Category: প্রচ্ছদ

  • সিলেটে স্কুলছাত্র সুমেল হত্যা: ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

    সিলেটে স্কুলছাত্র সুমেল হত্যা: ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

    স্টাফ রিপোর্ট :     সিলেটের বিশ্বনাথে স্কুলছাত্র সুমেল হত্যা মামলায় ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে ৭ জনকে। এ ছাড়াও মামলার বাকি ১৭ আসামিকে ২ বছরের জন্য কারাদণ্ড দিয়েছে।

    বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। এসময় ৩১ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে পলাতক রয়েছেন একজন।

    মামলায় বলা হয়, ২০২১ সালের ১ মে চাউলধনী হাওরে রাস্তার মাটি কাটা নিয়ে সুমেলের স্বজনদের সঙ্গে ঝামেলা বাধে স্থানীয় সাইফুলের। একপর্যায়ে সাইফুল ও তার সহযোগীরা হামলা চালায়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় দশম শ্রেণির ছাত্র সুমেল আহমদ। এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।

  • তাবলিগের দুই পক্ষের বিবাদ মেটাতে কমিটি হচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা

    তাবলিগের দুই পক্ষের বিবাদ মেটাতে কমিটি হচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিবাদ মেটাতে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ ফম খালিদ হোসেন।

    আজ বুধবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দফতরে তাবলিগের দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

    ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, কমিটিতে দুই পক্ষের প্রতিনিধি থাকবেন। আশা করি, এই কমিটির মাধ্যমে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে। সামনে সংঘাতের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা এটাই চাচ্ছি।

    দুই পক্ষের একসাথে ইজতেমা করা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, একসাথে ইজতেমা করা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যাতে আগামীতে দুই গ্রুপই শান্তিপূর্ণভাবে আলাদাভাবে ইজতেমা করতে পারে।

    রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ধর্ম অবমাননাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করা ঠিক নয়। এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। রংপুরের গঙ্গাচড়ায় যে কটুক্তি করেছে, তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে যারা বাড়িঘরে ভাংচুর চালিয়েছে, তাদের এটা করা ঠিক হয়নি। এ নিয়ে মামলা করা হলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • নির্বাচন কমিশনে হিসাব জমা দিলো জাপা, বেড়েছে আয় ও ব্যয়

    নির্বাচন কমিশনে হিসাব জমা দিলো জাপা, বেড়েছে আয় ও ব্যয়

    অনলাইন ডেস্ক:    নির্বাচন কমিশনে আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে জাতীয় পার্টি। বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূইয়া নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদের কাছে ২০২৪ সালের অডিট রিপোর্ট জমা দেন।

    ২০২৪ সালে দলটির আয় ব্যায়ের হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরে জাপার বার্ষিক আয় ২ কোটি ৬৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৩৮ টাকা। অন্যদিকে ব্যয় ১ কোটি ৭৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪৪ টাকা। আয়ের খাতে কর্মীদের চাঁদা, প্রকাশনা ও ডোনেশন দেখানো হয়েছে। আর ব্যয় হয় প্রচার কার্যক্রম, অফিস কর্মচারীদের বেতন ইত্যাদি খাতে।

    এসময় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূইয়া বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে নির্বাচন করার জন্য জাপাকে ফ্যাসিস্ট এর দোসর বলা হচ্ছে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। বিএনপিও বিগত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। জাপাকে অবৈধ বলার দাবি উঠলে বিএনপিসহ বাকিদলগুলোকেও অবৈধ বলতে হবে।

    আগামী নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হলে জাপা অংশ নিবে বলেও জানান তিনি। বিগত তিন নির্বাচনে অংশগ্রহনের দায়ে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করলে ২০১৮ এর নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য বিএনপিসহ ৩১ টি দলকে নিষিদ্ধ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আরপিও অনুযায়ী রাজনৈতিক দল নিবন্ধিত হয়। সেখানের কোন শর্ত জাপা লঙ্ঘন করেনি। এছাড়া কমিশনকে এখন পর্যন্ত পুরোপুরি নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতদূষ্ট বলার পক্ষে নয় জাপা, যেহেতু এখনও তারা নির্বাচন করেনি।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে জাপা আয় করে ২ কোটি ২২ লাখ দুই হাজার ৪০৫ টাকা। আর ব্যয় করে এক কোটি ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫২৫ টাকা। ২০২২ সালে তাদের আয় হয় ২ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৯৬৮ টাকা। ব্যয় হয় ১ কোটি ২৮ লাখ ৩৭ হাজার ৫৪২ টাকা। ব্যাংকে স্থিতি ছিল ১ কোটি ৭ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৬ টাকা। অর্থাৎ ২০২৪ সালে তাদের আয় ও ব্যয় দুটোই বেড়েছে।

  • জুলাই শহীদদের জন্য আবাসন: সমন্বয় করে প্রকল্প এগিয়ে নেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়

    জুলাই শহীদদের জন্য আবাসন: সমন্বয় করে প্রকল্প এগিয়ে নেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়

    অনলাইন ডেস্ক:    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারগুলোর স্থায়ী বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট প্রকল্প গ্রহণ করেনি একনেক সভা। খরচের হিসাব মূল্যায়ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ তথ্য জানান, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। বলেন, প্রকল্প এগিয়ে নেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়। প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ৮ হাজার ১৪৯ কোটি টাকার ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৭ জুলাই) সকালে এনইসি মিলনায়তনে চলতি অর্থবছরের প্রথম একনেক সভায় নানা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    সভায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের স্থায়ী বাসস্থানের জন্য, ‘৩৬ জুলাই আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য প্রকল্প’ উত্থাপন করে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটিকে সাধুবাদ জানালেও অনুমোদন দেয়নি একনেক সভা। প্রশ্ন ওঠে, শুধু ঢাকায় কেন আবাসন প্রকল্প হবে? দেশজুড়ে জুলাই যোদ্ধারা ছিলেন। অনেক পরিবার ঢাকায় থাকতে চায় না।

    পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, ব্যয়ের প্রাক্কলন আরও যথাযথ হওয়া উচিত। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে প্রকল্পটিকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়কে।

    পরে ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি ২ হাজার কোটি টাকার স্যানিটেশন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। বলেন, আপাতত আমাদের স্যানিটেশন সিস্টেম প্রতিবেশি ভারতসহ আরও কয়েকটি দেশের চেয়ে ভালো।

    গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত র‍্যাপিড বাস ট্রানজিট কার্যক্রমকে বড় ধরণের অপরিকল্পিত প্রকল্প হিসেবে অভিহিত করা হয় একনেক সভায়। ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, বিপুল ব্যয়ের এই অহেতুক প্রকল্পের নকশা ও পরিকল্পনার সাথে কারা জড়িত ছিল, তা অনুসন্ধান করা হবে।

    সভায়, ২ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে ‘ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এর আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বহুতল হল ও আবাসন ভবনের পাশাপাশি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে।

    সরকার পরিবর্তনের পর বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের ঠিকাদারদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে একনেক। এসব প্রকল্পের সাথে জড়িত প্রকল্প পরিচালক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিষয়েও তদন্ত করা হবে।

  • হ্যান্ডেল করতে না পারলে অস্ত্র আনলেন কেন: বাবরকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রশ্ন

    হ্যান্ডেল করতে না পারলে অস্ত্র আনলেন কেন: বাবরকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রশ্ন

    স্টাফ রিপোর্টার:     অস্ত্র যদি হ্যান্ডেল করতে না-ই পারেন, তাহলে সেগুলো নিয়ে আসছেন কেন? বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবরকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেছেন, এ ঘটনার দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল।

    রোববার (২৭ জুলাই) নেত্রকোণায় জুলাই পদযাত্রার জনসভায় একথা বলেন তিনি।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আমি বাবর ভাইকে সম্মান করি। তিনি নির্যাতিত নেতা। কিন্তু তার ওই কাজকে আমি সমর্থন করি না। আপনার ওই কাজের কারণে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারে নাই। হাসিনার মতো একজন খুনী ক্ষমতায় এসেছিল।

    পাটওয়ারী আরও বলেন, গেল ১৫ বছর বিএনপির নেতারা যে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছিল, সে জন্য ইতিহাসের পাতায় আপনি দায়ী থাকবেন।

    এর আগে পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘটনা হলো ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান।

    বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের মানুষের অধিকার হরণ করেছিল। সেই সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে এসে অভ্যুত্থান করে তাদের পতন নিশ্চিত করে।

    তিনি বলেন, একটি নতুন সংবিধান ও সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছি আমরা। সংবিধানের জন্য গণপরিষদ নির্বাচন প্রয়োজন।

    তিনি আরও বলেন, মুজিববাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কাজ করাসহ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় কাজ করবে এনসিপি। একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

  • ইসরায়েলি পর্যটকের কান ছিঁড়ে ফেললেন এক সিরীয়

    ইসরায়েলি পর্যটকের কান ছিঁড়ে ফেললেন এক সিরীয়

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    গ্রিসে এক ইসরায়েলি পর্যটকের কান ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। সিরিয়ান এক নাগরিক গ্রিসের সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা ওই ইসরায়েলির কান ছিড়ে ফেলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর, টাইমস অব ইসরায়েলের।

    ভুক্তভোগী ইসরায়েলি নাগরিক স্টাভ বেন-সুসান ওই সিরিয়ানকে নিয়ে বর্ণবৈষম্যমূলক কথা বলায় গ্রিস পুলিশ তাকে আটক করেছে বলে জানায় ইসরায়েলি গণমাধ্যমটি।

    গ্রিসের একটি হাসপাতাল থেকে ওই ইসরায়েলি পর্যটক বলেন, তারা অ্যাথেন্সিয়ান রিভেরার বলিভার সৈকতে গিয়েছিলেন। ওই সময় অপর এক ইসরায়েলি দম্পতির সঙ্গে তিনি ও তার স্ত্রী কথা বলছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাদের ভিডিও করা শুরু করে এবং ‘ফ্রি ফিলিস্তিন, ইসরায়েল নিপাত যাক, আমি হামাস’— এমন স্লোগান দিতে থাকে।

    এক পর্যায়ে ওই সিরিয়ান ব্যক্তি তাদের ওপর বালু ছুড়ে মারলে তিনি তাকে ধাক্কা দেন। এরপর নিরাপত্তা কর্মীরা এসে তাদের ছাড়িয়ে ওই সিরিয়ানকে সৈকত থেকে সরিয়ে দেন।

    তিনি আরও বলেন, ঘটনার ঘণ্টাখানেক পর স্ত্রীকে নিয়ে বের হলে দেখতে পান ওই সিরিয়ান তাদের কাছে আসছেন এবং তার স্ত্রীর ওপর হামলা চালাতে যাচ্ছিলেন। এসময় তিনি বাধা দিতে গেলে সিরিয়ান ওই ব্যক্তি তার কানের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলে।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে গ্রিসে ইসরায়েল-বিরোধী তৃতীয় ঘটনা এটি। বুধবার ভোরে গ্রীক দ্বীপ রোডসে ছুটি কাটানোর সময় ইসরায়েল-বিরোধী হামলাকারীদের একটি দল ইসরায়েলি কিশোরদের ওপর আক্রমণ করে। একদিনেরও কম সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি মালিকানাধীন একটি ক্রুজ জাহাজকে গ্রীক দ্বীপ সাইরোসে নোঙ্গর করতে বাধা দেয়ার ঘটনাও ঘটে।