Category: প্রচ্ছদ

  • ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভয়াবহ দক্ষিণ সিরিয়ার পরিস্থিতি

    ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভয়াবহ দক্ষিণ সিরিয়ার পরিস্থিতি

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক:       সরকারি বাহিনী, বেদুইন মিলিশিয়া এবং স্থানীয় দ্রুজ যোদ্ধাদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভয়াবহ দক্ষিণ সিরিয়ার পরিস্থিতি। রোববার থেকে শুরু হওয়া লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত ২০৩ জনের প্রাণ গেছে। নিহতদের মধ্যে ৯৩ জনই সরকারি বাহিনীর। বাকিরা বেদুইন এবং দ্রুজ সম্প্রদায়ের।

    যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে এখনও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে সুয়েইদার বিভিন্ন স্থানে। ক্ষতিগ্রস্ত শহরটির গুরুত্বপূর্ণ সব এলাকার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

    আটকা পড়া সেনাসদস্যদের উদ্ধারে হামা এবং হোমস প্রদেশ থেকে আরও সেনাবহর পাঠাচ্ছে প্রশাসন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অনেক এলাকা। অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে সিরিয়া প্রশাসন। অথচ, সংঘাত কবলিত এলাকাতেই হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।

    সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়কে রক্ষায় এই অভিযান বলে জানিয়েছে তেলআবিব। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর- সুয়েইদা দ্রুজ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় আবাস। বরাবরই তাদের সুরক্ষায় নেতানিয়াহু প্রশাসন সোচ্চার।

     

  • সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ

    সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ

    অনলাইন ডেস্ক:        আদালতের নির্দেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রায় ৫ হাজার শতাংশ জমি, গাজী টায়ারের কারখানা ও আরও বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা রয়েছে।

    সিআইডি সূত্র জানায়, গোলাম দস্তগীর গাজীর বিরুদ্ধে জমি দখল, কমিশন গ্রহণ, জাল-জালিয়াতি, প্রতারণা, হুন্ডি এবং আন্ডার ইনভয়েস, ওভার ইনভয়েসের ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    তার ক্রোক করা সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে— রূপগঞ্জের খাদুন এলাকার ৬৯টি দলিলের সর্বমোট ৪৮৮০ শতাংশ জমি। এসবের দলিল মূল্য ১৬ কোটি ৫২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এ সব জমিতে তার গাজী টায়ার প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। এর মূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

    গোলাম দস্তগীর গাজী ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গাজী ডোর, গাজী নেটওয়ার্ক, গাজী টায়ার, গাজী ট্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। এর আগে, গত ৮ জুলাই সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত এই সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন।

  • শেখ পালিয়েছিল পাকিস্তানে, শেখের বেটি পালিয়েছে ভারতে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    শেখ পালিয়েছিল পাকিস্তানে, শেখের বেটি পালিয়েছে ভারতে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    অনলাইন ডেস্ক:    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, শেখ পালিয়েছিল পাকিস্তানে, শেখের বেটি পালিয়েছে ভারতে। এই শেখের বেটি বাংলাদেশকে ছারখার করার জন্য গোপালগঞ্জের নাম ব্যবহার করেছে। খোঁজ নিয়েছি, শেখের বেটির পাশের লোকের জীবনমানের কোনও উন্নতি হয়নি। বাস্তবিক ক্ষেত্রে তাদের নাম ব্যবহার হয়েছে সবখানে, কিন্তু গোপালগঞ্জবাসীও বৈষম্যের শিকার হয়েছে। আর এই বৈষম্যের শিকার হয়েছেন শেখের বেটি শেখ হাসিনা দ্বারা।

    জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    এনসিপির এ নেতা আরও বলেন, শেখের বেটিকে আমরা ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছি। গোপালগঞ্জবাসীর আর ভয় নাই। শেখ পরিবার দ্বারা যারা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তাদের ভয় নাই। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য পদযাত্রা করছি, আপনাদের দুয়ারে হাজির হয়েছি। আমরা রাজনৈতিক দল গঠন করেছি। শেখের বেটি, শেখের নামে যে রাজনীতি হয়েছে, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি হয়েছে, তা থেকে বের হয়ে আমরা ভালোবেসে নতুন একটি বাংলাদেশ গঠনের অভিপ্রায়ে বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছি। আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জ ও বগুড়া দুইটি জেলার অবদান যেমন রয়েছে, তেমনি বৈষম্যের ক্ষেত্রেও তাদের নাম রয়েছে। আমরা ব্যক্তির রাজনীতি করতে চাই না। বগুড়া, ফেনী, গোপালগঞ্জের রাজনীতিও করতে চাই না। আমরা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে চাই। তাই আমি আহ্বান জানাচ্ছি, বগুড়া, গোপালগঞ্জবাসীকে এনিসপির ছায়াতলে আসার জন্য।

    সমাবেশ শুরুর আগে সেখানে হামলা চালায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ। এ নিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, আমাদের এখানে হামলা হয়েছে। পুলিশ নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়েছিল। এসব নাটক আমরা হাসিনা আমলেও দেখেছি। নতুন বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আমরা এ ধরনের নাটক দেখতে চাই না।

  • গোপালগঞ্জের সমাবেশে শেষে ফেরার পথে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা

    গোপালগঞ্জের সমাবেশে শেষে ফেরার পথে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা

    অনলাইন ডেস্ক:     গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় সমাবেশে শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছে। জেলার চৌরঙ্গী মোড়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুই পাশ থেকে এসে হামলা চালায়, ইট-পাটকেল ছুড়েছে।

    ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এসে হামলাকারীদের প্রতিরোধের চেষ্টা চালায়। পুলিশও হামলাকারীদের সরিয়ে দিতে ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে। বাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তেও দেখা গেছে।

    এদিকে, গোপালগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রেখেছে হামলাকারীরা। তাতে বিভিন্ন জায়গায় আটকা পড়েছেন এনসিপির নেতারা।

    এর মধ্যে চৌরঙ্গী মোড় থেকে এনসিপির গাড়ি বহরের কয়েকটি যানবাহন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দিকে চলে গিয়েছে। সেসব গাড়িবহরে কারা রয়েছেন, তা জানা যায়নি। তারাও হামলার শিকার হতে পারেন বলে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

  • মোহাম্মদ খালেদ রহীম দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব পদে পদায়ন

    মোহাম্মদ খালেদ রহীম দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব পদে পদায়ন

    অনলাইন ডেস্ক:     মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীমকে পদোন্নতি দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, মোহাম্মদ খালেদ রহীমকে সচিব পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক দুর্নীতি দমন কমিশনে পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    এর আগে, গত ২৪ জুন দুদকের সচিব খোরশেদা ইয়াসমীনকে অবসরোত্তর ছুটিতে গমনের সুবিধার্থে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়।

  • এক সিনেমায় যদি ১২৭টি দৃশ্য বাদ !

    এক সিনেমায় যদি ১২৭টি দৃশ্য বাদ !

    বিনোদন ডেস্ক:      এক সিনেমায় যদি ১২৭টি দৃশ্য বাদ দিতে হয়, তাহলে আর ওই সিনেমায় থাকে কী! দিলজিৎ দোসাঞ্জ অভিনীত ‘পাঞ্জাব ৯৫’ সিনেমার ক্ষেত্রে এমনই নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সেন্সর বোর্ড। সিনেমার নাম বদলেরও নির্দেশ তাদের। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন নির্মাতা হানি ত্রেহান। তার মতে, ভারতের সেন্সর বোর্ডকে যারা উদার মনে করেন, তাদের ভুল ভাঙানোর জন্য এই একটি উদাহরণই যথেষ্ট।

    পাঞ্জাব ৯৫ তৈরি হয়েছে মানবাধিকার কর্মী জসবন্ত সিং খালরাকে নিয়ে। পাঞ্জাবের হাজার হাজার মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার সত্যতা সবার সামনে তুলে ধরেছিলেন তিনি। শুরু থেকেই বারবার রাজনৈতিক বিরোধিতার শিকার হয়েছে সিনেমাটি। এ বছর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল পাঞ্জাব ৯৫। তবে বারবার সেন্সর বোর্ডের তোপের মুখে পড়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সিনেমাটির ভবিষ্যত।

    সিনেমাটির নাম প্রথমে হওয়ার কথা ছিল ‘ঘালুঘারা’। তবে সেন্সর বোর্ডের আপত্তির কারণে নাম বদলে রাখা হয় পাঞ্জাব ৯৫। এবার এ নামেও আপত্তি তাদের। নাম পরিবর্তনসহ ১২৭টি সংশোধনী দেওয়া হয়েছে। এটা না করলে পাবে না মুক্তির অনুমতি।

    ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্মাতা হানি ত্রেহান জানিয়েছে, এতগুলো দৃশ্য বাদ দিলে তো সিনেমার আসল বিষয়টাই বাদ পড়ে যায়! যদি জোর করে কাট বসানো হয়, তাহলে সিনেমাটি থেকে নিজের নাম সরিয়ে নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। নির্মাতা জানান, সিনেমাটি তিনি সম্পূর্ণ সত্যতা ও সততার সঙ্গে তৈরি করেছেন।

    পরিচালকের অভিযোগ, সিবিএফসি জানিয়েছে, সিনেমার নাম থেকে পাঞ্জাব শব্দটি সরাতে হবে। এছাড়া, সিনেমায় ব্যবহৃত ‘পাঞ্জাব পুলিশ’ বলার ওপরেও আপত্তি জানিয়ে শুধু ‘পুলিশ’ লেখার কথা বলা হয়েছে। বাদ দিতে বলা হয়েছে ইন্দিরা গান্ধীর নাম।

    নির্মাতা হানি ত্রেহান প্রশ্ন তুলেছেন, সিনেমার গল্পই পাঞ্জাবের, তাহলে নাম থেকে পাঞ্জাব কীভাবে সরাব? এ সিনেমা মুক্তি দেয়ার জন্য আড়াই বছর ধরে অপেক্ষা করছি। যদি আমরা আমাদের কথা শিল্পের মাধ্যমে বলতে না পারি, তাহলে গণতন্ত্রের মানে কী?

    সেন্সর বোর্ডের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন জসবন্ত সিং খালরার স্ত্রী পরমজিৎ কৌর খালরা। তিনি বলেছেন, সিনেমাটি পরিবারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হয়েছে, এতে কোনো ভুল নেই। তাই সিনেমাটি কোনো কাটছাঁট ছাড়াই মুক্তি দেওয়া উচিত।

    পরিচালকের দাবি, পাঞ্জাব ৯৫ রাজনৈতিক সিনেমা নয়, বরং এতে দেখানো হয়েছে এক মানুষের লড়াইকে। জসবন্ত সিং খালরা অনেক নিখোঁজ হওয়া মানুষের কথা সামনে এনেছিলেন। সেই সময়ে তিনি ২৫ হাজারের বেশি মানুষের নিখোঁজ হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। পরে তাকে অপহরণ করা হয় এবং হত্যা করা হয়। তাঁর আত্মত্যাগের কথা মানুষকে জানানোই এ সিনেমার উদ্দেশ্য।