Category: প্রচ্ছদ

  • বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র রুটিন চেকআপের জন্য হাসপাতালে ভর্তি

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র রুটিন চেকআপের জন্য হাসপাতালে ভর্তি

    বিনোদন ডেস্ক:     বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র রুটিন চেকআপের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে শুক্রবার রাতে খবর পাওয়া যায়। কিন্তু শনিবার (১ নভেম্বর) জানা গেছে, তাকে বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

    কিন্তু পরে হাসপাতালের এক কর্মী সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানি-কে জানিয়েছেন যে, ধর্মেন্দ্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা জানানোর পর তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি আইসিইউ-তে পর্যবেক্ষণে আছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

    সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানি নিজের ইনস্টাগ্রামে এ বিষয়ে পোস্টও শেয়ার করেছেন।

    এখনো পর্যন্ত ধর্মেন্দ্রর ছাড়পত্র (ডিসচার্জ) নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, তার দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল নিজেদের কাজ স্থগিত রেখে বাবার পাশে রয়েছেন।

  • এসএমই খাতকে জাতীয় অর্থনীতির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ

    এসএমই খাতকে জাতীয় অর্থনীতির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ

    অনলাইন ডেস্ক:    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতকে জাতীয় অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে পরপর চারটি বৈঠক করেছে বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটি। এসব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানসহ সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

    সভাগুলোতে এসএমই খাতকে অর্থনীতির মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হয়।আজ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    এ প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে যেসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে তা হলো:

    ১. বৈদেশিক অর্ডার থেকে প্রাপ্ত অর্থের ১০ শতাংশ বাধ্যতামূলকভাবে ব্যাংকে জমা রাখার নিয়ম নীতিমালা থেকে অপসারণের উদ্যোগ।

    ২. ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে বছরে ন্যূনতম তিন হাজার মার্কিন ডলারের পৃথক বৈদেশিক মুদ্রা কোটা বরাদ্দের বিষয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরও চারটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেগুলো হলো :

    ১. নতুন আর্থিক পণ্য নকশা: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও বিশেষ কর্মসূচি বিভাগ যৌথভাবে একটি কর্মশালা আয়োজন করে। এতে এসএমই খাতের জন্য চলতি মূলধন বা উদ্যোক্তাবান্ধব আর্থিক পণ্য নকশার উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়।

    ২. নীতিমালার কার্যকারিতা মূল্যায়ন: উক্ত বিভাগের জারি করা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মাস্টার সার্কুলারের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা যাচাই করা হবে।

    ৩. বাণিজ্য লাইসেন্সবিহীন ঋণের সম্ভাব্যতা: বাণিজ্য লাইসেন্স ছাড়া পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া সম্ভব কি না, তা যাচাইয়ে বিভাগটি একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করবে।

    ৪. সুদের হার পুনর্বিবেচনা: ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচিকে আকর্ষণীয় করতে গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার সমন্বয় করা যায় কি না, সে বিষয়ে বিভাগটি মতামত দেবে।

    এর আগে ২৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসএমই খাতের নানা চ্যালেঞ্জ—যেমন অর্থপ্রদানে বিলম্ব, শুল্ক, লাইসেন্স ও ঋণ—বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    পরে ২১ সেপ্টেম্বর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও প্রস্তাব শোনা হয়। এসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে কয়েকটি নির্দিষ্ট সুপারিশ তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কাছে পাঠানো হয়।

    এরই ধারাবাহিকতায় ৮ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নিয়ে অনলাইনে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বাস্তবায়নাধীন সিদ্ধান্তসমূহ:

    ১. নমুনা ছাড়প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পর্যবেক্ষণ জোরদার করা।

    ২. ডিজিটাল মানিব্যাগের মাধ্যমে অর্থপ্রাপ্তিতে উদ্যোক্তাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের মতো সুবিধা প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ।

    ৩. অনলাইন বিক্রির অর্থ দ্রুত উদ্যোক্তার ব্যাংক হিসাবে জমা নিশ্চিত করতে এসএসএল কমার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা।

    ৪. অনলাইন বাজারের মাধ্যমে রপ্তানিতে বিদ্যমান নীতিমালায় ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা (বি-টু-বি) ও ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক (বি-টু-সি) মডেল অন্তর্ভুক্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ।

    ৫. ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণীত নীতিমালা প্রচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

    ৬. উদ্যোক্তাদের জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশেষ বৈদেশিক মুদ্রা/অনুমোদন কার্ড চালুর প্রস্তাব।

    ৭. আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশে বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্য ইনস্টিটিউটের উদ্যোগ।

    ৮. রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে মানসম্মত কার্যবিধি (এসওপি) বাস্তবায়নে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের সমন্বয়।

    ৯. কৃষি-জৈব পণ্যের সনদ ইস্যু সমস্যার সমাধানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মধ্যে আলোচনা।

    ১০. ব্যাংক গ্যারান্টি ছাড়া আগাম অর্থপ্রদানের সীমা ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার এবং বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ (ইআরকিউ) হিসাব থেকে পরিশোধের সীমা ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার নির্ধারণ। (সূত্র: বৈদেশিক বিনিময় পরিপত্র নং ৩৫, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫)

    ১১. স্থানীয় বীমা কোম্পানির কভারেজসহ উন্মুক্ত হিসাবের মাধ্যমে রপ্তানি লেনদেনের অনুমোদন। (সূত্র: বৈদেশিক বিনিময় পরিপত্র নং ৩৯, ৫ অক্টোবর ২০২৫)

    ১২.ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক অর্থপ্রদানের পদ্ধতি সহজভাবে উপস্থাপন করতে একটি প্রবাহচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের উদ্যোগ।

    গত ২৮ আগস্টের বৈঠকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয়, এইচএস কোড সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে এখন থেকে আট অঙ্কের মধ্যে প্রথম চার অঙ্ক মিলে গেলেই শুল্ক কর্তৃপক্ষ মূল্যায়ন সম্পন্ন করবে।

    এ প্রসঙ্গে বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, ‘সংস্কারের একটি মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থনীতিতে গতিশীলতা বাড়ানো। সম্মিলিতভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত আমাদের অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখে, যদিও তাদের কণ্ঠ কিছু বড় ব্যবসার মতো জোরালোভাবে শোনা যায় না। আমাদের অবশ্যই এসব উদ্যোক্তাদের গতিশীলতা বাড়ানোতে সাহায্য করতে হবে এবং তাদের ব্যবসা প্রতিটি পর্যায়ে সহজ করতে হবে—অর্থায়ন থেকে অর্থপ্রদান ও সরবরাহব্যবস্থা পর্যন্ত। সরকারকে এর সহায়ক হতে হবে, বাধা নয়।’

  • নভেম্বর মাসের শুরুতেই বৃষ্টির দেখা পেয়েছে ঢাকাবাসী

    নভেম্বর মাসের শুরুতেই বৃষ্টির দেখা পেয়েছে ঢাকাবাসী

    অনলাইন ডেস্ক:    রাজধানীর আকাশে বিকালেই নেমে আসে সন্ধ্যা। শনিবার (১ নভেম্বর) মাসের শুরুতেই বৃষ্টির দেখা পেয়েছে ঢাকাবাসী। মুষলধারে ঝরতে থাকে বৃষ্টি। রাস্তায় চলাচল করা গাড়িগুলোতে হেডলাইট জ্বলতে দেখা গেছে।

    এর আগে আজ সকালে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চলে শনিবার হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আকাশও আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকবে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দক্ষিণ ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

    এটি আরও উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

    শনিবার আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

  • ভোট ডাকাতি বন্ধ করতেই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হতে হবে: মুজিবুর

    ভোট ডাকাতি বন্ধ করতেই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হতে হবে: মুজিবুর

    অনলাইন ডেস্ক : জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান শনিবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জামায়াত আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে বললেন, “জনগণের ভোটের সঠিক মূল্যায়নে পিআর পদ্ধতির বিকল্প নেই। পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে নির্বাচনে কালোটাকা-পেশীশক্তির দৌরাত্ম্য কমে যাবে। ভোট ডাকাতি বন্ধ করতে পিআর পদ্ধতিতেই নির্বাচন হতে হবে।”

    তিনি আরও করেন, “বিগত সরকারগুলোর আমলে দেশের জনগণ পরিপূর্ণ নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। জামায়াত-শিবির জনকল্যাণমুখী রাজনীতির চর্চা করে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে জনবান্ধন নেতৃত্ব তৈরি করে যাচ্ছে।”

    গণভোট প্রসঙ্গে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “যারা জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট চায় না তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়।”

    ‘দীর্ঘদিন দেশের নানা অঙ্গ প্রতিষ্ঠান রোগে শোকে ভুগছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল ইসলামি দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে মানুষের অধিকার আদায়ে ভোটযুদ্ধে নামবে। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একইদিনে হলে গণভোটের কোনো মূল্য থাকবে না’-যোগ করেন তিনি।

  • নির্বাচন পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা জারি

    নির্বাচন পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা জারি

    অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালন নিয়ে সম্প্রতি পরিপত্র জারি করেছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

    এতে বলা হয়েছে, বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এর আগের পরিপত্র এবং অর্থ বিভাগের গত ৮ জুলাইয়ের এক চিঠিতে বিদেশ ভ্রমণ সীমিতকরণসহ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, জারিকৃত পরিপত্রগুলোর নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করে বিদেশ ভ্রমণের ঘটনা ঘটছে। মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও সচিব একই সময়ে বৈদেশিক সফরে যাচ্ছেন। একই মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা একসঙ্গে বিদেশে যাচ্ছেন। এ ধরনের প্রস্তাব প্রায়ই এ কার্যালয়ে প্রেরণ করা হচ্ছে যা আগের দেওয়া নির্দেশনাগুলোর পরিপন্থি।

    তাই এর আগে জারি করা সব বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালন এবং এখন থেকে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত একান্ত অপরিহার্য কারণ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করার নির্দেশনা দেওয়া হয় নতুন পরিপত্রে।

    এ পরিপত্রের কপি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সব উপদেষ্টার একান্ত সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সরকারি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিদেশ ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণে পাঁচটি নির্দেশনা জারি করেছিল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    সেগুলো হলো:

    ১. মন্ত্রণালয়/দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিদেশি সংস্থার সঙ্গে সরাসরি পত্র যোগাযোগ না করে মন্ত্রণালয়ের সচিব বা দপ্তর/সংস্থা প্রধানের মাধ্যমে পত্র যোগাযোগ করবেন।

    ২. মন্ত্রণালয়/দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমন্ত্রণপত্র সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবেন।

    ৩. সব কর্মকর্তাকে বিধি মোতাবেক বিদেশ যাত্রার আগে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।

    ৪. বিদেশি সংস্থার সঙ্গে আমন্ত্রণ বিষয়ক কোনো যোগাযোগের পূর্বে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী দপ্তর/সংস্থা প্রধানের পূর্বানুমতি গ্রহণ করবেন।

    ৫. বিদেশি সংস্থা থেকে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রের প্রেক্ষিতে বর্ণিত ইভেন্টে/সভা/সেমিনারের সঙ্গে পেশাগত উন্নতি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাজ ও উদ্দেশ্য এবং জনস্বার্থের কোনো সংযোগ রয়েছে কি না সে বিষয়টি বিশ্লেষণ করে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে।

  • হালদায় মারা গেল ১২ বছর বয়সি ২০ কেজির কাতলা

    হালদায় মারা গেল ১২ বছর বয়সি ২০ কেজির কাতলা

    স্টাফ রিপোর্টার:  দেশের অন্যতম মিঠাপানির রুই জাতীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র চট্টগ্রামের হালদা নদী থেকে অর্ধগলিত একটি মৃত কাতলা মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ২৬ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের কাতলা মাছটির ওজন ছিল প্রায় ২০ কেজি। বয়স আনুমানিক ১২ বছর। মাছটির শরীরে গুরুতর কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে হালদা নদীর আজিমের ঘাট এলাকা থেকে মরা মাছটি উদ্ধার করেন নদীর পাহারাদার রওশনগীর আলম।

    এর মধ্যে রাত সোয়া ১২টার দিকে ওই মৎস্য কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরা মাছটির সুরতহাল সম্পন্ন করেন। এর আগে রাত ১১টার দিকে মাছটি আজিমের ঘাট এলাকায় ভাসমান দেখে স্থানীয় লোকজন মৎস্য বিভাগে খবর দেন। শরীরের অর্ধেকেরও বেশি পচে যাওয়ায় সুরতহালের সময় অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভালোভাবে পরীক্ষা করাও যায়নি বলে মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

    মাছটি কমপক্ষে দুই-তিন দিন আগে মারা গেছে এমনটা অনুমান করছেন সংশ্লিষ্টরা। পচে অনেকাংশে বিকৃত হয়ে যাওয়া কাতলা মাছটির সুরতহালে এটি একটি পুরুষ মাছ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এদিকে সুরতহাল শেষে হালদা নদীর পারে অর্ধগলিত মাছটি স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।