Category: প্রচ্ছদ

  • নুরের ওপর হামলার নিন্দা প্রেস সচিব শফিকুল আলমের

    নুরের ওপর হামলার নিন্দা প্রেস সচিব শফিকুল আলমের

    অনলাইন ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ।

    গতরাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়ের সাহসী কণ্ঠস্বর গণ অধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুরের ওপর বর্বরোচিত এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।’

    তিনি আরো বলেন, ‘ছাত্রনেতা হিসেবে নুর ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচারের দাবিতে তিনি এক প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।’

    শফিকুল আলম বলেন, সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নুর ও তার সংগঠন জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিল। তারা গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও মর্যাদার জন্য চলমান লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

    তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নুরকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নির্মম নির্যাতন করা হয়েছিল। এটি শুধু কেবল মৌলিক মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন ছিল না, বরং এটি ছিল ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের হাতে জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার ওপর সরাসরি আঘাত।’

    শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, কর্তৃপক্ষ এই হামলার তদন্ত করবে।’

  • হাসনাত-সারজিসকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আলটিমেটাম

    হাসনাত-সারজিসকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আলটিমেটাম

    অনলাইন ডেস্ক: বিএসসি প্রকৌশলীদের ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন’-এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আলটিমেটাম দিয়েছে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ’।

    কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক সাব্বির আহমেদের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনসিপি নেতা সারজিস আলম ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন’-এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে গিয়ে ‘কোটা’ শব্দটি ব্যবহার করেন। অন্যদিকে, হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন’-এর অযৌক্তিক দাবিকে ন্যায়সংগত বলে আখ্যা দিয়েছেন। আমরা এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

    এতে আরো বলা হয়, উপসহকারী প্রকৌশলী দশম গ্রেড, এটি কোনো কোটা নয়। এটি একটি বিশেষায়িত পদ। এখানে প্রবেশের জন্য একমাত্র যোগ্যতা হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি, যা ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ও ১৯৯৪ সালের প্রধানমন্ত্রীর প্রজ্ঞাপনে রয়েছে।

    হাসনাত ও সারজিসকে ক্ষমা চাইতে সময় বেঁধে দিয়ে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নেতারা উল্লেখ করেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান, দেশের সব সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক শিক্ষার্থী ও টিএসসি শিক্ষার্থী এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীসহ তাদের পরিবার সম্পূর্ণরূপে এনসিপিকে বর্জন করবে।’

  • নির্বাচনের রোডম্যাপকে স্বাগত জানায় বিএনপি: আমীর খসরু

    নির্বাচনের রোডম্যাপকে স্বাগত জানায় বিএনপি: আমীর খসরু

    অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভোটের রোডম্যাপ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। এমনটা জানিয়েছে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

    আমীর খসরু বলেন, মানুষ এখন নির্বাচনমুখী হচ্ছে। পুরো জাতি ভোটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় একটা পরিবর্তন আসবে। এখন রাজনীতির সময় শেষ হয়ে গেছে, জাতি গঠনের সময় এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, জনগণ জবাবদিহিমূলক সরকার চায়। ভোটের পর অর্থনীতির পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হবে। ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষকে চাকরি দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বিএনপির। তবে সব অংশীজনদের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

    এর আগে, রাজধানীতে আরেকটি অনুষ্ঠানে আমীর খসরু বলেন, রাজনীতিতে সকল দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। যে দল জনআকাঙ্ক্ষা ধারণ করতে ব্যর্থ হবে তারাই আগামীতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে।

  • জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা

    জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৪ ধাপে ভোটের কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে কমিশন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।

    তিনি বলেন, তিনটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। আগামী নভেম্বরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রতি বুথে ৬০০ পুরুষ ও ৫০০ মহিলা ভোটার রাখার চিন্তা করছি।

    নির্বাচনের তফসিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কাজ তফসিল ঘোষণার ১৫ দিন আগে শেষ করার চেষ্টা থাকবে। কর্মপরিকল্পনায় বিভিন্ন সংযোজন হবে। ভোটের ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

    ইসির সিনিয়র সচিব আরও বলেন, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে শুনানির পর তথ্য পর্যালোচনা চলছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সীমানা চূড়ান্ত করতে পারব বলে আশা করছি। আর ৩০ সেপ্টেম্বর জিআইএস বা ভৌগলিক ম্যাপ প্রকাশ করা হবে।

    ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা এবং বডি ক্যামেরার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার। এটা আমাদের চাহিদা না। এআই ও অপতথ্য একটা চ্যালেঞ্জ। কমিশন এটি নিয়ে কাজ করছে। এ সময় নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারার পরিবেশ সৃষ্টি করা চ্যালেঞ্জ বলেও জানান তিনি।

  • রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল শুনানি ৪ নভেম্বর

    রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল শুনানি ৪ নভেম্বর

    অনলাইন ডেস্ক:  রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

    আপিল বিভাগের দেওয়া এ সংক্রান্ত রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানিতে লিভ মঞ্জুর (আপিলের অনুমতি) আজ জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে রিভিউ আবেদনকারী মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন শুনানি করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও নিহাদ কবির। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম। আর আদালতে ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ১৯৮৬ সালে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করে।

    রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর, ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তা জারি করা হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে তা সংশোধন করা হয়।

    তবে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরির ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদ, সাংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত ও সংজ্ঞায়িত পদগুলো প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিচের ক্রমিকে রাখা হয়েছে বলে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৬ সালে হাইকোর্টে রিটটি করেন।

    ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আট দফা নির্দেশনাসহ ১৯৮৬ সালের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (সংশোধিত) অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

    এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। সে আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

    এই রায়ে হাইকোর্টের দেয়া আট দফা নির্দেশনার কিছুটা সংশোধন করে তিন দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেগুলো হলো:-

    ১. যেহেতু সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন, তাই বিরোধপূর্ণ প্রিসিডেন্সে সাংবিধানিক পদধারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

    ২. জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য হিসেবে জেলা জজ ও সমপদমর্যাদাসম্পন্নরা সরকারের সচিবদের সঙ্গে ১৬ নম্বরে অবস্থান করবেন।

    ৩. জেলা জজদের পরেই অতিরিক্ত সচিবেরা ১৭ নম্বর ক্রমিকে থাকবেন।

    এক পর্যায়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। পরবর্তীতে রিভিউ আবেদনে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা পক্ষভুক্ত হয়।

  • জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে কাল : ইসি সচিব

    জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে কাল : ইসি সচিব

    অনলাইন ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে সচিব সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা যে কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) করেছি, সে কর্মপরিকল্পনাটা আপনাদের জানাবো। আমি ঢাকার বাইরে থাকায় একটু পিছিয়ে পড়েছি। এটা আমার টেবিলে এখন আছে। আগামীকাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করেন।’

    এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব আজ এক বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) অনুমোদন করেছে কমিশন।

    এখন যেকোনো সময় নির্বাচনের এই রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হতে পারে বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কর্মপরিকল্পনার সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। অনুমোদন হয়েছে, এখন শুধু টাইপিং চলছে।’

    উল্লেখ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দল নিবন্ধন, সীমানা নির্ধারণ, নির্বাচন পর্যবেক্ষক, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংস্কার, বিধিমালা ও নীতিমালা জারি, প্রবাসীদের জন্য আইটি সাপোর্টেড নিবন্ধন ও পোষ্টাল ব্যালট পদ্ধতি ও নির্বাচনী সরঞ্জাম কেনাকাটা বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে রোডম্যাপে।