Category: প্রচ্ছদ

  • বিএনপির ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনে অগ্রাধিকার পাবেন যারা

    বিএনপির ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনে অগ্রাধিকার পাবেন যারা

    জীবন নিউজ ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বাকি ৬৩টি আসন আপাতত ফাঁকা রাখা হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব আসনে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন জোটভুক্ত শরিক দলের পরীক্ষিত নেতারা। আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির পাশে থাকা দলগুলো—বিশেষত ৫ আগস্টের পরও যেসব দল অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে—সেসব দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতার জন্যই বেশ কিছু আসন খালি রাখা হয়েছে।

    জোটগতভাবে আসন ভাগাভাগির সময় এসব আসনে শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় বিএনপি, সেটিই এখন দেখার বিষয়। জোটের অংশ হিসেবে আসন বণ্টনের পর অবশিষ্ট আসনগুলোতে দলের ত্যাগী নেতাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। কিছু আসন এখনো ফাঁকা রাখা হয়েছে কারণ সেখানে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন—যার মধ্যে কাকে দিলে জয় নিশ্চিত হবে তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। আবার কিছু আসনে এখনই প্রার্থী ঘোষণা দিলে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। বিএনপির নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে যুগান্তরকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ওই সময় তিনি জোটের প্রার্থীদের জন্য কিছু আসন ফাঁকা রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “প্রায় ২৩৭ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা দেওয়া হচ্ছে। যারা আমাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে ছিলেন, তারা যেসব আসনে প্রার্থী দিতে চান, সেখানে আমরা প্রার্থী দেইনি। তারা কোন কোন আসনে প্রার্থী দেবেন তা জানালে পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে।”

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলডিপি, গণতন্ত্র মঞ্চ, গণঅধিকার পরিষদ, গণফোরাম, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জোট এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্য আসন ফাঁকা রেখেছে বিএনপি। সমর্থন পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, যিনি চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপির সমর্থন পেতে পারেন। ওই আসনে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

    বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন—সেখানে বিএনপিও কোনো প্রার্থী দেয়নি। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-৩ আসনে, আর সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঝিনাইদহ-২ আসনে নির্বাচনে অংশ নেবেন—উভয় আসনেই বিএনপি প্রার্থী দেয়নি। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে সমর্থন পেতে পারেন বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র সাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনিও জানিয়েছেন, “আমাকে অনেক আগেই বিএনপির উচ্চমহল থেকে মৌখিকভাবে কাজের সংকেত দেওয়া হয়েছে। আমি নির্বাচনি কার্যক্রম চালাচ্ছি এবং আশা করছি, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএনপির সমর্থন আমার ওপর থাকবে।” তিনি আরও জানান, ২০১৮ সালেও তিনি একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

    লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে লড়বেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের স্ত্রী তানিয়া রব, এবং এ আসনেও বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, আর ঢাকা-১৩ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন ববি হাজ্জাজ—এই দুটি আসনেও বিএনপি প্রার্থী দেয়নি।

    ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির সমর্থন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময়ে আমরা বিএনপির পাশে থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছি। এখনো আমরা বিএনপির সঙ্গে আছি। জোটসঙ্গী হিসেবে ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির সমর্থন পাব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।” তিনি আরও জানান, ২০১৮ সালে পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন এবং এবার ঝালকাঠি-১ আসনে দলের সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।

    এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, যিনি ওই এলাকায় ইতিমধ্যেই জনসংযোগ শুরু করেছেন। এ আসনেও বিএনপি প্রার্থী দেয়নি।

    এছাড়া জোটের আরও অনেক নেতার জন্যও কিছু আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যেখানে তাঁদের সমর্থন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • সুদি কারবারির সঙ্গে অন্য কোনো বৈধ ব্যবসা করা যাবে কি?

    সুদি কারবারির সঙ্গে অন্য কোনো বৈধ ব্যবসা করা যাবে কি?

    অনলাইন ডেস্ক:    বাণিজ্য মানব সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন সম্পর্ক। এটি কেবল অর্থনৈতিক বিনিময় নয়, বরং নৈতিকতা, বিশ্বাস ও দায়িত্ববোধের এক সেতুবন্ধন। ইসলামে বাণিজ্যকে শুধু অনুমোদিতই করা হয়নি, বরং তা উৎসাহিত করা হয়েছে শর্ত একটাই, লেনদেন হতে হবে ন্যায়সঙ্গত, স্বচ্ছ ও হারাম থেকে মুক্ত।

    কিন্তু প্রশ্নটি যখন এমন হয় ‘একজন সুদি কারবারির সঙ্গে বৈধ কোনো ব্যবসা করা যাবে কি?’ তখন বিষয়টি কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং ধর্মীয় নীতিশাস্ত্রেরও অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। ইসলামী শরীয়তের মূলনীতি একেবারে পরিষ্কার। কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন, আর সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত ২৭৫)

    অর্থাৎ, বাণিজ্য বৈধ, কিন্তু সুদভিত্তিক লেনদেন (রিবা) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই কোনো মুসলমান এমন ব্যবসায় অংশ নিতে পারে না, যেখানে সুদ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। তবে বাস্তব জীবনের প্রশ্নটি একটু সূক্ষ্ম। ধরুন, কেউ একজন এমন ব্যবসায়ী, যিনি ব্যাংক বা আর্থিক খাতে সুদভিত্তিক লেনদেনে যুক্ত, কিন্তু পাশাপাশি খাদ্য, নির্মাণ, পোশাক বা প্রযুক্তির মতো বৈধ ব্যবসাও করেন। তাহলে কি মুসলমান হিসেবে তার সেই বৈধ ব্যবসায় অংশ নেওয়া, পণ্য বিক্রি করা বা ক্রয় করা নিষিদ্ধ হবে?

    শরীয়তের দৃষ্টিতে অনুমোদন ও সীমারেখা  

    ফিকহশাস্ত্রের আলোকে এর উত্তর একক নয়, বরং প্রসঙ্গনির্ভর। ইসলামী বিধান বলে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের মূল ব্যবসা হারামের ওপর নির্ভর করে, যেমন সুদ, মদ, জুয়া বা প্রতারণা, তবে সেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনোভাবে সহযোগিতা করা জায়েজ নয়।

    কিন্তু যদি তার মূল ব্যবসা বৈধ হয়, আর সুদভিত্তিক অংশ গৌণ বা আনুষঙ্গিক হয়, তাহলে লেনদেনের বিষয়টি ‘শর্তসাপেক্ষে বৈধ’ হতে পারে।

    ইমাম ইবনে বাজ রহ. এই বিষয়ে বলেছেন, ‘যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কিছু কাজ হারাম হয়, কিন্তু তার সঙ্গে তোমার লেনদেন কেবল বৈধ বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তোমার সেই লেনদেন হারাম নয়।’ (মাজমু ফাতাওয়া ইবনে বাজ, খণ্ড ১৯)

    একই দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেছেন শায়খ সালিহ আল-ফাওযান। তার মতে, ‘একজন মুসলমান বৈধ বিষয়ে কোনো সুদি ব্যবসায়ীর সঙ্গে লেনদেন করতে পারেন, তবে তিনি যেন হারাম লেনদেনে সহযোগী না হন।’

    অন্যদিকে, হানাফি ও শাফেয়ি মাযহাবের বিশিষ্ট ইমামরা আরও সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মতে, এমন যেকোনো সম্পর্ক, যা হারাম কার্যক্রমকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করে বা শক্তি জোগায়, তা থেকেও বিরত থাকা উচিত।

    কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সহযোগিতা করো না। (সুরা আল-মায়িদা, আয়াত ২)

    অর্থাৎ, তুমি যদি জানো যে তোমার অর্থ, শ্রম বা লেনদেনের মাধ্যমে সুদের কারবারকে শক্তি দেওয়া হচ্ছে, তাহলে সেই সম্পর্ক শরীয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

    আজকের বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এ প্রশ্ন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। প্রায় প্রতিটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান কোনো না কোনোভাবে ব্যাংক, ঋণ বা সুদভিত্তিক আর্থিক কাঠামোর সঙ্গে জড়িত।

    এই বাস্তবতায় ইসলামী ফিকহ ‘দরুরা’ বা অপরিহার্যতার নীতি প্রবর্তন করেছে। এর মর্মার্থ হলো যেখানে হারাম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকা বাস্তবভাবে অসম্ভব, সেখানে মুসলমান যতটুকু সম্ভব সতর্ক থাকবে এবং নিজের লেনদেনকে হারাম অংশ থেকে আলাদা রাখবে।

    ইসলামিক ফিকহ একাডেমি (OIC Fiqh Academy) ২০০৬ সালের এক ঘোষণায় বলেছে, ‘যদি কোনো মুসলিম এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করে যা আংশিকভাবে সুদভিত্তিক, তবে সে নিজ অংশে রিবার কোনো অংশ রাখতে পারবে না, এবং চুক্তি হতে হবে পরিষ্কার ও স্বচ্ছ।’

    এই ব্যাখ্যা থেকে স্পষ্ট হয় সুদি কারবারির সঙ্গে বৈধ ব্যবসা করা সরাসরি হারাম নয়, তবে তা শর্তসাপেক্ষ। লেনদেনের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য হালাল হতে হবে, চুক্তি হতে হবে ন্যায়সংগত, এবং কোনোভাবেই সেই ব্যবসার মাধ্যমে সুদভিত্তিক কার্যক্রমকে সহায়তা করা যাবে না।

    ইসলামী অর্থনীতি কেবল মুনাফা অর্জনের শিক্ষা দেয় না, এটি নৈতিকতার দিকেও আহ্বান জানায়। শরীয়তের বাণিজ্যনীতি মূলত ‘ন্যায্যতার’ নীতিতে দাঁড়িয়ে যেখানে প্রতিটি লেনদেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম। তাই একজন প্রকৃত মুসলমানের জন্য ব্যবসা মানে কেবল লাভ নয়, বরং সততা ও দায়িত্বের প্রতিশ্রুতি রক্ষা।

    এই বাস্তবতায় বলা যায়, সুদি কারবারির সঙ্গে বৈধ ব্যবসা করা ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে মূলত নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু তা করতে হলে সচেতনতা, সতর্কতা এবং ঈমানদারিত্বের ভারসাম্য বজায় রাখা আবশ্যক।

    কারণ ইসলাম যে সমাজ গড়তে চায়, সেটি কেবল অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী নয়, বরং নৈতিকভাবে বিশুদ্ধও।

    লেখক: শিক্ষার্থী, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর

  • হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ভয়াবহ রোগের ইঙ্গিত নয় তো?

    হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ভয়াবহ রোগের ইঙ্গিত নয় তো?

    অনলাইন ডেস্ক:    হঠাৎ হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে গেলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এটি কি শুধুই মানসিক চাপের কারণে হওয়া প্যানিক অ্যাটাক, নাকি হৃদযন্ত্রের ছন্দের সমস্যা—যেমন অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন (এএফ)? দুটো অবস্থার উপসর্গ অনেকটা মিল থাকলেও, গুরুত্ব ও চিকিৎসা একেবারে আলাদা।

    অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন কী?

    হৃদয়ের অনিয়মিত বৈদ্যুতিক সংকেতের কারণে পালস অনিয়মিত ও দ্রুত হয়ে যায়। এটি সাধারণত বয়স্ক, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী, কিংবা যাদের আগে স্ট্রোক হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

    প্রধান লক্ষণ:

    > দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

    > মাথা ঘোরা বা বমিভাব

    > অস্বাভাবিক ক্লান্তি

    > শ্বাসকষ্ট

    চিকিৎসা না নিলে এটি স্ট্রোক বা হার্ট ফেইলিওরের কারণ হতে পারে।

    প্যানিক অ্যাটাক কীভাবে হয়?

    এটি হঠাৎ তীব্র ভয় বা আতঙ্কের প্রতিক্রিয়া, যা সাধারণত কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়। মানসিক চাপ, পরীক্ষার ভয়, আবেগীয় সমস্যা বা কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াও এটি হতে পারে।

    প্রধান উপসর্গ:

    > দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

    > মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা

    > অতিরিক্ত ঘাম, কাঁপুনি

    > বুকে চাপ বা দম বন্ধ লাগা

    > নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়

    > এটি শরীরের ‘ফাইট-অর-ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ার অতিরিক্ত সক্রিয়তার ফল।

    পার্থক্য বোঝা কেন জরুরি

    ডা. কেশবের মতে, হৃদস্পন্দন বারবার বেড়ে গেলেই তা মানসিক উদ্বেগের ফল, এমন ধারণা ভুল। অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, তাই দ্রুত চিকিৎসা জরুরি। আবার প্যানিক অ্যাটাক প্রাণঘাতী না হলেও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য চিকিৎসা প্রয়োজন।

    যেহেতু দুই অবস্থার উপসর্গ প্রায় একই, তাই শুধু অনুভূতির ভিত্তিতে পার্থক্য করা কঠিন। ফলে হঠাৎ বা বারবার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে অবহেলা না করে ইসিজি, ইকোসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে সঠিক কারণ নির্ধারণের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

  • শেষ সিনেমা নিয়ে চিঠিতে কি লিখেছিলেন জুবিন গার্গ?

    শেষ সিনেমা নিয়ে চিঠিতে কি লিখেছিলেন জুবিন গার্গ?

    বিনোদন ডেস্ক:    সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও অভিনেতা জুবিন গার্গ সম্প্রতি মারা গেছেন। আসামের অকাল প্রয়াত এ গায়কের শেষ সিনেমা ‘রই রই বিনালে’ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) আসমে মুক্তি পেয়েছে। এখানে জুবিন গার্গ অন্ধ সংগীতশিল্পীর চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন।

    জুবিনের একটি স্কেচ ও তার লেখা হস্তলিখিত বার্তা সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন গরিমা শইকিয়া গার্গ। বার্তায় লেখা ছিল, ‘Roi Roi Binale. Mur notun cinema. Sabole aahibo. ‘Morom’. Zubeen da। এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায়— আমার নতুন সিনেমা। সবাই আসবেন। ‘ভালোবাসাসহ’। জুবিন দা।’

    পোস্টে গরিমা শইকিয়া গার্গ লিখেছেন, ১৫ সেপ্টেম্বর তুমি যেসব চিঠি লিখেছিলে…। তোমার প্রতিটি শব্দ হৃদয়কে আঘাত করে, গোল্ডি! কিন্তু সবকিছুর মাঝে ফাঁকা বুকে এক ধরনের জ্বলন আছে। আরেকটি প্রশ্ন— ১৯ সেপ্টেম্বর কি ঘটেছিল? কীভাবে, কেন? আমি জানি না কোথায় শান্তি আছে। কিন্তু এই উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত শ্বাস নিতে ইচ্ছে করছে না।

    পিটিআই অনুসারে, মুক্তি পাওয়া ‘রই রই বিনালে’ সিনেমাটি আগামী সপ্তাহের প্রতিটি শোর টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। প্রচুর চাহিদার কারণে আরও প্রদর্শনী যোগ করা হয়েছে। কিছু থিয়েটারে দিনে সাতটি শো পর্যন্ত আয়োজন করা হচ্ছে। প্রথম শো ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে।

    উল্লেখ্য, জুবিন গার্গ একজন সংগীতশিল্পী হলেও মাঝে মধ্যে অভিনয়ও করে থাকেন।  মুক্তি পাওয়া ‘রই রই বিনালে’ সিনেমায় তিনি একজন অন্ধ সংগীতশিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এ সিনেমায় ১১টি গান রয়েছে। সব গানই জুবিন নিজেই রচনা করেছেন।

  • নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন ইশরাক হোসেন

    নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন ইশরাক হোসেন

    অনলাইন ডেস্ক:     ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। সোমবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটি এবং সাংগঠনিক টিমের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    প্রার্থী ঘোষণার আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলা বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে এ বৈঠক হয়।

    প্রসঙ্গত, আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফশিল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

  • ঢাকা ওয়াসার এমডি পদে ৩ বছরের মেয়াদে নিয়োগের জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত

    ঢাকা ওয়াসার এমডি পদে ৩ বছরের মেয়াদে নিয়োগের জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত

    অনলাইন ডেস্ক:     ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে ৩ বছরের মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
    সোমবার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
    একই সঙ্গে এ নিয়োগ কার্যক্রম কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন আদালত।
    আদালত স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদেরকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
    রিটকারী মো. লিয়াকত আলীর পক্ষে আইনজীবী মামনুর রশিদ আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    উল্লেখ্য, গত ১৪ আগস্ট ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগের জন্য একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিটি স্থগিত চেয়ে মো. লিয়াকত আলী হাইকোর্টে রিট করেন।