প্রতিদিন কলা খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। কলায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবারের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। এগুলো শরীরের জন্য নিঃসন্দেহে উপকারী। তবে খালি পেটে এ ফল খেলে উপকারের চেয়ে অপকারের সম্ভাবনাই বেশি থাকে। পাকা কলায় চিনির পরিমাণও অনেক বেশি। অনেক ক্ষণ উপোস থাকার পর কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ফলে দিনের শুরুতে কলা খাওয়ার অভ্যাস ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে।

    এর পাশাপাশি খালি পেটে কলা খেলে সমস্যা উল্টো বেড়ে যায়। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, সকালে কলা খেতে পারেন, তবে অবশ্যই খালি পেটে নয়। কিছু না খেয়ে প্রথমেই কলা খেলে অ্যাসিড হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। ওটস, পাউরুটি বা অন্য কোনো খাবার খাওয়ার পর কলা খেতে পারেন। তাহলে কোনো সমস্যা নেই। কিংবা কলা, ওটস, বেরি, মেপল সিরাপ, কাঠবাদাম দিয়ে একটি স্মুদিও বানিয়ে নিতে পারেন। শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকবে।

    তবে কোন ধরনের কলা কারা খেলে বেশি উপকার পাবেন, সে খবর রাখেন কি?

    কাঁচকলা 

    কাঁচকলা প্রিবায়োটিকের ভালো উৎস। প্রিবায়োটিক হলো— এক ধরনের ফাইবারজাতীয় উপাদান। এটি পাচিত হয় না। তবে অন্ত্রে ভালো ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফাইবারে ভরপুর কাঁচকলায় চিনির পরিমাণ খুবই কম থাকে। যারা পেটের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ডায়েটে এ কলা রাখা যেতেই পারে।

    হালকা সবুজ কলা

    হালকা সবুজ ধরনের কলা খাওয়া সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। অনেকেই সুগার বেড়ে যাওয়ার ভয়ে কলা খান না। তারা এ ধরনের কলা খেতেই পারেন। তবে কলা যে কেবল পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে তা নয়, রক্তের শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এ ধরনের কলা ফাইবারেরও ভালো উৎস।

    পাকা কলা 

    পাকা কলায় রেজিস্ট্যান্স স্টার্চের মাত্রা কম থাকে। তাই সুগারের রোগীদের জন্য এই কলা না খাওয়াই ভালো। তবে এ ধরনের কলায় ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা অনেকটাই বেশি থাকে। ফলে কলা হজম করা সহজ। শরীরচর্চার আগে প্রি-ওয়ার্কআউট স্ন্যাক্স হিসাবে পাকা কলা খাওয়া যেতে পারে।

    অতিরিক্ত পাকা কলা 

    কলা বেশি পেকে গেলে খোসার গা জুড়ে বাদামি রঙের ছোপ পড়ে। এ কলা অতিরিক্ত মিষ্টি হয়। স্মুদি বানানোর জন্য বা বেকিংয়ের কাজে অতিরিক্ত পাকা কলা ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ধরনের কলায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা অনেকটাই বেশি থাকে। তবে কলা পেকে গেলে ফাইবারের মাত্রা কমে যায়। সুগারের রোগীদের অতিরিক্ত পাকা কলা না খাওয়াই ভালো।