Category: প্রচ্ছদ

  • সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যাচেলার পয়েন্ট হোটেলে দেহ ও মাদক ব্যবসার রমরমা বাণিজ্য

    সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যাচেলার পয়েন্ট হোটেলে দেহ ও মাদক ব্যবসার রমরমা বাণিজ্য

    প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, আতঙ্কে এলাকাবাসী

    বিশেষ সংবাদদাতা, শামসুন্নাহার সিএনআর : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চিটাগাং রোডসংলগ্ন হাইওয়ে এলাকায় অবস্থিত “ব্যাচেলার পয়েন্ট” নামের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে চলছে দেহ ও মাদক ব্যবসার রমরমা বাণিজ্য। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির আড়ালে বিভিন্ন পেশার নারী ও স্কুল–কলেজ পড়ুয়া তরুণীদের ব্যবহার করে দেহ ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সেখানে নিয়মিতভাবে মাদক সেবন ও বিক্রিও চলে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

    তাদের দাবি, দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রতিদিন নতুন নতুন কাস্টমার সরবরাহ করা হয়। এসব দালালের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন বয়সী পুরুষ, এমনকি কলেজপড়ুয়া তরুণরাও। এলাকাবাসীর অভিযোগ—এই হোটেলটি এখন অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদক চক্রের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    অভিযোগ রয়েছে, হোটেলটির মালিক জাহিদ একসময় স্থানীয় আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং অতীতে বিভিন্ন হোটেলে দেহ ব্যবসায়ীদের দালাল হিসেবে কাজ করতেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি নিজেই হোটেল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। জানা গেছে, ঢাকাসহ কুমিল্লা ও গাজীপুর এলাকাতেও তার হোটেল ব্যবসা রয়েছে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলাতেও তার নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে উঠেছে।

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, জাহিদ নিয়মিতভাবে প্রশাসনের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মুখোশধারী স্থানীয় নেতাদের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে কোনো কার্যকর অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না।

    এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, “আমরা আতঙ্কে আছি। এখানে দিনরাত অচেনা লোকজন আসা–যাওয়া করে। আমাদের সন্তানরা মাদকে জড়িয়ে পড়ছে, সমাজটা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।”

    প্রতিবেদক হোটেলটিতে সরেজমিনে গেলে হোটেলের মালিক জাহেদকে পাওয়া যায় নাই। তবে ম্যানেজার সিরাজ সব কিছু অস্বীকার করেন। মালিক জাহিদের সাথে কথা বলার কথা বললে ম্যানেজার বলেন, স্যার ত অসুস্থ। কারো ফোন ধরেন না।।

    এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।” তবে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, বহুবার অভিযোগ জানানো হলেও এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে বার বার ফোন দেওয়া হলেও তিনি বার বার লাইনটা কেটে দেন।।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এলাকাবাসীর জোর দাবি—অবিলম্বে তদন্ত করে হোটেল “ব্যাচেলার পয়েন্ট”-এর অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

  • ওজন কমালেই মিলবে পোরশে গাড়ি!

    ওজন কমালেই মিলবে পোরশে গাড়ি!

    অনলাইন ডেস্ক:   চীনের একটি জিম সম্প্রতি ওজন কমাতে আগ্রহীদের জন্য দিয়েছে এক অভিনব চ্যালেঞ্জ। জিম কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, কেউ যদি তিন মাসের মধ্যে নিজের শরীর থেকে ৫০ কেজি ওজন ঝরাতে পারেন, তাহলে পুরস্কার হিসেবে পাবেন একটি বিলাসবহুল পোরশে প্যানামেরা গাড়ি।

    চীনের উত্তরাঞ্চলের শানডং প্রদেশের বিনঝোউ শহরের একটি ফিটনেস ট্রেনিং সেন্টার গত ২৩ অক্টোবর অনলাইনে এই চ্যালেঞ্জের ঘোষণা দেয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে পড়ে।

    জিমের প্রচারপত্রে লেখা হয়েছে, কেউ যদি তিন মাসে ৫০ কেজি ওজন কমাতে পারেন, তাহলে তাকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে একটি পোরশে প্যানামেরা।

    ফিটনেস কোচ ওয়াং জানিয়েছেন, চ্যালেঞ্জটি সত্যিই দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে নিবন্ধন শুরু হয়ে গেছে। আগ্রহী প্রতিযোগীর সংখ্যা ৩০ ছাড়ালে নিবন্ধন বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরই মধ্যে সাত–আটজন প্রতিযোগী নাম নিবন্ধন করেছেন।

    এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার টাকার বেশি (১ ইউয়ান সমান ১৭ টাকা ধরে)।

    কোচ ওয়াং বলেন, প্রতিযোগীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে কীভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, কী থাকবে খাদ্য তালিকায় বা ওজন কমানোর মানদণ্ড কীভাবে নির্ধারিত হবে—সেসব বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

    ওয়াং আরও জানিয়েছেন, পুরস্কার হিসেবে দেওয়া পোরশে প্যানামেরাটি একেবারে নতুন নয়; এটি জিমের মালিকের নিজস্ব গাড়ি, ২০২০ মডেলের, যা তিনি বর্তমানে ব্যবহার করছেন।

    অন্যদিকে, চীনের চিকিৎসকেরা এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এত দ্রুত ওজন কমানো অত্যন্ত বিপজ্জনক। দিনে ৫০০ গ্রাম ওজন কমানোও ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। চিকিৎসকেরা বলেন, কারও ওজন খুব বেশি হলে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে, তবে এত দ্রুত ওজন কমালে শরীর থেকে চর্বির চেয়ে পেশি ক্ষয় বেশি হয়। তাদের পরামর্শ, সপ্তাহে ৫০০ গ্রাম করে ওজন কমানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

  • সব ধরনের ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া

    সব ধরনের ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া

    অনলাইন ডেস্ক:     বদনজর, জাদু, শয়তানের কুপ্রভাব ও কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে সকাল ও সন্ধ্যায় তিন কুল অর্থাৎ সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার করে পাঠ করুন। সুরা ইখলাসে আল্লাহর পরিচয়, একত্ব ও ক্ষমতা বর্ণনা করা হয়েছে। সুরা ফালাক ও সুরা নাসে জাদুর ক্ষতি, হিংসা ও বদনজরের ক্ষতি, শয়তানের ওয়াসওয়াসাসহ সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে আল্লাহ তাআলা তার আশ্রয় প্রার্থনা করতে শিখিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে খুবাইব (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) আমাকে বলেছেন, সকালে ও সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার করে পড়ুন, এ আমল প্রতিটি (ক্ষতিকর) জিনিস থেকে নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট হবে। (সুনানে তিরমিজি, সুনানে আবু দাউদ)

    সুরা ইখলাস

    قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ – اللَّهُ الصَّمَدُ – لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ – وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

    উচ্চারণ: কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস-সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ।

    অর্থ: বলো, তিনিই আল্লাহ, একক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। তার সমতুল্য কেউ নেই।

    সুরা ফালাক

    قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ – مِن شَرِّ مَا خَلَقَ – وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ – وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ – وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

    উচ্চারণ: কুল আউজু বিরাব্বিল ফালাক্ব; মিন শাররি মা খালাক্ব; ওয়া মিন শাররি গাসিক্বিন ইজা ওয়াক্বাব; ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাছাতি ফিল উক্বাদ; ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইজা হাসাদ।

    অর্থ: বলো আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে; তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে যখন তা সমাগত হয়, গ্রন্থিতে ফুৎকার দিয়ে জাদুকারিণীদের অনিষ্ট থেকে, আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

    সুরা নাস

    قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ – مَلِكِ النَّاسِ – إِلَهِ النَّاسِ – مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ – الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ – مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ

    উচ্চারণ: কুল আউজু বিরাব্বিন নাস; মালিকিন্ নাস; ইলাহিন্ নাস। মিন্ শররিল ওয়াস্ওয়াসিল খান্নাস; আল্লাজি ইউওয়াসয়িসু ফি ছুদুরিন নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।

    অর্থ: বলো, আমি আশ্রয় চাই মানুষের রবের কাছে, মানুষের অধিপতির কাছে, মানুষের মাবুদের কাছে। তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্মগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে; জিন হোক বা মানুষ হোক।

  • গণভোটসহ পাঁচ দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিলো জামায়াতসহ আট দল

    গণভোটসহ পাঁচ দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিলো জামায়াতসহ আট দল

    অনলাইন ডেস্ক:     নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দল। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরের দিকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করে। প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন শিল্প ও গৃহায়ন এবং গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান।

    এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্টন থেকে জামায়াতসহ আট দলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। মৎস্য ভবন মোড়ে পৌঁছালে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে পদযাত্রা। পরে প্রতিনিধি দল যমুনার উদ্দেশে রওনা দেয় এবং সেখানে স্মারকলিপি প্রদান করে। আদিলুর রহমান জানান, তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো তুলে ধরবেন।

    স্মারকলিপিতে পাঁচটি দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন, জাতীয় নির্বাচনে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি চালু, সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, পূর্ববর্তী সরকারের দুর্নীতি ও সহিংসতার বিচার করা এবং স্বৈরাচার ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।

    দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াতের নেতৃত্বে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি একজোট হয়েছে।

    স্মারকলিপি জমা শেষে রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “আমরা প্রধান উপদেষ্টার কাছেই স্মারকলিপি দিতে চেয়েছিলাম, পরে তাঁর নির্দেশে শিল্প উপদেষ্টা এটি গ্রহণ করেন। তিনি আমাদের দাবির সঙ্গে দ্বিমত করেননি এবং বলেছেন যে এই বিষয়গুলো নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করবেন।”

    তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক আলোচনার গুরুত্ব শিল্প উপদেষ্টা আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তবে আমরা চাই, গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ দ্রুত জারি করা হোক। ১১ নভেম্বর ঢাকায় লক্ষ লক্ষ মানুষ নিয়ে আমরা মহাসমাবেশ করব। এর আগে যদি আমাদের দাবিগুলোর বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া না আসে, তবে ঢাকার অবস্থা ভিন্ন হবে।”

    এর আগে সকাল থেকে রাজধানীর পল্টন, কাকরাইল ও শাপলা চত্বর এলাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে জড়ো হন আট দলের নেতাকর্মীরা। পল্টন মোড়ে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, “প্রয়োজনে জীবন দেব, কিন্তু জুলাইয়ের চেতনা ভূলুণ্ঠিত হতে দেব না। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করব, ঘি আমাদের লাগবেই।”

    সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সহযোগী দলের শীর্ষ নেতারাও। কর্মসূচি শেষে প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশে যমুনার দিকে রওনা হয়।

  • গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন আইন

    গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন আইন

    অনলাইন ডেস্ক:     প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। নতুন আইনে গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন আটক কেন্দ্র বা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত যেসব স্থাপনা অতীতে ব্যবহৃত হতো, সেগুলোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এমন কেন্দ্র স্থাপন বা ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা এবং পরিচয় সুরক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতাও যুক্ত করা হয়েছে।

    প্রেস সচিব আরও জানান, গুম প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি তহবিল ও জাতীয় তথ্যভাণ্ডার গঠনের বিধানও আইনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “এই আইন কার্যকর হলে বাংলাদেশে আর কোনো সরকার গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না। মানবাধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই অধ্যাদেশটি পাস করা হয়েছে।”

    সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

  • ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত অবস্থার তথ্য চেয়েছে ইসি

    ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত অবস্থার তথ্য চেয়েছে ইসি

    অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত অবস্থা যাচাইয়ে নেমেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাউন্ডারি বা সীমানা প্রাচীর নেই, দরজা-জানালা জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে কিংবা ছোটোখাটো মেরামতের প্রয়োজন—এমন প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে ইসি। বুধবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ২০ অক্টোবর ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেই তালিকার আওতায় থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেগুলোতে অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর তথ্য নির্ধারিত ছক অনুযায়ী পাঠাতে হবে। ইসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এসব ভোটকেন্দ্রের তালিকা নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন সহায়তা-১ শাখায় পাঠাতে হবে। তালিকাটি হার্ড কপি ও নিকস ফন্টে সফ্টকপি আকারে জমা দিতে হবে।

    এছাড়া একই দিনে ইসি আরেকটি নির্দেশনা জারি করে জানিয়েছে, যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা আছে, সেগুলোরও একটি বিস্তারিত তালিকা দ্রুত পাঠাতে হবে। ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসারদের আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সিসি ক্যামেরা-সংবলিত ভোটকেন্দ্রের তালিকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন সহায়তা-১ শাখায় পাঠাতে হবে।

    এই তালিকাটিও হার্ডকপি ও সফ্টকপি উভয় আকারে নির্ধারিত ছক মোতাবেক জমা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা, অবকাঠামোগত উপযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।