Category: প্রচ্ছদ

  • বিসিবির চার কোটির গ্রিন হাউজ ব্যবহারের আগেই শেষ

    বিসিবির চার কোটির গ্রিন হাউজ ব্যবহারের আগেই শেষ

    খেলাধুলা ডেস্ক:     বর্ষা মৌসুমে ক্রিকেটারদের ঠিকঠাক অনুশীলন করানোর জন্য মিরপুর একাডেমি মাঠে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘গ্রিন হাউজ’ প্রকল্প করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রায় দুই বছর ধরে এ কার্যক্রম চললেও সেখানে এখনো অনুশীলনের সুযোগ হয়নি ক্রিকেটারদের।এত অর্থ ব্যয়ে তৈরি করা গ্রিন হাউজ উইকেট ব্যবহারের আগেই এখন তুলে ফেলা হবে।

    বিসিবির বর্তমান কমিটি মনে করছে, এই প্রকল্প বাস্তবে ক্রিকেটারদের কোনো কাজে আসেনি। তারা ধারণা করছেন, প্রকল্প বাড়ানোর জন্যই এখানে অর্থ ব্যয় হয়েছে। এতে নষ্ট হয়েছে একাডেমির পরিবেশ। ব্যবহারের আগেই তাই বাতিল করা হচ্ছে এ প্রকল্প। বাংলাদেশে ক্রিকেটারদের সব সুযোগ-সুবিধা শুধু মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই আছে।

    বয়সভিত্তিক দল, জাতীয় দল-সবারই অনুশীলন হয় মিরপুর স্টেডিয়াম ও একাডেমি মাঠে। ইনডোরেও সুযোগ রয়েছে। বড় টুর্নামেন্ট ও বিপিএলের সময় একই জায়গায় অনুশীলন করা কঠিন হয়ে যায় ক্রিকেটারদের। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল।

    ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিদ্ধান্ত হয়, মিরপুরে বিসিবি একাডেমি মাঠের এক প্রান্তে ৩০ মিটার প্রশস্ত ও ৭৫ মিটার লম্বা গ্রিন হাউজ স্থাপন করা হবে। মূলত মরু কিংবা শীতপ্রধান আবহাওয়ার দেশগুলোতে কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয় গ্রিন হাউজ। এটিকে পরে ক্রিকেটে কাজে লাগায় নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।

    বৃষ্টির দিনে ছাদ ব্যবহার করা হবে, অন্য সময় ছাদ খুলে ফেলা হবে-এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেই ছাদ মূলত পলিথিন জাতীয় জিনিস দিয়ে তৈরি হয়। প্রাথমিকভাবে মিরপুর একাডেমিতে উত্তর-দক্ষিণ দিক মিলিয়ে ২০টি উইকেট বানানোর পরিকল্পনা ছিল। ওই বছর জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে সময় বাড়তে থাকে। মিরপুরে বর্ষা মৌসুমে অনুশীলনের জন্য ইনডোর আছে। তবে অনেক পুরোনো হয়ে যাওয়ায় ক্রিকেটাররা সেখানে অনুশীলন করতে আগ্রহ দেখান না। প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে তিন থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়। পরে বাজেট বেড়ে যায়।

    বিসিবির ফ্যাসিলিটিস বিভাগের চেয়ারম্যান শাহনিয়ান তানিম বলেন, ‘এই প্রকল্প পুরোই অর্থহীন। এটা ক্রিকেটারদের কোনো কাজে আসে না। আমরা এটা তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি।’

    বিকল্প ভাবনাও রয়েছে গ্রাউন্ডস কমিটি ও ফ্যাসিলিটিস বিভাগের। আগামী ২ নভেম্বরের সভায় এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    গ্রাউন্ডস কমিটির সহসভাপতি আদনান রহমান দীপন বলেন, ‘গ্রাউন্ডস কমিটি ও ফ্যাসিলিটিস বিভাগ মিলে আলোচনা করে দেখেছি গ্রিন হাউজ প্রকল্পের বাস্তবে কোনো কাজ নেই। এ বিষয়ে আমরা একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করব। বোর্ড সভায় এ ব্যাপার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।’

  • কে হবেন ফিলিস্তিনের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট, জানালেন আব্বাস

    কে হবেন ফিলিস্তিনের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট, জানালেন আব্বাস

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     নিজের উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।  এক লিখিত ঘোষণায় আব্বাস জানিয়েছে, যদি কখনো তিনি আর দায়িত্ব পালন করার মতো অবস্থায় না থাকেন, সেক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন আল শেখ। খবর আনাদোলুর।

    মাহমুদ আব্বাসের ঘোষণাটি প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তাসংস্থা ওয়াফা। সেখানে তিন বলেছেন, ‘কোনো কারণে যদি ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) প্রধানের পদ শূন্য হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ফিলিস্তিনের এবং প্যালেস্টাইনিয়ান লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন আল শেখ অস্থায়ীভাবে এই পদে স্থলাভিষিক্ত হবেন। তার দায়িত্ব হবে ফিলিস্তিনের নির্বাচনী আইন মেনে নির্বাচনের আয়োজন করা এবং তারপর নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।’

    ফিলিস্তিনের সংবিধান অনুসারে, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। যদি অপ্রীতিকর কোনো ঘটনার কারণে তা সম্ভব না হয়, তাহলে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট আরও এক মেয়াদ এই পদে থাকবেন।

    সংবিধানের ডিক্রি নম্বর এক-এ আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদ কোনো কারণে শূন্য হয়ে গেলে পরবর্তী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন ফিলিস্তিনের পার্লামেন্ট প্যালেস্টাইনিয়ান ন্যাশনাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বা স্পিকার।

    মাহমুদ আব্বাসের সাম্প্রতিক ঘোষণা সংবিধানের ডিক্রি নম্বর ১-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়া ডিক্রিটি বাতিল করা হয়েছে। মাহমুদ আব্বাসের ঘোষণায় এর ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে।লিখিত ঘোষণায় এ প্রসঙ্গে মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা রক্ষা, মাতৃভূমির নিরাপত্তা এবং ফিলিস্তিনের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষার স্বার্থে সংবিধানের এক নম্বর ডিক্রি বাতিল করা হলো।’

    মাহমুদ আব্বাস গত ২০ বছর ধরে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের পদে আছেন। ২০০৪ সালের নভেম্বরে পরলোকগমন করেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট এবং অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসের আরাফাত। আরাফাতের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হন আব্বাস।

  • ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম আজ কত?

    ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম আজ কত?

    অর্থনীতি ডেস্ক:   দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমার ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা (যা সোমবার ২৭ অক্টোবর ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা)। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা (সোমবার ছিল ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৮ টাকা), ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা (সোমবার ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ১৪৩ টাকা) এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ (সোমবার ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৬ টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এই দামের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে রোববার (২৬ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৩৯ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

    এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ১৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সোমবার (২৭ অক্টোবর) থেকে।

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে পঞ্চম দিনের আপিল শুনানি বুধবার

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে পঞ্চম দিনের আপিল শুনানি বুধবার

    অনলাইন ডেস্ক:     নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিলের ওপর পঞ্চম দিনের আপিল শুনানির জন্য আগামীকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) দিন নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

    চতুর্থ দিনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। জামায়াতের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

    গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের তৃতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালতে ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী। গত ২২ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। ওইদিন রিটকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া।

    তার আগের দিন ২১ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়।এর আগে গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ জন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

    সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

    এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

    এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

    ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

    ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন, তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

    আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।পরবর্তীতে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।

  • ক্যাসিনো সম্রাটের সাজা ঘোষণা

    ক্যাসিনো সম্রাটের সাজা ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক:      অস্ত্র আইনের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ওরফে ক্যাসিনো সম্রাটকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এ রায় ঘোষণা করেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর বিল্লাল হোসেন এ তথ্য জানান।
    ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে নিয়ে কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়।
    বন্যপ্রাণীর চামড়া রাখার দায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরদিন ৭ অক্টোবর র‌্যাব-১-এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা করেন।
    তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর আদালতে অস্ত্র মামলায় চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখর চন্দ্র মল্লিক।
    গত ১৬ জানুয়ারি সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ওই দিন আসামি উপস্থিত না থাকায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। বিচার চলাকালীন মোট ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। গত ৭ অক্টোবর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের (২৮ অক্টোবর) দিন ধার্য করেছিলেন।
  • বিশ্বজয়ী হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি আর নেই

    বিশ্বজয়ী হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি আর নেই

    অনলাইন ডেস্ক:    বিশ্বের একাধিক দেশে কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করা হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হাফেজ ত্বকির শিক্ষক মারকাযুত তাহফিজের প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ নেছার আহমদ আন-নাছিরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    হাফেজ ত্বকি জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেন। এছাড়াও তিনি দেশে বিভিন্ন কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হন।

    বিশ্বজয়ী এই হাফেজ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং এক পর্যায়ে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    ২০১৭ সালে জর্ডানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ৬২টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম হন হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি। পরবর্তী সময়ে কুয়েত ও বাহরাইনেও তিনি কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেন।

    কুমিল্লা মুরাদনগরের ডালপা গ্রামে ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন হাফেজ ত্বকি। বাবা মাওলানা বদিউল আলম পেশায় একজন মাদরাসা শিক্ষক। নিজের ছেলেকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন তিনি। তার এই চলে যাওয়ায় শোকে ভাসছে পরিবারটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন।

    হাফেজ নেছার জানান, মঙ্গলবার বাদ আসর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জানাজা শেষে হাফেজ ত্বকিকে কুমিল্লার মুরাদনগরের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে।