Category: প্রচ্ছদ

  • কুরআনে সফল মুমিনের যেসব গুণাবলি বলা হয়েছে

    কুরআনে সফল মুমিনের যেসব গুণাবলি বলা হয়েছে

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক: পবিত্র কুরআনের সুরা মুমিনুনের শুরুতে আল্লাহতায়ালা সফল মুমিনদের কয়েকটি গুণের কথা বর্ণনা করেছেন।

    ১. একাগ্রচিত্তে নামাজ আদায় করা

    সফল মুমিনের প্রথম গুণ হলো, তারা একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করে। এর মাধ্যমে তারা আল্লাহর সামনে নিজেদেরকে বিনয়ের সঙ্গে উপস্থাপন করে।

    ওমর বিন খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, এমনভাবে ইবাদত–বন্দেগি করবে, যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ, যদি তুমি তাকে নাও দেখ, তাহলে বিশ্বাস রাখবে যে, তিনি অবশ্যই তোমাকে দেখছেন। (মুসলিম, হাদিস: ০১)

    ২. অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা

    মুমিনের দ্বিতীয় গুণ হলো তারা অনর্থক কথা ও কাজ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবে। অপ্রয়োজনীয় বিষয় থেকে দূরে থাকা তাদের উন্নত চরিত্রের পরিচায়ক।

    আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অনর্থক আচরণ ত্যাগ করা। (তিরমিজি, হাদিস: ২৩১৭)

    ৩. জাকাত আদায় করা 

    সফল মুমিনরা তাদের সম্পদের জাকাত সঠিকভাবে আদায় করে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সম্পদকে পবিত্র করে এবং দরিদ্রদের অধিকার নিশ্চিত করে।

    আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি বিদায় হজের অবস্থায় রাসুলকে (সা.) ভাষণ দিতে শুনেছি, তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, তোমাদের পাঁচ ওয়াক্তের (ফরজ) নামাজ পড়, তোমাদের রমজান মাসের রোজা রাখ, তোমাদের মালের জাকাত আদায় কর এবং তোমাদের নেতা ও শাসকগোষ্ঠীর আনুগত্য কর (যদি তাদের আদেশ শরিয়ত বিরোধী না হয়), তাহলে তোমরা তোমাদের প্রভুর জান্নাতে প্রবেশ করবে। (তিরমিজি, হাদিস: ৬১৬)

    ৪. লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করা

    মুমিনরা তাদের লজ্জাস্থানকে সংরক্ষণ করে। এর অর্থ হলো, তারা যৌন চাহিদা পূরণের জন্য কোনো অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে না। অবৈধ পন্থার মধ্যে সমকামিতা, ব্যভিচার, হস্তমৈথুন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

    সাহাল বিন সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার দু’চোয়ালের মাঝের বস্তু (জিহ্‌বা) এবং দু’রানের মাঝখানের বস্তুর (লজ্জাস্থান) জামানত আমাকে দিবে, আমি তার জান্নাতের যিম্মাদার। (বুখারি, হাদিস: ৬৪৭৪)

    দুনিয়াতে যত ফেতনা-ফাসাদ ও অপকর্ম ঘটে, তার অধিকাংশই জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের কারণে হয়। যে ব্যক্তি এই দুটি অঙ্গকে সংযত রাখবে, রাসুল (সা.) তাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে বৈধ পন্থায়, অর্থাৎ বিবাহের মাধ্যমে জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে কোনো বাধা নেই। তাই আমাদের উচিত সময়মতো বিবাহ করা। যারা এর বাইরে অন্য কোনো পথ অবলম্বন করে, তারা সীমালঙ্ঘনকারী এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

    ৫. আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা

    সফল মুমিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো, তারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে।

    হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) খুব কমই এমন খুতবা দিয়েছেন, যেখানে এ কথা বলেননি যে, ‘যার আমানতদারী নেই, তার ঈমানও নেই এবং যার ওয়াদা-অঙ্গীকারের মূল্য নেই, তার দীনও নেই।’ (মিশকাতুল মসাবিহ)

    ৬. নামাজের প্রতি যত্নবান 

    নামাজের হেফাযত বা যত্ন নেওয়া মুমিনের একটি বিশেষ গুণ।

    হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) একদিন নামাজ সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বললেন, যে ব্যক্তি নামাজের হেফাযত করবে, তা কিয়ামতের দিন তার জন্য জ্যোতি, প্রমাণ ও মুক্তির উপায় হবে। আর যে ব্যক্তি নামাজের হেফাযত করবে না, তার জন্য এটা জ্যোতি, প্রমাণ বা মুক্তির কারণ হবে না। কিয়ামতের দিন সে কারুন, ফেরাউন, হামান ও উবাই ইবনে খালাফের সঙ্গে থাকবে। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ৬৫৭৬)

    সর্বোচ্চ প্রতিদান

    আল্লাহ তায়ালা বলেন, যারা এসব গুণাবলির অধিকারী হবে, তারা সবচেয়ে উত্তম জান্নাত, জান্নাতুল ফিরদাউসের বাসিন্দা হয়ে সফলতার পরিচয় দেবে।

    আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে এসব গুণাবলি অর্জন করে জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • তুরস্ক থেকে চিনি ও আমিরাত থেকে সয়াবিন তেল কিনবে সরকার

    তুরস্ক থেকে চিনি ও আমিরাত থেকে সয়াবিন তেল কিনবে সরকার

    অনলাইন ডেস্ক:     আন্তর্জাতিকভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইস্তান্বুল থেকে ১ লাখ ২০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল এবং ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পরিশোধিত চিনি কিনবে সরকার। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল ১৬৪.২১০ টাকা এবং প্রতি কেজি চিনি কেনা হবে ৯৪.৯৪২ টাকায়। এতে মোট ব্যয় হবে ২৩৭ কোটি ১৩ লাখ ১৯ হাজার ২০০ টাকা।

    বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে উন্মুক্ত দরপত্র (আন্তর্জাতিক) পদ্ধতিতে ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পরিশোধিত চিনি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

    সুপারিশকৃত দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো ইস্তান্বুলের বেগালতা ড্যানিসমানলিক হিজমেটলেরি এ এস ওমের অবনি এমএইচ ইনোনু সিডি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এই চিনি কিনতে ব্যয় হবে ৭৮ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। প্রতি কেজি ৯৪.৯৪২ টাকা।

    সয়াবিন তেলের জন্য সুপারিশকৃত দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রেডেন্টোন এফজেডসিও দ্য প্যালাডিয়াম। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এই তেল কিনতে ব্যয় হবে ১৫৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিনের দাম পড়বে ১৬৪.২১০ টাকা।

  • নির্বাচনের প্রস্ততি নিচ্ছি—যা জাতির ঐতিহাসিক মূহুর্ত হয়ে উঠবে: প্রধান উপদেষ্টা

    নির্বাচনের প্রস্ততি নিচ্ছি—যা জাতির ঐতিহাসিক মূহুর্ত হয়ে উঠবে: প্রধান উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কানাডীয় সাত সদস্যের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে জানিয়েছেন, “আপনারা এমন এক সময় বাংলাদেশে এসেছেন, যখন দেশটি এক ঐতিহাসিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে-একটি তরুণ-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের ফলাফল হিসেবে। এখন আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে উঠবে।”

    রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতি কানাডার দীর্ঘদিনের সহায়তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

    অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “রোহিঙ্গা সংকটের ৮ বছর পেরিয়ে গেছে। তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনই একমাত্র টেকসই সমাধান-এর কোনো বিকল্প নেই। প্রায় ১২ লাখ মানুষ এখানে বসবাস করছে। হাজার হাজার শিশু জন্ম নিচ্ছে, বড় হচ্ছে-কিন্তু তারা জানে না তাদের নাগরিকত্ব কী, ভবিষ্যৎ কী। তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এখন আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।”

    সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজান বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা বলছি। এটি একটি গুরুতর মানবিক উদ্বেগের বিষয়। বিশ্বের উচিত তাদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগী হওয়া।”

    তিনি প্রফেসর ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তার অব্যাহত প্রচেষ্টার জন্য।

    প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন সংসদ সদস্য সালমা জাহিদ (স্কারবোরো সেন্টার-ডন ভ্যালি ইস্ট, লিবারেল), সামির জুবেরি-বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধী বিষয়ক মন্ত্রীর সংসদীয় সচিব এবং পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য; মাহমুদা খান, হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনালের (এইচসিআই) গ্লোবাল সিইও; মাসুম মাহবুব, হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ (এইচসিইউএসএ)-এর সিইও; আহমদ আতিয়া, জেস্টাল্ট কমিউনিকেশনসের সিইও; এবং উসামা খান, ইসলামিক রিলিফ কানাডার সিইও।এসময় সামির জুবেরি বলেন, কানাডা বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বহুমুখী করার চেষ্টা করছে।

    তিনি বলেন, আমরা বাণিজ্যের বৈচিত্র্য আনতে কাজ করছি। বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে গভীর মানবিক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি এশিয়া সফরে গিয়েছিলেন-বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্য আনার লক্ষ্য নিয়ে।সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ পোশাক, কৃষি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে বাণিজ্য সুযোগ ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রপ্তানি শিল্পে কানাডার বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজান। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন।

    সাক্ষাতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খালিলুর রহমান ও এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদও উপস্থিত ছিলেন।

  • নতুন জমি অধিগ্রহণে ডেমরাবাসীর আপত্তি ও মানববন্ধন

    নতুন জমি অধিগ্রহণে ডেমরাবাসীর আপত্তি ও মানববন্ধন

    ডেমরা প্রতিনিধি: রাজধানীর ডেমরা ও হাতিরঝিলের সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণে নতুন করে ২৮ একর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তে আপত্তি তুলেছে ডেমরার স্থানীয় বাসিন্দারা।গত- ১১ নভেম্বর মোঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় জেলা প্রশাসক থেকে ৮ ধারায় চুড়ান্ত নোটিশ পেয়ে এই আপত্তি তুলে ধরে ডেমরা স্টাফকোয়ার্টার হাতিরঝিল – ডেমরা মহা সড়কে মানববন্ধন করেন তারা। বাসিন্দারা বলছেন, সংযোগ সড়কটির জন্য ২০১৯ সালে অধিগ্রহণ করা ৬২ একর জায়গাতেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ সম্ভব।তারা আরো জানান কামারগোপ,পুর্ব দক্ষিণ,রাজাখালী, নড়াইবাগ,খুলিয়া,দেইল্লা হাইওয়ে এক্সপ্রেসের জন্য সরকারীভাবে যে জমি একোয়ার করা হচ্ছে আমরা এর ন্যায় সম্মত সমাধান না পেলে একোয়ার করতে দিবো না। ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি)’ ভিত্তিতে ডেমরা-রামপুরা সেতু-হাতিরঝিল সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্রস্তাবিত ২৮ একর জমিতে গার্মেন্টস, কলকারখানা, স্কুল-কলেজ ও আবাসন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। একাধিক স্থানীয় ব্যাক্তি বর্গ আরো জানান, প্রস্তাবিত জমিতে অসংখ্য স্থাপনা রয়েছে। অধিগ্রহণ করা হলে বাসিন্দারা ক্ষতির মুখে পড়বেন। এ ছাড়া প্রয়োজনে লতিফ বাওয়ানী জুট মিলের যথোপযুক্ত পরিত্যক্ত জায়গায় টোল প্লাজা, রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ও সার্ভিস পয়েন্টসহ সকল প্রকার অবকাঠামো নির্মাণ করা সম্ভব।

    এ বিষয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে ভুমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এল এ সাধারণ শাখা এবং এল এ শাখা -০৩) রিফাতুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান,বিষয়টি আমার নলেজে আছে, আমরা এর আগেও দুইটা নোটিশ করেছিলাম গত- ১১ নভেম্বর যে নোটিশ করেছি এটা ৮ ধারায় চুড়ান্ত নোটিশ করেছি, এখন তাদের জমির মুল্য সরকার পরিশোধ করবে বলে নোটিশ দিয়েছি । তিনি আরো বলেন, ওনাদের দাবী ছিল যে, জমির মুল্য ওনাদের দাবীর থেকে কম হয়েছে এই বিষয়ে মানববন্ধন করেন তারা। কিন্তু আমরা ওনাদের চুড়ান্ত নোটিশ দিয়েছি এর আগে আরো দুটি নোটিশ দিয়েছিলাম। এবং এ বিষয়ে তাদের কাছ থেকে অফিসিয়াল ভাবে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অফিসিয়ালি সরকার সারা বাংলাদেশে যেভাবে জমি অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন আমরা সেভাবে ভুমি মালিকদের নোটিশ করি।এর বাহিরে আর কিছু বলতে পারবো না।

  • ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে বিনিয়োগকারীরা খুশি হবেন : জেট্রো

    ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে বিনিয়োগকারীরা খুশি হবেন : জেট্রো

    অনলাইন ডেস্ক: জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) আঞ্চলিক প্রতিনিধি কাজুআকি কাটাওকা বলেছেন, বিনিয়োগকারীরা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন। নির্বাচন যদি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়, তবে তারা খুশি হবেন।

    তিনি বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগকারীদের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়, তবে রাজনীতি ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে অনিবার্যভাবে প্রভাবিত করে। বিনিয়োগকারীরা রাজনৈতিক সময়সূচির দিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক আস্থা দৃঢ় করা এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।’

    জেট্রো একটি জাপানি সরকারি সংস্থা, যা জাপান ও অন্যান্য দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে কাজ করে।

    কাটাওকা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অপরিহার্য। কারণ জনগণের ভোটে গঠিত নতুন প্রশাসন সাধারণত আরও টেকসই হয়।

    তিনি বলেন, ‘একবার একটি স্থিতিশীল নতুন সরকার অর্থনৈতিক নীতি ও প্রণোদনা ঘোষণা করলে, বিনিয়োগকারীদের আরও প্রবাহ প্রত্যাশা করা যায়, কারণ অনেক জাপানি কোম্পানি বর্তমানে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ করছে।

    তবে জেট্রোর এই প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন সত্ত্বেও বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের প্রবল আগ্রহ এখনো রয়ে গেছে।

    তিনি বলেন, ‘জাপানি কোম্পানিগুলো সক্রিয়ভাবে তাদের ব্যবসার পরিধি বাড়াচ্ছে, যার ফলে জেট্রোর ঢাকা অফিসকে পুরো সংস্থার অন্যতম ব্যস্ততম বিদেশি অফিস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে।’

    ২০২৪ সালে বিপ্লবের পর জেট্রো পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে কার্যরত জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ সম্প্রসারণের প্রবল ইচ্ছা রয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘জরিপে ৫৭ দশমিক ৭ শতাংশ জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এই ইচ্ছা সরাসরি বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনার প্রতিফলন। এ হার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং বৈশ্বিকভাবে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।’

    কাটাওকা জানান, রপ্তানিমুখী উৎপাদন দীর্ঘদিনের প্রধান ফোকাস হলেও, এখন বিনিয়োগের আগ্রহ ক্রমবর্ধমানভাবে বাংলাদেশের আকর্ষণীয় অভ্যন্তরীণ ভোক্তা বাজার দ্বারা চালিত হচ্ছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান উচ্চ আমদানি শুল্ক এড়াতে স্থানীয়ভাবে কারখানা স্থাপনের কথা বিবেচনা করছে।

    তবে উচ্চ বিনিয়োগে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও, তিনি বলেন, জাপানি কোম্পানিগুলো এখনো ক্ষুদ্র পর্যায়ের কার্যক্রমে নানা ধরনের স্থায়ী ও কখনো কখনো আরও জটিল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

    সবশেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বাজার এখনও বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয়, বিশেষ করে দেশের ক্রমবর্ধমান ভোক্তা বাজারের কারণে। এই কারণেই জেট্রো জাপান থেকে বিপুলসংখ্যক অনুসন্ধানের কাজ পাচ্ছে।

    তিনি আরো বলেন, নীতির ধারাবাহিকতাও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়েন

    নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়েন

    অনলাইন ডেস্ক: সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বুধবার সকালে জানান, “রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।”

    এর মধ্যে রাজধানীসহ ঢাকায় ১২ প্লাটুন ও আশপাশের জেলায় দুই প্লাটুনসহ মোট ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    পরবর্তী নির্দেশনার আগ পর্যন্ত বিজিবি মোতায়েন থাকবে বলে জানা গেছে।

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকে রাজধানী ও এর আশপাশ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার মতো অপতৎপরতা রোধে ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাইয়ে গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর। এই রায়কে ঘিরে রাজধানী ঢাকায় ‘লকডাউন’ কর্মসূচি দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।