Category: প্রচ্ছদ

  • সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত

    সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ইব্রাহিম বাবু (৩২) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২ জুলই) দুপুর ১টার দিকে দামুড়হুদার ঝাঁঝাডাঙ্গা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত ইব্রাহিম ঝাঁঝাডাঙ্গা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। নিহতের মরদেহ ভারতের একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ করে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।

    নিহতের স্বজন ও গ্রামবাসীরা জানায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ইব্রাহিম বাবুসহ কয়েকজন গরুর ঘাস কাটাতে সীমান্তের কাছে যায়। এ সময় ভারতের নদীয়া জেলার গেদে ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে কৃষক ইব্রাহিম গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে তার মরদেহ ভারতে নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিএসএফ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। তিনি জানান, একদল স্বর্ণ চোরাকারবারির সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় একজন গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • আশুলিয়া হত্যাকাণ্ডে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল

    আশুলিয়া হত্যাকাণ্ডে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল

     অনলাইন ডেস্ক:      আশুলিয়ায় হত্যার পর ৬ জনের মরদেহ পোড়ানো মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৬ জনকে আসামি করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। বুধবার (২ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আলোচিত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

    এর আগে, গত ১৯ জুন এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পায় প্রসিকিউশন। এদিন সকালে এই মামলায় গ্রেফতার পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ হিল কাফি, শাহিদুল ইসলামসহ ৭ জনকে হাজির করা হয় ট্রাইব্যুনালে।

    গত বছরের ৫ আগস্ট সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান ৫ জন। একজন গুরুতর আহত হন। পরে ৫ জনের মরদেহ এবং আহত একজনকে পুলিশ ভ্যানে তুলে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

    প্রসিকিউশন জানায়, এ ঘটনায় ১১ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়।

  • যুদ্ধবিরতি আলোচনার মাঝেই গাজায় ভয়াবহ তাণ্ডব ইসরায়েলের

    যুদ্ধবিরতি আলোচনার মাঝেই গাজায় ভয়াবহ তাণ্ডব ইসরায়েলের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:      যুদ্ধবিরতি আলোচনার মাঝেই গাজায় ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েল। গত ২৪ ঘণ্টায় আগ্রাসনে প্রাণ গেছে কমপক্ষে ১০৯ ফিলিস্তিনির। মঙ্গলবার (১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে উঠে আসে এ তথ্য।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৬ জন দক্ষিণাঞ্চলের একটি খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে ইসরায়েলি সেনাদের অতর্কিত গুলিবর্ষণে নিহত হন। মে মাসের শেষ থেকে এ পর্যন্ত গাজার খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে সহায়তা নিতে গিয়ে প্রাণ গেছে কমপক্ষে ৬শ’ ফিলিস্তিনির।

    অপরদিকে, গাজা সিটিতে পুনরায় তাণ্ডব চালানো শুরু করেছে আইডিএফ। অঞ্চলটিতে কোয়াডকপ্টার হামলায় অন্তত ৫ জন মারা গেছেন। এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস ও আল মাওয়াসিতে আবাসিক বাড়ি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপত্যকায় ১৪০ বারেরও বেশি হামলা করেছে ইসরায়েল। এ নিয়ে চলমান আগ্রাসনে প্রাণহানি ছাড়ালো ৫৬ হাজার।

  • যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নবিননগর এলাকায় ভেঙে পড়েছে শতবর্ষী একটি গাছ

    যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নবিননগর এলাকায় ভেঙে পড়েছে শতবর্ষী একটি গাছ

    যশোর প্রতিনিধি: যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নবিননগর এলাকায় ভেঙে পড়েছে সড়কের পাশে থাকা শতবর্ষী একটি গাছ।

    মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাত ১১ টার দিকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা তীব্র যানজট সৃষ্টি করে। তবে এতে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

    সড়কের উপরে আছড়ে পড়ার পড় স্থানীয়রা দা-কুড়াল নিয়ে রাস্তা পরিষ্কারে নামেন। পরে খবর পেয়ে ঝিকরগাছা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যেয়ে সড়কের ওপর থেকে গাছটি অপসারণ করে।

    অপরদিকে, দীর্ঘদিন ধরে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে কিছু শতবর্ষী মরা গাছ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রায়ই এসব গাছ বা গাছের ডালপালা ভেঙে পথচারী ও সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের ওপরে পড়ছে। চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল এসব ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণে চিঠি দেয়া হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

    উল্লেখ্য, যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত একটি মহাসড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। অথচ মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শতবর্ষী গাছগুলোর একটি বড় অংশই মৃত, অর্ধমৃত যা প্রতিনিয়ত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

  • নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা

    নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    জুলাই আন্দোলনের মর্মবাণী ছিলো ফ্যাসিবাদ বিলোপ করে নতুন বাংলাদেশ গঠন। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার; যাতে স্বৈরাচার আর মাথা চাড়া না দিতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    সকালে, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।

    তিনি বলেন, ১৬ বছর পর আমরা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলাম। এর তাৎক্ষণিক আমরা আমাদের টার্গেট পূরণ করতে পেরেছি। কিন্তু তার প্রথমেই ছিলো নতুনভাবে রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণের একটা বিরাট স্বপ্ন। আমরা প্রতি বছর এইসময়টা উদযাপন করবো। যাতে পরবর্তীতে এই দিন উদযাপনের জন্য আরও ১৬ বছর অপেক্ষা না করতে হয়। স্বৈরাচারের কোনও চিহ্ন দেখা গেলে তাতক্ষণিকভাবে যাতে বিনাশ করতে পারি।

    এ সময় জুলাই আন্দোলনের সবার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যে কর্মসুচি ঘোষণা করছি সেটা শুধু সূচনা নয় বরং একটি নতুন শপথ। গতবছরের জুলাইয়ে দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের যে ঐক্য ছিলো আমরা চাই সেই ঐক্য এই জুলাইয়ে আবারও সুসংহত হোক। কর্মসূচির মুল লক্ষ্য জনগণকে গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে সচেতন করা, রাজনীতির প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা জানানো এবং রক্তের ত্যাগ না ভোলা।

    আমাদের সামনের পথ অনেক কঠিন কিন্তু মস্তবড় সম্ভাবনাও আছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় জনগণ যখন জেগে উঠে কোনও শক্তিই তাকে রুখে দিতে পারে না। এ সময় এই জুলাইকে সবার গণজাগরণ ও ঐক্যের মাসে পরিণত করতে আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

  • মহানবী (সা.) ও মুসা (আ.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র আঁকায় চারজন কার্টুনিস্ট আটক

    মহানবী (সা.) ও মুসা (আ.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র আঁকায় চারজন কার্টুনিস্ট আটক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   তুর্কি পুলিশ স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ জুন) কমপক্ষে চারজন কার্টুনিস্টকে আটক করেছে, যাদের বিরুদ্ধে একটি কার্টুন আঁকা ও বিতরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ও বিক্ষোভকারীরা দাবি করছেন যে এই কার্টুনে মহানবী (সা.) ও মুসা (আ.)-কে চিত্রিত করা হয়েছে।

    একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গ-পত্রিকায় প্রকাশিত এই কার্টুনে একজন মুসলিম ও একজন ইহুদি ব্যক্তিকে ডানা ও আলোকচ্ছটাসহ হাত মেলাতে দেখা যায়, যেখানে নিচে বোমা পড়ছে।

    কার্টুনটি প্রকাশিত হওয়ার চার দিন পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। শত শত মানুষ ইস্তাম্বুলের প্রধান পর্যটন রাস্তায় ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে বিক্ষোভ করে এবং শরিয়া আইনের দাবি তোলে। তুর্কি কর্তৃপক্ষ দ্রুত পত্রিকাটির নিন্দা জানায়।

    দেশটির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আলি ইয়ারলিকায়া এই কার্টুনটিকে একটি উত্তেজনাপূর্ণ প্ররোচনা বলে অভিহিত করে বলেন, ‘যারা এমন কাজ করার সাহস দেখায়, তাদের আইনের সামনে জবাবদিহি করতে হবে।’

    তিনি এও উল্লেখ করেন যে এই কার্টুনটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা বাকস্বাধীনতার অধীনে সুরক্ষিত নয়।

    তুরস্কের প্রেসিডেন্সির যোগাযোগ প্রধান ফাহরেত্তিন আলতুন একে ‘আমাদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর নিচু স্তরের হামলা’ বলে অভিহিত করেন।

    দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় তুর্কি দণ্ডবিধির ২১৬ ধারা অনুযায়ী ‘ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি প্রকাশ্যে অবমাননা’-এর অভিযোগে এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।

    রাজনৈতিক ব্যঙ্গ-পত্রিকা ‘লেমান’, যারা ফ্রান্সের শার্লি হেবদো-এর মতো বিতর্কিত কার্টুনের জন্য পরিচিত, একটি বিবৃতিতে জানায় যে তাদের কার্টুনে মহানবী (সা.)-কে চিত্রিত করা হয়নি।

    পত্রিকাটি বলেছে, ‘এই কার্টুনটি নবী মুহাম্মদ (স.)-এর কোনো চিত্র নয়। এখানে ‘মুহাম্মদ’ নামটি ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে নিহত একজন মুসলিম ব্যক্তির নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইসলামিক বিশ্বে ২০ কোটিরও বেশি মানুষ মুহাম্মদ নাম ধারণ করে। এই কাজটি কোনোভাবেই নবী মুহাম্মদ (স.)-কে নির্দেশ করে না।’

    লেমান আরও বলেছে, ‘একজন নিহত মুসলিমকে তুলে ধরে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল নির্যাতিত মুসলিম জনগণের ন্যায়বিচারের দিকে আলোকপাত করা, ধর্মীয় মূল্যবোধকে ছোট করার কোনো ইচ্ছা নেই। আমরা আমাদের ওপর আরোপিত কলঙ্ক প্রত্যাখ্যান করছি, কারণ এখানে আমাদের নবীর কোনো চিত্রণ নেই।’

    পত্রিকাটি মন্তব্য করে, ‘এই কার্টুনকে এভাবে ব্যাখ্যা করা চরম দূর্নীতিপরায়ণতার পরিচয়’, তবে যারা আঘাত পেতে পারেন তাদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছে।

    বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামার পর, তুর্কি অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় কার্টুনিস্টদের গ্রেফতারের ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে তাদের পুলিশের হাতে ‘পা ও হাত বাঁধা’ অবস্থায় দেখানো হয়। .

    এছাড়াও ভিডিওতে ক্যাপশন দেয়া হয়, ‘তুমি আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী বা ন্যায়বিচার থেকে পালাতে পারবে না।’

    ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রীয় অফিসে বিক্ষোভকারীরা পত্রিকার দরজায় লাথি মারতে দেখা যায়। একটি ভিডিওতে একজন বিক্ষোভকারী চিৎকার করে বলছেন, ‘আমরা আমাদের নবীর জন্য জীবন দেব, জীবন নেব—কেউ আমাদের নবীর অবমাননা করতে পারবে না।’

    বিক্ষোভকারী ওই অফিসের সামনে এশার নামাজও আদায় করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইস্তাম্বুলের গভর্নর দাভুত গুল ঘোষণা করেন যে কার্টুনের সাথে জড়িত চারজনই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

    তবে কোনো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে কিনা, এ প্রসঙ্গে কোন পরিষ্কার ধারণা দেননি গুল। একটি বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি প্ররোচনামূলক কাজে জড়িত ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও নাগরিকদের ক্ষতি রোধে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    তবে ইস্তাম্বুলের কিছু গোষ্ঠী মঙ্গলবার (১ জুলাই) পত্রিকাটির বিরুদ্ধে আরও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।