Category: প্রচ্ছদ

  • নির্বাচন নিয়ে কোনো হুমকি নেই—খুব ভালোভাবে সম্পূর্ণ হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নির্বাচন নিয়ে কোনো হুমকি নেই—খুব ভালোভাবে সম্পূর্ণ হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:     লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বুধবার গাজীপুর জেলা প্রশাসকের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে প্রশাসন, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বললেন, “দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী। নির্বাচন নিয়ে কারও কোনো হুমকি নেই। নির্বাচন খুব ভালোভাবে হয়ে যাবে। নির্বাচন হবে ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল ও উৎসবমুখর। এর জন্য প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।”

    ‘আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে আমাদের কী ধরনের প্রস্তুতি হয়েছে এগুলো আলোচনা হয়েছে। এছাড়া গাজীপুরের কিছু সমস্যা রয়েছে সে বিষয়গুলোও সভায় আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করায় অনেক গুজব কমে গেছে’-উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট উপদেষ্টা।

    জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দুর্নীতি ও মাদক। এ দুটিকে সমাজ থেকে কীভাবে দূর করতে পারি এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মাদকের সমস্যা দূর করার জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদক গ্রামে-গঞ্জে সবখানে ছড়িয়ে পড়েছে। সবার সহযোগিতা না থাকলে দিনদিন এটি বেড়েই যাবে। এজন্য সবাইকে সচেতন করতে হবে।”

    গাজীপুর শিল্প এলাকা হওয়ায় এখানে অনেক লোক রুটি-রোজগারের জন্য আসে। এদের অনেকেই এখানকার বাসিন্দা না। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছে। তাদের সম্পর্ক ভালো রাখতে হবে। এখানে ঝুট ব্যবসায়ীর সংখ্যাও বেশি। তারাও বিভিন্ন সময়ে অনেক সমস্যা করে থাকে। এখানে চাঁদাবাজও রয়ে গেছে, এদের কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সভায় এ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    বিভিন্ন গুজবের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ অনেক সময় অনেক গুজব রটায়। সাংবাদিকরা সত্য ঘটনাটি প্রকাশ করায় পার্শ্ববর্তী দেশের অনেক গুজব কমে গেছে। পার্শ্ববর্তী দেশের গুজব ঠেকানের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে আমাদের দেশের সাংবাদিকরা।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা যদি সত্য ঘটনা তুলে ধরেন তাহলে সবাই বুঝবে পার্শ্ববর্তী দেশ যে গুজব রটাচ্ছে তা সঠিক নয়।

    তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার করার জন্য যেসব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে তাদেরও অনেক দায়িত্ব আছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনেরও একটা বড় ধরনের কাজ রয়ে গেছে। সবার সম্মিলিত প্রয়াসে কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো সমস্যা হবে না।

    আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীর জামিনে মুক্তির বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, জামিনে বের হয়ে তারা যদি কোনো অপকর্ম করে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। জামিন দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীন।

  • আয়ারল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ আশরাফুল

    আয়ারল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ আশরাফুল

    খেলাধুলা ডেস্ক:     প্যানেলে দেখা যেতে পারে, এমন একটা গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাই সেটাকে অসাঢ় বা নিছক গুজব বলেই মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো ভিন্ন।

    বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সব সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটিং প্রতিভা মোহাম্মদ আশরাফুল জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে ঢ়ুকছেন এবং আশরাফুলকে ব্যাটিং কোচ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত সোমবার বিসিবি পরিচালক পর্ষদের সভায় নেয়া হয়েছে এ সিদ্ধান্ত।

    বিসিবির দীর্ঘ সভা শেষে রাতে প্রেস বিফিংয়ে জানানো হয়েছে এ তথ্য। মোহাম্মদ আশরাফুল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে টিম বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করবেন। সে সঙ্গে বিসিবি পরিচালক ও জাতীয় দলের সাবেক বাঁ-হাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে টিম ডিরেক্টরের ভুমিকায় থাকবেন। বোর্ড সভায় সে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

  • নির্বাচনে জোট নয়, সমঝোতার পথে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

    নির্বাচনে জোট নয়, সমঝোতার পথে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:     বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, জামায়াত এবার জোট নয়, বরং নির্বাচনী সমঝোতার পথে হাঁটবে। বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা কোনো জোট করার সিদ্ধান্ত নিইনি, জোট করবও না। তবে নির্বাচনী সমঝোতা করতে পারি। শুধু ইসলামী দল নয়, দেশপ্রেমিক ও প্রতিশ্রুতিশীল যারা আছেন, তারা সবাই এতে যুক্ত হচ্ছেন। আমরা চাই, সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ে তুলতে।”

    তিনি আরও বলেন, “গণভোট আগে না হলে জাতীয় নির্বাচন কিসের ভিত্তিতে হবে? আমরা চাই গণভোট আগে হোক এবং জুলাই সনদ আইনিভিত্তি পাক।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন আদায় করতে হবে, নইলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।”

    দলীয় রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে জামায়াত আমির বলেন, “আওয়ামী লীগ নিজেরাই তো নির্বাচন চায়নি। তাদের ওপর জোর করে নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু করা ঠিক হবে না।”

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো একাধিক দল ও আদর্শের অংশগ্রহণ। আমাদের প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পি আর) পদ্ধতির দাবি জনগণের জন্যই। বিশ্বের বহু দেশে এই পদ্ধতি ফ্যাসিবাদ রোধে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। জনগণ যদি এটাকে সমর্থন করে, তাহলে দেশে আর স্বৈরাচার ফিরে আসবে না।”

    সাম্প্রতিক বিদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিদেশে প্রবাসীদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। তাদের বুকভরা ভালোবাসা ও প্রত্যাশা এই জাতির প্রতি। তারা সম্মান ও অংশগ্রহণ চায়, বিনিময়ে কিছু নয়।”

    তৃতীয় মেয়াদে জামায়াতের আমির নির্বাচিত হওয়ার পর এদিনই প্রথম নিজ জন্মভূমি সিলেটে ফিরে আসেন তিনি। বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন ডা. শফিকুর রহমান।

  • পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা অ্যাটর্নি জেনারেলের

    পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা অ্যাটর্নি জেনারেলের

    অনলাইন ডেস্ক:     তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর আপিল শুনানি শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কনফারেন্স কক্ষে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি জানান, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কাছে আমি নমিনেশন চেয়েছি। আমি আশাবাদী নমিনেশন পাব।”

    অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, “আমি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আছি এখনও। আমার অ্যাটর্নি জেনারেল পদ ছেড়ে ভোট করব। যখন সময় আসবে তখন করব।”

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল এবং সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি অভিযোগ করেন যে, কোনো একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দিতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় দেওয়া হয়েছিল।

    আসাদুজ্জামান বলেন, ‘রায় ঘোষণার পর তিনি যে রায় পরিবর্তন করেছেন, তা দণ্ডবিধির ২১৯ ধারা অনুযায়ী একটি অপরাধ। কোনো একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় দেয়া হয়েছিল। যে রায় আপিল বিভাগ দেবেন, সেই রায় আগামী প্রজন্ম ও দেশের গণতন্ত্রের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলীয় ২৩৭ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কিন্তু ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনে কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি।

  • নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ তিন রাজনৈতিক দল

    নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ তিন রাজনৈতিক দল

    অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে নতুন করে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।”

    তিনি আরও জানান, বুধবার (৫ নভেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে। নির্ধারিত সময় শেষে তা নিষ্পত্তি করে দলগুলোর নিবন্ধন গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

    এর আগে নির্বাচন কমিশনে মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর ২২টি দলের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে সাতটি দলকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে ইসি জানায়, তারা ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

    ইসি সচিব বলেন, “বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম পার্টির বিষয়ে একটি রিট মামলা হাইকোর্টে বিচারাধীন আছে। আদালতের রায় পাওয়ার পর তাদের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।”

    তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে অনেক দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা নেই। বিশেষ করে জাতীয় জনতা পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (শাহজাহান সিরাজ) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে যাচাই শেষে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    ইসির নিয়ম অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে রাজনৈতিক দলকে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় সাংগঠনিক কাঠামো ও অন্তত ১০০টি উপজেলা কমিটি গঠন করতে হয়। প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়। এছাড়া আগের নির্বাচনে সংসদ সদস্য থাকা বা পাঁচ শতাংশ ভোট পাওয়াও নিবন্ধনের যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা

    জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা

    অনলাইন ডেস্ক: জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য কেন্দ্র সচিবদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সম্প্রতি বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর সকল কেন্দ্র সচিবদেরকে পত্রের কপি পাঠানো হয়েছে।

    পত্রে বলা হয়েছে— ১. জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর সকল পরীক্ষার্থী ৮ম শ্রেণির পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিষয়ে পূর্ণনম্বর ১০০ ও পূর্ণসময় ৩ ঘন্টা এবং বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৫০+৫০ নম্বরে, ১.৩০ মিনিট + ১.৩০ মিনিট সময়ে অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে।

    ২. পরীক্ষা শুরুর ০৭ (সাত) দিন পূর্বে ট্রেজারিতে/খানা লকারের ট্রাংকে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের বিবরণী তালিকা ঠিকভাবে যাচাই করতে হবে। প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাইকালে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কেন্দ্রসচিব ও পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন।

    ৩. প্রশ্নপত্রের ২ সেট পরীক্ষার তারিখ অনুসারে সেটভিত্তিক আলাদা করে সিকিউরিটি খামে প্যাকেট করতে হবে।

    ৪. কোন কেন্দ্রে আসন অনুপাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে, উক্ত কেন্দ্রের পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাব-সেন্টার করে পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে।

    ৫. প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাই-এর দিনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তারিখ ভিত্তিক প্রশ্নপ্রত্রের প্যাকেট সাজিয়ে সিকিউরিটি খামের গাম লাগিয়ে এবং কার্টুন টেপে যথাযথভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে এবং সিকিউরিটি খামের ওপর পরীক্ষার তারিখ, বিষয় কোড ও সেট কোড অবশ্যই লিখতে হবে।

    এ বিষয়ে কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে অবহেলা বলে গণ্য হবে।

    ৬. ট্রেজারি হতে পরীক্ষার দিনগুলোতে ট্রেজারি অফিসারের নিকট হতে ওই দিনের প্রশ্নপত্রের সিকিউরিটি খাম ২ সেট গ্রহণ করতে হবে।

    ৭. অত্যন্ত সতর্কতার সাথে থানা/ট্রেজারি হতে পুলিশ প্রহরাসহ প্রশ্নপত্রের প্যাকেট (সিকিউরিটি খাম) কেন্দ্রে আনতে হবে।

    ৮. প্রশ্নপত্র ব্যবহারের এসএমএস মোতাবেক সেট ব্যবহার করতে হবে এবং এসএমএস পাওয়ার পর প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে। অব্যবহৃত সেটের প্রশ্নপত্রের খাম অক্ষত অবস্থায় উপজেলা কমিটির নিকট জমা দিতে হবে। উপজেলা কমিটি জেলা কমিটির নিকট জমা দিবে।

    ৯. কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। কেন্দ্র সচিব ছবি তোলা যায় না, এমন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

    ১০. প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য ১ জন কক্ষ পরিদর্শক পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রতিটি কক্ষে কমপক্ষে ২ (দুই) জন করে দায়িত্ব পালন করবেন।

    ১১. কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষার্থীর আসন ব্যবস্থা করতে হবে।

    ১২. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কক্ষে অবশ্যই প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থী আসলে কেন্দ্র সচিব বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্ট্রার খাতায় রোল নং ও অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ করে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারবেন। পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে রেজিস্ট্রার খাতাটি জমা দিতে হবে।

    ১৩. পরীক্ষা শুরুর পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক বা অন্য কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে হ্যান্ড মাইক ব্যবহার ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

    ১৪. কেন্দ্র সচিবগণ তাদের কেন্দ্রের আওতাভুক্ত বিদ্যালয়ের প্রবেশপত্র ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করবেন এবং দ্রুততম সময়ে প্রবেশপত্র প্রতিটি বিদ্যালয় প্রধানের নিকট হস্তান্তর নিশ্চিত করবেন।

    ১৫. পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে কোনো ত্রুটি থাকলে, তা অবশ্যই প্রবেশপত্র গ্রহণের ৫ কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখা হতে সংশোধন করতে হবে।

    ১৬. ত্রুটিপূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীদের নিকট সরবরাহ করা যাবে না।

    ১৭. পরীক্ষার্থীর হাজিরা শিটে উপস্থিতির স্বাক্ষর নিতে হবে। কোনো পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে, নির্দিষ্ট তারিখ ও বিষয় লাল কালি দ্বারা অনুপস্থিত লিখে দিতে হবে।

    ১৮. নির্দিষ্ট তারিখে পরীক্ষার সময়সূচি মোতাবেক পরীক্ষা নিতে হবে। উত্তরপত্রের প্যাকেট উপজেলা কমিটির নিকট বস্তায় সিলগালাকৃত অবস্থায় পৌঁছাতে হবে।

    ১৯. পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পরিবহন কাজে পুলিশের সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে।

    ২০. বিষয় অনুসারে ৫০টি করে উত্তরপত্র করোগেটেড শিটে প্যাকেট করতে হবে।

    ২১. উত্তরপত্রের প্যাকেটের গায়ে কোনো চিহ্ন বা অতিরিক্ত কিছু লেখা থাকলে তার জন্য কেন্দ্রসচিব দায়ী থাকবেন।

    ২২. প্রতিটি বিষয়ের উত্তরপত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্যাকেট করতে হবে। ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিতে হবে।

    ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের প্যাকেট আলাদা হবে।

    ২৩. পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ রাখতে হবে এবং অনলাইনে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    ২৪. বোর্ডের অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যতীত অন্য কোনো ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

    এছাড়া জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।