Category: প্রচ্ছদ

  • গণভোট নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত জানতে চায় সরকার

    গণভোট নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত জানতে চায় সরকার

    অনলাইন ডেস্ক: গণভোট ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত দ্রুত জানতে চেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবগুলোর আলোকে জরুরি ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে অভিমত সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের।

    নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে সম্ভাব্য দ্রুত সময়ের মধ্যে, সম্ভব হলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে ঐক্যবদ্ধ দিকনির্দেশনা প্রদান করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

    রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ‘করবী হলে’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোমবার দুপুর সোয়া ১২টায়  এসব কথা জানান আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    তিনি বলেন, “ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক থেকে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংশোধন আদেশ চূড়ান্তকরণ এবং এতে উল্লিখিত গণভোট আয়োজন ও গণভোটের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভা থেকে লক্ষ্য করা হয় যে, ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘদিন আলোচনার পরও সংস্কারের কয়েকটি সুপারিশের বিষয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। এছাড়া গণভোট কখন আয়োজন হবে এবং এর বিষয়বস্তু কি হবে এসব প্রশ্নের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। সেজন্য সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।”

    এ প্রেক্ষিতে গণভোটের সময় কখন হবে অর্থাৎ গণভোট কবে অনুষ্ঠিত হবে? গণভোটে বিষয়বস্তু কি হবে? জুলাই সনদ এর বর্ণিত ভিন্নমত প্রসঙ্গে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে? তা নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবগুলোর আলোকে জরুরি ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে সভা অভিমত ব্যক্ত করে।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, “ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের দীর্ঘদিনের মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে স্বীয় উদ্যোগে নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে সম্ভাব্য দ্রুত সময়ের মধ্যে, সম্ভব হলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে ঐক্যবদ্ধ দিকনির্দেশনা প্রদান করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এমন নির্দেশনা পেলে সরকারের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা অনেক সহজ হবে।”

    ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে কালক্ষেপণ করার কোনো সুযোগ নেই, সেটাও আমাদের সবার বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে সরকারের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে’-উল্লেখ করেন তিনি।

  • সংস্কারের বিপক্ষের সঙ্গে জোট নয়: নাহিদ ইসলাম

    সংস্কারের বিপক্ষের সঙ্গে জোট নয়: নাহিদ ইসলাম

    অনলাইন ডেস্ক:     জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংস্কারের বিপক্ষের কোনো দলের সঙ্গে জোটে যাওয়া সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জুলাই সনদের আইনি ও রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করতে হলে সেটি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই জারি করতে হবে।

    রোববার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে নাহিদ ইসলাম এ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন ও সংস্কারকে আলাদা কার্যক্রম হিসেবে দেখলে ঐক্যের জায়গা সংকুচিত হয়। সংস্কারের পক্ষে কেউ না থাকলে তাদের সঙ্গে আমাদের ঐক্য বা জোটে যাওয়া সম্ভব নয়।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের মূল দাবি হচ্ছে সংস্কার, ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত বাংলাদেশ এবং বৈদেশিক আধিপত্য থেকে স্বাধীনতা। যে কেউ এই অবস্থানে কাছাকাছি এলে আমরা আলোচনা করতে পারি, দরজা খোলা আছে, কিন্তু এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।”

    এনসিপি আহ্বায়ক জানান, দলটি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি নিজেও ঢাকা থেকে প্রার্থী হবেন বলে জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা এই মাসেই প্রার্থীর তালিকা দিতে পারব।”

    ভারতের ভূমিকা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত জুলাই গণহত্যাকে সমর্থন দিয়েছে। তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থান প্রশ্নে যতদিন ভারত তার অবস্থান পরিবর্তন না করবে, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক শীতলই থাকবে। ভারতের উচিত জুলাইয়ের স্বীকৃতি দেওয়া এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সমমর্যাদার সম্পর্কে যাওয়া।”

    বিএনপি প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিলে শুধু নির্বাচনে নয়, রাজনীতি থেকেও হারিয়ে যেতে হবে।” তিনি মনে করেন, একদল সংস্কারকে ভেস্তে দিচ্ছে, আরেক দল নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু এনসিপি সময়মতো নির্বাচন চায় এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে।

    গণভোটের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “গণভোট নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিনও হতে পারে, এটি মূল বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ কবে এবং কার মাধ্যমে জারি হবে।” তার মতে, যদি এই সনদ প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে জারি হয়, তবে তা “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কফিনে শেষ পেরেক মারা হবে।”

    সংবিধান বাস্তবায়ন আদেশে পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, “বাস্তবায়ন আদেশের প্রথম খসড়ায় ২৭০ দিন পর সংস্কার প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হওয়ার বিধান ছিল, আমরা সেটি সমর্থন করি। সেটি পরিবর্তন করা হলে এনসিপি সমর্থন পুনর্বিবেচনা করতে পারে।”

    নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “নতুন দল হিসেবে সহযোগিতার বদলে আমাদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। শাপলা কলির প্রতীক আমরা আগেই চেয়েছিলাম, কমিশন চাইলে এক মাস আগেই তা দিতে পারত।”

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে সাইফুল হক  নিরপেক্ষতার পরীক্ষায় ফেল করার সুযোগ নেই

    অন্তর্বর্তী সরকারকে সাইফুল হক নিরপেক্ষতার পরীক্ষায় ফেল করার সুযোগ নেই

    অনলাইন ডেস্ক:       বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, (অন্তর্বর্তী সরকারের) নিরপেক্ষতার পরীক্ষায় ফেল করার সুযোগ নেই। প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা নিয়ে বিদ্যমান সংকট উত্তরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। তীরে এসে তরি ডোবাবেন না।

    সাইফুল হক বলেন, এ মুহূর্তে সরকারের একটি ভুল সিদ্ধান্ত বিরাট বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি জুলাই সনদ, গণভোট ও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তবে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ হবে না, যা টেকসই করা যাবে না।

    তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশগুলো কেন্দ্র করে ঐক্যের পরিবর্তে আরও অনৈক্য দেখা দিয়েছে। ভিন্নমতের বিষয়গুলো পুরোপুরি বাদ দিয়ে সুপারিশ করায় কমিশনের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এটা অনভিপ্রেত, দুঃখজনক ও বিব্রতকর। কমিশনের সুপারিশে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনে সরকার যেভাবে সংবিধান সংশোধন আদেশ প্রদানের কথা বলা হয়েছে তাও পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।

    কারণ এই ধরনের কোনও ক্ষমতা, এখতিয়ার বা মান্ডেট অন্তর্রর্তী সরকারের নেই। এই ধরনের উদ্যোগ হবে প্রকারান্তরে সংবিধান অস্বীকারের শামিল।

    তাছাড়া সংবিধান সংশোধনের এই ধরনের আদেশ এক ভয়ংকর নজিরও সৃষ্টি করবে। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে সংবিধান সংশোধনে এই উদাহরণকে ব্যবহার করার আশঙ্কা থাকবে। এই ধরনের পদক্ষেপ পরোক্ষভাবে বরং কর্তৃত্ববাদী শাসনের রাস্তা খুলে দিতে পারে।

    তিনি বলেন, গণভোটের প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে অধিকাংশ দল ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠানে মতামত দিয়েছিল।

    বাস্তবে গণভোটের প্রশ্নে এর অন্যথা হওয়ার সুযোগ নেই। তাছাড়া জাতীয় নির্বাচনের আগে আর একটা নির্বাচন করার সময় ও সামর্থ্য সরকার বা নির্বাচন কমিশনের নেই। আর কোনো কারণে গণভোটে ভোটের হার স্বল্প হলে তা রাজনৈতিক দিক থেকে বিরাট বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কমিশনের সুপারিশে ২৭০ দিনের মধ্যে সব ইস্যু সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সম্পন্ন না হলে যেভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হয়ে যাওয়ার কথা হয়েছে তা রীতিমতো উদ্ভট ও হাস্যকর। সংবিধান সংশোধন নিয়ে এই ধরনের ছেলেখেলার কোনো অবকাশ নেই।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী। উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় সদস্য সিকদার হারুন মাহমুদ, যোবরান আলী জুয়েল, বাবর চৌধুরী, ঢাকা মহানগর কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন, আরিফুল ইসলাম আরিফ প্রমুখ।

  • জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এর ক্যাম্পেইনের টিজার প্রকাশ

    জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এর ক্যাম্পেইনের টিজার প্রকাশ

    অনলাইন ডেস্ক:       আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এর ক্যাম্পেইনের প্রথম টিজার প্রকাশিত হয়েছে। রোববার (২ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ৪৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিও টিজারটি প্রকাশ করা হয়।

    তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৬- এ উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা সবাই ভোট দিতে যাবো। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের মালিকানা বুঝে নেবে দেশের জনগণ।

    রোববার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এ তথ্য জানান।

    প্রকাশিত টিজারের শুরুতেই আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনকে বলতে দেখা যায়, আমি ভারতে যেটা বলেছি যে, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। তাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে যা যা করার আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা করার অনুরোধ করছি।

    পরপর প্রহসনের নির্বাচন করা আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন মন্তব্য সে সময়ে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে। তার এ ভাইরাল বক্তব্য দিয়েই শুরু হয় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্যাম্পেইনের প্রথম টিজার।

    টিজারে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমের সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন (অব) ড. খান সুবায়েল বিন রফিক বলেন, সেইসব অধ্যায় পেছনে ফেলে বাংলাদেশ আজ ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের সামনে। কারণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাকে (জনগণকে) আপনার দেশের দখল বুঝে নিতে হবে। নির্বাচন ২০২৬, দেশের চাবি আপনার হাতে।

  • মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ ঢাকার

    মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ ঢাকার

    অনলাইন ডেস্ক: পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

    উপদেষ্টা ২১তম আইআইএসএস মানামা সংলাপের ফাঁকে শনিবার বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল্লতিফ বিন রাশিদ আলজায়ানির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ গুরুত্বারোপ করেন ।

    রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বৈঠকে বাহরাইনের গঠনমূলক নেতৃত্ব এবং আঞ্চলিক সমন্বয় ও রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংলাপ প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।

    তৌহিদ হোসেন জানান, দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ উন্নয়ন ও সহযোগিতা জোরদার করার জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত।

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা দ্বিতীয় ধাপের রাজনৈতিক পরামর্শ বৈঠক ঢাকায় আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

    তৌহিদ হোসেন ২১তম মানামা সংলাপের অধিবেশনের পাশপাশি আরও কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। এসব আয়োজনে বিশ্ব নেতা, বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নীতি নির্ধারকরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবেন।

  • ‘বিএনপি রাস্তায় নামলে সরকার টিকবে না’, বললেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

    ‘বিএনপি রাস্তায় নামলে সরকার টিকবে না’, বললেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

    অনলাইন ডেস্ক: জুলাই সনদ ইস্যুতে বিএনপি যদি প্রতিবাদের পথে নামে, তাহলে বর্তমান সরকার টিকে থাকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তবে তিনি জানিয়েছেন, দলটি আপাতত ধৈর্য ধরে সরকারের অধীনেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে।

    রোববার (২ নভেম্বর) সকালে রাজধানীতে বিএনপির অঙ্গসংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে দলীয় প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

    তিনি বলেন, “জুলাই সনদ ইস্যুতে জাতির সঙ্গে যে প্রতারণা করা হয়েছে, তা জনগণ বুঝে গেছে। প্রধান উপদেষ্টা ও সরকার এ বিষয়ে নীরব থাকলেও বিএনপি এখনো ধৈর্য ধরেছে। আমরা প্রতিবাদে গেলে সরকার টিকবে না। কিন্তু আমরা জনগণের সামনে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরছি, কারণ আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই।”

    গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, “আমরা প্রায় ১৬ বছর ধরে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছি। এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছে, আমরা তাদের প্রতি আস্থা রাখছি যে তারা জাতির সামনে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবে।”

    তিনি জানান, বিএনপি প্রতিবাদে না গেলেও সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণের নজরে আছে। “আমরা যদি প্রতিবাদে যাই, তাহলে সরকার টিকে থাকবে কি না সন্দেহ। তাতে নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে, দেশে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা ধৈর্য ধরছি,” বলেন বিএনপির এই নেতা।

    সরকারবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বক্তব্য প্রসঙ্গে গয়েশ্বর বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় আসার জোরালো সম্ভাবনা থাকায় আমাদের বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। তবে বিএনপি কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে না।”

    তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, জনগণ ভোটের দিনে যদি সঠিকভাবে অংশ নেয়, তাহলে কোনো শক্তিই সেই নির্বাচনকে ভণ্ডুল করতে পারবে না।