Category: প্রচ্ছদ

  • আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদ বানিয়েছে জাতীয় পার্টি: আখতার

    আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদ বানিয়েছে জাতীয় পার্টি: আখতার

    অনলাইন ডেস্ক:    আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ যেন অংশ নিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। জাতীয় পার্টি (জাপা) মানে আওয়ামী লীগ। জাপার ভোটে  অংশ নেওয়া মানে আওয়ামী লীগের অংশ নেওয়া। এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    আখতার হোসেন বলেন, গণঅধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ সবাই যে কঠিন মুহূর্তটা আমরা পারছিলাম, এখানে অনেকেই আমার সহযোদ্ধারা আছেন, যাদের সঙ্গে আমি একসঙ্গে জেল খেটেছি, অনেক সহযোদ্ধাই আছেন যাদের সঙ্গে একসাথে রাজপথে মিছিল দিয়েছি। স্লোগান ধরেছি। আমি আক্রান্ত হলে পরে সারা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আজকে যারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন, তারা অনেকেই সেই মিছিলে অংশ নিয়েছেন। আমি গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে সেই উত্তাল সময়ের দিনগুলো অনুভব করি। সেই দিনগুলোকে আমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখে যাব আজীবন।

    এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশ এই সময়টাতে একটা ক্রান্তিকালীন সময় অতিক্রম করছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোতে পরিবর্তন আসবে। একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি হবে, জবাবদিহিতা থাকবে, আইনের শাসন থাকবে, বাংলাদেশের ক্ষমতার ভারসাম্য থাকবে। সেই বিষয়গুলোকে ধারণ করে আমরা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের রাজনৈতিক দলগুলো একত্রিত হয়েছি। অনেকগুলো মৌলিক পরিবর্তনের বিষয়ে একমত হয়েছি। জুলাই সনদের আইনে দেওয়ার ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। তারপর এখন পর্যন্ত সেই জায়গাটিকে আমরা সুনিশ্চিত করতে পারিনি।

  • ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    স্বরাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক দলগুলো কিছু সমস্যার সমাধান করলে এবং জনগণ সচেতন থাকলে নির্বাচন সুন্দর হবে। রোববার (২৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভালো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে পদায়ন এবং বদলির ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না দাবি করে তিনি যে কোনো অনিয়মের খবর প্রকাশ করতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।

    তিনি আরও জানান, একক ব্যক্তির নামে সিম কার্ডের সংখ্যা ১০টি থেকে ২টিতে কমিয়ে আনতে চায় সরকার। নির্বাচনের আগে সেটি ৫-৭টিতে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।

    তারেক রহমানের জন্য বুলেট প্রুফ গাড়ির অনুমতি দেয়ায় তার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শংকা আছে কিনা এমন প্রশ্নের সরাসরি কোন উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, অন্য কেউ চাইলেও অনুমতি দেওয়া হবে। সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।

  • পে স্কেল স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোসহ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ৫ দাবি

    পে স্কেল স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোসহ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ৫ দাবি

    অনলাইন ডেস্ক:     বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবি জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। রোববার (২৬ অক্টোবর) সংগঠনটির পক্ষ থেকে জাতীয় বেতন কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান এতে সই করেছেন।

    এই আবেদনে বেতন কমিশনের কাছে পাঁচটি দাবি জানিয়েছেন তারা।

    আবেদনে বলা হয়েছে, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র উচ্চতর বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকবৃন্দ দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গঠনের মূল ভিত্তি। তাদের কঠোর পরিশ্রম ও মেধার দ্বারা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণা পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে।কিন্তু বর্তমান বেতন কাঠামোতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মর্যাদা ও অবদান যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। এর ফলে মেধাবী তরুণরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে অনাগ্রহী হচ্ছেন এবং অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক বিকল্প কর্মক্ষেত্রে যোগদানের চেষ্টা করছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ৫ দাবি

    ১. বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র, মর্যাদাপূর্ণ ও উচ্চতর বেতন স্কেল প্রবর্তন (ন্যূনতম সার্কভুক্ত দেশসমূহের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনের সাথে তুলনা করে)।

    ২. আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গবেষণা ভাতা প্রদান করা।

    ৩. গবেষণালব্ধ জ্ঞান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিতরণের নিমিত্ত কনফারেন্স/সেমিনারে (প্রতিবছর ন্যূনতম একটি আন্তর্জাতিক ও একটি জাতীয় পর্যায়ে) অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ/টিএ, ডিএ ও অন্যান্য ভাতা প্রদান করা।

    ৪. গবেষণা ও প্রকাশনার কাজে উৎসাহিত করতে বিশেষ গবেষণা প্রকাশনা প্রণোদনা ভাতা (উন্নত জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশনার জন্য প্রণোদনা) প্রদান।

    ৫. দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষকতা পেশায় স্থিতিশীলতা আনতে ও শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে পর্যাপ্ত আর্থিক (যেমন- অধ্যাপকদের বিনা সুদে গাড়ি ও ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য ঋণ প্রদান) ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

  • জেনে নিন ঠান্ডা লাগলে শরীরের লোম খাড়া হয় কেন

    জেনে নিন ঠান্ডা লাগলে শরীরের লোম খাড়া হয় কেন

    অনলাইন ডেস্ক:    ঠান্ডা লাগলে আমাদের অনেকের হাত কিংবা শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়। আপনার ত্বকের ওপর ছোট ছোট দানা বা উঁচু হয়ে যাওয়া অংশ, যা লোমের গোড়ার ক্ষুদ্র পেশি সংকুচিত হলে ঘটে থাকে সে হচ্ছে গুজবাম্পস। বাংলায় যাকে বলে লোম খাড়া হওয়া।

    বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে যে, এটি আমাদের পূর্বপুরুষদের থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া একটি পুরোনো প্রতিক্রিয়া। ঠান্ডা লাগুক, ভয় লাগুক কিংবা কোনো আবেগঘন মুহূর্তে মন ভরে উঠুক—গুজবাম্পস আপনার শরীরের সেই প্রাচীন প্রতিক্রিয়া, যা আমাদের অনুভূতি ও পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে থাকে। এটি কোনো ক্ষতিকর বিষয় নয় এবং সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তবে যদি বারবার গুজবাম্পস হয় কিংবা এর সঙ্গে জ্বর, অসাড়তা বা অন্যান্য শারীরিক উপসর্গ দেখা দিয়ে থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    গুজবাম্পস সাধারণত কয়েকটি কারণে হয়—

    ঠান্ডা লাগলে শরীর তখন উষ্ণতা ধরে রাখার চেষ্টা করে। চুল খাড়া হলে পশুদের শরীরে ঘন লোমস্তর তৈরি হয়, যা ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে। মানুষের ক্ষেত্রে এটি কেবল সেই পুরোনো প্রতিক্রিয়ার একটি অবশিষ্ট রূপ। আবেগজনিত কারণেও হয়ে থাকে। ভয়, আনন্দ, উত্তেজনা কিংবা অনুপ্রেরণার মুহূর্তে শরীরের স্নায়ু ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভয় লাগলে শরীর ‘ফাইট অর ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তখনই গুজবাম্পস দেখা যায়।  হঠাৎ স্পর্শ বা চমকের কারণেও হতে পারে। হঠাৎ ঠান্ডা লাগা, আবেগপূর্ণ গান শোনা কিংবা অপ্রত্যাশিত কোনো উদ্দীপনা থেকেও গুজবাম্পস হয়ে থাকে।

    আর প্রতিটি চুলের গোড়ায় একটি ছোট পেশি থাকে। যাকে বলে অ্যারেক্টর পিলি। স্নায়ু থেকে যখন সংকেত যায় ঠান্ডা কিংবা ভয়ের কারণে, তখন এই পেশি সংকুচিত হয়ে চুল টেনে তোলে। এটি সম্পূর্ণ অবচেতন বা স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া, যা আমরা ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।

    আমাদের প্রাণী পূর্বপুরুষদের ক্ষেত্রে এই প্রতিক্রিয়া জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা রাখত। ঠান্ডায় তারা গায়ের লোম খাড়া করে উষ্ণতা ধরে রাখত, আর ভয়ের সময় শরীর ফুলিয়ে নিজেকে বড় দেখাত, যাতে শত্রু ভয় পায়। মানুষের শরীরে লোম প্রায় বিলুপ্ত হলেও এই স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া রয়ে গেছে।

  • সালমান শাহ হত্যার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সালমান শাহ হত্যার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    অনলাইন ডেস্ক:     চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের দেশত্যাগ ঠেকাতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে তথ্য পাঠিয়েছে পুলিশ। শনিবার (২৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক।

    ওসি গোলাম ফারুক বলেন, আদালতের নির্দেশে সালমান শাহ হত্যা মামলা নেওয়া হয়েছে। এতে ১১ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা রুজুর পর তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    তিনি বলেন, মামলার ১১ আসামির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ দেশের বাইরে থাকতে পারেন। দেশে থাকা আসামিদের শনাক্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ট্র্যাকিংসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আসামিরা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন, সেজন্য তাদের নামসহ তথ্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক বলেন, মামলার তদন্তে কোনো ধরনের চাপ নেই। শিগগিরই আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    গত ২১ অক্টোবর মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলার বাদী হলেন তার মামা আলমগীর কুমকুম।

    এজাহারে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হককে। এছাড়া ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডনসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। মোট ১১ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকেও আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তদন্তযাত্রা, যা প্রায় তিন দশক ধরে অপমৃত্যু মামলা হিসেবেই চলতে থাকে। পরবর্তীসময় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে মত দেয়।

    তবে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী শুরু থেকেই ওই প্রতিবেদন মানতে অস্বীকৃতি জানান এবং দাবি করে আসেন, তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

  • ভারতে খেলতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার অস্ট্রেলিয়ার ২ নারী

    ভারতে খেলতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার অস্ট্রেলিয়ার ২ নারী

    অনলাইন ডেস্ক:   ভারতে নারী বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়া দলের দুই নারী ক্রিকেটার শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, এক মোটরসাইকেল আরোহী তাদের ‘অযাচিতভাবে স্পর্শ করেছেন’।

    ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘অস্ট্রেলিয়া নারী দলের দুইজন সদস্য ইন্দোরে একটি ক্যাফেতে হেঁটে যাওয়ার সময় একজন মোটরসাইকেল আরোহী তাদের অনুপযুক্তভাবে স্পর্শ করেন। দলের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি সামলাচ্ছেন।’

    ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া দল ইন্দোরের র‌্যাডিসন ব্লু হোটেলে অবস্থান করছে। ঘটনার পরপরই দুই ক্রিকেটার দলের নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে ‘এসওএস’ বার্তা পাঠান। বার্তা পেয়েই কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। দলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক ড্যানি সিমন্স বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইন্দোরের এমআইজি থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। পুলিশ অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম আকিল খান।

    ‘দৈনিক ভাস্কর’-এর খবরে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি দুই ক্রিকেটারকে অনুসরণ করেন। হাত দিয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিও করেন। এমনকি একজনকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। একই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ইন্দোরের রিং রোডে সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এক পথচারী অভিযুক্তের মোটরসাইকেলের নম্বর টুকে রাখেন বলেও জানিয়েছেন পুলিশের এক কর্মকর্তা।

    ইন্দোর ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত ডিসিপি রাজেশ দান্দোতিয়া টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘আমরা অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা দলের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি যে দুজন খেলোয়াড় অনুপযুক্ত আচরণের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

    নারী বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া।