Category: প্রচ্ছদ

  • জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলের রাজনীতি আর সহ্য করা হবে না : নাহিদ ইসলাম

    জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলের রাজনীতি আর সহ্য করা হবে না : নাহিদ ইসলাম

    স্টাফ রিপোর্টার:    জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলের রাজনীতি আর সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    রোববার (১৩ জুলাই) পিরোজপুর শহরে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি। এনসিপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে গিয়ে পদযাত্রা শেষ করেন।

    নাহিদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে এনসিপি। শহর-গ্রাম ঘুরে সাধারণ মানুষের কথা শুনছি।

    ফেরার পথে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নাহিদ ইসলাম। পরে ঝালকাঠির উদ্দেশে রওনা দেন নেতাকর্মীরা। সেখানে এনসিপির পদযাত্রা কর্মসূচি রয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে মারাত্মক মাদক ফেন্টানিল প্রবাহের জন্য চীন দায়ী !

    যুক্তরাষ্ট্রে মারাত্মক মাদক ফেন্টানিল প্রবাহের জন্য চীন দায়ী !

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:       মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর চীনা পণ্যে শুল্ক আরোপ করেন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে মারাত্মক মাদক ফেন্টানিল প্রবাহের জন্য তিনি চীনকে দায়ী করেন। তবে বেইজিং জানায়, ফেন্টানিল সংকট একান্তই যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা। চীন এরইমধ্যে এ বিষয়ে ‘বড় অগ্রগতি’ অর্জন করেছে বলে দাবি করে।

    সিএনএন‘র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন বলছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে যৌথভাবে কাজ করতে চায়। তবে ‘চাপ, হুমকি ও ব্ল্যাকমেইল’ বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানায় দেশটি।

    এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত মাসে চীন আরও দুটি ফেন্টানিলের উপাদানকে নিষিদ্ধ তালিকায় যুক্ত করেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী তাদের অবস্থান আরও শক্ত হলো। একই সময়, চীন নিতাজিন নামের আরেক ধরনের মাদক উপাদানের ওপরও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে।

    চীনের জননিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াং শিয়াওহং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড পার্ডুকে বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে যৌথভাবে কাজ করতে চীন প্রস্তুত।

    যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, চীন এখনও বেআইনি ফেন্টানিল উৎপাদনে ব্যবহৃত উপাদানের প্রধান উৎস। যদিও ২০১৯ সালে চীন ফেন্টানিলকে একটি সম্পূর্ণ মাদক শ্রেণি হিসেবে ঘোষণা করে। এতে করে সরাসরি চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল প্রবাহ অনেকটাই কমে আসে।

    তবে অপরাধচক্র নতুন কৌশলে ফেন্টানিল তৈরি করছে। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ফেন্টানিলের কাঁচামাল মেক্সিকোর মাদকচক্রের কাছে বিক্রি করে। এরপর সেসব চক্র যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাঠায়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন এ বিষয়ে অনেক পদক্ষেপ নিলেও আরও কিছু করণীয় রয়েছে। কারণ, এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল চীনের রাসায়নিক শিল্প খাত থেকেই আসছে।

    চীন সরকার নিজেকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘দায়িত্বশীল খেলোয়াড়’ হিসেবে তুলে ধরতে চায়। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করতে আগ্রহী হলেও তারা যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা চাপ মেনে নিচ্ছে না।

    চীন দাবি করছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ ছাড়াই নিজেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নতুন উপাদানগুলো নিষিদ্ধ করেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক আরোপের কারণে চীন এই পদক্ষেপ নিয়েছে এবং হয়তো এর বিনিময়ে বাণিজ্য আলোচনায় সুবিধা পেতে চায়।

    গত বছর একটি মার্কিন কংগ্রেস রিপোর্টে অভিযোগ তোলা হয়— চীন সরকার করছাড় দিয়ে বেআইনি মাদকের কাঁচামাল রপ্তানিকে উৎসাহ দিচ্ছে। চীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সমস্যা তৈরি করা’ বলে অভিযুক্ত করে।

    চীনা কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের দেশে মাদকের অপব্যবহার খুবই সীমিত। তাই তারা মনে করে, এই সমস্যা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ— অর্থাৎ ‘চাহিদার সমস্যা’, সরবরাহের নয়।

    চীনের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি মাদক বিশ্লেষণ কেন্দ্রের উপপরিচালক হুয়া জেনডং বলেন, ফেন্টানিল সমস্যার মূল সমাধান হলো যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের চাহিদা কমানো। কারণ ফেন্টানিল তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহারযোগ্য রাসায়নিকের সংখ্যা অনেক। সবগুলো একসঙ্গে নিষিদ্ধ করা প্রায় অসম্ভব।

    তিনি বলেন, ‘এই খেলা মূলত বিড়াল-ইঁদুর খেলার মতো। অপরাধীরা নিয়ম বদলে নতুন রাসায়নিক দিয়ে একই মাদক তৈরি করতে পারে। তাই আমরা কেবল তাদের পেছনে ছুটতে পারি, আগেভাগে সব বন্ধ করা কঠিন।‘

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের নতুন পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা একটি শুরু মাত্র। এখন প্রয়োজন আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় পর্যায়ে এসব নির্দেশনার বাস্তব প্রয়োগ।

    চীনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গত বছর ১,৪০০ টনের বেশি কাঁচামাল জব্দ করেছে এবং ১৫১টি মামলা নিষ্পত্তি করেছে। তবে চীনের এক সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানায়, কেমিক্যাল চোরাচালানের পদ্ধতি দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এ বিষয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।

  • জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, একমত সকল রাজনৈতিক দল

    জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, একমত সকল রাজনৈতিক দল

    অনলাইন ডেস্ক:       আপাতত জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। তবে জনরায়ের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রথম দুইজনের মধ্যে একজনকে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

    রোববার (১৩ জুলাই) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১২তম দিনে বৈঠক করে দলগুলো।

    বৈঠকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে দলগুলো। এছাড়া, জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিষয়েও দলগুলো সম্মত হয়েছে কমিশনের বৈঠকে।

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানান, জরুরি অবস্থা জারির সময় জীবনের অধিকার ও মৌলিক অধিকার হরণ করা যাবে না। এ ছাড়াও ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে “জুলাই সনদ” বিষয়ে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাতে চায় কমিশন।

    অন্যদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জরুরি অবস্থা নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্তে একমতে আসা গেছে। ‘হেড অব স্টেট’ হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতিকে কোথাও না কোথাও রাখার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি।

    তবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতিকে না রাখার পক্ষে মত হয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতিকে দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে কোনো ভূমিকায় রাখার পক্ষে মত এসেছে।

  • নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে

    নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে

    অনলাইন ডেস্ক:      ১৯৭২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সাতবার শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০১২ সালে শিক্ষাক্রমে সবচেয়ে বড় রদবদলের মাধ্যমে আসে সৃজনশীল পদ্ধতি। মুখস্থ নির্ভরতা কমিয়ে আরও বড় পরিবর্তন আসে ২০২১ সালে। সেই শিক্ষাক্রমকে ভালো উদ্যোগ বলা হলেও দেশের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে তা ত্রুটিযুক্ত ছিলো বলে কেউ কেউ মনে করেন। সেইসময় শিক্ষাক্রম বাতিলে টানা আন্দোলনও হয়।

    আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০১২ সালের আলোচিত সৃজনশীল শিক্ষাক্রম ফিরিয়ে আনা হয়। তবে ২০২৭ সাল থেকে নৈতিক, মানবিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম চালুর কথা ভাবছে সরকার। এজন্য ১৬টি দেশের শিক্ষাক্রম নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে।

    যেমন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের শিখন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বিভিন্ন রকম। শিক্ষার্থীরা সংখ্যাতত্ব, প্রযুক্তি, নীতি, সৃজনশীল চিন্তা, মানবিক, সমাজবিজ্ঞান ও সংস্কৃতি। দেশটিতে শ্রেণীকক্ষে ধারাবাহিক্ম মূল্যায়নে বেশি জোর দেয়া হয়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রে শিখন মূল্যায়ন পদ্ধতি স্কুলগুলোই ঠিক করেন। শিক্ষকরা ক্লাসে দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়নে জোর দেন। ফলে অনুসন্ধানভিত্তিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হন শিক্ষার্থীরা।

    এদিকে পৃথিবীর অন্যতম সুখী দেশ ফিনল্যান্ডে নীতি, গনিত, বিজ্ঞান, শিল্প-কলা, সমাজ বিজ্ঞান ও বিদেশী ভাষায় প্রাধান্য দেয়া হয়। দেশটির শিখন পদ্ধতি অনুসন্ধানভিত্তিক ও অভিজ্ঞতামূলক। ক্লাসে জীবনমুখী সমস্যার সমাধান করান শিক্ষকরা। দ্বাদশ শ্রেণীতে হয় প্রথম পাবলিক পরীক্ষা।

    অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চীনের শিক্ষাক্রমে ভাষা, কারিগরি শিক্ষা, গনিত, নৈতিক ও রাজনীতি শিক্ষা প্রাধান্য দেয়া হয়। সমালোচনামূলক চিন্তা, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ ও উদ্ভাবনী শিক্ষার ওপর ক্লাসে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হয়।

    এখন সমস্যা হলো এসব দেশের শিক্ষাক্রম চালু করার মতো আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট দেশে নেই। তাছাড়া, মানসপন্ন শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের অভাব তো রয়েছেই।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্ত বোর্ডের (এনসিটিবি) বিশেষজ্ঞ ড. মুহাম্মদ জাইর আল ফারুকী বলেছেন, আমাদের স্কুলের পরিবেশ ও ক্লাসরুমের চর্চার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এজন্য শিক্ষকদের পেশাগত প্রস্তুতি ও নিষ্ঠা প্রয়োজন।

    এদিকে, শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শগত বিস্তর ফারাক আরেকটি বাধা।

    এনসিটিবির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী বলেন, শিক্ষাক্রম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে কাঠামো তৈরি করা হবে। দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতেই এটি করা হবে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় যাওয়া দল এটিকে বাস্তবায়ন করবে।

    অন্যদিকে শিক্ষাবিদরা জানান, অনেক দেশই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রায় প্রতিবছরই শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়। সেটিই শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, কারিকুলাম বদলাতে হবে আগে সংবিধানকে ঠিক করতে হবে। এটি না করা গেলে বর্তমান সংবিধান বা ঐকমত্যকে ভিত্তি ধরে শিক্ষানীতি তৈরি করতে হবে। কারন আগের শিক্ষানীতি অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। সেই নীতিকে অনেক অসঙ্গতি ও গ্যাপ রয়েছে। তাই সেটির ওপর ভিত্তি করে নতুন শিক্ষাক্রম করা যাবে না।

    একবারেই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন, উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানান শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। তবে তিনি পথটি তৈরি করে দিতে চান।

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, শিক্ষাক্রম নিতে এনসিটিবিতে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। কিছু পরিকল্পনা নেয়ান হয়েছে।

    তবে নোটবই আর কোচিং বাণিজ্যকে উদ্বুদ্ধ করে এমন শিক্ষা ব্যবস্থা চান না সচেতন অভিভাবকরা।

    সূএ যমুনা নিউজ

  • ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে আরো ১১০ ফিলিস্তিনি

    ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে আরো ১১০ ফিলিস্তিনি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১১০ ফিলিস্তিনি। শনিবার থেকে রোববার (১৩ জুলাই) সকাল পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

    জানা গেছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরের কাছে ইসরায়েল-সমর্থিত মার্কিন সংস্থা গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন জিএইচএফ-এর একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন অনেকে। এতে প্রাণ হারান ৩৪ জন।

    উত্তর গাজার বেইত হানুনে চালানো হয় ব্যাপক বিমান হামলা। শনিবার সন্ধ্যার শুরুতে প্রায় ৪০টি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। জাবালিয়ায় আবাসিক ভবনেও চলে ইসরায়েলি আগ্রাসন। প্রাণ হারায় কমপক্ষে ১৫ জন।

    গাজার ঘনবসতিপূর্ণ আল-শাতি শরণার্থী শিবিরেও চলে আইডিএফের তাণ্ডব। শিশুসহ হতাহত হন অনেকে।

    অন্যদিকে, দখলকৃত পশ্চিম তীরের আল-মানিয়া গ্রামের কাছে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। তারা ঘরবাড়িতে পাথর নিক্ষেপ করে এবং সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়, ফলে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আতঙ্ক।

  • পানি কমতে থাকায় ফেনীতে প্লাবন পরিস্থিতির আরও উন্নতি

    পানি কমতে থাকায় ফেনীতে প্লাবন পরিস্থিতির আরও উন্নতি

    স্টাফ রিপোর্টার:   পানি কমতে থাকায় ফেনীতে প্লাবন পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। এতে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে বন্যায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন।

    সরেজমিন রোববার (১৩ জুলাই) দেখা গেছে, ফুলগাজীতে বেশিরভাগ জায়গা থেকে পানি নেমে গেছে। তবে, এখনও প্লাবিত মুন্সিরহাট, দরবারপুর ও আনন্দপুর ইউনিয়নের অনেক বাড়িঘর।

    এদিকে নোয়াপুর গ্রামের সিলোনিয়া নদীর ভাঙা স্থান দিয়ে এখনও পানি ঢুকছে লোকালয়ে। ছাগলনাইয়া, ফেনী সদর ও দাগনভূঞা উপজেলায় প্লাবিত হওয়া গ্রামগুলো থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

    পরশুরামের বেশিরভাগ বাড়িঘর থেকেই নেমে গেছে পানি। স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন।