Category: প্রচ্ছদ

  • টঙ্গী মসজিদের খতিব হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পঞ্চগড়ে উদ্ধার

    টঙ্গী মসজিদের খতিব হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পঞ্চগড়ে উদ্ধার

    গাজীপুর প্রতিনিধি :   গাজীপুরের টঙ্গী টিএন্ডটি এলাকার বিটিসিএল জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মহিবুল্লাহ মাদানীকে পঞ্চগড়ের সদর থানার হেলিপ্যাড বাজার এলাকা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তার ছেলে আব্দুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মাওলানা মহিবুল্লাহ বুধবার ফজর নামাজের পর হাটাহাটি করতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন। খোঁজ না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা বুধবার রাতে টঙ্গী পূর্ব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    স্থানীয়রা জানান, মাওলানা মহিবুল্লাহ জুমার খুতবায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সংগঠন ইসকন ও হিন্দু ছেলেদের মাধ্যমে মুসলিম মেয়েদের প্রতারণার মাধ্যমে সামাজিক অবক্ষয় ঘটানোর বিষয় নিয়ে সচেতনতামূলক বয়ান দিতেন। এরপর থেকেই তাকে হুমকি দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকটি উড়ো চিঠি পাঠানো হয়।

    এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহিল জামান জানান, মাওলানা মুহিবুল্লাহ মাদানীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • সোহানের ক্যামিওর পরও ৩০০ হলো না বাংলাদেশের

    সোহানের ক্যামিওর পরও ৩০০ হলো না বাংলাদেশের

    খেলাধুলা ডেস্ক:   সাইফ হাসান আর সৌম্য সরকার মিলে যে শুরুটা এনে দিয়েছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল ৩০০ তো বটেই, নিজেদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটাও বুঝি ভেঙে দেবে বাংলাদেশ। তবে মাঝের ব্যাটিংয়ে সে আশাটা ক্ষীণ হয়ে আসে। শেষের দিকে নুরুল হাসান সোহানের ক্যামিওর পরও রানটা শেষমেশ ৩০০ ছোঁয়নি। আটকে গেছে ২৯৬ রানেই।

    তাদের বিদায়ের পরই বাংলাদেশের রানের গতি কমে যায়। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫০ রান তুলতে তাওহীদ হৃদয় আর নাজমুল হোসেন শান্ত খেলে ফেলেন ৭০ বল। ৪৪ বলে ২৮ রান করা হৃদয় বিদায় নিলে ভাঙে সে জুটি। এরপর ৫৫ বলে ৪৪ রান করা শান্তও বিদায় নেন।

    রিশাদ হোসেনকে এরপর উইকেটে আনা হয়। উদ্দেশ্য ছিল চল্লিশ ওভার থেকেই চড়াও হওয়ার। তবে সে উদ্দেশ্যটা সফল হয়নি দলের। ৪৬তম ওভারে আকিল তাকে তো বিদায় করেনই, সঙ্গে বিদায় করেন মাহিদুল অঙ্কন আর নাসুম আহমেদকেও। ৬ বলে ৩ উইকেট খুইয়ে বাংলাদেশ বিপাকেই পড়ে গিয়েছিল। ৩০০ কে মনে হচ্ছিল তখন অনেক দূরের পথ।

    তবে শেষে নুরুল হাসান সোহান খেলেন ক্যামিও। ৮ বলে ১৬ রানের ইনিংসেই বাংলাদেশ ৩০০র কাছাকাছি পৌঁছায়। তাকে সঙ্গ দেন মিরাজ, তিনি ১৭ বলে তোলেন ১৭ রান। আউট হন শেষ বলে। আর তাতেই ৮ উইকেট খুইয়ে ২৯৬ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

  • ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর মধ্যযুগীয় নির্যাতন

    ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর মধ্যযুগীয় নির্যাতন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:      হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরাইল ২৫০ জন দণ্ডিত ফিলিস্তিনি বন্দির পাশাপাশি গাজার ভেতর থেকে আটক করা আরও প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন গাজাবাসীকে মুক্তি দিয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আটক করেছিল এবং দীর্ঘ মাস ধরে কোনো বিচার ছাড়াই কারাগারে রেখেছিল।

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ।

    ইসরাইল দাবি করেছে, এই আটক ব্যক্তিরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা অভিযোগ করেছে, ইসরাইলি বাহিনী গাজায় নির্বিচারে অভিযান চালিয়ে অনেক সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে গেছে তথাকথিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, যাদের অনেকেরই কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না।

    মুক্তি পাওয়া বহু বন্দি জানিয়েছেন, কারাগারে তারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, নিয়মিত মারধর, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পর্যাপ্ত খাবারের অভাব ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাদের।


    কারা এসব আটক ব্যক্তি?

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইল আক্রমণের পর শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরাইলি সেনাবাহিনী বিপুল সংখ্যক গাজাবাসীকে আটক করে।

    ২০০২ সালের ‘অবৈধ যোদ্ধাদের আটক আইন’-এর আওতায় আইডিএফ (ইসরাইলি সেনাবাহিনী) ও শিন বেত (ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা) গাজার ভেতর থেকে এসব মানুষকে আটক করে এবং বিভিন্ন কারাগারে পাঠায়।

    তাদের অনেককে আটক করা হয় হাসপাতাল, স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্র থেকে, যেখানে ইসরাইলি বাহিনী হামাসের উপস্থিতির অভিযোগ তোলে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাসিক ভবন, রাস্তার চেকপয়েন্ট ও চলাচলের সময়ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    আটক অবস্থার শর্ত

    ২০২৫ সালের অক্টোবরের শুরুতে ইসরাইলি কারাগারে ‘অবৈধ যোদ্ধা আইন’-এর আওতায় আটক গাজাবাসীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ হাজার ৬৭৩। মানবাধিকার সংগঠন হামোকেদ জানিয়েছে, সামরিক আটক কেন্দ্রে আরও কয়েকশ মানুষকে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

    আটক ব্যক্তিদের সাধারণত ছয় মাস মেয়াদে আটকাদেশ দেওয়া হয়, যা নিয়মিত নবায়ন করা হয় জেলা আদালতের মাধ্যমে। এসব শুনানি ভিডিও কনফারেন্সে পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়।

    বন্দিদের অধিকাংশই জানতেন না কেন তাদের আটক করা হয়েছে; তারা কোনো প্রমাণ দেখতে পাননি, এমনকি আইনজীবী নিয়োগের সুযোগও পাননি। আন্তর্জাতিক রেড ক্রসকেও ইসরাইল তাদের কাছে যেতে দেয়নি। পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা বা যোগাযোগেরও অনুমতি ছিল না।

    ২০২৪ সালের মে মাসে নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলোর চাপে সেনাবাহিনী বন্দিদের সঙ্গে আইনজীবীর সাক্ষাতের ব্যবস্থা চালু করে। তবে কেবল যারা হামোকেদ বা অনুরূপ মানবাধিকার সংগঠনের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতেন, তারাই যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন। হামোকেদের নির্বাহী পরিচালক জেসিকা মন্টেল জানান, তাদের সংগঠন মাত্র ৫০ জন বন্দির আইনজীবী সাক্ষাৎ নিশ্চিত করতে পেরেছে।

    নির্যাতনের অভিযোগ

    মুক্তি পাওয়া অনেক বন্দি জানিয়েছেন, আটক অবস্থায় তারা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    একজন ২৩ বছর বয়সি ট্রাকচালক জানান, ২০২৪ সালের এপ্রিলে গাজার একটি চেকপয়েন্ট থেকে তাকে আটক করা হয়। তাকে মারধর করা হয়, হামাস সদস্য হিসেবে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে ৪৫ দিনের জন্য সামরিক আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেখানে তাকে ‘ডিস্কো রুমে’ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রচণ্ড শব্দে গান শোনানো হয় এবং ঘুম থেকে বঞ্চিত করা হয়। তিনি জানান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকার কারণে তার স্ক্যাবিস রোগ হয় এবং বিশ্রাম নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    আরেক বন্দি জানান, খান ইউনুসে তার বাসা থেকে তাকে ধরে নিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়, হাতকড়া ও চোখ বেঁধে রাখা হয়, পরে একটি বাসে তোলা হয় এবং আবারও মারধর করা হয়। তাকে ৯৬ দিন ধরে স্দে তেইমান কারাগারে হাতকড়া ও চোখ বাঁধা অবস্থায় রাখা হয়, এমনকি ঘুমানোর সময় বা বাথরুমে যাওয়ার সময়ও হাতকড়া খোলা হয়নি।

    এরপর তাকে ওফের কারাগারে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো ছিল। সেখানে দিনে হাতকড়া পরতে হতো, কিন্তু রাতে খুলে দেওয়া হতো। তবে সেখানেও বন্দিদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য সাবানের বদলে মেঝে পরিষ্কারের তরল দেওয়া হতো।

    মানবাধিকার সংগঠন হামোকেদ জানিয়েছে, অন্তত ১২ জন গাজাবন্দির কাছ থেকে একই ধরনের নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে তারা।

    ইসরাইলি সেনাবাহিনী ও কারা কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, তিনি ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর কঠোর নীতিমালা আরোপ করেছেন।

    ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্দে তেইমান আটক কেন্দ্রে চোখ বাঁধা অবস্থায় বন্দিদের মারধরের দায়ে এক ইসরাইলি রিজার্ভ সেনাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। একই মাসে আরও পাঁচজন রিজার্ভ সদস্যের বিরুদ্ধে একজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়।

  • ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

    ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

    অনলাইন ডেস্ক:        বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবারও দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য আজ ২,০৮,৯৯৬ টাকা। ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকবে।

    অন্যান্য ক্যারেটের হালনাগাদ স্বর্ণের দাম ভরি প্রতি:

    ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম: প্রতি ভরি ১,৯৯,৫০১ টাকা

    ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৭০,৯৯৪ টাকা

    সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১,৪২,২১৯ টাকা

    মূল্য নির্ধারণে অতিরিক্ত ভ্যাট ও মজুরি

    বাজুস জানিয়েছে, নতুন স্বর্ণের বিক্রয়মূল্য-এর সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট ও ৬ শতাংশ বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন এবং মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

  • ইসিকে বিএনপির প্রস্তাব , ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ইসলামী ব্যাংক-ইবনে সিনার কাউকে নিয়োগ নয়

    ইসিকে বিএনপির প্রস্তাব , ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ইসলামী ব্যাংক-ইবনে সিনার কাউকে নিয়োগ নয়

    অনলাইন ডেস্ক:     এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ব্যাংক ও সমমনা প্রতিষ্ঠানের কাউকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব না দিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত দাবি জানিয়েছে বিএনপি।বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ৩৬ দফার এক প্রস্তাবনা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে দিয়েছে দলটি।

    সেখানে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা পোলিং পারসোনাল তথা প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বমহলের নিকট চিহ্নিত এমন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের নিয়োগ দেওয়া যাবে না। যেমন- ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা ইত্যাদি।

    উল্লেখযোগ্য যে, এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংক সারা দেশে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তা/ কর্মচারীর নিয়োগ বাতিল করেছে এবং এসব শূন্যপদে তড়িঘড়ি করে দলীয় লোক নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে মর্মে জনশ্রুতি রয়েছে।’

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল সিইসির কাছে এই প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

    বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে মঈন খান বলেন, বিতর্কিত কাউকে যেন ভোটের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া না হয়। এ সময় তার হাতে ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে করণীয় প্রস্তাবসমূহ নির্বাচন কমিশনের সহিত সভার জন্য প্রস্তাবিত কার্যপত্র’ শীর্ষক একটি দলিল দেখা যায়।

  • ১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার সরোয়ার

    ১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার সরোয়ার

    অনলাইন ডেস্ক:   আওয়ামী লীগ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ১৫ জন সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী থাকছেন না ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন।

    জানা গেছে, ট্রাইব্যুনাল ও গুম কমিশনে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদসহ সাবেক তিন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিজেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাদেরই একজন এই ১৫ জনের মধ্যে গ্রেফতার আছেন।এর আগে বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ১৫ সেনা কর্মকর্তার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সরোয়ার।